Author: নিউজ ডেক্স

  • অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের দণ্ড থেকে খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

    অস্ত্র মামলায় ১৭ বছরের দণ্ড থেকে খালাস পেলেন লুৎফুজ্জামান বাবর

    সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বাসা থেকে অস্ত্র উদ্ধারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১৭ বছরের দণ্ড থেকে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

    বুধবার (১৯ মার্চ) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরিন আক্তারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

    সেনা সমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০২৭ সালের ২৮ মে বাবরের গুলশানের বাসার শোবার ঘর থেকে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করার অভিযোগে একই বছরের ৩ জুন রাজধানীর গুলশান থানায় এ মামলা হয়।

    বিচার শেষে একই বছরের ৩০ অক্টোবর ঢাকার মহানগর নয় নম্বর বিশেষ ট্রাইবুন্যাল আদালত বাবরকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেন।

    এ রায়ের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে ২০০৭ সালেই আপিল করেন। সেই আপিলের শুনানি শেষে বুধবার রায়ের জন্য দিন রাখা হয়।

    সেনা সমর্থিত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ২৮ মে আটক হন লুৎফুজ্জামান বাবর।  সেই থেকে প্রায় ১৭ বছর কারাবন্দি ছিলেন বিএনপির এই নেতা।

    এরপর বিভিন্ন মামলায় তার দণ্ড হয়। সেই সব মামলা থেকে খালাস ও জামিনের পর ১৬ জানুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্ত হন তিনি।

  • তুলসী গ্যাবার্ডের মন্তব্য নিয়ে যা বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    তুলসী গ্যাবার্ডের মন্তব্য নিয়ে যা বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং ইসলামিক খিলাফতকে কেন্দ্র করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড যে মন্তব্য করেছেন, সেটি গুরুতর বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

    মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

    যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ডের মন্তব্য নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবস্থান জানতে চান এক সাংবাদিক।

    জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যে প্রতিক্রিয়া (তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্যের) জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবস্থান ওটাই। ওনার (তুলসী গ্যাবার্ড) বক্তব্য গুরুতর।

    সোমবার (১৭ মার্চ) নয়াদিল্লিতে এনডিটিভি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তুলসী গ্যাবার্ড বলেছেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, ক্যাথলিক ও অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে চলমান দুর্ভাগ্যজনক নিপীড়ন, হত্যা ও অন্যান্য নির্যাতন যুক্তরাষ্ট্র সরকার, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের উদ্বেগের একটি প্রধান ক্ষেত্র। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নতুন মন্ত্রিসভা ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে আলোচনা মাত্র শুরু হচ্ছে, কিন্তু এটি উদ্বেগের মূল জায়গার একটি হয়ে রয়েছে।

    সোমবার রাতেই বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

    এক বিবৃতিতে সরকার বলেছে, আমরা গভীর উদ্বেগ ও হতাশার সঙ্গে তুলসী গ্যাবার্ডের বক্তব্য লক্ষ্য করেছি, যেখানে তিনি বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিপীড়ন ও হত্যা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে বলেছেন, ইসলামপন্থি সন্ত্রাসীদের হুমকি এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বৈশ্বিক তৎপরতা একই আদর্শ ও লক্ষ্য দ্বারা পরিচালিত হয়। সেই আদর্শ ও লক্ষ্য হলো ইসলামপন্থি খিলাফতের মাধ্যমে শাসন করা।

    তুলসী গ্যাবার্ডের এই মন্তব্য বিভ্রান্তিকর এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও সুনামের জন্য ক্ষতিকর উল্লেখ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বলেছে, বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে শান্তিপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইসলাম চর্চার জন্য সুপরিচিত এবং চরমপন্থা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অসাধারণ অগ্রগতি অর্জন করেছে।

    এদিকে স্থানীয় সময় সোমবার বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নবনিযুক্ত মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস সরাসরি কোনো জবাব দেননি।

  • ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন ফিরে পেলেন শফিক রেহমান

    ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন ফিরে পেলেন শফিক রেহমান

    দৈনিক ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার ডিক্লেয়ারেশন ফিরে পেয়েছেন বর্ষীয়ান সাংবাদিক শফিক রেহমান। মঙ্গলবার ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদের সই করা অফিস আদেশে এ তথ্য জানা যায়।

    ঢাকা জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (প্রকাশনা ও ছাপাখানা শাখা) নুসরাত নওশীন এ তথ্য জানিয়েছেন।

    এর আগে প্রকাশের ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে পত্রিকাটির সাবেক সম্পাদক শফিক রেহমানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় এই দৈনিকের ডিক্লেয়ারেশন বাতিল করে সরকার।

    অফিস আদেশ অনুযায়ী, দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকাটি প্রকাশের জন্য যে অনুমোদিত প্রেস রয়েছে সেখান থেকে ছাপা হচ্ছে না, কিন্তু প্রিন্টার্স লাইনে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হচ্ছে মর্মে শফিক রেহমান অভিযোগ জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার পর এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় পত্রিকাটি মুদ্রণের ডিক্লেয়ারেশন বা ঘোষণাপত্র বাতিল করা হয়।

    আদেশ অনুযায়ী, দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকা প্রকাশে ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, ১৯৭৩ এর ১০ ধারার লঙ্ঘন হয়েছে। এ কারণে ‘দৈনিক যায়যায়দিন’ পত্রিকার প্রকাশক ও মুদ্রাকর সাঈদ হোসেন চৌধুরীর নামে যে ঘোষণাপত্র ছিল তা বাতিল করা হয়।

  • জাবির ৯ শিক্ষক, ২৮৯ শিক্ষার্থী ও ৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী বহিষ্কার

    জাবির ৯ শিক্ষক, ২৮৯ শিক্ষার্থী ও ৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী বহিষ্কার

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ৯ শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে ২৮৯ শিক্ষার্থীকেও সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে, যারা কি না নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এছাড়া আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় আরও ১০ শিক্ষকের সংশ্লিষ্টতা ও অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য স্ট্রাকচার্ড কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসানের সভাপতিত্বে বিশেষ সিন্ডিকেট সভা শেষে সোমবার রাত ৩টার দিকে  এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এর আগে বেলা ১১টার দিকে সিন্ডিকেট সভা শুরু হয়।

    সাময়িক বহিষ্কার হওয়া শিক্ষকরা হলেন— সাবেক উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মোস্তফা ফিরোজ, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক বশির আহমেদ, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাজউদ্দীন শিকদার, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী ইকবাল, নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ইস্রাফিল আহমেদ রঙ্গন, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল হাসান তালুকদার, তৎকালীন প্রক্টর আলমগীর কবির, সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আ স ম ফিরোজউল হাসান ও ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক হুসনিয়ারা।

    যে ১০ শিক্ষকের জন্য স্ট্রাকচার্ড কমিটি গঠিত হয়েছে তারা হলেন— পলাশ সাহা, শফি মোহাম্মদ তারেক, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মনির উদ্দিন শিকদার, মহিবুর রউফ শৈবাল, আনোয়ার খসরু পারভেজ, সাইফুর রহমান ও অধ্যাপক এ এ মামুন।

    বহিষ্কার হওয়া ২৮৯ শিক্ষার্থীর পরিচয় জানা যায়নি। এদের মধ্যে ছাত্রত্ব শেষ হওয়া শিক্ষার্থীদের সনদপত্র স্থগিত ও স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পরীক্ষা দিয়েছেন এমন শিক্ষার্থীদের ফল স্থগিত বা বিশেষ ক্ষেত্রে সনদপত্র স্থগিত এবং নিয়মিত শিক্ষার্থীদের সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এদিকে, আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় সংশ্লিষ্টতার দায়ে জাবির সাবেক উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের পেনশন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া জাবির দুই কর্মকর্তা ও এক কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

  • কুমিল্লায় দাদার বিরুদ্ধে নাতনীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ, দাদী গ্রেফতার।

    কুমিল্লায় দাদার বিরুদ্ধে নাতনীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ, দাদী গ্রেফতার।

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ১১ বছরের এক শিশু কন্যাকে ধর্ষনের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে সৎ দাদা বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ দাদী আমেনা বেগমকে গ্রেফতার করেছে।

    ঘটনাটি ঘটেছে ১৪ মার্চ উপজেলার বাতিসার দৈয়রা পূর্বপাড়া। তথ্যটি সোমবার দুুপুরে নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হিলাল উদ্দিন আহাম্মেদ। গ্রেফতারকৃত আমেনা অভিযুক্ত সৎ দাদা নজরুল ইসলামের ২য় স্ত্রী।
    এ ঘটনায় শিশু কন্যার মা বাদী হয়ে দাদা ও দাদীর বিরুদ্ধে থানা মামলা দায়ের করেছেন।

    মামলা সূত্রে জানা যায় , গত ১৪ মার্চ বিকালে ১১ বছরের শিশু কন্যা বাতিসা কালিকাপুর সীমান্ত ২১১০/১১ নং পিলার এলাকায় ফুটবল মাঠে খেলছিলো। এ সময় তার সৎ দাদা নজরুল ইসলাম (৪৫) কৌশলে ঐ শিশু কন্যাকে ডেকে নিয়ে ঘরের ভিতরে দরজা বন্ধ করে ধর্ষনের চেষ্টা করেন। শিশুটি কান্না করলে তার দাদী আমেনা বেগম ঘরের দরজা খুলে দেখে তার দাদা তাকে ধর্ষনের চেষ্টা করছে।

    ধর্ষনের বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য দাদী তার শিশু নাতনীকে হুমকি দমকি দেন। তারপরও বিষয়টি শিশু কন্যা তার মা এবং বাবাকে অবহিত করলে গত ১৬ মার্চ স্থানীয় ভাবে একটি শালিসী সভা বসে। সভায় ঐ শিশু কন্যাটি প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করলে তার দাদী তাকে মারধর করে এবং প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। সভায় তার সৎ দাদা নজরুল ইসলাম ও শিশু কন্যাটিকে মারধরের চেষ্টা করে।

    চৌদ্দগ্রাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন জানান এ ঘটনায় শিশুটির মা দাদা নজরুল ইসলাম ও দাদী আমেনা বেগমকে আসামী করে ১৬ মার্চ রাতে একটি মামলা দায়ের করে। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দাদী আমেনা বেগমকে গ্রেফতার করতে পারলেও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রধান অভিযুক্ত সৎ দাদা নজরুল ইসলাম পালিয়ে যায়।

    শিশুটির বাবা অটোচালক বলেন আমি সারাদিন পরিশ্রম করি। গত একদিন আমিসমাজের কাছে এই অন্যায়ের বিচার চেয়েছিলাম,তারা আমাকে আইনের পরামর্শ দিয়েছেন। আমি এই অন্যায়ের বিচার চাই।

  • ‘ধর্ষণ’ শব্দ নিয়ে আপত্তি, দুঃখ প্রকাশ করে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার

    ‘ধর্ষণ’ শব্দ নিয়ে আপত্তি, দুঃখ প্রকাশ করে যা বললেন ডিএমপি কমিশনার

    সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী ‘ধর্ষণ’ শব্দটি এড়িয়ে চলার বিষয়ে বক্তব্য দিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন।

    এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। তবে এবার বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ডিএমপি কমিশনার।

    সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। সেই সঙ্গে নিজের সেই বক্তব্যের বিষয়টিও স্পষ্ট করেন তিনি।

    বিজ্ঞপ্তিতে দুঃখ প্রকাশ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রসঙ্গে আলোচনাকালে ধর্ষণকে বৃহত্তর পরিসরে নির্যাতন হিসেবে অভিহিত করেছি। আমার বক্তব্যে কেউ মনঃক্ষুণ্ন হলে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।

    এর আগে গত শনিবার (১৫ মার্চ) গণপরিবহণে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ‘হেল্প’ অ্যাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, ‘আমি দুটো শব্দ খুব অপছন্দ করি, এর মধ্যে একটি হলো ধর্ষণ। আপনাদের কাছে অনুরোধ, এটি ব্যবহার করবেন না। আপনারা ‘নারী নির্যাতন’ বা ‘নারী নিপীড়ন’ বলবেন। আমাদের আইনেও নারী ও শিশু নির্যাতন বলা হয়েছে। যে শব্দগুলো শুনতে খারাপ লাগে, সেগুলো আমরা না বলি।’

    তার এই বক্তব্যের পরপরই ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনরা পুলিশের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তার এমন মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ডিএমপি কমিশনারের এই বক্তব্য বাস্তবে ধর্ষকদের পক্ষ নেওয়ার শামিল।

    তিনি মনে করেন, এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এ ধরনের মন্তব্য প্রত্যাহার করা উচিত।

    অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনও ডিএমপি কমিশনারের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানায়।

    সবশেষ রোববার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টির তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় জানায়, ধর্ষণ ধর্ষণই, তা ৮ বছর বয়সি শিশু বা ৮০ বছর বয়সি বৃদ্ধা, যে কারও ক্ষেত্রেই হোক না কেন। এই ধরনের জঘন্য অপরাধকে তার যথাযথ নামেই ডাকা উচিত। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের কোনো নাগরিকের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সহিংসতা সহ্য করবে না।

  • ১২৭ পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে জরুরি বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

    ১২৭ পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে জরুরি বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের ১২৭ কর্মকর্তার সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    সোমবার (১৭ মার্চ) বেলা সোয়া ১১টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার তেজগাঁও কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন প্রধান উপদেষ্টা নিজেই।

    এর আগে রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মানুষের মধ্যে এক ধরনের উদ্বেগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সোমবার সারা দেশের মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা।

    তিনি জানান, পুলিশের উচ্চপদস্থ ১২৭ কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠকে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হবে। একইসঙ্গে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেবেন প্রধান উপদেষ্টা।

  • বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত,ডাঃ তাহের

    বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে জামায়াতের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত,ডাঃ তাহের

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

    জামায়াত একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় মন্তব্য করে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি ডাঃ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোঃ তাহের বলেছেন, মুসলমানদের সৃষ্টি হচ্ছে মানুষের কল্যাণের জন্য। মুসলমানরা যদি মানুষের কল্যাণ করে, সে সমাজটা ভালো হবে। বাংলাদেশে গত পনের বছরে একজনেই ২৩৫ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার করেছে। ইসলাম টাকা লুটপাট ও অসততা সমর্থন করে না। রাষ্ট্রপ্রধান যদি সৎ হতো, তাহলে এ ২৩৫ বিলিয়ন ডলার জনগণের জন্য খরচ হতো। এ টাকা জনগণের জন্য খরচ হলে চাল-ডালের ডাম কমে যেত, রাস্তাঘাট উন্নত হতো, ইন্ডাষ্ট্রি হতো, মানুষের কর্মসংস্থান হতো।

    যাকাত প্রথার মাধ্যমে মাত্র সাত বছরে দেশ অর্থনৈতিকভাবে এত সমৃদ্ধ হতো, যাকাত খাওয়ার মানুষ খুঁজে পাওয়া যেত না। যেমনিভাবে সৌদিআরবে যাকাত খাওয়ার মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না। আমরা জাতিসংঘকে বলেছি, একটি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ চাই। এখানে সকল মত ও রাজনৈতিক দলের অধিকার থাকতে হবে। জামায়াত মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চায়। একটি কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

    তিনি (১৬ মার্চ) রোববার বিকেলে চৌদ্দগ্রাম নজমিয়া কামিল মাদরাসা মাঠে পৌর জামায়াতের উদ্যোগে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মানে রমজানের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর এডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমীর মাহফুজুর রহমান, সাবেক আমীর ভিপি সাহাব উদ্দিন, সেক্রেটারী বেলাল হোসাইন। চৌদ্দগ্রাম পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাঃ ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ওপেলের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী মোঃ এয়াছিন ও ৬নং ওয়ার্ড জামায়াতের আমীর মাওলানা মফিজুর রহমান। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন শহীদ সাহাব উদ্দিন পাটোয়ারীর পিতা মাওলানা জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী। অনুষ্ঠানে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান, শিক্ষাবীদ ও রাজনীতিবীদ সাংবাদিক সহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • বন্ধুত্বের পরিচয়ে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে সব কিছু লুট!

    বন্ধুত্বের পরিচয়ে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে সব কিছু লুট!

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    চৌদ্দগ্রামে বন্ধুত্বের অভিনয় করে বেড়াতে এসে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে পরিবারের সকলকে অজ্ঞান করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা চান্দিশকরা গ্রামে। আহত তিনজনকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
    শনিবার সন্ধ্যা তথ্যটি নিশ্চিত করেন তারই ছোট ভাই চা দোকানদার জাকির হোসেন।

    স্ত্রানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই মাস আগে নাঙ্গলকোট থেকে খড় দিয়ে আসার পথে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার লাকসাম রোডে চান্দিশকরা পশ্চিম পাড়ার লোকমান মিয়ার চা দোকানের সামনে দাড়ায় হাকিম আলীর ট্রাক চালক। ট্রাকটির ত্রুটি মেরামত শেষ করে অনেকক্ষণ খোশগল্প করে বিদায় নিয়ে চলে হাকিম আলী। ফরিদপুরে বাড়ি এতটুকুই জানেন বন্ধু লোকমান হোসেন। এভাবে লোকমান মিয়ার সাথে হাকিম আলীর বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। প্রায় সময় ফরিদপুর থেকে মোবাইলে খোঁজখবর নিতেন লোকমান হোসেন ও তার পরিবারের।
    শুক্রবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় হাকিম আলী পৌর এলাকার কালির বাজারে ট্রাক থামিয়ে বন্ধু লোকমান হোসেনের জন্য ফরিদপুর থেকে দুইটি তরমুজ ও চার লিটার আখের রস নিয়ে চান্দিশকরায় লোকমান হোসেনের বাড়িতে বেড়াতে আসে। লোকমানের পরিবার পর্যন্ত মেহমানদারি করেন হাকিম আলীর। রাতে কৌশলে হাকিম আলী বন্ধু লোকমান ও পরিবারের সবাইকে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশানো আখের রস আর তরমুজ খাইয়ে দেন। কিছুক্ষণ পর তার ঘুমিয়ে পড়েন। সেহেরী খাওয়ার সময় লোকমানের ঘরে আলো না দেখে পাশের ঘরের সবজি ব্যবসায়ী সুরুজ মিয়া লোকমানের মুঠোফোনে কল দেন। দীর্ঘক্ষণ কল রিসিভ না হওয়ায় সুরুজ মিয়ার স্ত্রী ও ছেলের বউকে লোকমানের ঘরে পাঠান। তারা দেখতে পান-লোকমানের হোসেনের ঘরের দরজা খোলা এবং লোকমানের স্ত্রী ফাতেমা বেগম শুধু বমি করতেছে। বিষয়টি বুঝতে পেরে সুরুজ মিয়ার স্ত্রী ও ছেলের বউ চিৎকার করলে বাড়ির লোকজন ছুটে আসে। তারা দেখতে পান মেহমান হাকিম আলী ঘরের লোকমান হোসেন স্ত্রী ফাতেমা বেগম ছেলে আলা আমিনকে সহ সবাইকে অজ্ঞান করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে বাড়ির লোকজন আহতদের লোকমানের পরিবারের তিনজনকে উদ্ধার শেষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে উন্নত চিকিৎসার আহত লোকমান হোসেন, তার স্ত্রী ফাতেমা বেগম ও ছেলে আল আমিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়েছে।

    একই বাড়ির সবজি ব্যবসায়ী সুরুজ মিয়া বলেন, সেহেরীর সময় লোকমান হোসেনের ঘরে আলো না দেখে মুঠোফোনে কল করি। কিন্তু সাড়াশব্দ না পেয়ে আমার স্ত্রী ও ছেলের বউকে তাদের ঘরে পাঠিয়ে দেখি-চতুর বন্ধু নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে মূল্যবান মালামাল নিয়ে চলে যায়।

    লোকমান হোসেনের ভাই চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ ওয়াপদা রোডের চা দোকানদার জাকির হোসেন বলেন, ‘আমার ভাই লোকমান হোসেনের ক্ষনিকের বন্ধু হাকিম আলী নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে ঘরের থাকা নগদ এক লাখ টাকা ও চার ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুটে নিয়ে যায়। মালামাল লুট করতেই বন্ধুত্বের ফন্দি করেছিল চতুর হাকিম আলী। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমি প্রশাসনের নিকট অনুরোধ করছি’।

    চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডাঃ জাবেদ হোসেন বলেন, নেশাদ্রব্য খাওয়ানো তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
    চৌদ্দগ্রাম থানার পরিদর্শক তদন্ত মোঃ গুলজার আলম বলেন, ‘সাংবাদিকদের মধ্যে তথ্য পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে’।

     

  • চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে চৌদ্দগ্রাম বাজারে কাচ্চি প্যালেসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইফতার পূর্ব আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন ডায়ানামিক ট্রেডার্সের স্বত্তাধিকারী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক জসিম উদ্দিন।

    চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম ফরায়েজীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসাইনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জিএম তাহের পলাশী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান মোল্লা হিরণ, চৌদ্দগ্রাম বাজার পরিচালনা কমিটির সাবেক সেক্রেটারী খোরশেদ আলম, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুল ইসলাম, কুমিল্লা মহানগর কলেজের চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম জিয়া, থানার পরিদর্শক তদন্ত মোঃ গুলজার আলম, আল মক্কা ট্রাভেলসের স্বত্তাধিকারী মুফতি খোরশেদ আলম, পৌর জামায়াতের নায়েবে আমীর কাজী এয়াছিন, সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ওপেল, ছাত্র প্রতিনিধি মামুন মজুমদার।

    দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন চৌদ্দগ্রাম থানা মসজিদের সাবেক খতিব সাইয়েদ রাশীদুল হাসান জাহাঙ্গীর। সাংবাদিকদের মধ্যে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোঃ এমদাদ উল্যাহ, জহিরুল হাসান, আবু বকর সুজন, মনোয়ার হোসেন, আবদুল মান্নান, কামাল হোসেন, এএফএম রাসেল পাটোয়ারী। এ সময় প্রেস ক্লাবের কার্যকারী কমিটির সদস্য, সাধারন সদস্য, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাব প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ৩৮ বছর পর এই প্রথম সুন্দর আয়োজনে দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে আগত সকলেই এ সুন্দর আয়োজনের প্রশংসা করেন।

  • চৌদ্দগ্রামে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    চৌদ্দগ্রামে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শাখার উদ্যোগে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে রমযানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় দেশ ও জাতির কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া ও মুনাজাত করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বিকালে চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ ইসলামিয়া সুইটস এন্ড রেস্টুরেন্ট হলরুমে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মো: খোরশেদ আলম।
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কাছারীপাড়া ফাযিল (ডিগ্রি) মাদরাসার অধ্যক্ষ হযরত মাওলানা মো: আমিনুল ইসলাম মজুমদার, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি মো: তরিকুল ইসলাম তরুন, সাধারণ সম্পাদক মো: জুয়েল রানা মজুমদার, সহ সভাপতি মো: মনোয়ার হোসেন।

    জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শাখার সভাপতি দৈনিক কালবেলা চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি মো: আবু বকর সুজন এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন এর সঞ্চালনায় এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি মো: আক্তারুজ্জামান মজুমদার, মো: ইউছুফ মজুমদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: ঈমাম হোসেন ভূঁইয়া শরীফ, অর্থ সম্পাদক কাজী সেলিম, প্রচার সম্পাদক মো: আব্দুর রউফ, দফতর সম্পাদক আব্দুর রব লাভলু, কার্যনির্বাহী সদস্য মো: সাইদুল হক, সাংবাদিক হোসাইন মোহাম্মদ মামুন, আব্দুর রব খন্দকার সবুজ, মো: মাছুম, এম এ নোমান, মাস্টার মো: আরমান হোসাইন ইভু, বিশিষ্ট সমাজসেবক মো: শাহআলম, মো: শাকিল মজুমদার, দ্বীন মোহাম্মদ, মো: মাজহারুল ইসলাম উজ্জ্বল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: ওবায়েদুল্লাহ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

  • শিশু আছিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক, দ্রুত বিচার নিশ্চিতের নির্দেশ

    শিশু আছিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক, দ্রুত বিচার নিশ্চিতের নির্দেশ

    মাগুরায় নির্যাতিত শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি অপূর্ব জাহাঙ্গীর জানান, প্রধান উপদেষ্টা নির্যাতনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে আসার নির্দেশ দিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) দুপুর ১টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে।

    গত বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) মাগুরা শহরে বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় ওই শিশুটি। পরদিন তাকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন দুপুরেই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে রাতেই পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

    এরপর গত শুক্রবার রাতে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। সংকটাপন্ন শিশুটিকে গত শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (পিআইসিইউ) থেকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরদিন রোববার শিশুটিকে সিএমএইচে পেডিয়াট্রিক আইসিইউতে নেওয়া হয়। আজ ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

  • লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৬ বাংলাদেশি

    লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৭৬ বাংলাদেশি

    অবৈধভাবে লিবিয়া গিয়ে ডিটেনশন সেন্টারে আটক, বিপদগ্রস্ত ও পাচারের শিকার ১৭৬ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকায় ফেরেন তারা।

    সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে বৃহস্পতিবার ভোর সোয়া ৪টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ১৭৬ বালাদেশি।

    এরআগে গতকাল বুধবার লিবিয়ার  বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের ফেরার ব্যাপারে তথ্য দিয়েছিল। দূতাবাস বলছে, আগামী ১৯ ও ২৬ মার্চ আরও দুটি ফ্লাইট তিন শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

    দূতাবাস জানায়, লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস ধারাবাহিক ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় ১৭৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আইওএমের  সহযোগিতায় দেশে পাঠিয়েছে। তাদের মধ্যে ১০৬ জন ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন এবং অবশিষ্ট ৭০ জন বিপদগ্রস্ত অবস্থা থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন।

    ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৯ হাজারেরর বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।

  • চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজের উদ্যােগে সাধারণ ছাত্রদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    বুধবার (১১ ই মার্চ) চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুমিল্লা জেলা দক্ষিণের সভাপতি মহি উদ্দিন রনি।

    চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজের সভাপতি ফাতহুম মুবিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আমীর জনাব মাহফুজুর রহমান, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আল মামুন রাসেল।
    এসময় আরো আলোচনা রাখেন চৌদ্দগ্রাম সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি ভিপি শাহাব উদ্দিন ,ছাত্রশিবির কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা শিক্ষা ও আইটি সম্পাদক নুরুল ইসলাম মোল্লা,চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা সভাপতি হোসাইন আহমেদ,জামায়াতে ইসলামী চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা সেক্রেটারী মোশাররফ হোসেন ওপেল।
    এছাড়া উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার সাবেক সভাপতি বোরহান উদ্দিন । মাহে রমজানের তাৎপর্য আলোচনা ও মোনাজাতের মাধ্যমে প্রোগ্রাম সমাপ্ত হয়।

  • প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি; পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ৪ সদস্য গ্রেফতার

    প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি; পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ৪ সদস্য গ্রেফতার

    চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুই প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত গাড়ি ও দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ডাকাতরা হলো; চাঁদপুরের কচুয়ার মনপুরা এলাকার আবদুল মান্নানের ছেলে আবদুল হান্নান(৩৫), লক্ষীপুরের রায়পুরের চরমোহনার মৃত সিরাজ মোল্লার ছেলে শরীফ হোসেন(৪৫), কুমিল্লার চান্দিনার নুরপুরের তাজুল ইসলামের ছেলে মোঃ আলা উদ্দিন(৩৫) ও জোরপুকুরিয়ার মৃত হাজী রমিজ উদ্দিনের ছেলে নজরুল ইসলাম(৬০)। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত গাড়ি ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়। বুধবার দুপুরে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ।

    জানা গেছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ও ১ মার্চ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফালগুনকরা এলাকায় একই কায়দায় কুয়েত প্রবাসী নাইমুল ইসলাম ও মালয়েশিয়া প্রবাসী বেলাল হোসেনের ভাড়া গাড়িতে ডাকাতি করে সর্বস্ব লুটে নেয় সংঘবদ্ধ ডাকাতদল। এরপর নড়েচড়ে বসে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশসহ কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থা। মহাসড়কের সিসিটিভি ফুটেজ ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় গত দুইদিন চাঁদপুর ও কুমিল্লা বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার, ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ও ডাকাতির মালামাল উদ্ধার করা করে পুলিশ। আটককৃত ডাকাতদলের সদস্য আবদুল হান্নান, শরীফ হোসেন, আলা উদ্দিন ও নজরুল ইসলামকে গ্রেফতারের পর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ, দুইটি স্টিলের কিরিচ, দুইটি রামদা, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি দেশীয় কুড়াল, একটি লোহার শাবল, একটি লোহার রড, একটি মোটা রশি জব্দ করা হয়। এছাড়া ডাকাতদল থেকে ১৬ কুয়েতি দিনার, ৮০ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, বাংলাদেশী ৩৫০০ টাকা ও একটি বিদেশী কম্বল উদ্ধার করা হয়েছে।

    চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, মহাসড়কে প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত গাড়ি ও দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় প্রবাসীদের থেকে লুণ্ঠিত কুয়েতি দিনার ও মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত উদ্ধার করা হয়েছে।

  • দুর্ঘটনায় নিহত পোশাকশ্রমিককে স্বীকার করছে না কর্তৃপক্ষ, সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

    দুর্ঘটনায় নিহত পোশাকশ্রমিককে স্বীকার করছে না কর্তৃপক্ষ, সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ

    সড়ক দুর্ঘটনায় শ্রমিক নিহতের ঘটনায় গাজীপুরের সদর উপজেলার বাঘের বাজার এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা।

    বুধবার সকাল ৮টার দিকে আন্দোলন শুরু করে শ্রমিকরা। এর কিছু সময় বাদেই মহাসড়ক অবরোধ করে তারা।

    আন্দোলনরত শ্রমিকরা জানান, মঙ্গলবার রাতে গোল্ডেন রিফিট গার্মেন্টস লিমিটেড কারখানায় কাজ করা জান্নাতুল ফেরদৌস তামান্নার (৩২) বাচ্চা অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিষয়টি জেনে ছুটির আবেদন করেন তিনি। ছুটি না দিয়ে কারখানা থেকে দেওয়া পরিচয়পত্র রেখে জান্নাতুলকে চলে যেতে বলে কর্তৃপক্ষ। পরে তিনি বাড়ি চলে যান।

    বুধবার ভোরে কারখানায় আসের জান্নাতুল। তবে পরিচয়পত্র না থাকায় তাকে কারখানায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এ সময় বাড়ি ফিরতে গিয়ে ট্রাকচাপায় মারা যান এ নারী শ্রমিক। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ জান্নাতুল তাদের কর্মী নয় বলে দাবি করে। এ নিয়ে শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে। একপর্যায়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে তারা।

    এদিকে, মহাসড়ক অবরোধ করায় বিপাকে পড়েছে মহাসড়কটি ব্যবহারকারীরা। রাস্তার দুপাশেই দীর্ঘ যানজট দেখা গেছে। বাধ্য হয়ে অনেকে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে রওনা দিয়েছেন।

    গাজীপুর শিল্প পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, দুর্ঘটনায় শ্রমিক নিহতের ঘটনায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছেন একদল শ্রমিক। এতে মহাসড়কে সব ধরণের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত আছেন। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।

  • পাকিস্তানে ট্রেনে জিম্মি দেড় শতাধিক যাত্রী উদ্ধার, নিহত ২৭ সন্ত্রাসী

    পাকিস্তানে ট্রেনে জিম্মি দেড় শতাধিক যাত্রী উদ্ধার, নিহত ২৭ সন্ত্রাসী

    পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে ট্রেনে জঙ্গিদের হাতে জিম্মি দেড় শতাধিক ১০৪ জন যাত্রীকে উদ্ধার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। এসময় অভিযানে নিহত জঙ্গিদের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে।

    পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, সর্বশেষ জঙ্গিকে নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী।

    নিরাপত্তা বাহিনী বেলুচিস্তানের বোলান জেলায় হামলার শিকার জাফর এক্সপ্রেসে থাকা ১৫৫ জন জিম্মিকে সফলভাবে মুক্ত করেছে এবং ২৭ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে। এছাড়া শেষ জঙ্গিকে পরাজিত না করা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    তবে ট্রেনটিতে ঠিক কত সংখ্যক সশস্ত্র জঙ্গি অবস্থান করছে তা এখনও অজানা। নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, অবশিষ্ট জিম্মিদের উদ্ধারের জন্য নিরাপত্তা সদস্যরা অভিযান অব্যাহত রেখেছেন।

    কোয়েটা থেকে পেশোয়ারগামী জাফর এক্সপ্রেস ট্রেনটি মঙ্গলবার বালুচিস্তানের বোলান এলাকায় পৌঁছানোর পর হামলার শিকার হয়।

    বিস্ফোরণ ঘটিয়ে রেললাইনের একটি অংশও উড়িয়ে দেওয়া হয়। এই হামলার দায় স্বীকার করেছে বালুচ লিবারেশন আর্মি।

    হামলার সময় ট্রেনে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর শতাধিক সদস্যসহ কমপক্ষে চারশ’ যাত্রী ছিলেন যাদের বেশিরভাগই হামলাকারীদের হাতে জিম্মি হন।

    স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে যে, যাত্রীদের জিম্মি করে বালুচিস্তানের রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দাবি করেছে বালুচ লিবারেশন আর্মির সদস্যরা।

    ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মেনে না নেওয়া হলে জিম্মিদের হত্যা করারও হুমকি দিয়েছে তারা।

    পাকিস্তানের সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, অভিযানে কোণঠাসা হয়ে পড়ায় বালুচ লিবারেশন আর্মির সদস্যরা এখন নারী ও শিশুদের ‘ঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করছে।

    তবে যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে খুব সাবধানতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এখন পর্যন্ত সশস্ত্র গোষ্ঠীর অন্তত ২৭ সদস্য নিহত হয়েছে।

    অন্যদিকে, বেলুচিস্তানের রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবি না মেনে জিম্মি উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখলে সরকারকে ‘ভয়াবহ পরিণতি’ ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দিয়েছে বালোচ লিবারেশন আর্মির (বিএলএ)।

    উল্লেখ্য, বালুচিস্তান পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় প্রদেশ। প্রাকৃতিক সম্পদের দিক থেকেও প্রদেশটি সবচেয়ে সমৃদ্ধ। কিন্তু সেখানে উন্নয়নের ছোঁয়া সেখানে লাগেনি।

    সশস্ত্র সংগঠন বালোচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) বালুচিস্তানকে স্বাধীন করার দাবিতে কয়েক দশক ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় পুলিশ স্টেশন, রেললাইন, মহাসড়কসহ সরকারি অসংখ্য স্থাপনায় তাদেরকে প্রায়ই হামলা চালাতে দেখা যায়।

    বালোচ লিবারেশন আর্মিকে (বিএলএ) নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান সরকার।

    এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ আরও কয়েকটি পশ্চিমা দেশ বিএলএকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করেছে।

  • চৌদ্দগ্রামে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে লোকনাথ মিষ্টি ভান্ডারকে জরিমানা

    চৌদ্দগ্রামে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে লোকনাথ মিষ্টি ভান্ডারকে জরিমানা

    চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ভ্রাম্যমান আদালতের বিশেষ অভিযানে ‘লোকনাথ মিষ্টি ভান্ডার’ নামীয় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১১ মার্চ) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জামাল হোসেনের নির্দেশ ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্টেট জাকিয়া সরওয়ার লিমার নেতৃত্বে চৌদ্দগ্রাম বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

    এ সময় মেয়াদোত্তীর্ণ সুজি ব্যবহার করে মিষ্টান্ন দ্রব্য তৈরী, অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত এবং উৎপাদিত পণ্য অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সংরক্ষণ ও প্রস্তুতকৃত পণ্যে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ না থাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৪১ ধারা মোতাবেক ‘লোকনাথ মিষ্টি ভান্ডার’ এর মালিককে ১৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

    ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের লক্ষ্যে এবং পবিত্র রমাজানে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সহনশীল পর্যায়ে রাখতে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে পৌর সেনেটারী কর্মকর্তা মো: ইমাম হোসেন সজীব সহ থানা পুলিশের একটি টিম সহযোগিতায় ছিলেন।

  • জামালপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া বিএনপির ২ নেতাকে বহিষ্কার

    জামালপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া বিএনপির ২ নেতাকে বহিষ্কার

    জামালপুরে সদর উপজেলার হাজিপুরে ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদাবাজির অভিযোগে যৌথ বাহিনীর হাতে গ্রেফতার বিএনপির ২ নেতাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ।

    শনিবার (৮ মার্চ) সন্ধায় জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিউর রহমান শফি এবং সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মিলন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    বহিষ্কৃত দুই নেতা হলেন, সদর উপজেলার মেষ্টা ইউনিয়ন বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফরমান আলী এবং সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর পলাশ।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলের ভাবমূর্ত্তি নষ্ট করার অভিযোগে জামালপুর সদর উপজেলাধীন মেষ্টা ইউনিয়ন  বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মোঃ ফরমান আলী ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর পলাশ এর দলীয় সকল পর্যায়ের পদ হতে অব্যাহতি প্রদান করা হলো। এবং পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

    এছাড়া চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার সিরাজুল হক মেষ্টা ইউনিয়ন বিএনপি বা কোন অঙ্গ বা সহযোগী সংগঠনের সাথে তার কোন সম্পৃক্ততা নেই বলেও জানানো হয়।

    প্রসঙ্গত সদর উপজেলার হাজীপুর বাজারের এক ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল বহিষ্কার হওয়া দুই নেতাসহ তিন জন। বিষয়টি লিখিত ভাবে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে অভিযোগ করলে যৌথবাহিনী গতকাল শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে জামালপুর সদর উপজেলার হাজিপুর বাজার এলাকা থেকে তাদের আটক করে ।

    জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ফয়সল মো. আতিক বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগে তাদেরকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছিল। আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন।

  • না পারলে ছেড়ে দেন, ড. ইউনুসকে দুদু

    না পারলে ছেড়ে দেন, ড. ইউনুসকে দুদু

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, শিশু ধর্ষণ হচ্ছে। রাস্তায় যাকে খুশি কোপাচ্ছে। এজন্য কী গণঅভ্যুত্থান হয়েছে? এজন্য কী আপনি (ইউনূস) রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছেন? না পারলে ক্ষমতা ছেড়ে দেন। ছেড়ে দেওয়ার মূল কাজটা হচ্ছে নির্বাচন দেবেন। ৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের পরে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হয়েছে। এ দৃষ্টান্ত বাংলাদেশে রয়েছে।

    সোমবার (১০ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে ইন্ডিপেন্ডেন্ট মুসলিম পার্টির উদ্যোগে সারাদেশে ‘আইনশৃঙ্খলার অবনতি, সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীন এবং জনগণ ভোট চায়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    দুদু বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের বয়স সাত মাস শেষে আট মাস চলছে। ড. ইউনূস ক্ষমতায় আসার পরে কিছু কাজ তিনি দ্রুত করেছেন। সেজন্য আমি ওনাকে ধন্যবাদ জানাই। সেই কাজগুলো হলো তিনি তার নিজের মামলাগুলো দ্রুত প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

    প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজের ভালো পাগলেও বোঝে। আপনি সেই পথ অবলম্বন করেছেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিএনপি যে আন্দোলন করেছে যার কারণে ৬০ লাখ বিএনপি নেতাকর্মীর নামে আড়াই লাখ মামলা হয়েছে। এগুলো প্রত্যাহার করেননি।

    আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে সাইফুল ইসলাম শুভর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মহাসচিব আহসান হাবীব লিংকন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন- ডিইউজের সভাপতি মুহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, কৃষক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলম, আজমেরী বেগম ছন্দা, এস কে সাদি, কেএম রকিবুল ইসলাম রিপন, আমির হোসেন বাদশা, খোকন চন্দ্র দাস, আবদুল আহাদ নূর, সাংবাদিক নেতা রাজু আহমেদ প্রমুখ।