বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
‎লিও ক্লাব অব কুবির নেতৃত্বে সফিকুল-সিয়াম চৌদ্দগ্রামে কনকনে শীতের রাতে ইউএনও’র কম্বল বিতরণ, খুশি শীতার্ত অসহায় শ্রমজীবীরা ঈদগাঁওয়ে লবণ কারখানার মেশিনে আটকে শ্রমিকের পা বিচ্ছিন্ন মান্দায় জাতীয় শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ তিস্তা নদীতে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের মহা উৎসব, ঝুঁকিতে তিস্তা ব্যারেজ পুবাইল থানা যুবদলের আংশিক কমিটি গঠন সভাপতি মুজিবুর-সম্পাদক সোহেল ‘মুই এহন এট্টু বাঁচতে পারমু’ আসিফ মাহমুদের বিতর্কিত বক্তব্যের প্রতিবাদে মুরাদনগরে ঝাড়ু মিছিল ‎কুবিতে ময়মনসিংহ বিভাগীয় স্টুডেন্টস অ্যালায়েন্সের নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় শ্রীবরদীতে বন্য হাতির আক্রমণে এক বৃদ্ধের মৃত্যু সুন্দরবনের বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় বৈদ্যমারী ফরেস্ট অফিসের টহল সাত বিষয়ে ৬০ নম্বরে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ প্রবাসে বিরামপুরের সাংবাদিকের মৃত্যু ভোটের মাঠে প্রশাসন থাকবে নিরপেক্ষ : ডিসি আরেফীন কোম্পানীগঞ্জে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মুক্তিযোদ্ধা দলের দোয়া মাহফিল মাভাবিপ্রবিতে ১১ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর কবর জিয়ারতে আসছেন তারেক রহমান কুবি’র প্রথম আলো বন্ধুসভার কার্যনির্বাহি কমিটি ঘোষণা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ছাত্র পরামর্শক হলেন ড. নাহিদা বেগম ত্রিশালে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার বানেশ্বর ভূমি অফিসের সামনে ১৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরায় দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা

মোঃ মহিম ইসলাম, মোংলা প্রতিনিধিঃ

সুন্দরবনের বাস্তুসংস্থান রক্ষা এবং কাঁকড়ার প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছরের মতো এবারও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কাঁকড়া ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং কাঁকড়ার নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে পহেলা জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে কাঁকড়া ধরার ওপর দুই মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা। ১ জানুয়ারী থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সুন্দরবনের নদ-নদী ও খালে কোনো ধরনের কাঁকড়া আহরণ করতে পারবেন না জেলেরা।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারী এই দুই মাস মূলত কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম। এ সময় মা কাঁকড়ারা ডিম ছাড়ে। এই সময়ে মা কাঁকড়াদের সুরক্ষা দিলে সুন্দরবনের নদ-নদীতে কাঁকড়ার সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

সুন্দরবনের ইকোসিস্টেম বা বাস্তুসংস্থানে কাঁকড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সময়টাতে কোনো বনজীবী যাতে বনে প্রবেশ করে কাঁকড়া শিকার করতে না পারে, সেজন্য কঠোর নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার ফলে সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল কয়েক হাজার জেলে সাময়িকভাবে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। উপকূলীয় অঞ্চলের অনেক জেলে জানান, সরকারি এই সিদ্ধান্ত তারা মেনে নিচ্ছেন ঠিকই, তবে এই দুই মাস তাদের জীবনধারণের জন্য বিশেষ সহায়তার প্রয়োজন।
আমরা বনের নিয়ম মেনেই চলি। এখন দুমাস কাঁকড়া ধরা বন্ধ থাকবে, এতে ভবিষ্যতে বড় ও বেশি কাঁকড়া পাওয়া যাবে। তবে এই সময়ে আমাদের জন্য সরকারি চাল বা বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলে ভালো হতো।

বন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সুন্দরবনের অভ্যন্তরে বনরক্ষীদের টহল জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি আইন অমান্য করে কাঁকড়া শিকার করেন, তবে তার বিরুদ্ধে বন আইনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সেই সঙ্গে জেলেদের পাসের (পারমিট) নবায়নও এই সময়ের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩