Monday , 4 May 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  3. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আফ্রিকা মহাদেশ
  7. আবহাওয়া
  8. ইউরোপ মহাদেশ
  9. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  10. এশিয়া মহাদেশ
  11. কৃষি
  12. ক্যাম্পাস
  13. ক্রিকেট
  14. খেলাধুলা
  15. গণমাধ্যম

কিশোরগঞ্জে আড়াই হাজার হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে

প্রতিবেদক
বাসস
May 4, 2026 1:37 pm

কিশোরগঞ্জে টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে কিশোরগঞ্জে নতুন করে আরও আড়াই হাজার হেক্টরের বেশি বোরো ধানের জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এ নিয়ে জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে সাড়ে ১২ হাজার হেক্টরে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ৪৯ হাজার কৃষক।

আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. সাদিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, অব্যাহত বৃষ্টি ও উজানের ঢলে হাওরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায়। পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অনেক কৃষকই পাকা ধান কাটতে পারছেন না। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।

এদিকে অতিবৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় সবজির ক্ষেতেও ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রোববার রাত থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে রোদ ওঠেছে। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে কৃষকের মনে।

জেলার নিকলী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

সোমবার সকাল ৯টায় কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জেলার ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীর পানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.২৬ মিটার। যা আগের দিনের তুলনায় ১০ সেন্টিমিটার বেশি। চামড়াঘাটে মেঘনা নদীর পানি ২.৯৫ মিটার। বৃদ্ধি পেয়েছে ১৭ সেন্টিমিটার। অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানি ২.৫৮ মিটার। বেড়েছে ১৮ সেন্টিমিটার।

তবে ভৈরব বাজার পয়েন্টে মেঘনা নদীর পানি কমে ১.৭২ মিটারে নেমেছে। যা গতকাল রোববারের তুলনায় ৫ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে।

পাউবো জানিয়েছে, সব নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষরো জানান, ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ জমির ধান তলিয়ে যাওয়ায় তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ধান শুকাতে না পেরে অল্প দামেই ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকেই৷ এতে অনেকেই ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। দ্রুত ধান কেটে ঘরে তোলার পরামর্শও দেয়া হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, রোববার বিকেল পর্যন্ত মাঠপর্যায়ের তথ্যমতে সাড়ে ১২ হাজার হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায় ক্ষতির পরিমাণ বেশি। ইতোমধ্যে জেলার হাওরাঞ্চলের ৬১ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। তবে বৃষ্টিপাত না বাড়লে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা কিছুটা কমতে পারে। তবে পরিস্থিতি এখনও ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আমাদের মাঠ পর্যায়ের লোকজন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করছে।

সর্বশেষ - সারাদেশ

আপনার জন্য নির্বাচিত