
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধটি আশানুরূপ ফল না দেওয়ায় এখন এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন। ট্রাম্প নিজেই উপলব্ধি করছেন যে যুদ্ধটি বিশেষ ভালো অবস্থায় নেই এবং উত্তেজনার পারদ আরও চড়ানোর মতো বিকল্পগুলো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বেশ সমস্যাসংকুল। কারণ, ইরানের ওপর আঘাত হানার পাল্টা চড়া মাশুল দেশটিকেও দিতে হবে।
ওয়াশিংটন ভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক কুইন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপন্সিবল স্টেটক্রাফটের ভাইস প্রেসিডেন্ট ত্রিতা পার্সি এক বিশ্লেষণে এমনটি বলেছেন।
তার বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরান ইতোমধ্যে তাদের পাল্টা আঘাত হানার সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। তারা এমনভাবে হামলা চালানোর সাহস ও সামর্থ্য দেখিয়েছে যা বিশ্ব অর্থনীতির ওপর বিপর্যয় নামিয়ে আনতে পারে। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য দেশগুলোর অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার সরাসরি প্রভাব মার্কিন অর্থনীতির ওপর পড়বে। এই ধরনের অর্থনৈতিক ঝুঁকি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইরান ও তার মিত্রদের প্রতি দ্রুত আঞ্চলিক হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি তৈরি করছে।
এক বিবৃতিতে ইউরোপীয় নেতারা ইরানের বাছবিচারহীন হামলার নিন্দা জানান এবং উত্তেজনা কমানোর ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে বেসামরিক মানুষ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষার আহ্বান জানান।তারা বিশেষভাবে জ্বালানি ও পানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ রাখার জন্য একটি সাময়িক বিরতির কথাও বলেছেন।