বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
গোয়াইনঘাটে সড়ক নির্মাণে বাঁধা গাছ: আটকে আছে রাস্তার উন্নয়ন কাজ ‎কুবিতে অবসরপ্রাপ্ত দুই কর্মকর্তার বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়া’র রুহের মাগফেরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল টঙ্গীতে পোশাক কারখানায় আবারও শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি বাউফলের চন্দ্রদ্বীপে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কালীগঞ্জে আড়াইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী ‘জামাই মেলা’ সিলেটে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ সভাপতি গ্রেফতার চবির ৫৬৫তম সিন্ডিকেটে ১৫৩ নিয়োগের অভিযোগ মিথ্যা : দুদক শ্রীবরদীতে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিএনপির দোয়া মাহফিল লালমনিরহাটে গাছে ঝুলে ছিল এক নবমুসলিমের লাশ ময়মনসিংহে পুলিশকে কুপিয়ে আসামি ছিনতাই : রাতভর অভিযানে গ্রেফতার ৭ ইউরোপীয় ইউনিয়নের গ্র্যান্ট পেল কুবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ প্রার্থীতা ফিরে পেলেন গোলাম আজম সৈকত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য কুয়েটে ভর্তির আবেদন শুরু : চলবে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত অবশেষে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন আলোচিত প্রার্থী আব্দুল্লাহ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো পিএইচডির সুপারিশ পেলেন ১৩ শিক্ষার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেলেন জয়পুরহাট-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার জবিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন সোচ্চারের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা জৈন্তাপুর থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে

বাঁশ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টায় কয়েকটি পরিবার

মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ, ঠাকুরগাঁওঃ

বাঁশের তৈরি বিভিন্ন উপকরণকে জীবিকার প্রধান বাহক হিসাবে আঁকড়ে রেখেছে ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়ার গুটি কয়েক পরিবারের কিছু মানুষ। এই বাঁশই বর্তমানে তাদের জীবিকার প্রধান বাহক। কিন্তু দিন দিন বাঁশের তৈরি বিভিন্ন পন্যের চাহিদা কমে যাওয়ায় ভালো নেই এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত কারিগররা।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা থেকে ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী বাশঁশিল্প। বাঁশের তৈরি পণ্যের কদর আর তেমন নেই বললেই চলে।
ঐতিহ্য হারাতে বসেছে এই শিল্পটি।

গ্রামীণ জনপদের মানুষ গৃহস্থলি, কৃষি ও ব্যবসা ক্ষেত্রে বাঁশের তৈরি সরঞ্জামাদি ব্যাবহার করলেও, এখন বিলুপ্তির পথে এ শিল্পটি।

এক সময় বাসা-বাড়ি, অফিস-আদালত সবখানেই ব্যবহার করা হতো বাঁশের তৈরি আসবাবপত্র। এখন সময়ের বিবর্তনে বদলে গেছে চিরচেনা সেই চিত্র। এরপরেও উপজেলার গুটি কয়েক পরিবারের মানুষ ঐতিহ্য ধরে রাখাসহ জীবন ও জীবিকার তাগিদে বাঁশ আর বেঁতশিল্পকে আঁকড়ে ধরে রেখেছেন।

বর্তমানে সল্প দামে হাতের নাগালে প্লাস্টিক সামগ্রী পাওয়াতে কদর বেড়ে যাওয়ায় কুটির শিল্পের চাহিদা এখন আর তেমন নেই।

অন্যদিকে বাজারগুলো দখল করে রেখেছে প্লাস্টিক, এলুম্যানিয়াম, স্টিলসহ বিভিন্ন দ্রব্য। তাছাড়াও প্লাস্টিক ও অন্যান্য দ্রব্যের পণ্য টেকসই ও স্বল্পমূল্যে পাওয়ায় সাধারণ মানুষের চোখ এখন সেগুলোর ওপর।

এছারাও বিভিন্ন পণ্য তৈরি করতে করা দামে বাশঁ ক্রয় করে আনতে হয় বিভিন্ন হাট বাজার থেকে।

তৈরিকৃত পন্য নিজেদের ব্যাবহারের পাশাপাশি, বাজারে বিক্রি করে চলতো তাদের জীবন-যাপন। তবে এখনও গ্রামীণ উৎসব ও মেলাগুলোতে বাঁশের তৈরি কুলা, চালুন, খাঁচা, মাচাং, মই, চাটাই, ঢোল, গোলা, ওড়া, বাউনি, ঝুঁড়ি, ডুলা, মোড়া, মাছ ধরার চাঁই, মাথাল, বইপত্র রাখার র‌যাকসহ বিভিন্ন পণ্য সাজিয়ে বসে আছেন এ পেশার কারিগররা।

প্রতিদিন তাদের তৈরি কিছু পণ্য বাজারের সপ্তাহের দুইহাট সহ গ্রাম-গঞ্জে নিয়ে ফেরি করলে, কিছু সৌখিন মানুষ আছে তাদের পণ্য কিনেন। বেলা শেষে যা বিক্রি হয় তা দিয়ে তরি-তরকারি কিনে বাড়ি ফেরেন তারা। এভাবেই তাদের জীবন-জীবিকা চলে। বর্তমান সময়ে দ্রব্যমুলের দাম বেশি হওয়ায়, স্বল্প আয়ের এ পেশায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান তারা।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩