Author: নিউজ ডেক্স

  • বাউফলে পুকুর থেকে যুবকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

    বাউফলে পুকুর থেকে যুবকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

    অলি উল্লাহ রিপন, বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

    পটুয়াখালীর বাউফলে একটি পুকুর থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মোঃ শাকিল মৃধা (২৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি-২০২৬) দুপুরে বাউফল উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবন সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত শাকিল মৃধা আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের আব্দুস সোবাহান মৃধার ছেলে। তিনি ঢাকা–বাউফল–দশমিনা রুটে চলাচলকারী পরিবহনের আদাবাড়িয়া কাউন্টারের দায়িত্বে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় দফাদার মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, রোববার বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর রাতে আর ফেরেননি শাকিল। সোমবার বেলা ১১টার দিকে স্থানীয়রা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পাশের একটি পুকুরে লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাত-পা বাঁধা ও শীতের পোশাক পরিহিত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করে। স্বজনরা এসে মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত করেন।

    নিহতের বড় ভাই অ্যাডভোকেট লিটন মৃধা অভিযোগ করে বলেন, তার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

    এবিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৭

    আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৭

    আব্দুস সামাদ, শৈলকুপা (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ

    ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার বগুড়া ইউনিয়নের বারইহুদা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, এলাকায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বগুড়া ইউনিয়নের জামিরুল ইসলাম ও রাকিবুল হাসান খান দিপুর সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো। সকালে জামিরুলের সমর্থক কালাম ও সালামের বাড়িতে গিয়ে অতর্কিত হামলা করে আহত করে। এরপর জামিরুলের সমর্থক নাসির মেম্বারের লোকজন পাল্টা হামলা চালালে দিপুর সমর্থক আকলিমা নামের এক মহিলা আহত হয়।

    পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ বারইহুদা গ্রামে এসে জামিরুলের দলীয় মাতব্বর নাসির মেম্বারকে আটক করতে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশকে বাধা দেয়। এসময় পুলিশ ও বিক্ষুব্ধ জনতার মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে হাটফাজিলপুর ক্যাম্প পুলিশ সদস্য সোহেল রানা, বারইহুদা গ্রামের নাসির মেম্বারের কর্মী কবিরসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়। আহতদের শৈলকুপা ও ঝিনাইদহ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় বগুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামিরুল ইসলাম জানান, বারইহুদা গ্রামের আমার সমর্থকের উপর সকালে অতর্কিত হামলা চালায় দিপুর লোকজন। পুলিশ তাদের আটক না করে আমার লোকজনকে উল্টো ধরতে গেলে পুলিশের সাথে গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

    উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও বগুড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রাকিবুল হাসান খান দিপু জানান, আমি কোন দলাদলির ভেতরে নেই। যারা সংর্ঘষে লিপ্ত ও পুলিশের উপর হামলা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করি।

    শৈলকুপা থানার ওসি (তদন্ত) শাকিল আহমেদ জানান, বারইহুদা গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

  • লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের তিনবারের সাংসদ নিজানকে মন্ত্রী চান রামগতি-কমলনগরবাসী

    লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের তিনবারের সাংসদ নিজানকে মন্ত্রী চান রামগতি-কমলনগরবাসী

    মোঃ হাসান হাওলাদার, কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধিঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসন থেকে তৃতীয়বারের মতো বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি নেতা এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান। তাঁর এই হ্যাট্রিক জয়ের পর এখন রামগতি ও কমলনগর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের দাবি— তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই জনপ্রিয় নেতাকে নতুন মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হোক।

    স্থানীয় ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, নিজান কেবল একজন রাজনৈতিক নেতাই নন, বরং মেঘনা উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখের বিশ্বস্ত নাম। বিগত সময়ে সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি রামগতি ও কমলনগরের নদী ভাঙন রোধ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং চরাঞ্চলের মানুষের অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন। এবার তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার চায়ের আড্ডায় তাঁকে ‘মন্ত্রী’ হিসেবে দেখার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে।

    কেন তাঁকে মন্ত্রী হিসেবে চায় জনতা? স্থানীয় বাসিন্দারা বেশ কিছু যৌক্তিক কারণ তুলে ধরছেন: ২০০১ এবং ২০০৮ সালের পর ২০২৬ সালের নির্বাচনেও তিনি বিপুল ব্যবধানে জয়লাভ করে নিজের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও সংসদীয় অভিজ্ঞতা তাঁকে মন্ত্রিসভার জন্য যোগ্য করে তুলেছে।

    রামগতি ও কমলনগরের প্রধান সমস্যা মেঘনার নদী ভাঙন। এলাকাবাসীর বিশ্বাস, তিনি মন্ত্রী হলে এই অঞ্চলের স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এবং মেঘনা উপকূলীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

    অবহেলিত চরাঞ্চল ও উপকূলীয় জনপদের সামগ্রিক উন্নয়নে একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর অভাব দীর্ঘদিন ধরে অনুভব করছে এই এলাকার মানুষ।

    উপজেলা বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা জানান, “নিজান ভাই তিনবারের নির্বাচিত এমপি। তিনি দলের দুঃসময়ে নেতা-কর্মীদের আগলে রেখেছেন এবং এলাকার উন্নয়নে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন। রামগতি-কমলনগরের মানুষের দীর্ঘদিনের চাওয়া, আমাদের এই অভিভাবককে এবার মন্ত্রিসভায় স্থান দিয়ে বৃহত্তর নোয়াখালী ও উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নের সুযোগ করে দেওয়া হোক।”

    রামগতি বাজারের একজন সাধারণ ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা শুধু এমপি নয়, এবার রামগতি-কমলনগর থেকে একজন মন্ত্রী চাই। নিজান সাহেবের হাত ধরে আমাদের এই অবহেলিত জনপদ বদলে যাবে বলে আমাদের বিশ্বাস।”

    এখন দেখার বিষয়, রামগতি ও কমলনগরবাসীর এই প্রাণের দাবি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কতটা গুরুত্ব পায়। তবে স্থানীয়রা আশাবাদী, দলের নীতিনির্ধারক মহল তৃণমূলের এই সেন্টিমেন্টকে মূল্যায়ন করবে।

  • দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিএনপি’র জয়ে কুবি শাখা ছাত্রদলের গণ মিষ্টি বিতরণ

    দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিএনপি’র জয়ে কুবি শাখা ছাত্রদলের গণ মিষ্টি বিতরণ

    সানজানা তালুকদার, ‎কুবি প্রতিনিধি:

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হওয়ায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে ‘গণ মিষ্টি বিতরণ’ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

    ‎সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়। পরে শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রত্যেকটা বিভাগে এবং প্রশাসনিক ভবনের প্রত্যেকটা দপ্তরে গিয়ে মিষ্টি বিতরণ করেন।

    ‎শাখা ছাত্রদলের যুগ্ন-আহবায়ক মো: আবুল বাশার বলেন, ‘গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জনগণের ব্যাপক সমর্থনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বিজয় অর্জন করেছে। দীর্ঘ সাড়ে সতেরো বছরের সংগ্রামের পর জনগণের ভোটাধিকারের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। বিএনপি একটি শক্তিশালী ও গণতান্ত্রিক দল হিসেবে নির্বাচনের মাধ্যমে তার প্রমাণ দিয়েছে।’

    ‎তিনি আরো বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল বিগত সময়ের পেশীশক্তি ভিত্তিক ছাত্র রাজনীতির পুনরাবৃত্তি করবে না। আমরা শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে তাদের মৌলিক অধিকার আদায় ও বাস্তবায়নে লক্ষ্যে কাজ করবো। পূর্ববর্তী সময়ে শিক্ষার্থীরা নানা সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং গত আঠারো মাসে প্রশাসন সেসব ঘাটতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল কাজ করে যাবে।’

    ‎শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ বলেন, ‘দীর্ঘ ১৮ বছর লড়াই সংগ্রাম করে, বিএনপি’র সরকার গঠন উপলক্ষে এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আনন্দে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে গণ মিষ্টি বিতরণ কর্মসূচি আয়োজন করেছি। আমরা প্রত্যাশা করি আগামী দিনে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে সুস্থ ধারার ক্যাম্পাস ও রাজনীতি পরিচালনায় শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন গুলোও আমাদের সহায়ক হবে। সকলের সার্বজনীন প্রচেষ্টার মাধ্যমে শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস সকলকে উপহার দিতে পারবো।’

    ‎শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আজকের মিষ্টি বিতরন কর্মসূচিতে সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীবৃন্দকে স্বাগতম। সুখ-দুঃখ সবাই মিলে উপভোগ করলে জয়ের আনন্দ বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। আমরা চাই আমাদের নিরঙ্কুশ জয়, ছাত্রদলের জয়, বিএনপির জয়, তারেক রহমানের জয়, সকলকে সঙ্গে নিয়ে আনন্দ উদযাপন করতে। ক্ষণিকের এই বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আমরা সবাই মিলে আনন্দ ভাগাভাগি করতে চাই।’

     

  • ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    মোঃ সুজন মিয়া, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান-এর সঙ্গে বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সাক্ষাৎকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

    সাক্ষাৎকালে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথ এবং জাতীয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    পারস্পরিক সৌজন্য ও সম্মানের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমন্বয় ও সংলাপের নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভিন্ন ধারার দুই শীর্ষ নেতার এই সাক্ষাৎ বর্তমান প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ। এটি কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ হলেও জাতীয় রাজনীতিতে এর প্রভাব ও বার্তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

  • কুমিল্লা-১১ আসনে সবচেয়ে কম ৯৮ ভোট পেয়েছেন আলমগীর

    কুমিল্লা-১১ আসনে সবচেয়ে কম ৯৮ ভোট পেয়েছেন আলমগীর

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে সবচেয়ে কম ভোট পেয়েছেন গণফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী (মাছ মার্কা) আলমগীর হোসেন ।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ) সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুল আমিন, পরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. রেজা হাসান বেসরকারিভাবে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণায় এ তথ্য জানা গেছে।

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এ আসন থেকে ১১দলিয় প্রার্থী ডাঃ সৈয়দ আবদুল্লা মোহামমদ তাহের ১লাখ ৩৩ হাজার ৩০৮ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ধানের শীষের কামরুল হুদা পেয়েছেন ৭৬হাজার ৬৩৮ ভোট। ৩টি কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। ফলে ৫৬ হাজার ৬৭০ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন ডাঃ তাহের।

    তবে এই আসন থেকে গণফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থী আলমগীর হোসেন ন্যাশনাল ” মাছ” প্রতীক নিয়ে ১০০শ ভোটের কোটায় পৌঁছতে পারেনী পেয়েছেন মাত্র ৯৮ টি ভোট । এই আসনে সবচেয়ে কম ভোট পেয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য চৌদ্দগ্রাম আসনে মোট ভোটার ৪০৯০৯১ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ২০৫১১০ জন এবং মহিলা ভোটার ২০৩৯৭৭ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন।

    এই আসনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১২৭টি। এ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ২লাখ ১৯ হাজার ৫১১টি।
    এরমধ্যে ২ লাখ ১৩ হাজার ৮৯৪ টি ভোট বৈধতা পায়। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৫হাজার ৬১৭ ভোট।

  • চৌদ্দগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

    চৌদ্দগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে পড়ে শিশুর মৃত্যু

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম কুমিল্লা প্রতিনিধি:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সেফটি টাংকিতে পড়ে সুমাইয়া তাবাসসুম (৪) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বাতিসা ইউনিয়ন বসন্তপুর গ্রামের বেপারী বাড়িতে। নিহত তাবাসসুম একই গ্রামের প্রবাসী ছালে আহমমদের দ্বিতীয় মেয়ে। তথ্যটি নিশ্চিত করছেন প্রতিবেশী আতিক হোসেন। তার মৃত্যুর খবর এলাকার শোকের ছায়া নেমে আসে।

    স্হানীয় সুত্রে ও প্রতিবেশীরা জানান, রবিবার (১৫ই ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫ ঘটিকার পর থেকে সুমাইয়া তাবাসসুম কে বাড়িতে অনেকক্ষণ দেখতে না পেয়ে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাত ৮ঃ০০ ঘটিকার সময় একপর্যায়ে একই বাড়ির জ্যাঠা আব্দুল খালেকের পরিত্যক্ত টয়লেটের সেফটি টাংকির ভিতরে তাকে দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জরুরী বিভাগে নিয়ে যান। পরে ডাক্তাররা তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স জরুরী বিভাগের চিকিৎসক রবিউল হাসান জানান, টয়লেটের সেফটি টাংকিতে পড়া সুমাইয়া তাবাসসুম ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।

     

  • জনগণের শান্তির পক্ষে কাজ করব : ফজলুল হক মিলন

    জনগণের শান্তির পক্ষে কাজ করব : ফজলুল হক মিলন

    মোঃ আতেফ ভূঁইয়া, গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:

    জনগনের সার্বিক কল্যানে আমরা রাজনীতি করি। বিগত দিনের কোন ঘটনা আমি উল্লেখ করতে চাই না। আপনারা জানেন বিদ্যুৎ উন্নয়নের নামে বিগত দিনে কি পরিমান টাকা পয়সা লুটপাট হয়েছে। সেই তুলনায় বিদ্যুৎ এর কোন উন্নয়ন হয় নাই। এজন্যই লোড সেডিং বেড়েছে। লোড সেডিং বন্ধ করার জন্য একটি জাতীয় পরিকল্পনা প্রয়োজন। আমাদের সরকার গঠন হলে বাজেট এনে পরিকল্পনা করে পূবাইল কালীগঞ্জের লোড সেডিং কমানোর চেষ্ঠা করব।

    শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি)সকালে কালীগঞ্জ ০৫ আসনের নব নির্বাচিত এম.পি ফজলুল হক মিলন তার নিজ বাস ভবনে পূবাইল সাংবাদিক ক্লাবের সদস্যদের সাথে মত বিনিময় করার সময় এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, বিগত দিনের অবহেলিত পূবাইল বাসী সহ আমার নিবাচর্নী এলাকায় সমহারে গুরুত্ব দিয়ে জনগনের শান্তির পক্ষে কাজ করব। আজকের এ বিজয় আমার একার নয় এটা আমার নির্বাচনী এলাকার সকলের বিজয়। আপনারা বিশ্বাস রেখেছেন আস্থা রেখেছেন আর সেই আস্থার মর্যাদা রাখাই হবে আমার প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব।

    এ সময় পূবাইল সাংবাদিক ক্লাবের, সভাপতি রবিউল আলম, সাংবাদিক ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল ভুঁইয়া, দেশ বর্তমান পত্রিকার পূবাইল প্রতিনিধি লিটন মিয়া, ঢাকা টাইমস এর টঙ্গী-পূবাইল প্রতিনিধি রাজীব হোসেন, আসিফ রায়হান, জাহিদসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহন: ৫ জনের কারাদণ্ড

    ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহন: ৫ জনের কারাদণ্ড

    রণবীর সরকার, শেরপুর প্রতিনিধি:

    শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের দায়ে পাঁচজনকে দুই মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দণ্ডাদেশ কার্যকর করা হয়।

    বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০–এর ৪ ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে ১৫(১) ধারা অনুযায়ী তাঁদের এই সাজা দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রানী ভৌমিক।

    দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন—ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৫), জমশেদ আলী শেখের ছেলে আব্দুল মমিন (৩৪) ও গুতু শেখের ছেলে মোনা সরকার (২৯)। এ ছাড়া শ্রীবরদী উপজেলার বালিঝুড়ী এলাকার জাফর আলীর ছেলে হানিফ উদ্দিন (৪৫) এবং খাড়ামোড়া এলাকার হাজ্বি কলিম উদ্দিনের ছেলে কোমর আলী (৫০) রয়েছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে উপজেলা প্রশাসন।

    উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী ও নালিতাবাড়ী উপজেলায় বর্তমানে বালুমহালের ইজারা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ সুযোগে একটি চক্র চোরাইভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহন করছে। এসব কার্যক্রম ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল-আমীন বলেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ বা ‘ডেভিলস ব্রেথ’ এর শিকার সদরপুরের শহীদুল

    ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ বা ‘ডেভিলস ব্রেথ’ এর শিকার সদরপুরের শহীদুল

    জাবি প্রতিনিধিঃ

    সদরপুর উপজেলার আমিরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা মো. শহীদুল ইসলাম (৩০) রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার পর ‘ডেভিলস ব্রেথ’ নামে পরিচিত এক ধরনের চেতনানাশক পদার্থের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেলে শহীদুল তার বোনের বাসা বাবুরচর থেকে বের হন। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি বাড়িতে ফেরেননি। বয়স ৩০ বছর, উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি এবং গায়ের রং শ্যামলা—এই বর্ণনা দিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করা হয়।

    শহীদুলের বাবা মো. শামসু গনমাধ‍যমকে জানান, সদরপুর উপজেলার একটি খাবারের হোটেলের সামনে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি শহীদুলের হাতে একটি কাগজ দেন এবং সেটি পড়ে শোনাতে বলেন। অভিযোগ রয়েছে, ওই কাগজে ‘ডেভিলস ব্রেথ’ (স্থানীয়ভাবে ‘শয়তানের নিঃশ্বাস’ নামে পরিচিত) নামক চেতনানাশক পদার্থ মাখানো ছিল। কাগজটি হাতে নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই শহীদুল অচেতন হয়ে পড়েন। পরে দুর্বৃত্তরা তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়

    পরবর্তীতে চেতনানাশকের প্রভাব কিছুটা কমে এলে শহীদুল বুঝতে পারেন যে তিনি অপহরণের শিকার হয়েছেন। একপর্যায়ে তিনি দুর্বৃত্তদের আস্তানা থেকে বের হয়ে রাস্তায় আসতে সক্ষম হন। পরে এক ইজিবাইক চালক তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে শৈলকুপা থানায় নিয়ে যান।

    শহীদুলের পরিবারের দাবি, থানায় নেওয়ার পথে আরেক প্রতারক চক্র ‘রক্ত দেওয়া লাগবে’ বলে তাদের কাছ থেকে ৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। আনুমানিক রাত ৯টার দিকে শহীদুলের জ্ঞান ফিরলে পুলিশ তার কাছ থেকে পরিবারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে বাড়িতে খবর দেয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে রাত ১টার দিকে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

    সচেতন মহলের মতে, অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া কাগজ, খাবার বা কোনো বস্তু গ্রহণের ক্ষেত্রে জনসাধারণকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর উদ্যোগই পারে এ ধরনের অপরাধের শিকড় উপড়ে ফেলতে।

  • ঈদগাঁওয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, যৌথ বাহিনীর প্রচেষ্টায় রক্ষা পেল বহুতল ভবন

    ঈদগাঁওয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, যৌথ বাহিনীর প্রচেষ্টায় রক্ষা পেল বহুতল ভবন

    মোহাম্মদ সেলিম ঈদগাঁ (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ

    কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড থেকে রক্ষা পেয়েছে বহুতল ভবন। সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও দমকল বাহিনীর ২ ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

    (১৪ ফেবুয়ারি) শনিবার রাত পৌনে ৮ টার দিকে উপজেলার ঈদগাঁও গরু বাজারস্থ রমজান কোম্পানির বহুতল ভবনে ঘটে অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা।

    খবর পেয়েে ছুটে আসেন স্থানীয় ক্যাম্পের সেনা, বিজিবি, ও ঈদগাঁও থানা পুলিশ। পরে যোগ দেয় রামু ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। তবে আগুনের সুত্রপাত জানা যায়নি।

    রামু ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন মাস্টার সোমেন বড়ুয়া জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থল পৌঁছে যৌথবাহিনির সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে ভবনের নিচতলার বেশকটি গুদাম পুড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছেন বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

  • ডিমলায় বুড়ি তিস্তার ভাঙ্গন আতঙ্কে হাজারো পরিবার, সাতজানে বাঁধ নির্মাণ অনিশ্চিত

    ডিমলায় বুড়ি তিস্তার ভাঙ্গন আতঙ্কে হাজারো পরিবার, সাতজানে বাঁধ নির্মাণ অনিশ্চিত

    জাহিদুল ইসলাম, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

    নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের সাতজান এলাকায় বুড়ি তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে চলতি শুকনো মৌসুমেই স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। গত বর্ষায় সর্বস্ব হারিয়েছে প্রায় এক হাজার পরিবার কিন্তু বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে এলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় চরম উদ্বেগ, হতাশা ও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের হাজারো মানুষ।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, গত বর্ষায় জরুরি ভিত্তিতে পাইলিং বসিয়ে সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকানো হলেও স্থায়ী সমাধানের কাজ শুরু হয়নি। ফলে আসন্ন বর্ষায় আবারও ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তারা। প্রতিবছর বর্ষা এলেই বুড়ি তিস্তার তাণ্ডবে বসতভিটা, ফসলি জমি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, শুধু গত বর্ষা মৌসুমেই নাউতারা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় এক হাজার পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে। হাজার হাজার একর আবাদি জমি চাষের অনুপযোগী হয়ে যায়।

    নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতার কারণে একাধিক স্কুল, মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রতি বর্ষায় হুমকির মুখে পড়ে । কৃষিনির্ভর পরিবারগুলো জীবিকা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

    নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমান বলেন, গত বর্ষায় জরুরি ভিত্তিতে পাইলিং দিয়ে ভাঙন নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে সাড়ে ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ৭ টি ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় মোট ৩.৩০ কিলোমিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করে নোটসীটে চাহিদা দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে ১ টি পয়েন্টের জন্য প্রায় ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে যা চহিদার তুলনায় অতি নগণ্য। বরাদ্দ পাওয়া ১টির জন্য চলতি মাসের গত ১১ তারিখে টেন্ডারের মাধ্যমে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে ।

    তিনি আরও জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গত নভেম্বরে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (পুর), ডিজাইন সার্কেল-৬, ঢাকা–কে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক টানাপোড়ণের কারণে নির্ধারিত সময়ে কমিটির পরিদর্শন সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

    ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরুজ্জামান বলেন, গত বর্ষায় আমি নিজে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। জরুরি ভিত্তিতে পাইলিং দেওয়া হয়েছে। চলতি শুকনো মৌসুমেই জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণসহ দীর্ঘমেয়াদি সমাধান বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয় অবগত আছেন।

    এ বিষয়ে নীলফামারী জেলা প্রশাসক মহোদয় মো. নায়েরুজ্জামান জানান, ভাঙন পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জরুরী ভিত্তিতে।

    সাতজান মৌজার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, জরুরি ভিত্তিতে নদী খনন,ভাঙনপ্রবণ এলাকায় স্থায়ী বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও গাইড ওয়াল নির্মাণ, কার্যকর পানি নিষ্কাশন স্ট্রাকচার স্থাপন,ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন, কৃষি ও সেচ অবকাঠামো উন্নয়ন করা হোক ।

    নাউতারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক ইমতিয়াজ মোর্শেদ মনি বলেন, আমার ইউনিয়নের ভাঙনকবলিত মানুষের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।

    সময়মতো কাজ না হলে মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করে এলাকাবাসীর জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বুড়ি তিস্তার ভাঙন আরও ভয়াবহ রূপ নেবে। নতুন করে বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে সৃষ্টি হতে পারে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়।

     

     

  • বিএনপিতে সন্ত্রাসীদের কোনো জায়গা নেই : নিজান

    বিএনপিতে সন্ত্রাসীদের কোনো জায়গা নেই : নিজান

    মোঃ হাসান হাওলাদার, কমলনগর (লক্ষীপুর) প্রতিনিধি:

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান ও স্থানীয় বিএনপি। দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে সহিংসতা, চাঁদাবাজি ও অস্ত্র মহড়ায় লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে বিএনপির ২৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়েছে।

    শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে রামগতি থানায় এসব মামলা করা হয়। মামলার আসামিদের মধ্যে দুজনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    এ বিষয়ে বিএনপির সহ-শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বিএনপি একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। আমাদের নেতা তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে—কোনো নেতাকর্মী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে পারবে না। নির্বাচনের বিজয়কে পুঁজি করে যারা চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতন চালাবে, তাদের দলে কোনো জায়গা নেই। অপরাধীর পরিচয় সে যে-ই হোক, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

    তিনি আরও বলেন, আমি নিজেই ভুক্তভোগীদের পক্ষে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছি। রামগতি-কমলনগরের সর্বস্তরের মানুষের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিএনপি বা সহযোগী সংগঠনের যে কেউ অপরাধ করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করলে দল থেকে বহিষ্কারসহ যে কোনো শাস্তির আওতায় আনা হবে।

    এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি উপজেলার চর পোড়াগাছা, রামদয়াল বাজার এবং আলেকজান্ডার ইউনিয়নের বালুর চর সুজনগ্রাম এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী সংঘবদ্ধভাবে চড়াও হয়। তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এলাকায় মহড়া দেয় এবং বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ইটভাটা মালিকদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে বলে অভিযোগ রয়েছে। চর পোড়াগাছা ইউনিয়নের ছিদ্দিক উল্লাহর ইটভাটায় গিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না পেয়ে তারা ইটভাটার শ্রমিকদের মারধর করে কাজ বন্ধ করে দেয় এবং মালিককে হত্যার হুমকি দেয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া রামদয়াল বাজারে ব্যবসায়ী মনিরের দোকানে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

    একই দিনে চর আলগী ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাব্বি, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রায়হান ও ওয়ার্ড সভাপতি মো. আশিকের নেতৃত্বে ২০-২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ গ্রুপ রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে মহড়া দেয় এবং শক্তি প্রদর্শন করে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এসব ঘটনায় রামগতি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন ও উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মমিন উল্লাহ ইরাজ বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন—চর রমিজ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী বেলাল উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শাহরিয়ার হান্নান, সুমন উদ্দিন (ইউপি সদস্য), চর রমিজ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিরাজ হোসেন, চর পোড়াগাছা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালামসহ যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ২৬ নেতাকর্মী।

    রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান জানান, মামলার পর অভিযান চালিয়ে মিরাজ ও রিয়াজ নামে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • চাঁদাবাজদের ধরিয়ে দিলে পুরস্কার : কাজল

    চাঁদাবাজদের ধরিয়ে দিলে পুরস্কার : কাজল

    মোহাম্মদ সেলিম, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ

    কক্সবাজার-৩ (সদর–রামু–ঈদগাঁও) আসন থেকে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল— নির্বাচনের পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার নির্বাচনী এলাকায় কেউ চাঁদাবাজির চেষ্টা করলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশে সোপর্দ করলে সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার দেওয়া হবে।

    নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এমপি কাজল বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিংবা ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি সবাইকে এ ধরনের অভিযোগ সরাসরি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করেন। জনগণের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করাই তার অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    পৃথক আরেকটি পোস্টে তিনি নির্বাচন পরবর্তী যে কোনো সহিংসতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। সেখানে তিনি বলেন, মহানুভবতা ও ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে বিজয় উদযাপন করতে হবে। কক্সবাজার-৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে এলাকার সব নাগরিককে নিরাপদ রাখা তার দায়িত্ব ও কর্তব্য বলেও উল্লেখ করেন।

    এমপি কাজল আরও বলেন, বিজয় মানে প্রতিপক্ষকে হেয় করা নয়; বরং সহনশীল ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালী হয়। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সংযত থাকার আহ্বান জানিয়ে স্পষ্ট করেন—কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা প্রতিহিংসামূলক আচরণ গ্রহণযোগ্য হবে না।

    উল্লেখ্য, ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসগুলো অল্প সময়ের মধ্যেই ভাইরাল হয়। কমেন্টে স্থানীয় জনগণ ও সচেতন মহল চাঁদাবাজ, দখলবাজ, হাইব্রিড, সন্ত্রাসী ও দালালদের দূরে রাখার দাবি জানান। সময়োপযোগী এ সিদ্ধান্তের জন্য এমপি কাজলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • জামায়াতের পক্ষে ভোট চাওয়ায় যুবককে হাতুড়িপেটা, বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

    জামায়াতের পক্ষে ভোট চাওয়ায় যুবককে হাতুড়িপেটা, বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

    মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় জামায়াতের পক্ষে ভোট চাওয়ার অভিযোগে মো. আসাদ নামে এক যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা এবং তার বসতঘরে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

    শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কাঠিপাড়ায় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত মো. আসাদ উপজেলার শুক্তাগর ইউনিয়নের কাঠিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

    ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে আসাদ নৈকাঠি বাজার থেকে বাড়ি ফেরার সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা বাদল ডাকুয়ার নেতৃত্বে রুহুল, রাব্বি, মেহেদী, দেলোয়ার মুন্সী, মামুন, রাকিব ও সুমনসহ আরও কয়েকজন তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে হাতুড়ি দিয়ে মারধর করা হয় এবং হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলাকারীরা তার বসতঘরে ভাঙচুর চালিয়েছে বলেও দাবি পরিবারের। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ এসে আহত আসাদকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, সেখানে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, সাম্প্রতিক নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “কাঠিপাড়া এলাকায় একজনকে পিটিয়ে আহত করার বিষয়টি শুনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • ঝালকাঠির দুই আসনেই বিএনপির জয়

    ঝালকাঠির দুই আসনেই বিএনপির জয়

    মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    ঝালকাঠি জেলার দুটি সংসদীয় আসনেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। শুক্রবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মমিন উদ্দিন বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। জেলার দুটি আসনে মোট ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

    ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ৬২ হাজার ১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ফয়জুল হক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ১২০ ভোট।

    এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৭৮ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ১২ হাজার ২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন।

    ঝালকাঠি-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন— ইসলামী আন্দোলনের ইব্রাহিম আল হাদি (হাতপাখা), স্বতন্ত্র এম মঈন আলম ফিরোজী (হাঁস), স্বতন্ত্র মো. সাব্বির আহমেদ (মোরগ), জনতার দল জসীম উদ্দিন তালুকদার (কলম), জাতীয় পার্টির মো. কামরুজ্জামান খান (লাঙ্গল), জাতীয় পার্টি-জেপির রুবেল হাওলাদার (বাইসাইকেল), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)-এর সোহরাব হোসেন (তারা) এবং গণঅধিকার পরিষদের শাহাদৎ হোসেন (ট্রাক)।

    অন্যদিকে ঝালকাঠি-2 (সদর–নলছিটি) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শেখ নেয়ামুল করিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট।

    এ আসনে মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৩৯৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪৫১ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৯৪৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন।

    ঝালকাঠি-২ আসনের অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন— ইসলামী আন্দোলনের সিরাজুল ইসলাম সিরাজী (হাতপাখা), স্বতন্ত্র সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম (মোটরসাইকেল), গণঅধিকার পরিষদের মাহমুদুল ইসলাম সাগর (ট্রাক), স্বতন্ত্র নূরুদ্দীন সরদার (কলস), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি)-এর ফোরকান হোসেন (আম) এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)-এর মাসুদ পারভেজ (তারা)।

    দুই আসনেই বিএনপি প্রার্থীদের বিজয়ের মধ্য দিয়ে জেলায় দলটির সাংগঠনিক অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন।

     

  • বাঘা-চারঘাটে ধানের শীষের বড় জয়

    বাঘা-চারঘাটে ধানের শীষের বড় জয়

    মোঃ সিজার হোসেন, চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাজশাহী-৬ তথা বাঘা-চারঘাট আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ের চূড়ান্ত ফলাফল হাতে এসে পৌঁছেছে। নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছে ধানের শীষ প্রতীক। ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে এই আসনে আজ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

    রাজশাহী-৬ আসনের নির্বাচনি আমেজ ছিল উৎসবমুখর। সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দুই উপজেলা বাঘা ও চারঘাট নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ লক্ষ ৫২ হাজার ৮৭৬ জন। যার মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লক্ষ ৫০ হাজার ১৫২ জন ভোটার।

    নির্বাচন পরবর্তী গণনা শেষে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৩৫৯টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে লড়াই করে পেয়েছেন ৯১ হাজার ৪৬০ ভোট।

    নির্বাচনের ফলাফল ধানের শীষ: ১৪৭৩৫৯, দাঁড়িপাল্লা: ৯১৪৬০, হাতপাখা: ১৫৮৬, লাঙ্গল: ২৮৩৭, বাতিল ভোট: ৬৯১০, মোট প্রদত্তভোট: ২৫০১৫২, মোট ভোটার সংখ্যা: ৩৫২৮৭৬

    অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে লাঙ্গল প্রতীক পেয়েছে ২ হাজার ৮৩৭ ভোট এবং হাতপাখা প্রতীক পেয়েছে ১ হাজার ৫৮৬ ভোট। তবে এবারের নির্বাচনে মোট ৬ হাজার ৯১০টি ভোট বাতিল বলে গণ্য করা হয়েছে।

    বিপুল ভোটের এই জয়কে তৃণমূলের সাধারণ মানুষের বিজয় হিসেবে দেখছেন বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থকরা। ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচনী এলাকায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণের খবর পাওয়া গেছে।

  • চৌদ্দগ্রামে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ

    চৌদ্দগ্রামে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ভোট গণনার পর পৌরসভা সহ ৭ ইউনিয়নে বিএনপি নেতা কর্মীদের বাড়িতে জামায়াত কর্মীদের হামলা ভাঙচুর আহত করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করছে উপজেলা বিএনপির।

    শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারী )শহীদ বীর উত্তম জিয়াউর রহমান হলে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হারুন অর রশিদ মজুমদার বলেন, উপজেলা ৭ টি ইউনিয়নে আমাদের ৬০ জন নেতা কর্মী আহত হয়েছেন।

    তিনি আরো বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছিলো নির্বাচন সুস্থ ও নিরপেক্ষ হবে। কিন্তু ১১ ফেব্রুয়ারী রাতেই উপজেলার আলকরা, গুণবতী, কনকাপৈত, জগন্নাথ দিঘি ও চিওড়া ইউনিয়নে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা ভোট কেন্দ্র দখল করে নেয়। এসময় তারা আমাদের এজেন্ট ও নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। ওই রাতে তারা ওই ইউনিয়ন গুলোর কেন্দ্রে ব্যালন্টে সিল মারে। এসকল বিষয়ে আমরা প্রশাসনকে বার বার জানালেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনী। বরং নির্বাচনের দিন উপজেলার দক্ষিণ এলাকায় সবগুলো ভোটকেন্দ্র জামায়াত নেতাকর্মরা প্রশাসনের সহযোগিতায় দখল করে নেয়। নিবাচন শুরুর আগেই আমাদের সকল এজেন্ট কে কেন্দ্র থেকে বাহির করে দেওয়া হয়। প্রশাসনের ছত্রছায়া জামায়াত দক্ষিণ অঞ্চলের সকল কেন্দ্র দখল করে দাঁড়ি পাল্লায় সিল মারে। এ ফলাফল প্রত্যাখান করলাম। ফলাফল স্থগিত করে এ আসনে আবারও নিবার্চন দাবী করেন এ নেতা।

    হারুন অর রশিদ মজুমদার আরো বলেন, ভোট গণনা শেষে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা পৌরসভা, শুভপুর ইউনিয়ন, বাতিসা, কনকাপৈত, চিওড়া, জগন্নাথ দিঘি, গুণবতী ও আলকরা ইউনিয়নে আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। এসময় আমাদের ৬০ জনের অধিক নেতাকর্মী আহত হয়। এরা চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা ও ফেনী শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। হামলার ঘটনায় বিষয়ে একাধিকবার প্রশাসকে জানালেও তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এছাড়াও আলকরা,গুণবতী, জগন্নাথ দিঘি ইউনিয়ন অসংখ্য বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা বাড়ি ছাড়া করেছেন বলে তিনি দাবি না করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে পৌরসভা বিএনপির সভাপতি জিএম তাহের পলাশী বলেন, ভোট গণনা শেষে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা পৌরসভা ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সির ও বিএনপি নেতা মফিজুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে, পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি দিদার ও পৌরসভা মহিলা দলের নেত্রী তাসলিমা বাড়িতে হামলা চালায়, পৌরসভা মহিলা দলের নেত্রী শিখা, শান্ত ও পুতুলকে মেরে গুরুতর আহত করে। পৌর বিএনপির নেতা এনামের বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। এভাবে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীর বাড়িঘর ভাংচুরের বিষয়ে অভিযোগ করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইন্জিনিয়ার শাহ আলম রাজু, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী রাকিবুল হাসান মহব্বত, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী সহ অনেকেই।

     

  • ঝালকাঠি-১ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী ড. ফয়জুল হকের ওপর হামলা, আহত ৮, আটক ৪

    ঝালকাঠি-১ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী ড. ফয়জুল হকের ওপর হামলা, আহত ৮, আটক ৪

    মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনের রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের পাঁচটি ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় কেন্দ্রে গেলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. ফয়জুল হকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা স্কুলের ৩৬ নম্বর ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে গুরুতর আহত একজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) রেফার করা হয়। আহতদের মধ্যে রয়েছেন—জাহিদ, প্রার্থীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) খায়রুল ও কর্মী সাইফুলসহ আরও কয়েকজন।

    আহতরা জানান, কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ পেয়ে ড. ফয়জুল হক সমর্থকদের নিয়ে সেখানে গেলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, কেন্দ্রে প্রবেশের সময় ধাক্কাধাক্কি ও বিশৃঙ্খলার একপর্যায়ে প্রার্থীকে লক্ষ্য করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। তাকে রক্ষা করতে গেলে কয়েকজন কর্মী আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

    জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ফয়জুল হক অভিযোগ করেন, “আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। পরে সেই অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামালের নির্দেশে তার নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে এবং বড়ইয়া ইউনিয়নের পাঁচটি কেন্দ্র দখল করে আমাদের এজেন্টদের বের করে দিয়েছে।”

    এ বিষয়ে বড়ইয়া ইউনিয়নে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম রেজা সজীব বলেন, “৩৬ নম্বর কেন্দ্রে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভোটগ্রহণ চলমান আছে।”

  • কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালীতে কঠোর নিরাপত্তায় পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম

    কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালীতে কঠোর নিরাপত্তায় পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম

    মো. সোহাগ আহমেদ, (কলাপাড়া) পটুয়াখালী:

    পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের ওপর গণভোটের লক্ষে কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছানো শুরু হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রিজাইডিং অফিসাররা ব্যালট পেপারসহ অন্যান্য সামগ্রী বুঝে নেন।

    এ আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন ভোটাররা। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন: এবিএম মোশাররফ হোসেন: বিএনপি (ধানের শীষ), অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা), ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ: খেলাফত মজলিস (দেয়াল ঘড়ি – জামায়াত সমর্থিত জোট)।

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) অফিস সূত্র জানায়, পটুয়াখালী-৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯ হাজার ৩৪৫ জন। এর মধ্যে কলাপাড়া উপজেলা ১২টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভায় মোট ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৮১ জন (পুরুষ: ১,০৮,৮৩৬ এবং নারী: ১,০৫,৬৪৫ জন)। রাঙ্গাবালী উপজেলা ৫টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৯৪ হাজার ৮৬৪ জন (পুরুষ: ৪৭,৬৬১ এবং নারী: ৪৭,২০৩ জন)ও হিজলা সম্প্রদায় ৫ জন ভোটার রয়েছে।

    নির্বাচনকালীন সময়ে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুরো জেলায় কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনে দায়িত্ব পালন করছেন, সেনাবাহিনী ২৬ প্লাটুন, বিজিবি ৭ প্লাটুন, র‍যাব ৬টি বিশেষ টিম, দেড় হাজার পুলিশ সদস্যসহ বিপুল সংখ্যক আনসার ও কোস্টগার্ড সদস্য। মাঠে সক্রিয় রয়েছেন ৩০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

    কলাপাড়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তার জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আজ বিকালের মধ্যেই দুর্গম চরাঞ্চলসহ প্রতিটি কেন্দ্রে সরঞ্জাম পৌঁছে যাবে।