Wednesday , 7 January 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  3. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আফ্রিকা মহাদেশ
  7. ইউরোপ মহাদেশ
  8. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  9. এশিয়া মহাদেশ
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খেলাধুলা
  14. গণমাধ্যম
  15. জাতীয়

তিস্তা নদীতে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের মহা উৎসব, ঝুঁকিতে তিস্তা ব্যারেজ

প্রতিবেদক
নিউজ ডেক্স
January 7, 2026 5:25 pm

জাহিদুল ইসলাম, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

দেশের বৃহত্তম তিস্তা ব্যারেজ ও সেচ প্রকল্পকে কার্যত নস্যাৎ ও অকার্যকর করার পথে ঠেলে দিচ্ছে তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের ভয়াবহ কর্মকাণ্ড। তিস্তাপাড়বাসী ও সচেতন মহলের অভিযোগ, প্রশাসনের কোনো বাধা তোয়াক্কা না করেই একাধিক প্রভাবশালী সিন্ডিকেট প্রকাশ্যে নদীর তলদেশ খুঁড়ে পাথর লুটে নিচ্ছে—যা তিস্তা ব্যারেজ, সেচ প্রকল্প এবং তিস্তাপাড়ের জনজীবনের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তিস্তা ব্যারেজের উজান ও ভাটির বিস্তীর্ণ এলাকায় শত শত শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকা দিয়ে নদীর তলদেশে গভীর গর্ত করে নির্বিচারে পাথর উত্তোলন চলছে। তেলির বাজার, তিস্তা বাজার, ছোটখাতা, ডালিয়া, বাইশপুকুর, ভেন্ডাবাড়ি ও ছাতুনামা এলাকায় প্রতিদিন এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চলছে মহাউৎসবের মতো। মাঝে মধ্যে দুুএক দিন অভিযান বা তৎপরতার আভাসে উত্তোলন বন্ধ থাকলেও পরে আরও বেশি মাত্রায় শুরু হয় লুটপাট।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের একাংশ ও একটি প্রভাবশালী মহলের নীরব সহায়তায় সিন্ডিকেটগুলো এতটাই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে যে তারা প্রকাশ্যেই প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ করছে। একাধিকবার উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে নৌকা ভাঙচুর ও বিপুল পরিমাণ পাথর জব্দ করা হলেও তাতে কার্যত কোনো প্রভাব পড়েনি।
সংরক্ষিত এলাকায় পাথর মজুত, পাউবোর নীরবতা

উত্তোলিত পাথর ট্রাক্টরে করে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সংরক্ষিত সেচ নালা, গাইড বাঁধ ও ফাঁকা জায়গায় স্তুপ করে রাখা হচ্ছে-যা পাউবো কার্যালয়ের মাত্র ৫০০ গজের মধ্যেই অবস্থিত। সেখান থেকেই পাথর বাজারজাত করা হচ্ছে। অথচ নদী ও সেচ প্রকল্প রক্ষার দায়িত্বে থাকা পাউবো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ।

তিস্তাপাড়ের বাসিন্দারা জানান, অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই সিন্ডিকেটের হুমকি ও প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়। নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেকেই প্রতিবাদ করা ছেড়ে দিয়েছেন। এর ফলে নদীভাঙনে বসতভিটা ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে প্রতিবছর সর্বস্বান্ত হচ্ছে তিস্তাপাড়ের মানুষ। ভাঙন রোধে সরকারকে গুনতে হচ্ছে কোটি কোটি টাকা।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, তিস্তা নদী থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ করা পাউবোর দায়িত্ব নয়; এটি জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিষয়।

অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইমরানুজ্জামান বলেন, তিস্তা ভাঙন রোধ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও সেচ প্রকল্প রক্ষায় পাউবো দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না। তিস্তা নদী থেকে পাথর উত্তোলনের কোনো আইনগত সুযোগ নেই। আইন অমান্য করে উত্তোলন চললে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে-এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

সচেতন ও অভিজ্ঞ মহলের মতে, অবিলম্বে দায় নির্ধারণ, সমন্বিত অভিযান ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে তিস্তা ব্যারেজ ও বৃহত্তর সেচ প্রকল্প মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়বে। প্রশ্ন উঠেছে—রাষ্ট্রের বৃহত্তম ব্যারেজ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো এখনই কঠোর হবে, নাকি সবকিছু ধ্বংসের পর দায় খোঁজা হবে?

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির নতুন সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচির উদ্বোধন

বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় অসুস্থ হয়ে ছাত্রদল কর্মী নিহত

চবির ডি-১ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আজ, আসনপ্রতি প্রতিযোগী ৩৫ জন

পবিপ্রবির ব্যস্ততম সড়কে নেই গতিরোধক, দুর্ঘটনায় চার শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

এনায়েতপুরে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভা

পতিত স্বৈরাচার নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষর

সংসদ ভবনসহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ২০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

২৫ বছর পূর্তিতে চবির পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের রজতজয়ন্তী উদযাপন

কক্সবাজার-৩ সংসদীয় আসনের কেন্দ্র প্রতিনিধি সম্মেলনে মুহাম্মদ শাহজাহান