Wednesday , 29 July 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

জিম্বাবুয়েতে ২১ কোটি বছর আগের ডাইনোসরের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা

প্রতিবেদক
বাসস
July 29, 2026 7:55 am

বিজ্ঞানীরা বুধবার জানান, জিম্বাবুয়েতে নতুন আবিষ্কৃত একটি ডাইনোসর প্রজাতি এসব প্রাণীর বৈচিত্র্য ও বিবর্তন সম্পর্কে নতুন ধারণা দিচ্ছে। এই আবিষ্কার থেকে ধারণা করা যাচ্ছে যে, দক্ষিণ আফ্রিকার আলাদা আলাদা বাস্তুতন্ত্রে ডাইনোসররা আলাদাভাবে বিস্তার লাভ করেছিল।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

বিজ্ঞানীরা জানান, নতুন প্রজাতিটির নাম মুসাঙ্গো মাতুসাডোনেনসিস। গত ২০১৮ সালে উত্তর জিম্বাবুয়ের কারিবা হ্রদের তীরে খনন করে পাওয়া একটি কঙ্কালের ভিত্তিতে এই প্রজাতি শনাক্ত করা হয়েছে। এটি দেশটিতে শনাক্ত হওয়া পঞ্চম ডাইনোসর প্রজাতি।

আন্তর্জাতিক জীবাশ্মবিদদের দল জানিয়েছে, প্রায় ২১ কোটি বছর আগে লেট ট্রায়াসিক যুগে এই ডাইনোসর পৃথিবীতে বসবাস করত। ওই সময় ডাইনোসররা পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছিল, তবে তখনও তারা স্থলভাগের প্রধান প্রাণী হয়ে ওঠেনি।

পরবর্তী যুগে বিবর্তিত বিশাল আকৃতির লম্বা গলার ডাইনোসরের তুলনায় মুসাঙ্গো ছিল অপেক্ষাকৃত ছোট ও হালকা গড়নের। এর দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ৪ দশমিক ৫ মিটার (১৫ ফুট) এবং ওজন আনুমানিক ২২২ কিলোগ্রাম (৪৯০ পাউন্ড)—যা একটি পূর্ণবয়স্ক শূকরের ওজনের কাছাকাছি।

স্থানীয় শোনা ভাষার ‘মুসাঙ্গো’ শব্দের অর্থ ‘ঝোপঝাড়ে বসবাসকারী’। এই শব্দ থেকেই ডাইনোসরটির নামকরণ করা হয়েছে।

লন্ডনের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের গবেষক পল ব্যারেট বলেন, ‘সম্প্রতি পর্যন্ত ধারণা করা হতো, দক্ষিণ আফ্রিকা জুড়ে বসবাসকারী ডাইনোসরগুলো মূলত একই ধরনের ছিল।’

তিনি বলেন, এই আবিষ্কার থেকে বোঝা যাচ্ছে, ওই অঞ্চল আসলে একাধিক আলাদা বাস্তুতন্ত্রে বিভক্ত ছিল এবং প্রতিটি বাস্তুতন্ত্রে ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির ডাইনোসর বসবাস করত।

ব্যারেট বলেন, ‘এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে এখন পর্যন্ত আমরা যা আবিষ্কার করেছি, তা সম্ভবত বিশাল এক অজানা জগতের সামান্য অংশ মাত্র।’

গবেষণার ফলাফল জার্নাল অব সিস্টেম্যাটিক প্যালিওন্টোলজি-তে প্রকাশিত হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানান, জিম্বাবুয়েতে পাওয়া একই সময়কালের ডাইনোসর জীবাশ্মগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম সম্পূর্ণ কঙ্কাল। এতে মেরুদণ্ড, পাঁজর, সামনের ও পেছনের পা এবং পায়ের হাড় সংরক্ষিত রয়েছে।

গবেষকদের ধারণা, মৃত্যুর সময় মুসাঙ্গোর বয়স ছিল প্রায় আট বছর এবং তখন এটি প্রায় পূর্ণবয়স্ক হয়ে উঠেছিল। হাড়ের পরীক্ষায় আরও দেখা গেছে, জীবদ্দশায় এটি গুরুতর আঘাত বা সংক্রমণ থেকে সেরে উঠেছিল।

যদিও এর মাথার খুলি এখনো পাওয়া যায়নি, গবেষকরা মনে করেন মুসাঙ্গো সম্ভবত তৃণভোজী অথবা সর্বভুক ছিল। নদী ও জলধারার পাশে জন্মানো উদ্ভিদ খেয়ে এটি বেঁচে থাকত।

২০২২ সালে জিম্বাবুয়ের বিজ্ঞানীরা আফ্রিকার সবচেয়ে প্রাচীন ডাইনোসরের দেহাবশেষ আবিষ্কার করেছিলেন। মবিরেসরাস রাথি নামের ওই ডাইনোসরটি প্রায় ২৩ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে বিচরণ করত।

ওই ডাইনোসরটির উচ্চতা ছিল প্রায় এক মিটার, লেজ ছিল লম্বা এবং এর ওজন ছিল সর্বোচ্চ ৩০ কিলোগ্রাম।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

শক্তিশালী বেলজিয়ামকে রুখে দিলো ইরান

জ্বর হলেই অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

জাবিতে ক্যাফেটেরিয়ার খাবারে আবারও মাছি-ধাতব টুকরো, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ সন্ধ্যায় এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হচ্ছে মির্জা আব্বাসকে

নেশার টাকা না পেয়ে বসতঘরে আগুন দেওয়ার অভিযোগ দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে

চৌদ্দগ্রামে গোসল করতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষক নিহত

এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত করতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সহযোগিতার নির্দেশ

মাইলস্টোন স্কুলে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে গুজব অস্বীকার করেছে আইএসপিআর

এক টানেই জালে ৪৬ মণ ইলিশ!

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে “Let’s Talk 3.0” সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত