বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
জনগণের পরামর্শেই মুরাদনগর পরিচালিত হবে : কায়কোবাদ আমারা শহীদ জিয়ার সৈনিক, ভয় দেখিয়ে লাভ নাই : কামরুল হুদা তিস্তা পাড়ে বিশাল নির্বাচনী জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান হাজারো মানুষের ঢলে শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠে নুরুজ্জামান বাদলের দ্বিতীয় জানাজা ঝালকাঠি-১ আসনে হাঁস প্রতীকের প্রার্থীর নির্বাচনী মিছিল নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হলো বিশ্ব ক্যান্সার দিবস যেকোনো মূল্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব : ডা. শফিকুর রহমান অবৈধপথে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ সিমান্তে নারীসহ আটক ৭ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ডেল ফেস্ট ধর্মপাশায় ১৭ পিস ইয়াবাসহ ১ মাদক কারবারি আটক মাদারীপুর-১ আসনে বিএনপির সভায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ঢল মধ্যনগরে ১৯৬০ পিচ ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারি আটক মাটি কাটতেই পরিত্যক্ত বোমা বিস্ফোরণ, আহত ২ ৬ ফেব্রুয়ারির বাউফলে জামায়াতের জনসভা ঘিরে সংবাদ সম্মেলন রাজশাহী-৫ আসনের নির্বাচনী মাঠ এখন সরগরম ঈদগাঁওয়ে ভোটকেন্দ্রে চালু থাকবে অনলাইন ক্যামেরা : ওসি এটিএম শিফাতুল মাজদার শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল আর নেই বান্দরবানে নির্বাচন উপলক্ষে ২১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন বৈদ্যমারীতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিশাল নির্বাচনী জনসভা ত্রিশালে সাংবাদিকদের সঙ্গে জামায়াত প্রার্থীর মতবিনিময়

আ. লীগ নিষিদ্ধ না হলে প্রয়োজনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হবে: রাশেদ খান

আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণে জাতীয় সংলাপ ডাকার আহ্বান জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। অন্তর্বর্তী সরকার এতে রাজি না হলে প্রয়োজনে সরকার বিলুপ্ত করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করার কথা বলেন তিনি।

সম্প্রতি জাতীয় নাগরিক পার্টির শীর্ষ নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে উত্তপ্ত হয় রাজনীতির মাঠ। যেখানে তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার চেষ্টা চলছে বলে জানান। তাছাড়া সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন। যা নিয়ে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ।

এবার এই রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফেসবুকে একটি বার্তা দিয়েছেন। যেখানে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। রাশেদ খানের দেওয়ার ফেসবুক পোস্টটি যুগান্তর অনলাইন পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

আ.লীগকে নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রধান উপদেষ্টাকে জাতীয় সংলাপ ডাকার আহ্বান করছি। প্রধান উপদেষ্টা যদি আগামীকালই এই সংলাপ ডাকে আগামীকালই আ.লীগ নিষিদ্ধ হবে। এখন কথা হলো, সেই সংলাপ কি ডাকা হবে?

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে দুজন ছাত্র উপদেষ্টা আছেন, তারা সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টাদের সঙ্গে কথা বলে সংলাপ ডাকতে চাপ প্রয়োগ করুক। যদি তাদের কথা না শোনে, তাহলে পদত্যাগ করে জনতার কাতারে আসুক। তারপর জনগণ সরকারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। প্রয়োজনে এই সরকার বিলুপ্ত করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার আ.লীগকে নিষিদ্ধ করতে বাধ্য থাকবে।

সত্যিই যদি আ.লীগকে সত্যিই নিষিদ্ধ চান, তবে জাতীয় সংলাপ ডাকতেই হবে এবং এক্ষেত্রে মূল ভূমিকা রাখতে হবে ছাত্র উপদেষ্টাদের। আমি দৃঢ় বিশ্বাস করি, কোন দল পাবলিক সেন্টিমেন্টের বিরুদ্ধে গিয়ে বলতে পারবে না, আ.লীগকে নিষিদ্ধ চায় না।

সুতরাং জাতীয় ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় সংলাপের মাধ্যমেই নিষিদ্ধ হোক গণহত্যাকারী দল আ.লীগ। আ.লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত  রাজনৈতিক ও সরকারি সিদ্ধান্তের বিষয়। এবং সেটির আয়োজক হতে হবে সরকারকে। আর যদি সেটি না হয় আ.লীগ পুনর্বাসনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আজীবন থেকে যাবে দায়ী। দ্রুত সময়ের মধ্যে যদি নিষিদ্ধ ইস্যুটা সমাধান না করা হয়, তাহলে ধরে নিবো নিষিদ্ধের ইস্যু জিইয়ে রেখে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়া হচ্ছে!

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩