চ্যাম্পিয়নশিপে নরউইচ সিটির কাছে হারের পর দ্রুতই জয়ের ধারায় ফিরেছে শেফিল্ড ইউনাইটেড। ব্ল্যাকবার্ন রোভার্সকে ২-১ গোলে হারানো ম্যাচে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তারকা হামজা চৌধুরীর দায়িত্বশীল ও পরিশ্রমী পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে।
এউড পার্কে শনিবারের হারের ধাক্কা কাটিয়ে জয়ে ফেরার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামে শেফিল্ড ইউনাইটেড। তবে ম্যাচের শুরুটা তাদের জন্য সহজ ছিল না। স্বাগতিক ব্ল্যাকবার্ন রোভার্স ক্রিস্টি মন্টগোমারির দুর্দান্ত গোলে প্রথমে এগিয়ে যায়।
গোল হজমের পর শেফিল্ডের মাঝমাঠ ও রক্ষণ সামলানোর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন হামজা চৌধুরী। বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা, প্রতিপক্ষের আক্রমণ ঠেকানো এবং দলের ভারসাম্য বজায় রাখতে পুরো ম্যাচে তার কার্যকর ভূমিকা ছিল। এ সময় গোলরক্ষক মাইকেল কুপারের দুটি দুর্দান্ত সেভও শেফিল্ডকে ম্যাচে টিকে থাকতে সহায়তা করে।
পরবর্তীতে টম ক্যানন ও সিডি পেকের পরপর দুটি গোলে ম্যাচে ফেরে শেফিল্ড ইউনাইটেড এবং শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে। ম্যাচ শেষে দলের পারফরম্যান্স খুব বেশি দৃষ্টিনন্দন না হলেও খেলোয়াড়দের লড়াইয়ের মানসিকতার প্রশংসা করেন কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার।
ওয়াইল্ডার বলেন, ‘দল আরও ভালোভাবে ম্যাচটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারত। তবে ক্লাবকে ঘিরে বাইরে অনেক আবেগ ও আলোচনা চলায় সমর্থকদের শান্ত থাকা প্রয়োজন।’
চলতি মৌসুমে ছয় ম্যাচে দুটি জয়, তিনটি ড্র ও এক হারে ৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে শেফিল্ড। দলটির অবস্থান নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই উল্লেখ করে ওয়াইল্ডার বলেন, ‘গত মৌসুমে দলের সেরা তিন সৃজনশীল খেলোয়াড়কে হারানোর পরও আমরা সুবিধাজনক অবস্থানে আছি।’
ব্ল্যাকবার্নকে হারানোর পর পয়েন্ট টেবিলের নবম স্থানে উঠে এসেছে শেফিল্ড ইউনাইটেড। শীর্ষে থাকা ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেডের চেয়ে তারা পিছিয়ে আছে মাত্র দুই পয়েন্টে। দলের ঘুরে দাঁড়ানোর অভিযানে হামজা চৌধুরীর পরিশ্রমী মানসিকতা ও ধারাবাহিকতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।



















