Wednesday , 12 November 2025 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

চরলাপাং হয়তো থাকবেই না আগামী মানচিত্রে- মেঘনার গর্ভে বিলীন হতে বসা এক গ্রাম

প্রতিবেদক
নিউজ ডেক্স
November 12, 2025 4:46 pm

আরিফুল ইসলাম, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধ:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং- এক সময়ের প্রাণবন্ত ও সমৃদ্ধ জনপদ। ছয় সিট জুড়ে বিস্তৃত এই গ্রামের প্রতিটি কোণে ছিল জীবনের স্পন্দন। কিন্তু আজ সেই চরলাপাং হারানোর পথে। মেঘনা নদীর ভয়াল ভাঙনে একে একে হারিয়ে গেছে ১, ২, ৩, ৪ ও ৫ নং সিট। এখন টিকে আছে কেবল ৬ নং সিট — সেটিই তাদের শেষ আশ্রয়, শেষ লড়াই।

নদীভাঙনের গ্রাসে ইতিহাস স্থানীয়দের ভাষায়, চরলাপাংয়ের প্রায় ৯৫ শতাংশ এলাকা ইতোমধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

একসময় চার কিলোমিটার বিস্তৃত গ্রামটি এখন সঙ্কুচিত হয়ে দাঁড়িয়েছে মাত্র দেড় থেকে দুই কিলোমিটার এলাকায়। প্রতিদিনই মেঘনার ঢেউ এসে নতুন জমি, ঘরবাড়ি আর স্মৃতি গিলে খাচ্ছে।

এক বৃদ্ধ গ্রামের মানুষ কান্নাভেজা কণ্ঠে বলেন, “আমরা জমি হারাইছি, ঘর হারাইছি, এখন মনটাও হারায় ফেলছি।”

শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ঝুঁকিতে, বর্তমানে এই অবশিষ্ট সিটে রয়েছে- ৮টি মসজিদ, ২টি মাদ্রাসা, ২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি কিন্ডারগার্টেন, ৩টি মাছ চাষের পুকুর, ২টি বাজার।

এর মধ্যে পুরাতন বাজারটি ইতোমধ্যেই নদীর গর্ভে হারিয়ে গেছে। নতুন বাজারটিও এখন ভাঙনের মুখে।

মানুষদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ—সবকিছু বিলীন হয়ে যাবে।
জনসংখ্যা ও জীবিকা বর্তমানে চরলাপাং গ্রামে প্রায় ৬ হাজার ভোটার রয়েছে।

তিনটি ওয়ার্ড (১, ২ ও ৩ নং) নিয়ে গঠিত এই গ্রামের অধিকাংশ মানুষ কৃষিজীবী ও দিনমজুর।
তাদের মুখে একই আর্তনাদ- আমরা শুধু জমি হারাই নাই, শিকড় হারাইছি। এখন একটা সিটে গাদাগাদি কইরা বাঁচতাছি।”

সরকারের কাছে আবেদন- চরলাপাংবাসীরা বহুবার প্রশাসনের কাছে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও পুনর্বাসনের আবেদন করেছেন। কিন্তু আজও তেমন কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই।

এক স্থানীয় সমাজকর্মীর কণ্ঠে হাহাকার- “যদি এখনই বাঁধ না হয়, তাহলে চরলাপাং নামটা শুধু ইতিহাস বইতে থাকবে।” উপসংহার চরলাপাং আজ কেবল একটি গ্রামের নাম নয়- এটি হারিয়ে যেতে থাকা মানুষের আর্তনাদ, একটা ইতিহাসের বিলাপ।

মেঘনার ঢেউ প্রতিদিন যেন প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়- “চরলাপাং কি টিকবে আগামী প্রজন্মের মানচিত্রে?”
গ্রামবাসীর শেষ প্রার্থনা একটাই — “আমাদের বাঁচান, আমাদের চরলাপাং বাঁচান।”

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ভূমিকম্প আতঙ্কে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা

ডিমলায় দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে নারীদের বিশাল মিছিল

রোমে আলোচনা চলাকালে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলা

জাবির রিসার্চ সোসাইটির নতুন কমিটি ঘোষনা, সভাপতি রোম্মান, সম্পাদক রায়হান

ত্রিশালে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ পালন

পাঁচ বছরে বরিশালে তরমুজের আবাদ দ্বিগুণ হয়েছে

মধ্যনগরে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ

ভোটাধিকার রক্ষায় বাস চাই : কুবি প্রশাসনের কাছে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি

গাজীপুরে শীর্ষ সন্ত্রাসী অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার নিয়ে সেনাবাহিনীর প্রেস ব্রিফিং