Thursday , 10 September 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

‘রুমিন ফারহানা গালি দিলেন, নাকি দোয়া—কিছুই বুঝলাম না’: জামায়াত আমির

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
September 10, 2026 6:48 am

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সরকারি দলের সদস্যদের হট্টগোলের কারণে তার বক্তব্য বাধাগ্রস্ত হলে বক্তব্যের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানান বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে একটি বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। হট্টগোলের কারণে রুমিন ফারহানার বক্তব্য স্পষ্টভাবে শোনা যাচ্ছিল না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকারকে কয়েকবার হস্তক্ষেপ করতে হয়।

বক্তব্যে রুমিন ফারহানা বলেন, প্রত্যেক সরকারের একটি নিজস্ব চরিত্র থাকে। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, সারের সংকট কিংবা দুর্নীতির মতো বিষয়গুলো থেকে মুক্ত থাকবে—এমনটা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তার দাবি, বিএনপি ক্ষমতায় এলে এসব সংকট ও সমস্যার পুনরাবৃত্তি ঘটবে।

বর্তমানে দেশে ছয় লাখ ছয় হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণখেলাপি রয়েছে উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় আসবে আর বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ঋণখেলাপিতে সর্বোচ্চ স্থান অর্জন করবে না, সেটাও হতে পারে না। সুতরাং বিএনপি ক্ষমতায় আসা মানেই ঋণখেলাপিতে সর্বোচ্চ হওয়া।’

রুমিন ফারহানার বক্তব্যের একপর্যায়ে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা হট্টগোল শুরু করেন। এতে বক্তব্য দিতে সমস্যায় পড়েন তিনি। পরিস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে রুমিন বলেন, ‘এত অসহিষ্ণু সংসদ মনে হয় যেন একেবারে আওয়ামী লীগের আমলে ফিরে গেছি। আওয়ামী লীগকে যখন বলতাম, তখন তারাও হট্টগোল করতো।’ তিনি মন্তব্য করেন, বর্তমানের আচরণ বরং আরও খারাপ।

পরে বক্তব্যের সুযোগ নিশ্চিত করার পক্ষে অবস্থান নেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, একজন সংসদ সদস্যকে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু হট্টগোলের কারণে তার বক্তব্য কেউ শুনতে পারেনি। তিনি বলেন, বক্তব্যে কোনো অসংসদীয় কথা থাকলে ডেপুটি স্পিকার সেখান থেকে রুলিং দিতে পারেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী প্রয়োজন মনে করলে তার জবাব দিতে পারেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আজকে উনি কী বললেন আমরা তো একেবারেই বুঝতে পারলাম না। উনি কি গালি দিলেন, না দোয়া দিলেন—কিছুই বুঝলাম না।’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, ওই সংসদ সদস্য আদৌ বক্তব্য রাখার সুযোগ পেয়েছেন কি না এবং সংসদ সদস্য হিসেবে তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কি না।

তিনি আরও বলেন, ‘এর প্রতিকারটা কি হবে? রেকর্ড হবে কীভাবে? আমরাই তো শুনি নাই। রেকর্ডই তো হয় নাই।’ এ বিষয়টি স্পষ্ট করা জরুরি বলেও মন্তব্য করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

সর্বশেষ - লাইফস্টাইল

আপনার জন্য নির্বাচিত