Thursday , 3 July 2025 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  3. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আফ্রিকা মহাদেশ
  7. ইউরোপ মহাদেশ
  8. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  9. এশিয়া মহাদেশ
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খেলাধুলা
  14. গণমাধ্যম
  15. জাতীয়

রাজাপুরে সরকারি গাছ বিক্রির অভিযোগ সরকারি প্রকল্প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

 

মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় সরকারি জমির অন্তত পাঁচটি মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্পের (ইউজিডিপি) এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ডেভেলপমেন্ট ফেসিলিটেটর (ইউডিএফ) মো. ইমরান আলী নিজের ব্যক্তিগত কাজে এসব গাছ ব্যবহার করেছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, উপজেলা পরিষদের পেছনের একটি সরকারি খালি জায়গায় লাগানো চারটি মেহগনি ও একটি রেন্ট্রি গাছ গত বছরের মাঝামাঝি কেটে স-মিলে রাখা হয়। সময়টা ছিল ২০২৪ সালের জুলাই—দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের উত্তাল সময়। প্রশাসন তখন নানামুখী চাপ সামলাতে ব্যস্ত থাকায় সুযোগটি কাজে লাগানো হয় বলে ধারণা স্থানীয়দের।

এরপর অভিযুক্ত কর্মকর্তা মো. ইমরান আলী পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় ফিরে এসে গাছগুলোর কিছু কাঠ নিজের বাড়ির জন্য ফার্নিচার বানাতে ব্যবহার করেন এবং বাকিগুলো কাউখালী উপজেলাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স-মিল মালিক শহিদুল ইসলাম বলেন,
“ইমরান ভাই আমাদের মিলে কাঠ রাখেন সরকারি ফার্নিচারের জন্য বলেই ভেবেছিলাম। পরে জানতে পারি তিনি ব্যক্তিগত কাজেই ব্যবহার করেছেন।”

একই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে স্থানীয় এক ফার্নিচার দোকানদারের কাছ থেকেও। তিনি জানান, “ইউডিএফ সাহেব নিজেই কাঠ এনে বলেন, তার বাসার জন্য কিছু আসবাব বানাতে হবে। পরে আবার কিছু কাঠ বিক্রিও করে দেন।”

তৎকালীন ইউএনও ফারহানা ইয়াসমিন এ বিষয়ে অবগত ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে বদলির কারণে তিনি কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেননি। বর্তমান ইউএনও রাহুল চন্দ অভিযোগের বিষয়ে অবগত থাকলেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তদন্ত কিংবা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. ইমরান আলী সাংবাদিকদের বলেন,
“আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। আমি কোনো গাছ কাটি নাই, কাঠও নেই নাই।”

সরকারি গাছ কাটা বা বিক্রির জন্য জেলা প্রশাসন কিংবা বন বিভাগের অনুমতি না নিয়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাহলে কীভাবে, কার অনুমতিতে গাছগুলো কাটা হলো? সেই কাঠের আর্থিক হিসাব কোথায়?

এমন প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও পরিবেশকর্মীরা। তারা বলেছেন, “যদি একজন সরকারি কর্মকর্তা এভাবে গাছ কেটে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন, তাহলে পরিবেশ রক্ষার উদ্যোগ মুখ থুবড়ে পড়বে।”

ঘটনার বিষয়ে রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার অফিসে গিয়ে দেখা না পাওয়ার পর দুইদিনে একাধিকবার মোবাইলে ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া দেননি তিনি।

স্থানীয়দের দাবি—ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং গাছ বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হোক।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

ডাকসু নির্বাচন গণতন্ত্র অভিমুখী: আসিফ নজরুল

ঝালকাঠি-০২ (সদর-নলছিটি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইলেন ভুট্টো

জাবিতে ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে কোরবানি ও মধ্যাহ্নভোজ

পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বারহাট্টার নতুন কমিটি গঠন

খুবিতে ৪৭৫ মেধাবী শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও সনদপত্র প্রদান

বাঘাইছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল ভারতীয় সিগারেট জব্দ

বাউফলে চাঁদা না দেওয়ায় ছাত্রদল-যুবদলের হামলার অভিযোগ

শেরপুর-২ আসনের এবি পার্টির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থীর কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময়

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ ধসে তদন্তে ইউজিসির কমিটি

ইউএনওর কক্ষে জামায়াত নেতাদের মারধর, বিএনপি’র ৪ নেতাকে শোকজ