Author: স্পোর্টস ডেস্ক

  • ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে হারের সাক্ষী হলেন ব্রাজিল তারকা নেইমার

    ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে হারের সাক্ষী হলেন ব্রাজিল তারকা নেইমার

    ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে হারের সাক্ষী হলেন ব্রাজিল তারকা নেইমার। ম্যাচ শেষে তাই আবেগ সামাল দিতে পারলেন না নেইমার। মাঠে বসেই কাঁদতে শুরু করলেন ব্রাজিল তারকা।

    বাংলাদেশ সময় সোমবার (১৮ আগস্ট) সকালে ভাস্কো দা গামার বিপক্ষে ৬–০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে নেইমারের সান্তোস।

    ব্রাজিলিয়ান লিগ সিরি আর এই ম্যাচে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়তে পারেনি নেইমারের দল। ম্যাচের প্রথমার্ধে অবশ্য একটি গোল খায় সান্তোস। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ভাস্কো দা গামা একে একে পাঁচবার বল জড়ায় নেইমারদের জালে।

    এই ম্যাচের আগে নেইমারের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় হার ছিল ৪–০ গোলের। ২০১১ সালে সান্তোসে খেলার সময় বার্সেলোনার বিপক্ষে (ক্লাব বিশ্বকাপের ম্যাচ) এবং ২০১৭ সালে বার্সেলোনায় খেলার সময় পিএসজির বিপক্ষে (চ্যাম্পিয়নস লিগে) এমন হারের স্বাদ পেয়েছিলেন তিনি।

    কিন্তু এদিন সেই দুই হারও যে পেছনে পড়ে গেল। ২০১৪ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্বাগতিক ব্রাজিল জার্মানির কাছে ৭–১ গোলে বিধ্বস্ত হলেও সে ম্যাচে চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন নেইমার।

    এদিন ম্যাচের আগে স্বাভাবিকভাবেই সবার চোখ ছিল নেইমার ও তার জাতীয় দল সতীর্থ ফিলিপে কুতিনহোর দিকে। নেইমার প্রতিনিধিত্ব করছিলেন সান্তোসের আর কুতিনহো ভাস্কো দা গামার।

    মাঠের লড়াইয়ে কুতিনহোর দলের সামনে নেইমাররা যে দাঁড়াতেই পারেননি, সেটি স্কোরলাইন-ই বলে দিচ্ছে। এমনকি ব্যক্তিগতভাবেও এই ম্যাচে জয় হয়েছে কুতিনহোরই। ভাস্কো দা গামার ৬ গোলের দুটিই এসেছে সাবেক লিভারপুল ও বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডের পা থেকে। গোল দুটি হয় ম্যাচের ৫৪ ও ৬২ মিনিটে।

    দুর্দান্ত এই জয়ে অনেকটাই উপরে উঠে এসেছে ভাস্কো দা গামা। ১৮ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে ১৬ নম্বর অবস্থানে আছে তারা। অন্যদিকে এক ম্যাচ বেশি খেলে ২১ পয়েন্ট নিয়ে সান্তোস আছে ১৫ নম্বরে।

    ম্যাচ শেষে নেইমার বলেন, ‘আমি লজ্জিত। আমাদের পারফরম্যান্সে আমি সম্পূর্ণ হতাশ। সমর্থকদের প্রতিবাদের পুরোপুরি অধিকার আছে, অবশ্যই সহিংসতা পরিহার করে। তারা যদি গালি দেয় বা অপমান করে, সেটারও অধিকার তাদের আছে।’

    নেইমারের ভাষায়, ‘এটা চরম লজ্জার অনুভূতি। জীবনে কখনো এমনটা হয়নি। দুর্ভাগ্যবশত এবার হলো। কান্না এসেছিল রাগ থেকে, যা ঘটেছে সবকিছুর জন্য। দুর্ভাগ্যবশত আমি সবদিক দিয়ে সাহায্য করতে পারি না। যা–ই হোক, পুরো ব্যাপারটাই ছিল একেবারে বাজে, এটাই বাস্তবতা।’

    এদিকে সান্তোসের এই বড় হারের কিছুক্ষণ পরই ক্লাবটির প্রধান কোচ ক্লেবার হাভিয়েরকে বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য শুভকামনা জানিয়ে হাভিয়েরকে ছাঁটাইয়ের কথা নিশ্চিত করেছে সান্তোস।

  • ইংলিশ চ্যানেল সাঁতারে ইতিহাস গড়ার পথে হাওর পাড়ের হিমেল

    ইংলিশ চ্যানেল সাঁতারে ইতিহাস গড়ার পথে হাওর পাড়ের হিমেল

     

    দিনার, নিকলী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

    কিশোরগঞ্জের হাওর অধ্যুষিত নিকলীতে পানির সঙ্গে বেড়ে ওঠা যুবক ছোটবেলার লালিত স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে এ যাত্রায় নামছেন সাতরে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার লড়াইয়ে। জাতীয় সাঁতার দলের সাবেক তারকা নাজমুল হক হিমেল জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা যায়।

    কিশোরগঞ্জের নিকলীতে জন্ম ও বেড়ে ওঠা হিমেল।

    ১৯৯৭ সালে বাবা আবুল হাসেমের মাধ্যমে সাঁতারে হাতেখড়ি। আবুল হাসেম ছিলেন আশির দশকের জাতীয় সাঁতারু। জাতীয় সুইমিং ফেডারেশনের সাবেক সদস্য ও নিকলী সুইমিং ক্লাবের কোচ।

    চার ভাই-বোনের মধ্যে তৃতীয় হিমেল। কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী উপজেলার এই কৃতী সাঁতারুর প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সাঁতারে হাতেখড়ি সাবেক সাঁতারু মোঃ সোলায়মানের মাধ্যমে ১৯৯৮ সালে। তারপর জাপানি কোচের অধীনে ছিলেন তিন বছর। পরের সময়টুকু চীনা কোচের অধীনে। সাঁতারের পথচলায় সব মিলে ১০ বছর এই তিনজনের অধীনেই ছিলেন হিমেল।

    এ সময়ের মধ্যে ১৯৯৮ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে জাতীয় বয়সভিত্তিক সাঁতারে ২০টি স্বর্ণ, ১৫টি রৌপ্য পদক নিজের ঝুলিতে পুরেছেন এই সাঁতারু। ২০০৬ সালে বয়স গ্রুপে নির্বাচিত হয়েছেন সেরা সাঁতারু। ২০০৬ থেকে ২০০৮ সালে জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতায় অর্জন পাঁচটি স্বর্ণ ও চারটি রৌপ্যপদক। এই সময়কালে বয়সভিত্তিক সাঁতারে গড়েছেন ছয়টি জাতীয় রেকর্ড। ২০০৮ সালে ঢাকায় দ্বিতীয় ইন্দো-বাংলা গেমসে এক স্বর্ণ ও দুই রৌপ্য জয় করেন।

    বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিকেএসপি থেকে ২০০৬ সালে এসএসসি ও ২০০৮ সালে এইচএসসি পাস করার পর হিমেল উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমান চীনে। সেখানে বেইজিং স্পোর্টস ইউনিভার্সিটি থেকে ২০০৯-২০১৩ সেশনে শারীরিক শিক্ষায় স্নাতক ডিগ্রি লাভকরেন। একই বিষয়ে ২০১৩-২০১৬ মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। এই সময়ের মধ্যে অল বেইজিং ইন্টারন্যাশনাল ফরেন স্টুডেন্টস সাঁতার চ্যাম্পিয়নশিপ ২০১২-তে চ্যাম্পিয়ন, ২০১২ ও ১৩ সালে ৮০০ মিটার ওপেন ওয়াটার চ্যাম্পিয়নশিপ কুনমিং, চীনে এক স্বর্ণ এক রৌপ্য জয় করেন।

    চীনে তিনি সাঁতারে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখানে দীর্ঘদিন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন তার লক্ষ্য ইংলিশ চ্যানেল জয়ের স্বপ্ন, যেটি বিশ্বব্যাপী একজন সাঁতারুর জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত। সফল হলে বাংলাদেশি সাঁতারু হিসেবে ৩৭ বছর পর ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমের কীর্তি গড়বেন । এর আগে ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশি সাঁতারু মোশাররফ হোসেন ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন। ১৯৬৫ সালে আবদুল মালেক চ্যালেঞ্জ জয় করেন। তাদের আগে ১৯৫৮ থেকে ১৯৬১ পর্যন্ত তিন বছরে ছয়বার ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন সাঁতারু ব্রজেন দাস। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার কীর্তি গড়েন তিনি।

    হিমেল গত কয়েক বছর ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এক ঐতিহাসিক অভিযান ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার লক্ষ্যে। যদিও বাংলাদেশ গরম প্রধান দেশ, আর ইংলিশ চ্যানেল হচ্ছে বরফের সাগর। প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে, তবে শুধু ঠান্ডা পানিতে প্রস্তুতি নেওয়ার বড়ই অভাব রয়েছে। সে সমস্যা নিরসনে নিকলীর বরফ তৈরির ফ্যাক্টরীতে আইসবাতথে নিয়মিত অনুশীলন করছে। এর মধ্যে নিয়মিত চলছে সুইমিং, রানিংসহ শারীরিক প্রস্তুতি । তিনি সোয়াইজনী নদীতে সাঁতার কেটে নিয়মিত ৫-৭ কিলোমিটার পথ অনুশীলন করছেন। আর বরফ জমা ড্রামের ভেতরে ডুবে থেকে শরীরের সহ্যক্ষমতা বাড়ানোর কঠোর ট্রেনিং চালিয়ে যাচ্ছে তিনি।

    জাতীয় পর্যায়ে স্বর্ণজয়ী সাঁতারু নাদিমুল হক বলেন, হিমেল ভাই আমাদের অনুপ্রেরণা। আমরা চাই, তাঁর মতো একদিন আন্তর্জাতিক মানের সাঁতারু হতে।

    সাতার প্রতিযোগিতায় জাতীয় পর্যায়ে স্বর্ণপদক জয়ী জল কন্যা পুষ্প আক্তার বলেন, সাতারুদের জন্য ভীষণ চ্যালেঞ্জিং ইভেন্ট ইংলিশ চ্যানেলে নানা প্রতিকূলতায় সাতার কাটা। বাংলাদেশ হতে ৩৭ বছর পর ইংলিশ চ্যানেল সাঁতার কেটে পাড়ি দিতে যাচ্ছে আমাদের হাওরাঞ্চলের সন্তান হিমেল।

    নিকলী সুইমিং ক্লাবের প্রশিক্ষক জুবায়ের আহমেদ বলেন, এই নিকলী থেকে বেরিয়ে আসছে দেশসেরা অনেক সাঁতারু, যাদের অনেকের গলায় ঝুলেছে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পদক। তিনি ভারাক্রান্ত হয়ে বলেন, হিমেল নিজস্ব অর্থায়নে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিবে, এটায় কোন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান স্পনসর করেনি। নাজমুল হক হিমেল আমাদের গৌরব, ইংলিশ চ্যানেল বিজয়ের মাধ্যমে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের সুনাম বৃদ্ধি করবেন বলে আশাবাদী তিনি।।

    ইংলিশ চ্যানেলের চ্যালেঞ্জ নিয়ে সাঁতারু নাজমুল হক হিমেল ”জনপদ সংবাদ”কে বলেন, ব্রজেন দাস স্যার এবং মোশাররফ হোসেন স্যারের পর আমরা দুজন বাংলাদেশি যাচ্ছি। নিঃসন্দেহে এটা একটা ব্রেক-থ্রু। এটা গর্বের বিষয়। আশা করি এখন যে প্রজন্ম আছে তারাও আমাদের থেকে অনুপ্রেরণা পাবে। ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার মূল চ্যালেঞ্জ ঠান্ডা পানি। জাহাজ চলাচলের রাস্তা হওয়ায় বড় ঢেউয়ের মুখে পড়তে হয়। আবার জেলিফিশও আক্রমণ করতে পারে। হিমেল বলেন, পানির তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আমি চীনে ১৯ ডিগ্রিতে সাঁতার কেটেছি। তবে ১৫ ডিগ্রি হলে চ্যালেঞ্জিং হবে। ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে একজন সাঁতারুর ১০ লাখ টাকার মতো খরচ হচ্ছে। বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইনস আসা যাওয়ার টিকেট স্পন্সর করেছেন।

    যুক্তরাজ্যে গিয়ে ১০ দিন প্রস্তুতি নেবেন । ১৭ থেকে ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে সাগরে নামবেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

    নিকলীতে সাঁতারু তৈরির ইতিহাসঃ সাঁতারের শুরুটা হয়েছিল সদর ইউনিয়নের মীরাহাটি গ্রামের আবুল হাশেমের (৭০) হাত ধরে। আবুল হাশেম সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় স্থানীয় এক সাঁতার প্রতিযোগিতায় বড়দের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে চ্যাম্পিয়ন হন। তাঁর নাম ছড়িয়ে পড়ল চারদিকে। আবুল হাশেম জানালেন, পরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে থাকেন। ১৯৭৫ সালে জাতীয় পর্যায়ে একটি রৌপ্য, ১৯৭৭ সালে জাতীয় পর্যায়ে দুটি রৌপ্য এবং একই সালে ঢাকা বিভাগীয় আঞ্চলিক সাঁতার প্রতিযোগিতায় পাঁচটি স্বর্ণ জিতলেন।

    নিকলীর মধ্যে আবুল হাশেমই সাঁতার কেটে প্রথম সাফল্য পান। শুরুর দিকে তাঁকে দেখেই স্থানীয় অনেকেই সাঁতারে আসতে থাকলেন। আর ১৯৯৩ সালে কারার মিজান সাফ গেমসে স্বর্ণপদক জেতার পর সেটা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

  • শান্তর নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে বিস্মিত বিসিবি

    শান্তর নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তে বিস্মিত বিসিবি

    ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব আগেই ছেড়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। শনিবার (২৮ জুন) শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের পর আচমকা লাল বলের ক্রিকেটেও অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

    শান্ত এমন আচমকা সিদ্ধান্ত জানাবেন, তা ভাবনাতে ছিল না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিসিবি পরিচালক নাজমুল আবেদিন ফাহিম এমনটাই জানালেন, ‘তার (শান্ত) নিজস্ব কিছু চিন্তা-ভাবনা আছে (তিন ফরম্যাটে ৩ অধিনায়ক)। শুধু টেস্টে ক্যাপ্টেন্সি করার আগ্রহ ওর কম ছিল, সে কারণেই বোধহয় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিছুটা বলার চেষ্টা করেছে। আমাদের আলোচনা হয়েছিল। তবে এ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেবে এটা আশা করিনি।’

    বিসিবি পরিচালক নাজমুল আবেদিন ফাহিম এর ধারণা ছিল এটা হলেও (টেস্ট নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা) আরও পরে হবে। আজকেই হবে এটা আশা করিনি। অপশন নিয়ে চিন্তা করিনি। আমার ধারণা ছিল শান্তই কন্টিনিউ করবে। করলে খুব ভালো হতো। এখন আমাদের ভাবতে হবে নতুন করে।

    শান্ত টেস্টে নেতৃত্ব চালিয়ে গেলে ভালো হতো বলে মনে করেন বিসিবি পরিচালক। ওর নেতৃত্বগুণ আমি কাছ থেকেও দেখেছি, ভালো ক্যাপ্টেন্সি করেছে। সে ভালো একজন নেতা। তবে তার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাই। আশা করব ব্যাটার হিসেবে ভালো খেলতে থাকবে। ক্যাপ্টেন না থাকলেও ওর যে নেতৃত্বগুণ তা দিয়ে দলের জন্য অবদান রাখবে। শান্তকে শুভকামনা জানাই।’

  • রংপুরে প্রতিভার ঘাটতি নেই, অভাব শুধু প্ল্যাটফর্মের: বিসিবি সভাপতি বুলবুল

    রংপুরে প্রতিভার ঘাটতি নেই, অভাব শুধু প্ল্যাটফর্মের: বিসিবি সভাপতি বুলবুল

     

    আনোয়ারুল ইসলাম রনি, রংপুর প্রতিনিধিঃ

    “ঢাকায় বসে রংপুরের বাস্তবতা অনুধাবন করা সম্ভব নয়। তাই নিজে এসেছি মাঠে, বাস্তব চিত্র দেখতে,”—বললেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি ও সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

    আজ শনিবার সকালে রংপুর ক্রিকেট গার্ডেনে স্থানীয় ক্রিকেটার ও ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি জানান, রংপুরে প্রতিভার সংকট নেই, কিন্তু এই প্রতিভাকে গড়ে তুলবার মতো পর্যাপ্ত প্ল্যাটফর্ম এখনো গড়ে ওঠেনি।

    বুলবুল বলেন, “চার দিনের ক্রিকেট হোক, এক দিনের ম্যাচ, কিংবা স্কুল ক্রিকেট, প্রতিটি ক্ষেত্রেই রংপুর নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে। এর মানে, এখানকার ছেলেদের মেধা আছে, দরকার শুধু একটি শক্তিশালী কাঠামো ও সুপরিকল্পিত বাস্তবায়ন।”

    বিকেন্দ্রীকরণে জোর

    বিসিবি সভাপতি জানান, এখন আর সব কিছু ঢাকাকেন্দ্রিক না রেখে রাজশাহী ও রংপুরকে একত্র করে একটি জোন হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এই জোনে প্রিমিয়ার লিগ, নারী ক্রিকেট, কোচিং, ট্যালেন্ট হান্ট কার্যক্রম চালু করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় আম্পায়ার, কোচ ও ক্রীড়া সংগঠকদের সম্পৃক্ত করে গড়ে তোলা হবে ‘রংপুর ক্রিকেট বোর্ড’ নামক একটি আলাদা কাঠামো।

    সংস্কৃতি গড়ার প্রত্যয়

    রংপুরের ক্রীড়াঙ্গনে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা প্রসঙ্গে বুলবুল বলেন, “গত ২১ বছরে মাত্র ৩-৪ বার ক্রিকেট লিগ হয়েছে—এটা অত্যন্ত হতাশাজনক। আমরা এমন একটি সংস্কৃতি গড়তে চাই, যেখানে নিয়মিত খেলা হবে, মেধার ভিত্তিতে সিলেকশন হবে, স্বজনপ্রীতি থাকবে না।”

    রংপুরের উন্নয়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টা চান বুলবুল

    তিনি বলেন, “সঠিক প্রশিক্ষণ, কোচিং ও ক্রীড়াশিক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। তবে এ যাত্রায় শুধু বোর্ড নয়, রংপুরবাসীকেও এগিয়ে আসতে হবে। আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, ইনশা আল্লাহ তা বাস্তবায়ন করব।”

    মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রংপুরের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আশরাফুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রমিজ আলম, বিসিবি সভাপতির উপদেষ্টা আবিদ হাসান সামি, জাতীয় নারী দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা, জাতীয় দলের সাবেক অলরাউন্ডার নাসির হোসেন এবং জেলা ক্রীড়া অফিসার মাসুদ রানা প্রমুখ।

  • শ্রীলঙ্কায় সিরিজ খোয়ালো বাংলাদেশ, দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে লজ্জার হার

    শ্রীলঙ্কায় সিরিজ খোয়ালো বাংলাদেশ, দ্বিতীয় টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে লজ্জার হার

     

    মোঃ নাসরুল্লাহ সাকিব, ঢাকা প্রতিনিধিঃ

    শ্রীলঙ্কার মাটিতে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে জয় তো দূরের কথা, অন্তত লড়াইটুকুও ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম টেস্ট ড্র হলেও দ্বিতীয় টেস্টে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ইনিংস ও ৭৮ রানে হেরে সিরিজ খুইয়ে ফিরেছে টাইগাররা।

    কলম্বোতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করেছিল ২৪৭ রান। জবাবে শ্রীলঙ্কা তাদের ইনিংসে তোলে ৪৫৮ রান-তাতে ২১১ রানের বড় লিড পায় স্বাগতিকরা।

    বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে শুরু থেকেই চাপে ছিল। তৃতীয় দিন শেষে ৬ উইকেটে ১১৫ রান তুলে দিন শেষ করে বাংলাদেশ, তখনও ৯৬ রানে পিছিয়ে। বাকি ৪ উইকেট নিয়ে লড়াই করে ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ানো ছিল কঠিন চ্যালেঞ্জ।

    চতুর্থ দিনের শুরুতেই শেষ হয়ে যায় আশা। একমাত্র স্বীকৃত ব্যাটার লিটন দাস দিনের শুরুতে ৪ বল খেলে ১৪ রানে বিদায় নেন। এরপর একে একে ফেরেন বাকি ব্যাটাররাও। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস থামে মাত্র ১৩৩ রানে।

    শ্রীলঙ্কার স্পিনার প্রবাথ জয়াসুরিয়া ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ের সবচেয়ে বড় বাধা। দুই ইনিংসেই তার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে কাঁপে টাইগাররা।

    সিরিজের প্রথম টেস্ট ড্র হলেও দ্বিতীয় ম্যাচের এই বিশাল পরাজয় আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো, টেস্ট ক্রিকেটে এখনো অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ। বিশেষ করে টপ অর্ডার ব্যাটিং ও স্পিন মোকাবেলায় দুর্বলতা স্পষ্ট।

    এই সিরিজ হার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপেও বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও দুর্বল করে দিয়েছে। আগামী সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে হলে এখনই দরকার পরিকল্পিত প্রস্তুতি ও আত্মবিশ্লেষণ।

  • লর্ডসে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দক্ষিণ আফ্রিকা, ‘চোকার’ তকমা মুছে ফেলার সুবর্ণ সুযোগ

    লর্ডসে ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে দক্ষিণ আফ্রিকা, ‘চোকার’ তকমা মুছে ফেলার সুবর্ণ সুযোগ

     

    মোঃ নাসরুল্লাহ সাকিব, ঢাকা প্রতিনিধি:

    একটা সময় ছিল, যখন ‘চোকার’ শব্দটাই যেন দক্ষিণ আফ্রিকার সমার্থক হয়ে উঠেছিল। অথচ আজ লর্ডসে দাঁড়িয়ে সেই নাম মুছে ফেলার মতো বাস্তব সম্ভাবনার মুখে প্রোটিয়ারা। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের তৃতীয় আসরের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় পেতে তাদের দরকার মাত্র ৬৯ রান, হাতে আছে ৮টি উইকেট।

    টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে ২৮২ রানের লক্ষ্য তাড়া করাটা সহজ ছিল না। তার ওপর আইসিসির কোনো ফাইনাল ম্যাচে অতীত পরিসংখ্যান দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে কথা বলছিল না। কিন্তু এইডেন মার্করামের ব্যাট যেন বদলে দিয়েছে সেই দৃশ্যপট। তিনি খেলেছেন এক অনবদ্য সেঞ্চুরি, যেটি শুধু রান সংখ্যায় নয়, গুরুত্বেও ইতিহাসে ঠাঁই পাওয়ার মতো।

    প্রোটিয়াদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো ব্যাটার আইসিসি ফাইনালে করলেন সেঞ্চুরি। মার্করামের ১৫৯ বলে ১০২ রানের ইনিংস কেবল ম্যাচকেই এগিয়ে নেয়নি, বরং পুরো জাতিকে এক নতুন স্বপ্ন দেখিয়েছে।

    সঙ্গী ছিলেন অধিনায়ক বাভুমা, যিনি ইনজুরির মধ্যেও ব্যাট হাতে দাঁড়িয়ে গেছেন দায়িত্বশীলতায়। আর ওপেনার রিকেলটন ফিরে গেলেও মার্করাম ও মুল্ডারের জুটি ম্যাচে ধারাবাহিকতা এনে দেয়। পরে বাভুমাকে সঙ্গী করে তিনি এগিয়ে চলেন লক্ষ্যের দিকে।

    এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে মার্করাম নাম লিখিয়েছেন বহু রেকর্ডের পাশে। লর্ডসে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে সেঞ্চুরি করা মাত্র তৃতীয় ব্যাটার তিনি। তার আগে ছিল স্টিভ স্মিথ ও ট্রাভিস হেড। আইসিসি ফাইনালে লর্ডসে সেঞ্চুরি করা ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি ক্লাইভ লয়েড ও ভিভ রিচার্ডসের কাতারে ঢুকে পড়েছেন তিনি।

    দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটের ২৭ বছরের শিরোপাহীন যাত্রা এবার হয়তো বদলাতে যাচ্ছে। আজ শনিবার চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনেই নিশ্চিত হতে পারে সেই কাঙ্ক্ষিত ট্রফি।

  • ওয়ানডে নেতৃত্বে রদবদল: শান্ত বাদ, দায়িত্বে মিরাজ

    ওয়ানডে নেতৃত্বে রদবদল: শান্ত বাদ, দায়িত্বে মিরাজ

    মোঃ নাসরুল্লাহ সাকিব, ঢাকা প্রতিনিধি:

    বাংলাদেশ ওয়ানডে দলে নতুন অধিনায়ক হয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। শান্তর পরিবর্তে দায়িত্ব পাওয়া এই অলরাউন্ডারের সামনে এখন বড় দায়িত্ব, দলকে মাঠে নেতৃত্ব দেওয়া এবং পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা ধরে রাখা। লড়াকু মানসিকতা, বুদ্ধিদীপ্ত খেলা আর চাপের মধ্যে নিজেকে প্রমাণ করার শক্তি থেকেই মিরাজকে বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

    নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর মিরাজ বলেন, “দেশের নেতৃত্ব দেওয়া আমার স্বপ্ন ছিল। বোর্ড যে আস্থা রেখেছে, আমি সেটার মর্যাদা রাখতে চাই। আমরা ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলব, আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলব।” তার নেতৃত্বে টাইগারদের প্রথম সিরিজ হবে শ্রীলঙ্কার মাটিতে জুলাই মাসে।

    এই সফরে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ, যা মিরাজের অধিনায়কত্বের প্রথম বাস্তব পরীক্ষা। দেশের মাটিতে হোক কিংবা বিদেশে মিরাজ বরাবরই দলে একজন নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

    বোলিংয়ে দারুণ ধার থাকার পাশাপাশি ব্যাট হাতেও মিরাজ সময়ের সঙ্গে উন্নতি করেছেন। ভারত, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান সব দলের বিপক্ষেই রয়েছে তার ইনিংস-বাঁচানো ও ম্যাচ জেতানো পারফরম্যান্স। অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায় থেকেই নেতৃত্বে অভ্যস্ত মিরাজ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিণত একজন ক্রিকেট সেনানী।

    বিসিবির এই সাহসী সিদ্ধান্তে যেমন ভরসা রাখছেন ক্রিকেটবোদ্ধারা, তেমনি ভক্ত-সমর্থকরাও আশায় বুক বাঁধছেন। তিন ফরম্যাটে আলাদা তিন নেতা নিয়ে বাংলাদেশ এখন ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে এক নতুন গল্প রচনার আশায়।

  • পারভেজের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে আরব আমিরাতের বিপক্ষে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

    পারভেজের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে আরব আমিরাতের বিপক্ষে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

    বাকিরা যখন ছিলেন আসা-যাওয়ার মধ্যে, তখন থিতু হলেন পারভেজ ইমন। লড়লেন একাই। সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে গড়লেন রেকর্ডও।

    যদিও দল দুইশ’ সংগ্রহ ছাড়াতে পারেনি।

    জবাব দিতে নেমে ভালোই লড়েছে আরব আমিরাত। তবে জয় তুলে নিতে পারেনি, হারতে হয়েছে ২৭ রানে।

    শারজাহতে শনিবার প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠায় আমিরাত। আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। যা তাড়ায় নেমে ১৬৪ রানের বেশি করতে পারেনি স্বাগতিকরা। হারায় সবগুলো উইকেট।

    দ্বিতীয় ওভারে তানজিদ হাসান তামিমকে (১০) হারিয়ে শুরু হয় বাংলাদেশের ইনিংস। সদ্য অধিনায়ক হওয়া লিটন দাস তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি।

    স্রেফ ১১ রান আসে তার ব্যাট থেকে। চারে নেমে তাওহীদ হৃদয়ের অবস্থাও হয় একই। ১৫ বলে ২০ রান করে তিনি বিদায় নেন। ২ রান করে ফেরেন শেখ মাহেদিও।

    লড়তে থাকা ইমন ২৮ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়ে এগোতে থাকেন শতকের দিকে। এর মধ্যে জাকের আলি অনিক এতে ১৩ রানে বিদায় নেন। আর ৬ রান করে এলবিডব্লিউ হন শামিম পাটোয়ারী।

    ১৯তম ওভারের শেষ বলে ইতিহাস গড়েন ইমন। স্রেফ ৫৩ বলে সেঞ্চুরি করেন তিনি। তামিমের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এই মাইলফলক অর্জন করেন এই ব্যাটার।

    তবে সাবেক এই ওপেনার থেকে দ্রুততম ছিলেন ইমন। যদিও পরের ওভারে বিদায় নেন তিনি। তার ৫৪ বলে ১০০ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৫ চার ও ৯ ছক্কায়। আমিরাতের হয়ে ৪ উইকেট নেন মোহাম্মদ জাওয়াদউল্লাহ।

    রান তাড়ায় নেমে ওপেনার মোহাম্মদ জোহাইবকে (৯) হারায় আমিরাত। এরপর তিনে নামা আলিসান শারাফু স্রেফ ১ রান করে বিদায় নেন।

    শুরুর এই ধাক্কা দ্রুত সামলে নেন মোহাম্মদ ওয়াসিম। তাকে সঙ্গ দেন রাহুল চোপড়া। তৃতীয় উইকেটে তারা গড়েন ৬২ রানের জুটি। ওয়াসিমকে বিদায় করে এই জুটি ভাঙেন তানজিম হাসান সাকিব। ৩৯ বলে ৫৪ রান করে ফেরেন আমিরাত ওপেনার।

    নিজের পরের ওভারে রাহুলকেও ফেরান সাকিব। ২২ বলে ৩৫ রান করেন আমিরাতের এই ব্যাটার। এরপর আসিফ খান ছাড়া কেউ দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি।

    ২১ বলে ৪২ রান করা আসিফ শিকার হন হাসান মাহমুদের। ৩ উইকেট শিকার করেন এই পেসার। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন মোস্তাফিজ, সাকিব ও মাহেদি।