Author: নিউজ ডেক্স

  • সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির রাজনীতি করতে নির্বাচনে আসিনি : রফিকুল ইসলাম জামাল

    সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির রাজনীতি করতে নির্বাচনে আসিনি : রফিকুল ইসলাম জামাল

    মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    ঝালকাঠি–১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল বলেছেন, তিনি কাবিখার টাকা ভাগাভাগি, চাঁদাবাজদের আশ্রয় বা সন্ত্রাসী রাজনীতি করতে নির্বাচনে আসেননি। বরং দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য ও অপরাধমুক্ত একটি জনপদ গড়ার লক্ষ্য নিয়েই তিনি জনগণের সামনে দাঁড়িয়েছেন।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, সেই আদর্শ বাস্তবায়নের জন্যই তিনি রাজনীতিতে এসেছেন। তিনি বলেন, “আমি চাঁদাবাজের সঙ্গে রাজনীতি করতে আসিনি, মাস্তানদের নিয়ে চলতে আসিনি, কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পৃষ্ঠপোষকতা করতে আসিনি। আমি এসেছি অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে।”

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে রাজাপুর–কাঁঠালিয়া হবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য একটি নিরাপদ জনপদ। এখানে থাকবে না মাদক ব্যবসায়ী, থাকবে না সন্ত্রাস ও দুর্নীতি। বিএনপির আদর্শে একটি সন্ত্রাসমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত ও উন্নয়নমুখী আধুনিক বাংলাদেশ গড়াই হবে তার একমাত্র লক্ষ্য।

    কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বলেন, জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ইতিহাস গড়েছেন, বেগম খালেদা জিয়া আপসহীন আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। একইভাবে সাম্প্রতিক গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সূচনা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ আরেকটি নতুন ইতিহাস রচনা করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, “যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এ দেশ স্বাধীন হয়েছিল, তারাই আজ আমাদের প্রতিপক্ষ। বিপুল ভোটে তাদের পরাজিত করেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে। বাঙালি জাতি কখনো পরাজয় মেনে নেয়নি।”

    রফিকুল ইসলাম জামাল আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তরে নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করা হবে, ঠিকাদারি কাজে কমিশন বাণিজ্য থাকবে না এবং মাদকের আগ্রাসন রুখে দেওয়া হবে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র পাহারায় থাকতে হবে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গণনা শেষ করে ফলাফল নিশ্চিত করতে হবে।

    তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি বিজয়ের মধ্য দিয়ে রাজাপুর–কাঁঠালিয়ায় চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত নতুন সূচনা হবে।

    রাজাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তালুকদার আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুল হক নান্ন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হক নান্টু, শিক্ষক সমিতির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক তালুকদার শামীম তালুকদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আজাদুর রহমান, জেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব সোহাগ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহ পারভেজ ও সদস্য সচিব সৈয়দ নাজমুল হকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

  • ঝালকাঠি-১ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ইব্রাহিম আল হাদীর নির্বাচনী গণমিছিল

    ঝালকাঠি-১ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ইব্রাহিম আল হাদীর নির্বাচনী গণমিছিল

    মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝালকাঠি–১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী হাতপাখা প্রতীকের মাওলানা ইব্রাহিম আল হাদীর নেতৃত্বে এক নির্বাচনী গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজাপুর বাইপাস মোড় থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়। পরে এটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বাইপাস মোড়ে এসে শেষ হয়। গণমিছিল চলাকালে মাওলানা ইব্রাহিম আল হাদী সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ভোটারদের কাছে হাতপাখা প্রতীকে সমর্থন ও ভোট প্রার্থনা করেন।

    গণমিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে। দুর্নীতি, দুঃশাসন ও বৈষম্য থেকে মুক্ত একটি কল্যাণরাষ্ট্র গড়তে ইসলামী আদর্শের কোনো বিকল্প নেই। জনগণ সুযোগ দিলে রাজাপুর–কাঁঠালিয়ার মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হবে।

    তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচন দেশ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের প্রকৃত রায় প্রতিষ্ঠা করাই তাদের লক্ষ্য।

    গণমিছিলে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঝালকাঠি জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ ফয়েজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আরিফ বিল্লাহ, নির্বাচন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ক্বারী তাওহিদুল ইসলাম, রাজাপুর উপজেলা সভাপতি মাস্টার জাহিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মাওলানা আলামিন দোহারী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা বাইজিদ হক ফরাজীসহ দলটির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    এছাড়াও যুব ও ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় বিপুল সংখ্যক সমর্থক গণমিছিলে অংশগ্রহণ করেন।

  • কুবিতে প্রোগ্রাম অ্যাক্রেডিটেশন ও একাডেমিক পরিকল্পনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    কুবিতে প্রোগ্রাম অ্যাক্রেডিটেশন ও একাডেমিক পরিকল্পনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    সানজানা তালুকদার, ‎কুবি প্রতিনিধি:

    ‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে প্রোগ্রাম অ্যাক্রেডিটেশন ও একাডেমিক পরিকল্পনা বিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ‎‎সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়।

    ‎উক্ত ‎প্রশিক্ষণের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। এবং কো-অর্ডিনেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম।

    অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ‘আজকের এই প্রশিক্ষণটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওবিই কারিকুলামের জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সারাদেশে সুনাম অর্জন করেছে। একইভাবে অ্যাক্রেডিটেশন নিয়েও আমরা চিন্তা করতে পারি। এটি করতে কি কি করণীয়, টাইম ফ্রেমসহ টেমপ্লেট আকারে দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য আইকিউএসির পরিচালককে অনুরোধ জানাচ্ছি।’

    ‎প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, ‘আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে তাই সকল শিক্ষককে একসাথে প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব নয়। এজন্য প্রতি বিভাগ থেকে তিনজন শিক্ষক নির্বাচন করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান এখন অনেক ভালো।’

    ‎তিনি আরো জানান, ‘কোয়েশ্চেন ডিজাইন করা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা শিক্ষকতার প্রথম জীবনে তেমন কিছু পাইনি। এখন বিভিন্ন সাইট রয়েছে, যেখান থেকে সাজেশন নেয়া যেতে পারে। এসব বিষয়ের জন্য একদিনের একটি ট্রেনিং প্রোগ্রাম যথেষ্ট নয়। আমাদের চেষ্টা করতে হবে, তবেই শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে, জাতি উপকৃত হবে, দেশ উপকৃত হবে।’

     

  • নবীনগরে ধানের শীষের বিশাল জনসভা

    নবীনগরে ধানের শীষের বিশাল জনসভা

    আরিফুর ইসলাম, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)  প্রতিনিধ:

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৫ (নবীনগর) আসনের নির্বাচনী মাঠ এখন উৎসবের রঙে রঙিন। টানা ১৭ বছর পর বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ‘ধানের শীষ’ এই আসনে ফিরে আসায় দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটারদের মাঝেও দেখা গেছে বাড়তি প্রাণচাঞ্চল্য ও উদ্দীপনা।

    সোমবার বিকেলে নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় সেই উচ্ছ্বাস স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মান্নান।

    বক্তব্যে তিনি নবীনগরের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার তুলে ধরেন। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত থাকা সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

    আব্দুল মান্নান বলেন, নবীনগরবাসীর বহুদিনের দাবি অনুযায়ী ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। একই সঙ্গে তিনি একটি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত নবীনগর গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের সহজ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে নবীনগরে একটি আধুনিক মেডিকেল কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    জনসভা শুরুর আগেই বিকেল থেকে নবীনগরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সভাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জনসভাস্থল পরিণত হয় মানুষের ঢলে ভরা এক বিশাল জনসমুদ্রে।

    আয়োজকদের দাবি, প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
    জনসভায় অংশ নেওয়া সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ছিল স্পষ্ট আবেগ ও প্রত্যাশা। অনেকেই জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর পর তাঁরা আবার ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

    সভায় উপস্থিত জনতার কণ্ঠে বারবার উচ্চারিত হয়েছে একই কথা— “দীর্ঘ অপেক্ষার পর ধানের শীষ ফিরে পেয়েছি, এবার এই প্রতীকেই আমাদের আস্থা।”

    স্লোগান ও করতালির মাধ্যমে উপস্থিত জনতা আব্দুল মান্নানের প্রতি তাঁদের সমর্থন জানায় এবং নবীনগরের উন্নয়নে ধানের শীষের বিকল্প নেই বলে মত প্রকাশ করে।

  • নাটোর-২ আসনে জামায়াতের সমাপ্তি নির্বাচনী গণমিছিল

    নাটোর-২ আসনে জামায়াতের সমাপ্তি নির্বাচনী গণমিছিল

    মোঃ শরিফুল ইসলাম, নাটোর সদর প্রতিনিধি:

    নাটোর-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী’র উদ্যোগে সমাপ্তি নির্বাচনী গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এ গণমিছিলে দলের নাটোর-২ আসনের মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী অধ্যাপক মোঃ ইউনুছ আলী স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

    মিছিলটি মিছিলটি নাটোর মাদ্রাসার মোড় থেকে শুরু হয়ে আসনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে ব্যানার-ফেস্টুন বহন করেন এবং নির্বাচনী প্রতীক ও কর্মসূচি তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

    সমাপনী বক্তব্যে স্থানীয় নেতারা বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। তারা ভোটারদের সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান এবং এলাকার উন্নয়ন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    আয়োজকরা জানান, নির্বাচনকে সামনে রেখে এ গণমিছিল ছিল প্রচারণার শেষ কর্মসূচি। কর্মসূচি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

  • নীলফামারী-২ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা

    নীলফামারী-২ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা

    মো: জুয়েল রানা, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন ভাইয়ের নেতৃত্বে ধানের শীষ প্রতীকে এক বিশাল নির্বাচনী প্রচারণা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    প্রচারণা মিছিলে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। মিছিলটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভোটারদের মাঝে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানায়।

    এ সময় ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলে বিভিন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব। যুব সমাজের ভবিষ্যৎ গড়তে নতুন নতুন শিল্প ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।”

    স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানান, ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও সমর্থন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আসন্ন নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে বিজয়ী করে উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পক্ষে রায় দেবে।

    প্রচারণা মিছিলটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

  • চরভদ্রাসন হাইস্কুলের মাঠ নর্দমার আতুরঘরে পরিণত, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা

    চরভদ্রাসন হাইস্কুলের মাঠ নর্দমার আতুরঘরে পরিণত, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা

    সাজ্জাদ হোসেন সাজু, ফরিদপুর প্রতিনিধি:

    ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার চরভদ্রাসন হাইস্কুলের মাঠ দিন দিন ভয়াবহ পরিবেশ দূষণের শিকার হয়ে নর্দমার আতুরঘরে পরিণত হচ্ছে। চরভদ্রাসন বাজারে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাজারের হোটেল ও মুরগির দোকানের বর্জ্য দীর্ঘদিন ধরে হাইস্কুল সংলগ্ন পুকুরপাড়ে ফেলা হচ্ছে। এতে মাঠের একাংশে স্তূপ হয়ে জমেছে আবর্জনা।

    স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য ফেলার কারণে দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এবং মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। উল্লেখ্য, এই মাঠটির সঙ্গে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি হাইস্কুল অবস্থিত। এছাড়া দুর্গন্ধের কারণে মাঠের পাশের ব্যবসায়ীরাও চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন।

    বর্জ্য অপসারণ ও মাঠ সংস্কার না করায় বর্তমানে মাঠটি খেলাধুলার সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। চরভদ্রাসনের সাবেক খেলোয়াড় ওয়াসিম বলেন,
    “এই হাইস্কুলের মাঠে একসময় বড় বড় টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হতো। এখন মাঠের অবস্থা দেখলে খুব কষ্ট লাগে।”

    সিনিয়র খেলোয়াড় আমির জানান,
    “এই মাঠে খেলাধুলা করা একেবারেই অনুপযোগী। তারপরও এলাকার তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখার জন্য নর্দমার পাশেই ভলিবল খেলা চালু রেখেছি। কিন্তু বাতাস জোরে বইলেই দুর্গন্ধে টিকে থাকা দায় হয়ে যায়। বাজারের মুরগি ও হোটেল ব্যবসায়ীদের বর্জ্য মাঠে ফেলতে নিষেধ করা হলেও তারা আমাদের কথায় কর্ণপাত করে না।”

    আরেক খেলোয়াড় মিরাজ বলেন,
    “বেশ কয়েকবার বর্জ্যের স্তূপে আগুন লেগেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিয়ে আগুন নেভানো হয়। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”

    সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠটির একাংশ কার্যত একটি খোলা নর্দমায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, মাঠটি দ্রুত সংস্কার ও বাজারের জন্য আলাদা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা এখন চরভদ্রাসনবাসীর প্রাণের দাবি।

    এ বিষয়ে চরভদ্রাসন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

  • বানারীপাড়ায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর সমাপনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর সমাপনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    মোঃ সাইফুল ইসলাম মিয়া, বানারীপাড়া প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাস্টার আব্দুল মান্নানের সমাপনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) জামায়াতে ইসলামী বানারীপাড়া উপজেলা শাখার আয়োজনে সরকারি ইউনিয়ন ইনিস্টিউশন (পাইলট) স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এ উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাস্টার আব্দুল মান্নান।

    উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়ায় সদ্য জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানকারী শিক্ষক নেতা গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাস্টার, শেরে-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি ও এনসিপি নেত্রী এ কে ফ্লোরা।

    বানারীপাড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামী সভাপতি মো. খলিলুর রহমান শাহাদাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর মো. খলিলুর রহমান শাহাদাত, সেক্রেটারি জেনারেল মো. মোজাম্মেল হোসেন মোকাম্মেল, পৌর জামায়াতে ইসলামী আমীর কাওসার হোসেন, এনসিপির বরিশাল জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আসিফ আলী এবং জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ তাহিদুলের পিতা আব্দুল মান্নানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    এ সময় বিএনপির উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জালিস মাহমুদ, সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন যুবদল নেতা জাকির হোসেন, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক ও ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রুহুল আমিন, সদর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আল আমীনসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। এছাড়াও এনসিপিতে যোগদান করেন।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মুখ সারির নেতা ও সরকারি ফজলুল হক কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন।

    বক্তারা বলেন, আসন্ন নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সমাপনী এই উঠান বৈঠকে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

  • ‎কুবির চাঁদপুর অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে জাফরি-মিথিলা

    ‎কুবির চাঁদপুর অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে জাফরি-মিথিলা

    ‎সানজানা তালুকদার, কুবি প্রতিনিধি:

    ‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) অধ্যয়নরত চাঁদপুর জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘চাঁদপুর স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’ এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ইংরেজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফেরদাউস হাসান জাফরি এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিথিলা রহমান সুথি।

    ‎রবিবার (৮ জানুয়ারি) সদ্য বিদায়ী সভাপতি ফয়সাল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মীর আবু জাফর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এটি ঘোষণা করা হয়।

    নতুন কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন দিদারুল আলাম তানভীর, নুরুজ্জামান হোসেনসহ আর কয়েকজন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: রিয়াজ, ইব্রাহিম খলিল ইমনসহ আরও কয়েকজন। সাংগঠনিক সম্পাদক মেঘলা আক্তার তাসনিম তাবান্নুমসহ আরও কয়েকজন। দপ্তর সম্পাদক শুভ চন্দ্র দাস, ‎জাফর আহমেদ রিয়ানসহ আরও কয়েকজন, অর্থ সম্পাদক সিরাজুম মুনিরা ও মেঘলা আক্তার জুই। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মাঈনুল আলম, মিনহাজুল। সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সুবর্ণা আক্তার, ফাহমিদা আক্তার। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন নুসরাত জাহান। ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মাহবীর কোরেশী। ছাত্র কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ফয়সাল আহমেদ। আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ফারিহা নিশাত,জান্নাতুল ফেরদৌস তিমি। আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন উম্মুল মেহজাবিন বিনিকা। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আল আমিন পাটোয়ারী, মুক্তাদির হাসান রাজিনসহ আরও কয়েকজন।

    ‎সদ্য মনোনীত সাধারণ সম্পাদক মিথিলা রহমান সুথি বলেন, ‘চাঁদপুর স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এই দায়িত্ব আমার জন্য যেমন সম্মানের, তেমনি বড় একটি দায়বদ্ধতা। শিক্ষার্থীদের অধিকার, কল্যাণ ও সার্বিক উন্নয়নে সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও কার্যকর করতে আমরা কাজ করব। সকল সদস্যের ঐক্য ও সহযোগিতার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলতে চাই। শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা ও সবার সহযোগিতায় আমরা সফল হব বলে আশা করি।’

    ‎সদ্য মনোনীত সভাপতি ফেরদাউস হাসান জাফরি বলেন, ‘আমি মনে করি, একটি সংগঠনকে সামনে এগিয়ে নিতে শুধু পদ নয়; প্রয়োজন আন্তরিকতা, ঐক্য এবং দায়িত্ববোধ। আমাদের এই নতুন কমিটি সেই প্রত্যয় নিয়েই কাজ করতে প্রস্তুত। একইসাথে আমি বিশ্বাস করি, সংগঠনকে আরও প্রাণবন্ত ও গতিশীল করতে ভবিষ্যতে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।”

    ‎তিনি আরও বলেন, “সদস্যদের মতামত ও অংশগ্রহণ যত বাড়বে, সংগঠনের প্রতি সবার আগ্রহ, ভালোবাসা এবং দায়বদ্ধতাও তত বৃদ্ধি পাবে। আমাদের নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদের লক্ষ্য থাকবে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করা, সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নতুন নতুন উদ্যোগ নেওয়া এবং সংগঠনের ফান্ডিং ও পরিকল্পনাগুলোকে আরও সুসংগঠিতভাবে এগিয়ে নেওয়া।”

     

  • থানা থেকে লুট হওয়া শটগানসহ যুবক গ্রেফতার

    থানা থেকে লুট হওয়া শটগানসহ যুবক গ্রেফতার

    রণবীর সরকার, শেরপুর প্রতিনিধি:

    শেরপুর জেলার সদর উপজেলায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত এক বিশেষ যৌথ অভিযানে পুলিশের লুট হওয়া একটি অবৈধ শর্টগান উদ্ধারসহ হারেজ মিয়া (৩২) নামে এক চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে গোয়েন্দা সংস্থার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার সাপমারী ও ভাতশালা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত হারেজ মিয়া শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের সাপমারী পশ্চিম সৈনিকপাড়া গ্রামের মৃত জুবেদ আলীর ছেলে।

    যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, হারেজ মিয়ার হেফাজত থেকে উদ্ধার হওয়া শর্টগানটি গত ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় একটি পুলিশ কেন্দ্র থেকে লুট করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ওই এলাকায় সন্ত্রাসীদের অবস্থানের তথ্য পাওয়ার পর ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে হারেজ মিয়াকে হাতেনাতে আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে অবৈধ শর্টগানটি উদ্ধার করা হয়।

    পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে উদ্ধারকৃত অস্ত্রসহ শেরপুর সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবং দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দেশব্যাপী যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • লালমনিরহাট সদর আর্মি ক্যাম্পের আয়োজনে নির্বাচনী মহড়া

    লালমনিরহাট সদর আর্মি ক্যাম্পের আয়োজনে নির্বাচনী মহড়া

    লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

    (০৯ ফেব্রুয়ারী ২৬) সোমবার দুপুর ১২.০০ ঘটিকায় লালমনিরহাট সদর আর্মি ক্যাম্পের আয়োজনে লালমনিরহাট সোহরাওয়ার্দী মাঠে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্রবাচনকে অবাধ সুষ্ট ও নিরপেক্ষ ভাবে পরিচালনা করার লক্ষে একটি সেনা মোহড়ার আয়োজন করা হয়।

    উক্ত মোহড়াটি পরিচালনা করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রংপুর অঞ্চলের ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এবং আবিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কামরুল হাসানের নির্দেশনায় ৬৬ পদাতিক ডিভিশন এই মহড়া পরিচালনা করছে।

    দুর্গম চরাঞ্চলে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা এবং কার্যকরভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য এই মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে।
    উক্ত আয়োজন করে লালমনিরহাট সদর আর্মি ক্যাম্প।

    মোহড়ারা শেষে সাংবাদিকদের জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যদি কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে সাথে সাথে আমাদেরকে অবগত করবেন আপনারা এবং আপনাদেরকে ফোন দেয়া মাত্রই চলে আসবেন ঘটনাস্থলে।

    তারা আরও জানায় কোন প্রকার গন্ডগোল হতে দেয়া যাবে না। বাংলাদেশের জনগনকে একটি শান্তিপূর্ণ ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য সকলকেই সহায়তা করতে হবে।

  • ডিমলায় দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে নারীদের বিশাল মিছিল

    ডিমলায় দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে নারীদের বিশাল মিছিল

    মো: জুয়েল রানা, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

    নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মোঃ আব্দুল সাত্তার হুজুরের নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লা মার্কার পক্ষে এক বিশাল ও শক্তিশালী মহিলা প্রচার মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার, ৯ই ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ ঘটিকায় ডিমলা উপজেলা জামায়াতে ইসলামের নারী শাখার উদ্যোগে এ প্রচার মিছিলের আয়োজন করা হয়। এতে শত শত নারী কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ ভোটারের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

    মিছিলটি ডিমলা উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও জনবহুল এলাকায় পথসভায় মিলিত হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা “দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিন”, “সৎ নেতৃত্বের জয় হোক”, “ইসলামী আদর্শে দেশ গড়ি”, “ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে রায় দিন”—এমন বিভিন্ন স্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত করে তোলে।

    পথসভায় বক্তারা বলেন, মাওলানা মোঃ আব্দুল সাত্তার হুজুর একজন সৎ, আমানতদার, ন্যায়পরায়ণ ও জনবান্ধব আলেম নেতা। তাঁর নেতৃত্বে সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতির অবসান, নৈতিকতার উন্নয়ন এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ সুদৃঢ় হবে। তাঁকে নির্বাচিত করা হলে ডিমলা উপজেলায় শিক্ষা, ধর্মীয় উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও মানবিক কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    বক্তারা আরও বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটময় পরিস্থিতিতে ইসলামী আদর্শভিত্তিক সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া প্রকৃত শান্তি ও স্থিতিশীলতা সম্ভব নয়। তাই আগামী নির্বাচনে নারী সমাজকে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে ইসলামী মূল্যবোধের বিজয় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান
    তারা।

    মিছিলে অংশগ্রহণকারী নারী কর্মীরা বলেন, একজন আল্লাহভীরু, ন্যায়পরায়ণ ও নৈতিক চরিত্রসম্পন্ন প্রার্থী হিসেবে মাওলানা মোঃ আব্দুল সাত্তার হুজুরই জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি হতে পারেন। তারা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা মার্কার বিজয়ের মাধ্যমে এলাকায় একটি নতুন যুগের সূচনা হবে।

    উল্লেখ্য, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজিত এ মহিলা প্রচার মিছিল স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করেছে বলে আয়োজকরা জানান।

  • ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষার্থী ও কর্মচারীর স্ত্রীর চিকিৎসায় কুবি এলামনাই ইউকের আর্থিক সহায়তা

    ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষার্থী ও কর্মচারীর স্ত্রীর চিকিৎসায় কুবি এলামনাই ইউকের আর্থিক সহায়তা

    সানজানা তালুকদার, কুবি প্রতিনিধি:

    যুক্তরাজ্যে অধ্যয়নরত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের( কুবি) সাবেক শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘এলামনাই এসোসিয়েশন অব ইউকে’ ক্যান্সার আক্রান্ত নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তসলিমা হক অনন্যা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মচারীর স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ৬০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করেছে।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি ) এসোসিয়েশনটির উপদেষ্টা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিনের মাধ্যমে নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের নিকট এই অর্থ হস্তান্তর করা হয়।

    এ বিষয়ে এলামনাই এসোসিয়েশন, ইউকে এর মূখপাত্র আবুল কালাম বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শুধু আমাদের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয় এটি আমাদের পরিচয়, আমাদের শিকড় এবং আমাদের মূল্যবোধের উৎস। আজ আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থান করলেও, আমাদের হৃদয় ও দায়িত্ববোধ সবসময়ই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যুক্ত। এই মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন, ইউকে অসুস্থ শিক্ষার্থীর চিকিৎসার জন্য এই আর্থিক অনুদান প্রদান করেছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘এই অনুদান কোনো দয়া বা আনুকূল্য নয়; এটি একজন শিক্ষার্থীর জীবনের প্রতি আমাদের ভালোবাসা, সহানুভূতি এবং সহপাঠিত্বের বন্ধনের প্রতিফলন।আমরা বিশ্বাস করি, সম্মিলিত সহযোগিতা ও মানবিকতার শক্তিতেই একটি সমাজ এগিয়ে যায়। আজকের এই অনুদান যেন তাঁর চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় কিছুটা হলেও সহায়ক হয় এবং তাঁকে নতুন করে সুস্থ জীবনের পথে ফিরিয়ে আনে এই কামনাই আমাদের।’

     

  • মান্দায় বিএনপির নির্বচনী জনসভা অনুষ্ঠিত

    মান্দায় বিএনপির নির্বচনী জনসভা অনুষ্ঠিত

    ইসরাফিল ইসলাম, মান্দা প্রতিনিধি:

    আগামী ক্রয়োদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিজয়ের লক্ষে নওগাঁ মান্দায় ধানের শীষের প্রার্থী ডা.ইকরামুল বারীর টিপুর বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ৮ ই ফ্রেবয়ারী রবিবার বিকেলে ০৮ নং কুশুম্বা ইউনিয়নে দেলুয়াবাড়ী বাজারে হাজার হজার লোকের সমাগমনে জন স্রোতে পরিনত হয়।

    এ নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটি সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক আহ্বায় এম এ মতিন, প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব শফিকুল ইসলাম বাবুল চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক মান্দা উপজেলা বিএনপি, সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৪৯ নওগাঁ মান্দা-৪ আসনে ধানের শীষের কান্ডারী ও আগামী ক্রয়োদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী ডা.ইকরামুল বারী টিপু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওফেল আলী মন্ডল চেয়ারম্যান ০৮ নং কুসুম্বা ইউনিয়ন পরিষদ ও সহসভাপতি মান্দা উপজেলা বিএনপি, অদক্ষ্য আব্দুল মতিন মন্ডল চেয়ারম্যান ০৭ নং প্রসাদপুর ইউনিয়ন, জনাব সেলিম মোরশেদ চৌধুরী সভাপতি ০৮ নং কুসুম্বা ইউনিয়ন, শাফিকুল ইসলাম সদস্য ০৮ নং কুসুম্বা ইউনিয়ন, আনিছুর আলম প্রামানিক উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মান্দা উপজেলা বিএনপি, সভাপতিত্বে জনাব মকলেছুর রহমান মকে সিনিয়র সহসভাপতি মান্দা উপজেলা বিএনপি, সঞ্চালনায় শামসুল ইসলাম বাদল, সাংগঠনিক সম্পাদক মান্দা উপজেলা বিএনপি, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মাসুদ রানা সুমন সদস্য আবার কমিটির স্বেচ্ছাসেবক দল। জনাব কবি ইউসুফ রেজা গনঅধিকার পরিষদ,

    বক্তারা বলেন প্রিয় কুসুম্বা ইউনিয়ন বাসী আপনাদের যে ভালবাসা শ্রম, ইনসাআল্লাহ ধানের শীষের বিজয় কেউ দাবাই রাখতে পারবেনা, আগামীতে ডা.টিপুকে এই আসন থেকে সবচ্চো ভোট দিয়ে আমরা সংসদে পাঠাবো।

    প্রধান অতিথি ডা.ইকরামুল বারী টিপু তার বক্তব্যে বলেন প্রিয় ভাইরেরা ও বোনেরা আমার আগামী ১২ ই ফেব্রুয়ারি ক্রয়োদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাদের এই ভোটের মাধ্যমে অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে,আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেবল একটি নির্বাচন নয়, এটি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই।

    তিনি বলেন, জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে ধানের শীষের কোনো বিকল্প নেই। এই নির্বাচনের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা করতে ঐক্যের বিকল্প নাই। ১৯৭১ সালে পরাজিত শক্তি,স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিরা যেন আগামীতে মাথা চাড়া দিয়ে না উঠতে পারে সে সিধান্ত নিতে হবে বার তারিখের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। সবার আগে বাংলাদেশ সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

    এ সময় তিনি সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

     

  • গোয়াইনঘাটে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায়

    গোয়াইনঘাটে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায়

    এম এ জুনেদ, গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধিঃ

    সিলেট ৪ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মো: জয়নাল আবেদীন বলেন,এমপি নির্বাচিত হলে পাথরকোয়ারী খুলে দেয়া হবে। জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্খা অনুযায়ী আগামীতে দেশ পরিচালনা করা হবে। তিনি আমীরে জামায়াত ডাক্তার শফিকুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সাধারণ জনগণের স্বীকৃতির কথা উল্লেখ করে বলেন,১২ তারিখের ভোট বিপ্লবে জনতার বিজয় হবে,ইনশাআল্লাহ।

    জয়নাল আবেদীন রবিবার বিকেলে গোয়াইনঘাট উপজেলা শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    তিনি গোয়াইনঘাটের উন্নয়ন ও বৈষম্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “২৪শে তরুণদের গণঅভ্যুত্থানের ফলেই আজ এই নির্বাচনে হচ্ছে, এ জাতি তরুণদের কাছে আজীবন ঋণী থাকবে। তরুণদের এই গণঅভ্যুত্থান ছিল বৈষম্যবিরোধী, তবে গোয়াইনঘাটের মানুষ এখনো বৈষম্যের শিকার। আমরা এখনো সুবিধাবঞ্চিত। বিগত ৫৪ বছর ধরে আমাদের নিয়ে নানা ধরনের নাটক হয়েছে, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি হয়েছে।তিনি বরেন, আমাদের এখানে একটি আধুনিক হাসপাতাল নেই, মানুষ এখনো সুচিকিৎসা পায় না। যোগাযোগের জন্য পর্যাপ্ত রাস্তাঘাট নেই। গোয়াইনঘাটের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি ওয়ার্ড থেকে অন্য ওয়ার্ডে যেতে কোনো রাস্তা নেই। আমরা এই বৈষম্য থেকে মুক্তি চাই।”

    তিনি ২০২২ সালের বন্যার সময়ের সহযোগিতার কথাও তুলে ধরে বলেন, “সারা দেশ থেকে মানুষ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেও, যারা বাইরে থেকে এসে নির্বাচন করছেন, তারা এই মানুষের জন্য কোনো সাহায্য নিয়ে আসেননি। তখন আমি আপনাদের পাশেই ছিলাম। আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে হাওর উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করব, পাথর কোয়ারি খুলে দেব। আমাদের সম্পদ নিয়ে দেশের শিল্প গড়ে উঠলেও এখানে কোনো শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলা হয়নি। আজ আমাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, আমাদের পোস্টার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হয়, শুধু এই অপরাধে যে আমরা এই এলাকার উন্নয়ন চাই। ১২ তারিখ প্রতিটি কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে, বিজয় মিছিল না নিয়ে কেন্দ্র থেকে কেউ যাবে না।”

    উপজেলা জামায়াতের আমীর মাস্টার আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন,জেলা জামায়াত নেতা মাওলানা লোকমান আহমদ,জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এহতেশাম হক,জেলা সদস্য সচিব প্রকৌশলী কামরুল আরিফ,মহানগর সদস্য সচিব কিবরিয়া সারোয়ার জেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ফয়সল আহমদ,ছাত্র মজলিসের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি বিল্লাল আহমদ চৌধুরী, এনসিপি নেতা মোস্তাক আহমদ,মাওলানা নাজমুল ইসলাম নোমানী,মাওলানা আব্দুল হাফিজ,বিশিষ্ট আলেম মাওলানা আব্দুল লতিফ, মাওলানা ফয়েজ আহমদ, মাওলানা আব্দুল নূর, সাংবাদিক মনজুর আহমদ, আব্দুল মতিন, আনোয়ার হোসেন, কাজী মাওলানা শরিফ উদ্দিন।সভায় স্থানীয় নেতা-কর্মী ও গণমানুষের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। সভা শেষে জয়নাল আবেদীনের সমর্থনে বিশাল গণমিছিল উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

  • নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ‘তারুণ্যের চোখে নির্বাচন ও গণভোট’ বিতর্ক প্রতিযোগিতা

    নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ‘তারুণ্যের চোখে নির্বাচন ও গণভোট’ বিতর্ক প্রতিযোগিতা

    আবু তাহের, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পপুলেশন সায়েন্স ডিবেটিং ক্লাবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘তারুণ্যের চোখে নির্বাচন ও গণভোট’ শীর্ষক আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা।

    রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পপুলেশন সায়েন্স বিভাগে প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী। এতে সভাপতিত্ব করেন পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. কে. এম. মুস্তাফিজুর রহমান।

    প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৬টি টিম স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। প্রাথমিকভাবে ৩টি ট্যাব রাউন্ডের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সেরা ৪টি টিম নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় সেমিফাইনাল পর্ব।

    ফাইনালের জন্য উত্তীর্ণ হয় আইন ও বিচার বিভাগের টিম Anonymous এবং স্থানীয় সরকার ও নগর উন্নয়ন বিভাগের টিম Justice for Hadi। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে আইন ও বিচার বিভাগের টিম Anonymous এবং রানার্সআপ হয় স্থানীয় সরকার ও নগর উন্নয়ন বিভাগের টিম Justice for Hadi।

    পপুলেশন সায়েন্স ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি মো. সাকিব আল হাসান বলেন, আমাদের এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল তরুণ প্রজন্মের মাঝে নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে যে চিন্তাভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, তা যুক্তিতর্কের মাধ্যমে তুলে ধরা। একই সঙ্গে তাদের দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করা। এ ধরনের আয়োজন তরুণদের চিন্তা-চেতনাকে বিকশিত করে, যা একটি সুন্দর বাংলাদেশ গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা করি।

  • এনায়েতপুরে ১১ দলীয় জোটের জনসভা, দাড়িপাল্লা শাপলা কলি প্রতীকে ভোট প্রার্থনা

    এনায়েতপুরে ১১ দলীয় জোটের জনসভা, দাড়িপাল্লা শাপলা কলি প্রতীকে ভোট প্রার্থনা

    আব্দুল আওয়াল, এনায়েতপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:

    রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩ ঘটিকায় এনায়েতপুর ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১১ দলীয় জোট আয়োজিত নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    উক্ত জনসভায় এনায়েতপুর থানা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ মোঃ সেলিম রেজার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক সাংসদ মেজর (অব.) মঞ্জুর কাদের বলেন, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের পক্ষে জনমত তৈরি হচ্ছে। ইনশা আল্লাহ আমরা বিজয়ী হব। বেলকুচি থেকে এনায়েতপুর পর্যন্ত আমরা তাঁত শিল্পের উন্নয়নে অসংখ্য শিল্প কারখানা গড়ে তুলব। এনায়েতপুর বেলকুচি চৌহালীতে কেউ চাঁদাবাজি করতে পারবেনা, অবৈধ কাজ করতে পারবেনা। আমরা সকলে ঐক্যবদ্ব থেকে এই এলাকার উন্নয়ন করব।

    সিরাজগঞ্জ -৫ আসনের ১১ দলীয় জোটের মনোনীত জামায়াত ইসলামীর এমপি পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মোঃ আলী আলম বলেছেন, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করে ক্ষমতায় বসালে আর কোন ধান্দাবাজ কুচক্রী মহল এদেশে লুটপাটের রাজনীতি করতে পারবেনা। তিনি বলেন, অবহেলিত এনায়েতপুরের জনগোষ্ঠীর প্রশাসনিক সুবিধা বাড়ানোর জন্য এই এনায়েতপুর থানাকে উপজেলায় রুপান্তরিত করবো, ইনশাআল্লাহ।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিরাজগঞ্জ ৬ আসনের ১১ দলীয় জোটের মনোনীত এনসিপির সংসদ সদস্য প্রার্থী এস এম সাইফ মোস্তাফিজ বলেন, বাংলাদেশ পন্থী রাজনীতির ইচ্ছা থেকেই ১১ দলীয় জোট হওয়া। আল্লাহ যদি তৌফিক দেন ১১ দলীয় জোট যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে এমন ইনসাফের সমাজ কায়েম করব যা জাতি বিগত ৫৪ বছরে দেখেনি।

    উক্ত সমাবেশে আরও বক্তব্য প্রদান করেন বেলকুচি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোঃ আরিফুল ইসলাম সোহেল, শাহজাদপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির সহকারী অধ্যাপক মিজানুর রহমান, বেলকুচি উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মোঃ নুরুন নবী সরকার,এনায়েতপুর থানা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ডাঃ মোঃ মোফাজ্জল হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট গোলাম কিবরিয়া, সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ প্রমূখ।

    উল্লেখ্য উক্ত সমাবেশে পুরুষদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক নারী মিছিল সহকারে যোগদান করেন।

  • জয়মনিতে ধানের শীষের জমজমাট নির্বাচনী প্রচারণা

    জয়মনিতে ধানের শীষের জমজমাট নির্বাচনী প্রচারণা

    মোঃ মহিম ইসলাম, মোংলা প্রতিনিধিঃ

    আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল) আসনের অন্তর্ভুক্ত পশুর নদ ও সুন্দরবন সংলগ্ন প্রত্যন্ত জনপদ জয়মনিতে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে বিশাল নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ৮ ফেব্রুয়ারি ( রবিবার ) বিকালে জয়মনি বাজারে ৭,৮,৯ ওয়ার্ডের ধানের শীষের জমজমাট নির্বাচনী প্রচারণায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসায় জয়মনিতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    বাগেরহাট-৩ আসনে এবার লড়াই বেশ হাড্ডাহাড্ডি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ধানের শীষের পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামীর স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরাও মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তবে জয়মনির মতো প্রত্যন্ত এলাকায় বিএনপির শক্তিশালী সাংগঠনিক অবস্থানের কারণে ধানের শীষের প্রচারণায় ব্যাপক লোকসমাগম দেখা গেছে।

    এ সময় বক্তারা বলেন, দীর্ঘ সময় পর মানুষ যাতে নির্ভয়ে নিজের ভোট নিজে দিতে পারে, সেই গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। আমাদের ১২ তারিখ সকলকে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত করতে হবে। প্রতিটি ভোটই খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ভোট শুরু থেকে বিজয়ীর নাম ঘোষণা না করা পর্যন্ত কেউ কেন্দ্র পরিত্যাগ করব না এবং যদি কেহ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে তাকে কোনোভাবে ছাড় দেয়া হবে না।

    উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা ও সাবেক চিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তালেব হাওলাদার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন চিলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক হোসেন হাওলাদার, চিলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ কাজল খাঁন, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি মোসারেফ খাঁন,৭নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি মোঃ সুলতান শেখ, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোঃ দুলাল খাঁন, যুবদল নেতা নাজমুল হাওলাদার, ছাত্রদল নেতা নাছির মুছাল্লি, ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক সোহেল শেখ সহ সকল সহযোগী সংগঠন নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন যুবদল নেতা সুমন হাওলাদার।

  • পুঠিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর বিশাল নির্বাচনী প্রচার মিছিল ও সভা

    পুঠিয়ায় জামায়াতে ইসলামীর বিশাল নির্বাচনী প্রচার মিছিল ও সভা

    পুঠিয়া রাজশাহী (প্রতিনিধি:

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজশাহীর পুঠিয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা ও সভা পরিচালনা করেছে । রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এই কর্মসূচি পালিত হয় ।

    পুঠিয়া উপজেলার লস্করপুর ডিগ্রী কলেজ মাঠ থেকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের সমর্থনে একটি বিশাল মিছিল শুরু হয় । মিছিলটি বাজারের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুঠিয়া মোড়ে এসে শেষ হয় ।মিছিল চলাকালে কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগানে এলাকা মুখরিত করে তোলেন এবং সাধারণ ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন ।মিছিল শেষে পুঠিয়া মোড়ে একটি সংক্ষিপ্ত নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয় ।

    এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন রাজশাহী-৫ (দুর্গাপুর-পুঠিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা মনজুর রহমান । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ নুরুজ্জামান লিটন সহকারী সেক্রেটারি, রাজশাহী জেলা জামায়াত ।অধ্যাপক মিনহাজুল ইসলাম ও অধ্যাপক মুনসুর রহমান মুন্টু জেলা কর্ম পরিষদ ও শুরা সদস্য ।এ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ডালিম: উপজেলা সেক্রেটারি ।

    এছাড়াও হাফেজ হাফিজুর রহমানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেন । নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথি মাওলানা মনজুর রহমান বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন তিনি বলেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামির মূল লক্ষ্য দেশ ও জনগণের কল্যাণে সৎ, যোগ্য ও ন্যায়পরায়ণ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনে অংশ নিয়েছে ।তিনি আহ্বান জানান একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের স্বার্থে তিনি ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিয়ে জামায়াতকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান ।

    প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, যেকোনো দলের ভোটার যেন নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন, সে বিষয়ে প্রশাসন পূর্ণ সহযোগিতা করবে ।নিরাপত্তা বিষয়ে তিনি সাধারণ মানুষকে বলেন কোনো প্রকার ভয়ভীতি ছাড়া নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য উৎসাহিত করেন ।

  • নির্বাচিত হলে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না : নজরুল ইসলাম

    নির্বাচিত হলে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না : নজরুল ইসলাম

    মাইনুল ইসলাম রাজু, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

    নির্বাচিত হলে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়েত এর কোন ভেদাভেদ থাকবেনা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচনে যে সকল নিরীহ আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী আছেন তাদের সকল মামলা প্রত্যাহার করা হবে। সকলে মিশেমিশে এই সমাজে বসবাস করবো।

    বরগুনা জেলার মানুষ যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন তাহলে আওয়ামী লীগ নেতা- কর্মীরা যারা দিল্লি ও কোলকাতায় আছেন তাদের চেয়ে বরগুনায় অনেক ভাল থাকবেন।

    রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে আমতলী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে উপজেলা বিএনপির আয়োজনে সর্বশেষ নির্বাচনী জনসভায় ওইসব কথা বলেন বরগুনা- ১ (সদর- আমতলী- তালতলী) বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও বরগুনা জেলা বিএনপির আহবায়ক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা।

    নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ২০০১ সালের উপ-নির্বাচনের পর বিএনপি সরকারের সময় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে অবহেলিত আমতলী- তালতলীতে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছিল। তখন আমতলী-তালতলী-ফকিরহাট পর্যন্ত সড়ক পাকাকরণ, আমতলী- তালতলীর অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ, ব্রীজ কালভার্ট নির্মাণ ও বিদ্যুৎ সুবিধা সেই সময়েই বাস্তবায়িত হয়েছে।

    তখন সাবেক বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মরহুম আলহাজ্ব মো. মতিয়ার রহমান তালুকদারের হাত ধরেই আমতলী ও তালতলীবাসী উন্নয়নের সুফল পেয়েছিল। এরপর বিগত ১৭ বছরে আমতলী ও তালতলীতে কাঙ্খিত কোন উন্নয়ন হয়নি।

    একটি দল ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, ভোট দিয়ে কেউ জান্নাতে যেতে পারে না। জান্নাতে যেতে হলে রাসুল (সা.)-এর দেখানো পথে কোরআন ও হাদিস অনুযায়ী জীবনযাপন পরিচালনা করতে হবে। কিছু রাজনৈতিক দল ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে সাধারণ মুসলমান ও মা-বোনদের বিভ্রান্ত করছে। ধর্মকে ভোটের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

    বর্তমান পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে আমতলী- তালতলীতে দৃশ্যমান কোনো বড় উন্নয়ন হয়নি, মানুষ এখনো মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে আমতলী- তালতলীতে নতুনভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করা হবে। রাস্তাঘাট উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ হবে।

    নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী সবাই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দেবেন এবং অন্যদেরও ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করবেন।

    আমতলী উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক ও সাবেক সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন ফকিরের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মো. তুহিন মৃধার সঞ্চালনায় নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত ছিলেন, বরগুনা জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো. ফজলুল হক মাষ্টার, আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মো.জহিরুল ইসলাম মামুন, জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামে সুপ্রিম কোর্টের সদস্যসচিব অ্যাডঃ তৌহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোঃ জহিরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. মকবুল হোসেন খান, অ্যাডঃ নাসির উদ্দিন তালুকদার, মো.কামরুজ্জামান হিরু, তারিকুল ইসলাম টারজান, পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক মো.কবির উদ্দিন ফকির, সদস্যসচিব মো. জালাল আহমেদ খান, ছাত্রদল সভাপতি সোয়েব হেলাল, সম্পাদক ইমরান খান, সেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আরিফুর রহমানসহ জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

    আমতলী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের জনসভায় উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভার হাজার হাজার নেতা- কর্মী ও সাধারণ জনগন ধানের শীষের মিছিল নিয়ে অংশগ্রহন করেন। এক পর্যায়ে জনতার ঢলে জনসভাস্থলটি কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।