Thursday , 7 May 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  3. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আফ্রিকা মহাদেশ
  7. আবহাওয়া
  8. ইউরোপ মহাদেশ
  9. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  10. এশিয়া মহাদেশ
  11. কৃষি
  12. ক্যাম্পাস
  13. ক্রিকেট
  14. খেলাধুলা
  15. গণমাধ্যম

তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহায়তা চাইল বাংলাদেশ

প্রতিবেদক
বাসস
May 7, 2026 6:06 am

তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে (টিআরসিএমআরপি) চীনের সম্পৃক্ততা ও সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে দুই দেশ তাদের বিস্তৃত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বুধবার বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্ট হাউসে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

পরে এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয় ।

চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) পলিটিক্যাল ব্যুরোর সদস্য ও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র আমন্ত্রণে ৫-৭ মে চীন সফর করছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর চীনে এটি তার প্রথম সরকারি সফর।

বৈঠকে দুই পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা করে এবং একে অপরের মৌলিক স্বার্থ রক্ষা এবং প্রধান ইস্যুগুলো সমাধানে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

উভয় পক্ষ দু’দেশের বিস্তৃত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব এগিয়ে নিতে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পাঁচটি নীতি বজায় রাখা, উচ্চপর্যায়ের বিনিময়ের গতি অব্যাহত রাখা, রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা দৃঢ় করা এবং উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ‘এক চীন নীতি’র প্রতি তার দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে। ঢাকা স্পষ্ট করেছে, তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাংলাদেশ ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা’র যেকোনো ধরনের প্রচেষ্টার বিরোধিতা করে।

অন্যদিকে চীনও বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে
তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ এর প্রসার এবং অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিল্প, ডিজিটাল অর্থনীতি, পানি সম্পদ, স্বাস্থ্য ও জনগণের মধ্যে বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে সম্মত হয়।

বাংলাদেশি পক্ষ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগের প্রশংসা করে এবং চীনের প্রধান বৈশ্বিক উদ্যোগগুলোকে স্বাগত জানায়।

দুই পক্ষ জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালা, বহুপাক্ষিকতা, গণতন্ত্র এবং বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

আঞ্চলিক বিষয়ে বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় চীনের প্রস্তাবের প্রশংসা করে। উভয় পক্ষ অবিলম্বে পূর্ণ যুদ্ধবিরতি, বেসামরিক লক্ষ্যবস্তু রক্ষা, শান্তি ও নিরাপত্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং হরমুজ প্রণালী দিয়ে স্বাভাবিক চলাচল বজায় রাখার আহ্বান জানায়।

রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে চীন জানায়, তারা বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে আলোচনার মাধ্যমে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের সমস্যার পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করতে সহায়তা অব্যাহত রাখবে এবং প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টায় সক্ষমতা অনুযায়ী সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।

ড. খলিলুর রহমান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

সর্বশেষ - আইন-আদালত