Month: February 2026

  • তিন নেতার হাতে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

    তিন নেতার হাতে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

    তিন রাজনৈতিকদলের শীর্ষ নেতার হাতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অভিনন্দন বার্তা পৌঁছে দেয়া হয়েছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে পৃথকভাবে এ বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার একান্ত সচিব সজীব এম খায়রুল ইসলাম (১৪ ফেব্রুয়ারী) তিন নেতার হাতে এই বার্তা তুলে দেন।

    সূত্রঃ বাসস

  • চাঁদাবাজদের ধরিয়ে দিলে পুরস্কার : কাজল

    চাঁদাবাজদের ধরিয়ে দিলে পুরস্কার : কাজল

    মোহাম্মদ সেলিম, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ

    কক্সবাজার-৩ (সদর–রামু–ঈদগাঁও) আসন থেকে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল— নির্বাচনের পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার নির্বাচনী এলাকায় কেউ চাঁদাবাজির চেষ্টা করলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশে সোপর্দ করলে সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার দেওয়া হবে।

    নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এমপি কাজল বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কিংবা ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি সবাইকে এ ধরনের অভিযোগ সরাসরি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করেন। জনগণের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করাই তার অগ্রাধিকার বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    পৃথক আরেকটি পোস্টে তিনি নির্বাচন পরবর্তী যে কোনো সহিংসতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। সেখানে তিনি বলেন, মহানুভবতা ও ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে বিজয় উদযাপন করতে হবে। কক্সবাজার-৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য হিসেবে এলাকার সব নাগরিককে নিরাপদ রাখা তার দায়িত্ব ও কর্তব্য বলেও উল্লেখ করেন।

    এমপি কাজল আরও বলেন, বিজয় মানে প্রতিপক্ষকে হেয় করা নয়; বরং সহনশীল ও দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালী হয়। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সংযত থাকার আহ্বান জানিয়ে স্পষ্ট করেন—কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা প্রতিহিংসামূলক আচরণ গ্রহণযোগ্য হবে না।

    উল্লেখ্য, ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসগুলো অল্প সময়ের মধ্যেই ভাইরাল হয়। কমেন্টে স্থানীয় জনগণ ও সচেতন মহল চাঁদাবাজ, দখলবাজ, হাইব্রিড, সন্ত্রাসী ও দালালদের দূরে রাখার দাবি জানান। সময়োপযোগী এ সিদ্ধান্তের জন্য এমপি কাজলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • জামায়াতের পক্ষে ভোট চাওয়ায় যুবককে হাতুড়িপেটা, বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

    জামায়াতের পক্ষে ভোট চাওয়ায় যুবককে হাতুড়িপেটা, বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

    মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় জামায়াতের পক্ষে ভোট চাওয়ার অভিযোগে মো. আসাদ নামে এক যুবককে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা এবং তার বসতঘরে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।

    শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কাঠিপাড়ায় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত মো. আসাদ উপজেলার শুক্তাগর ইউনিয়নের কাঠিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

    ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে আসাদ নৈকাঠি বাজার থেকে বাড়ি ফেরার সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা বাদল ডাকুয়ার নেতৃত্বে রুহুল, রাব্বি, মেহেদী, দেলোয়ার মুন্সী, মামুন, রাকিব ও সুমনসহ আরও কয়েকজন তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে হাতুড়ি দিয়ে মারধর করা হয় এবং হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলাকারীরা তার বসতঘরে ভাঙচুর চালিয়েছে বলেও দাবি পরিবারের। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ এসে আহত আসাদকে উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়, সেখানে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, সাম্প্রতিক নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষে ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে পূর্ব বিরোধের জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “কাঠিপাড়া এলাকায় একজনকে পিটিয়ে আহত করার বিষয়টি শুনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • ঝালকাঠির দুই আসনেই বিএনপির জয়

    ঝালকাঠির দুই আসনেই বিএনপির জয়

    মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    ঝালকাঠি জেলার দুটি সংসদীয় আসনেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। শুক্রবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মমিন উদ্দিন বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন। জেলার দুটি আসনে মোট ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

    ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ৬২ হাজার ১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ফয়জুল হক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৫ হাজার ১২০ ভোট।

    এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৭৮ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ১২ হাজার ২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন।

    ঝালকাঠি-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন— ইসলামী আন্দোলনের ইব্রাহিম আল হাদি (হাতপাখা), স্বতন্ত্র এম মঈন আলম ফিরোজী (হাঁস), স্বতন্ত্র মো. সাব্বির আহমেদ (মোরগ), জনতার দল জসীম উদ্দিন তালুকদার (কলম), জাতীয় পার্টির মো. কামরুজ্জামান খান (লাঙ্গল), জাতীয় পার্টি-জেপির রুবেল হাওলাদার (বাইসাইকেল), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)-এর সোহরাব হোসেন (তারা) এবং গণঅধিকার পরিষদের শাহাদৎ হোসেন (ট্রাক)।

    অন্যদিকে ঝালকাঠি-2 (সদর–নলছিটি) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শেখ নেয়ামুল করিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট।

    এ আসনে মোট ভোটার রয়েছে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৩৯৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪৫১ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৯৪৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন।

    ঝালকাঠি-২ আসনের অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন— ইসলামী আন্দোলনের সিরাজুল ইসলাম সিরাজী (হাতপাখা), স্বতন্ত্র সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম (মোটরসাইকেল), গণঅধিকার পরিষদের মাহমুদুল ইসলাম সাগর (ট্রাক), স্বতন্ত্র নূরুদ্দীন সরদার (কলস), ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি)-এর ফোরকান হোসেন (আম) এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)-এর মাসুদ পারভেজ (তারা)।

    দুই আসনেই বিএনপি প্রার্থীদের বিজয়ের মধ্য দিয়ে জেলায় দলটির সাংগঠনিক অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছেন।

     

  • তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ

    তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ

    দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ করে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য তারেক রহমান, ডা. শফিকুর রহমান এবং নাহিদ ইসলামের প্রতি অভিনন্দন, ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    আজ শনিবার পৃথক টেলিফোন আলাপে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন।

    এ সময়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পরিমিতি, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণের ফলে নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।

    প্রথমে প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার দলের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানান।

    প্রধান উপদেষ্টা পরে শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামকে সাফল্যের জন্য এবং নির্বাচন পরবর্তী দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

    তিনি আশা প্রকাশ করেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক দলগুলো একইভাবে সহযোগিতাপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।

    সূত্রঃ বাসস

  • বাঘা-চারঘাটে ধানের শীষের বড় জয়

    বাঘা-চারঘাটে ধানের শীষের বড় জয়

    মোঃ সিজার হোসেন, চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাজশাহী-৬ তথা বাঘা-চারঘাট আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ের চূড়ান্ত ফলাফল হাতে এসে পৌঁছেছে। নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করেছে ধানের শীষ প্রতীক। ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে এই আসনে আজ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

    রাজশাহী-৬ আসনের নির্বাচনি আমেজ ছিল উৎসবমুখর। সকাল থেকেই কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দুই উপজেলা বাঘা ও চারঘাট নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৩ লক্ষ ৫২ হাজার ৮৭৬ জন। যার মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২ লক্ষ ৫০ হাজার ১৫২ জন ভোটার।

    নির্বাচন পরবর্তী গণনা শেষে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৩৫৯টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে লড়াই করে পেয়েছেন ৯১ হাজার ৪৬০ ভোট।

    নির্বাচনের ফলাফল ধানের শীষ: ১৪৭৩৫৯, দাঁড়িপাল্লা: ৯১৪৬০, হাতপাখা: ১৫৮৬, লাঙ্গল: ২৮৩৭, বাতিল ভোট: ৬৯১০, মোট প্রদত্তভোট: ২৫০১৫২, মোট ভোটার সংখ্যা: ৩৫২৮৭৬

    অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে লাঙ্গল প্রতীক পেয়েছে ২ হাজার ৮৩৭ ভোট এবং হাতপাখা প্রতীক পেয়েছে ১ হাজার ৫৮৬ ভোট। তবে এবারের নির্বাচনে মোট ৬ হাজার ৯১০টি ভোট বাতিল বলে গণ্য করা হয়েছে।

    বিপুল ভোটের এই জয়কে তৃণমূলের সাধারণ মানুষের বিজয় হিসেবে দেখছেন বিজয়ী প্রার্থীর সমর্থকরা। ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচনী এলাকায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণের খবর পাওয়া গেছে।

  • জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

    জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মর্যাদাপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    শনিবার এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত আমিরকে বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীদের সক্রিয় ও ব্যাপক অংশগ্রহণ, দৃঢ় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পরবর্তীতে নির্বাচনের ফলাফলকে শান্ত ও মর্যাদাপূর্ণভাবে গ্রহণ করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

    তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচার পর্ব থেকে শুরু করে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী সময় পর্যন্ত আপনার রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংযম, দায়িত্বশীল বক্তব্য এবং কর্মীদের প্রতি শান্তিপূর্ণ আচরণের আহ্বান দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

    তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার দল যে গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করেছে, তার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আমাদের সামনে বহু চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী, অংশগ্রহণমূলক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত করতে হলে সরকার ও বিরোধী দল- উভয়েরই দায়িত্বশীল ও নীতিনিষ্ঠ ভূমিকা অপরিহার্য।’

    তিনি বলেন, ‘আমি প্রত্যাশা করি, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল বিরোধী শক্তি হিসেবে জাতীয় সংসদ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। নীতিগত বিতর্ক, আইন প্রণয়নে পরামর্শ, জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে, এমনটাই আমাদের আকাঙ্ক্ষা।’

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য সুসংহত করতে আপনি অতীতে যে ভূমিকা রেখেছেন ভবিষ্যতের দিনগুলোতে তা অব্যাহত রাখবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি।’

    তিনি বলেন, ‘আমি মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে আপনার ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।’

    সূত্রঃ বাসস

  • চৌদ্দগ্রামে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ

    চৌদ্দগ্রামে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ভোট গণনার পর পৌরসভা সহ ৭ ইউনিয়নে বিএনপি নেতা কর্মীদের বাড়িতে জামায়াত কর্মীদের হামলা ভাঙচুর আহত করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করছে উপজেলা বিএনপির।

    শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারী )শহীদ বীর উত্তম জিয়াউর রহমান হলে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হারুন অর রশিদ মজুমদার বলেন, উপজেলা ৭ টি ইউনিয়নে আমাদের ৬০ জন নেতা কর্মী আহত হয়েছেন।

    তিনি আরো বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছিলো নির্বাচন সুস্থ ও নিরপেক্ষ হবে। কিন্তু ১১ ফেব্রুয়ারী রাতেই উপজেলার আলকরা, গুণবতী, কনকাপৈত, জগন্নাথ দিঘি ও চিওড়া ইউনিয়নে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা ভোট কেন্দ্র দখল করে নেয়। এসময় তারা আমাদের এজেন্ট ও নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। ওই রাতে তারা ওই ইউনিয়ন গুলোর কেন্দ্রে ব্যালন্টে সিল মারে। এসকল বিষয়ে আমরা প্রশাসনকে বার বার জানালেও তারা কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনী। বরং নির্বাচনের দিন উপজেলার দক্ষিণ এলাকায় সবগুলো ভোটকেন্দ্র জামায়াত নেতাকর্মরা প্রশাসনের সহযোগিতায় দখল করে নেয়। নিবাচন শুরুর আগেই আমাদের সকল এজেন্ট কে কেন্দ্র থেকে বাহির করে দেওয়া হয়। প্রশাসনের ছত্রছায়া জামায়াত দক্ষিণ অঞ্চলের সকল কেন্দ্র দখল করে দাঁড়ি পাল্লায় সিল মারে। এ ফলাফল প্রত্যাখান করলাম। ফলাফল স্থগিত করে এ আসনে আবারও নিবার্চন দাবী করেন এ নেতা।

    হারুন অর রশিদ মজুমদার আরো বলেন, ভোট গণনা শেষে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা পৌরসভা, শুভপুর ইউনিয়ন, বাতিসা, কনকাপৈত, চিওড়া, জগন্নাথ দিঘি, গুণবতী ও আলকরা ইউনিয়নে আমাদের নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। এসময় আমাদের ৬০ জনের অধিক নেতাকর্মী আহত হয়। এরা চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা ও ফেনী শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। হামলার ঘটনায় বিষয়ে একাধিকবার প্রশাসকে জানালেও তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এছাড়াও আলকরা,গুণবতী, জগন্নাথ দিঘি ইউনিয়ন অসংখ্য বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা বাড়ি ছাড়া করেছেন বলে তিনি দাবি না করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে পৌরসভা বিএনপির সভাপতি জিএম তাহের পলাশী বলেন, ভোট গণনা শেষে জামায়াত শিবিরের নেতাকর্মীরা পৌরসভা ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সির ও বিএনপি নেতা মফিজুর রহমানের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে, পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি দিদার ও পৌরসভা মহিলা দলের নেত্রী তাসলিমা বাড়িতে হামলা চালায়, পৌরসভা মহিলা দলের নেত্রী শিখা, শান্ত ও পুতুলকে মেরে গুরুতর আহত করে। পৌর বিএনপির নেতা এনামের বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়। এভাবে বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীর বাড়িঘর ভাংচুরের বিষয়ে অভিযোগ করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইন্জিনিয়ার শাহ আলম রাজু, পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী রাকিবুল হাসান মহব্বত, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী সহ অনেকেই।

     

  • ঝালকাঠি-১ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী ড. ফয়জুল হকের ওপর হামলা, আহত ৮, আটক ৪

    ঝালকাঠি-১ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী ড. ফয়জুল হকের ওপর হামলা, আহত ৮, আটক ৪

    মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনের রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের পাঁচটি ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় কেন্দ্রে গেলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. ফয়জুল হকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা স্কুলের ৩৬ নম্বর ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে গুরুতর আহত একজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) রেফার করা হয়। আহতদের মধ্যে রয়েছেন—জাহিদ, প্রার্থীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) খায়রুল ও কর্মী সাইফুলসহ আরও কয়েকজন।

    আহতরা জানান, কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ পেয়ে ড. ফয়জুল হক সমর্থকদের নিয়ে সেখানে গেলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, কেন্দ্রে প্রবেশের সময় ধাক্কাধাক্কি ও বিশৃঙ্খলার একপর্যায়ে প্রার্থীকে লক্ষ্য করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। তাকে রক্ষা করতে গেলে কয়েকজন কর্মী আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

    জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ফয়জুল হক অভিযোগ করেন, “আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। পরে সেই অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামালের নির্দেশে তার নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে এবং বড়ইয়া ইউনিয়নের পাঁচটি কেন্দ্র দখল করে আমাদের এজেন্টদের বের করে দিয়েছে।”

    এ বিষয়ে বড়ইয়া ইউনিয়নে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম রেজা সজীব বলেন, “৩৬ নম্বর কেন্দ্রে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভোটগ্রহণ চলমান আছে।”

  • কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালীতে কঠোর নিরাপত্তায় পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম

    কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালীতে কঠোর নিরাপত্তায় পাঠানো হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম

    মো. সোহাগ আহমেদ, (কলাপাড়া) পটুয়াখালী:

    পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের ওপর গণভোটের লক্ষে কেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছানো শুরু হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রিজাইডিং অফিসাররা ব্যালট পেপারসহ অন্যান্য সামগ্রী বুঝে নেন।

    এ আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন ভোটাররা। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন: এবিএম মোশাররফ হোসেন: বিএনপি (ধানের শীষ), অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা), ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ: খেলাফত মজলিস (দেয়াল ঘড়ি – জামায়াত সমর্থিত জোট)।

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) অফিস সূত্র জানায়, পটুয়াখালী-৪ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯ হাজার ৩৪৫ জন। এর মধ্যে কলাপাড়া উপজেলা ১২টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভায় মোট ভোটার ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৮১ জন (পুরুষ: ১,০৮,৮৩৬ এবং নারী: ১,০৫,৬৪৫ জন)। রাঙ্গাবালী উপজেলা ৫টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৯৪ হাজার ৮৬৪ জন (পুরুষ: ৪৭,৬৬১ এবং নারী: ৪৭,২০৩ জন)ও হিজলা সম্প্রদায় ৫ জন ভোটার রয়েছে।

    নির্বাচনকালীন সময়ে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুরো জেলায় কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পটুয়াখালীর চারটি সংসদীয় আসনে দায়িত্ব পালন করছেন, সেনাবাহিনী ২৬ প্লাটুন, বিজিবি ৭ প্লাটুন, র‍যাব ৬টি বিশেষ টিম, দেড় হাজার পুলিশ সদস্যসহ বিপুল সংখ্যক আনসার ও কোস্টগার্ড সদস্য। মাঠে সক্রিয় রয়েছেন ৩০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

    কলাপাড়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে এসে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তার জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আজ বিকালের মধ্যেই দুর্গম চরাঞ্চলসহ প্রতিটি কেন্দ্রে সরঞ্জাম পৌঁছে যাবে।

  • সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির রাজনীতি করতে নির্বাচনে আসিনি : রফিকুল ইসলাম জামাল

    সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির রাজনীতি করতে নির্বাচনে আসিনি : রফিকুল ইসলাম জামাল

    মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    ঝালকাঠি–১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল বলেছেন, তিনি কাবিখার টাকা ভাগাভাগি, চাঁদাবাজদের আশ্রয় বা সন্ত্রাসী রাজনীতি করতে নির্বাচনে আসেননি। বরং দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য ও অপরাধমুক্ত একটি জনপদ গড়ার লক্ষ্য নিয়েই তিনি জনগণের সামনে দাঁড়িয়েছেন।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের জন্য ত্যাগ স্বীকার করেছেন, সেই আদর্শ বাস্তবায়নের জন্যই তিনি রাজনীতিতে এসেছেন। তিনি বলেন, “আমি চাঁদাবাজের সঙ্গে রাজনীতি করতে আসিনি, মাস্তানদের নিয়ে চলতে আসিনি, কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পৃষ্ঠপোষকতা করতে আসিনি। আমি এসেছি অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে।”

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে রাজাপুর–কাঁঠালিয়া হবে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য একটি নিরাপদ জনপদ। এখানে থাকবে না মাদক ব্যবসায়ী, থাকবে না সন্ত্রাস ও দুর্নীতি। বিএনপির আদর্শে একটি সন্ত্রাসমুক্ত, ক্ষুধামুক্ত ও উন্নয়নমুখী আধুনিক বাংলাদেশ গড়াই হবে তার একমাত্র লক্ষ্য।

    কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বলেন, জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ইতিহাস গড়েছেন, বেগম খালেদা জিয়া আপসহীন আন্দোলনের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। একইভাবে সাম্প্রতিক গণআন্দোলনের মধ্য দিয়ে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সূচনা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ আরেকটি নতুন ইতিহাস রচনা করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, “যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এ দেশ স্বাধীন হয়েছিল, তারাই আজ আমাদের প্রতিপক্ষ। বিপুল ভোটে তাদের পরাজিত করেই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে। বাঙালি জাতি কখনো পরাজয় মেনে নেয়নি।”

    রফিকুল ইসলাম জামাল আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি দপ্তরে নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ করা হবে, ঠিকাদারি কাজে কমিশন বাণিজ্য থাকবে না এবং মাদকের আগ্রাসন রুখে দেওয়া হবে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় নির্বাচনের দিন প্রতিটি কেন্দ্র পাহারায় থাকতে হবে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গণনা শেষ করে ফলাফল নিশ্চিত করতে হবে।

    তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি বিজয়ের মধ্য দিয়ে রাজাপুর–কাঁঠালিয়ায় চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত নতুন সূচনা হবে।

    রাজাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তালুকদার আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবুল হক নান্ন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হক নান্টু, শিক্ষক সমিতির সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক তালুকদার শামীম তালুকদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আজাদুর রহমান, জেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব সোহাগ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহ পারভেজ ও সদস্য সচিব সৈয়দ নাজমুল হকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

  • ঝালকাঠি-১ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ইব্রাহিম আল হাদীর নির্বাচনী গণমিছিল

    ঝালকাঠি-১ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ইব্রাহিম আল হাদীর নির্বাচনী গণমিছিল

    মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝালকাঠি–১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী হাতপাখা প্রতীকের মাওলানা ইব্রাহিম আল হাদীর নেতৃত্বে এক নির্বাচনী গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজাপুর বাইপাস মোড় থেকে গণমিছিলটি শুরু হয়। পরে এটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বাইপাস মোড়ে এসে শেষ হয়। গণমিছিল চলাকালে মাওলানা ইব্রাহিম আল হাদী সাধারণ মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ভোটারদের কাছে হাতপাখা প্রতীকে সমর্থন ও ভোট প্রার্থনা করেন।

    গণমিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশে সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে। দুর্নীতি, দুঃশাসন ও বৈষম্য থেকে মুক্ত একটি কল্যাণরাষ্ট্র গড়তে ইসলামী আদর্শের কোনো বিকল্প নেই। জনগণ সুযোগ দিলে রাজাপুর–কাঁঠালিয়ার মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হবে।

    তিনি আরও বলেন, এই নির্বাচন দেশ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের প্রকৃত রায় প্রতিষ্ঠা করাই তাদের লক্ষ্য।

    গণমিছিলে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঝালকাঠি জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ ফয়েজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আরিফ বিল্লাহ, নির্বাচন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ক্বারী তাওহিদুল ইসলাম, রাজাপুর উপজেলা সভাপতি মাস্টার জাহিদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মাওলানা আলামিন দোহারী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা বাইজিদ হক ফরাজীসহ দলটির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    এছাড়াও যুব ও ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় বিপুল সংখ্যক সমর্থক গণমিছিলে অংশগ্রহণ করেন।

  • কুবিতে প্রোগ্রাম অ্যাক্রেডিটেশন ও একাডেমিক পরিকল্পনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    কুবিতে প্রোগ্রাম অ্যাক্রেডিটেশন ও একাডেমিক পরিকল্পনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    সানজানা তালুকদার, ‎কুবি প্রতিনিধি:

    ‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি এস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর উদ্যোগে প্রোগ্রাম অ্যাক্রেডিটেশন ও একাডেমিক পরিকল্পনা বিষয়ক একটি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ‎‎সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আইকিউএসি’র পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়।

    ‎উক্ত ‎প্রশিক্ষণের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান। এবং কো-অর্ডিনেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম।

    অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ‘আজকের এই প্রশিক্ষণটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওবিই কারিকুলামের জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সারাদেশে সুনাম অর্জন করেছে। একইভাবে অ্যাক্রেডিটেশন নিয়েও আমরা চিন্তা করতে পারি। এটি করতে কি কি করণীয়, টাইম ফ্রেমসহ টেমপ্লেট আকারে দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য আইকিউএসির পরিচালককে অনুরোধ জানাচ্ছি।’

    ‎প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. মোঃ হায়দার আলী বলেন, ‘আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে তাই সকল শিক্ষককে একসাথে প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব নয়। এজন্য প্রতি বিভাগ থেকে তিনজন শিক্ষক নির্বাচন করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান এখন অনেক ভালো।’

    ‎তিনি আরো জানান, ‘কোয়েশ্চেন ডিজাইন করা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা শিক্ষকতার প্রথম জীবনে তেমন কিছু পাইনি। এখন বিভিন্ন সাইট রয়েছে, যেখান থেকে সাজেশন নেয়া যেতে পারে। এসব বিষয়ের জন্য একদিনের একটি ট্রেনিং প্রোগ্রাম যথেষ্ট নয়। আমাদের চেষ্টা করতে হবে, তবেই শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে, জাতি উপকৃত হবে, দেশ উপকৃত হবে।’

     

  • নবীনগরে ধানের শীষের বিশাল জনসভা

    নবীনগরে ধানের শীষের বিশাল জনসভা

    আরিফুর ইসলাম, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)  প্রতিনিধ:

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৫ (নবীনগর) আসনের নির্বাচনী মাঠ এখন উৎসবের রঙে রঙিন। টানা ১৭ বছর পর বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ‘ধানের শীষ’ এই আসনে ফিরে আসায় দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটারদের মাঝেও দেখা গেছে বাড়তি প্রাণচাঞ্চল্য ও উদ্দীপনা।

    সোমবার বিকেলে নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় সেই উচ্ছ্বাস স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মান্নান।

    বক্তব্যে তিনি নবীনগরের সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার তুলে ধরেন। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত থাকা সমস্যাগুলো সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

    আব্দুল মান্নান বলেন, নবীনগরবাসীর বহুদিনের দাবি অনুযায়ী ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগ পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। একই সঙ্গে তিনি একটি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত নবীনগর গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের সহজ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে নবীনগরে একটি আধুনিক মেডিকেল কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    জনসভা শুরুর আগেই বিকেল থেকে নবীনগরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সভাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জনসভাস্থল পরিণত হয় মানুষের ঢলে ভরা এক বিশাল জনসমুদ্রে।

    আয়োজকদের দাবি, প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ হাজার মানুষের উপস্থিতিতে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
    জনসভায় অংশ নেওয়া সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ছিল স্পষ্ট আবেগ ও প্রত্যাশা। অনেকেই জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর পর তাঁরা আবার ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

    সভায় উপস্থিত জনতার কণ্ঠে বারবার উচ্চারিত হয়েছে একই কথা— “দীর্ঘ অপেক্ষার পর ধানের শীষ ফিরে পেয়েছি, এবার এই প্রতীকেই আমাদের আস্থা।”

    স্লোগান ও করতালির মাধ্যমে উপস্থিত জনতা আব্দুল মান্নানের প্রতি তাঁদের সমর্থন জানায় এবং নবীনগরের উন্নয়নে ধানের শীষের বিকল্প নেই বলে মত প্রকাশ করে।

  • নাটোর-২ আসনে জামায়াতের সমাপ্তি নির্বাচনী গণমিছিল

    নাটোর-২ আসনে জামায়াতের সমাপ্তি নির্বাচনী গণমিছিল

    মোঃ শরিফুল ইসলাম, নাটোর সদর প্রতিনিধি:

    নাটোর-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী’র উদ্যোগে সমাপ্তি নির্বাচনী গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এ গণমিছিলে দলের নাটোর-২ আসনের মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী অধ্যাপক মোঃ ইউনুছ আলী স্থানীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

    মিছিলটি মিছিলটি নাটোর মাদ্রাসার মোড় থেকে শুরু হয়ে আসনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে ব্যানার-ফেস্টুন বহন করেন এবং নির্বাচনী প্রতীক ও কর্মসূচি তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

    সমাপনী বক্তব্যে স্থানীয় নেতারা বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। তারা ভোটারদের সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান এবং এলাকার উন্নয়ন, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    আয়োজকরা জানান, নির্বাচনকে সামনে রেখে এ গণমিছিল ছিল প্রচারণার শেষ কর্মসূচি। কর্মসূচি চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

  • নীলফামারী-২ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা

    নীলফামারী-২ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা

    মো: জুয়েল রানা, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন ভাইয়ের নেতৃত্বে ধানের শীষ প্রতীকে এক বিশাল নির্বাচনী প্রচারণা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    প্রচারণা মিছিলে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। মিছিলটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভোটারদের মাঝে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানায়।

    এ সময় ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলে বিভিন্ন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব। যুব সমাজের ভবিষ্যৎ গড়তে নতুন নতুন শিল্প ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।”

    স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানান, ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও সমর্থন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আসন্ন নির্বাচনে জনগণ বিএনপিকে বিজয়ী করে উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পক্ষে রায় দেবে।

    প্রচারণা মিছিলটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

  • চরভদ্রাসন হাইস্কুলের মাঠ নর্দমার আতুরঘরে পরিণত, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা

    চরভদ্রাসন হাইস্কুলের মাঠ নর্দমার আতুরঘরে পরিণত, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা

    সাজ্জাদ হোসেন সাজু, ফরিদপুর প্রতিনিধি:

    ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার চরভদ্রাসন হাইস্কুলের মাঠ দিন দিন ভয়াবহ পরিবেশ দূষণের শিকার হয়ে নর্দমার আতুরঘরে পরিণত হচ্ছে। চরভদ্রাসন বাজারে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় বাজারের হোটেল ও মুরগির দোকানের বর্জ্য দীর্ঘদিন ধরে হাইস্কুল সংলগ্ন পুকুরপাড়ে ফেলা হচ্ছে। এতে মাঠের একাংশে স্তূপ হয়ে জমেছে আবর্জনা।

    স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য ফেলার কারণে দুর্গন্ধে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এবং মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। উল্লেখ্য, এই মাঠটির সঙ্গে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি হাইস্কুল অবস্থিত। এছাড়া দুর্গন্ধের কারণে মাঠের পাশের ব্যবসায়ীরাও চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন।

    বর্জ্য অপসারণ ও মাঠ সংস্কার না করায় বর্তমানে মাঠটি খেলাধুলার সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। চরভদ্রাসনের সাবেক খেলোয়াড় ওয়াসিম বলেন,
    “এই হাইস্কুলের মাঠে একসময় বড় বড় টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হতো। এখন মাঠের অবস্থা দেখলে খুব কষ্ট লাগে।”

    সিনিয়র খেলোয়াড় আমির জানান,
    “এই মাঠে খেলাধুলা করা একেবারেই অনুপযোগী। তারপরও এলাকার তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখার জন্য নর্দমার পাশেই ভলিবল খেলা চালু রেখেছি। কিন্তু বাতাস জোরে বইলেই দুর্গন্ধে টিকে থাকা দায় হয়ে যায়। বাজারের মুরগি ও হোটেল ব্যবসায়ীদের বর্জ্য মাঠে ফেলতে নিষেধ করা হলেও তারা আমাদের কথায় কর্ণপাত করে না।”

    আরেক খেলোয়াড় মিরাজ বলেন,
    “বেশ কয়েকবার বর্জ্যের স্তূপে আগুন লেগেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিয়ে আগুন নেভানো হয়। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।”

    সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠটির একাংশ কার্যত একটি খোলা নর্দমায় পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, মাঠটি দ্রুত সংস্কার ও বাজারের জন্য আলাদা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা এখন চরভদ্রাসনবাসীর প্রাণের দাবি।

    এ বিষয়ে চরভদ্রাসন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

  • বানারীপাড়ায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর সমাপনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর সমাপনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    মোঃ সাইফুল ইসলাম মিয়া, বানারীপাড়া প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাস্টার আব্দুল মান্নানের সমাপনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) জামায়াতে ইসলামী বানারীপাড়া উপজেলা শাখার আয়োজনে সরকারি ইউনিয়ন ইনিস্টিউশন (পাইলট) স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এ উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাস্টার আব্দুল মান্নান।

    উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়ায় সদ্য জামায়াতে ইসলামীতে যোগদানকারী শিক্ষক নেতা গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাস্টার, শেরে-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হকের নাতনি ও এনসিপি নেত্রী এ কে ফ্লোরা।

    বানারীপাড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামী সভাপতি মো. খলিলুর রহমান শাহাদাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর মো. খলিলুর রহমান শাহাদাত, সেক্রেটারি জেনারেল মো. মোজাম্মেল হোসেন মোকাম্মেল, পৌর জামায়াতে ইসলামী আমীর কাওসার হোসেন, এনসিপির বরিশাল জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আসিফ আলী এবং জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ তাহিদুলের পিতা আব্দুল মান্নানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    এ সময় বিএনপির উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জালিস মাহমুদ, সৈয়দকাঠী ইউনিয়ন যুবদল নেতা জাকির হোসেন, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক ও ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রুহুল আমিন, সদর ইউনিয়ন বিএনপি নেতা আল আমীনসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। এছাড়াও এনসিপিতে যোগদান করেন।

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মুখ সারির নেতা ও সরকারি ফজলুল হক কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন।

    বক্তারা বলেন, আসন্ন নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোট ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সমাপনী এই উঠান বৈঠকে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।

  • ‎কুবির চাঁদপুর অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে জাফরি-মিথিলা

    ‎কুবির চাঁদপুর অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্বে জাফরি-মিথিলা

    ‎সানজানা তালুকদার, কুবি প্রতিনিধি:

    ‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) অধ্যয়নরত চাঁদপুর জেলার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘চাঁদপুর স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’ এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ইংরেজি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফেরদাউস হাসান জাফরি এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিথিলা রহমান সুথি।

    ‎রবিবার (৮ জানুয়ারি) সদ্য বিদায়ী সভাপতি ফয়সাল আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মীর আবু জাফর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এটি ঘোষণা করা হয়।

    নতুন কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন দিদারুল আলাম তানভীর, নুরুজ্জামান হোসেনসহ আর কয়েকজন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: রিয়াজ, ইব্রাহিম খলিল ইমনসহ আরও কয়েকজন। সাংগঠনিক সম্পাদক মেঘলা আক্তার তাসনিম তাবান্নুমসহ আরও কয়েকজন। দপ্তর সম্পাদক শুভ চন্দ্র দাস, ‎জাফর আহমেদ রিয়ানসহ আরও কয়েকজন, অর্থ সম্পাদক সিরাজুম মুনিরা ও মেঘলা আক্তার জুই। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মাঈনুল আলম, মিনহাজুল। সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সুবর্ণা আক্তার, ফাহমিদা আক্তার। তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন নুসরাত জাহান। ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন মাহবীর কোরেশী। ছাত্র কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ফয়সাল আহমেদ। আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ফারিহা নিশাত,জান্নাতুল ফেরদৌস তিমি। আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন উম্মুল মেহজাবিন বিনিকা। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন আল আমিন পাটোয়ারী, মুক্তাদির হাসান রাজিনসহ আরও কয়েকজন।

    ‎সদ্য মনোনীত সাধারণ সম্পাদক মিথিলা রহমান সুথি বলেন, ‘চাঁদপুর স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এই দায়িত্ব আমার জন্য যেমন সম্মানের, তেমনি বড় একটি দায়বদ্ধতা। শিক্ষার্থীদের অধিকার, কল্যাণ ও সার্বিক উন্নয়নে সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও কার্যকর করতে আমরা কাজ করব। সকল সদস্যের ঐক্য ও সহযোগিতার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলতে চাই। শিক্ষকদের দিকনির্দেশনা ও সবার সহযোগিতায় আমরা সফল হব বলে আশা করি।’

    ‎সদ্য মনোনীত সভাপতি ফেরদাউস হাসান জাফরি বলেন, ‘আমি মনে করি, একটি সংগঠনকে সামনে এগিয়ে নিতে শুধু পদ নয়; প্রয়োজন আন্তরিকতা, ঐক্য এবং দায়িত্ববোধ। আমাদের এই নতুন কমিটি সেই প্রত্যয় নিয়েই কাজ করতে প্রস্তুত। একইসাথে আমি বিশ্বাস করি, সংগঠনকে আরও প্রাণবন্ত ও গতিশীল করতে ভবিষ্যতে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।”

    ‎তিনি আরও বলেন, “সদস্যদের মতামত ও অংশগ্রহণ যত বাড়বে, সংগঠনের প্রতি সবার আগ্রহ, ভালোবাসা এবং দায়বদ্ধতাও তত বৃদ্ধি পাবে। আমাদের নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদের লক্ষ্য থাকবে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করা, সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি করা, শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নতুন নতুন উদ্যোগ নেওয়া এবং সংগঠনের ফান্ডিং ও পরিকল্পনাগুলোকে আরও সুসংগঠিতভাবে এগিয়ে নেওয়া।”

     

  • থানা থেকে লুট হওয়া শটগানসহ যুবক গ্রেফতার

    থানা থেকে লুট হওয়া শটগানসহ যুবক গ্রেফতার

    রণবীর সরকার, শেরপুর প্রতিনিধি:

    শেরপুর জেলার সদর উপজেলায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত এক বিশেষ যৌথ অভিযানে পুলিশের লুট হওয়া একটি অবৈধ শর্টগান উদ্ধারসহ হারেজ মিয়া (৩২) নামে এক চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে গোয়েন্দা সংস্থার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার সাপমারী ও ভাতশালা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত হারেজ মিয়া শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের সাপমারী পশ্চিম সৈনিকপাড়া গ্রামের মৃত জুবেদ আলীর ছেলে।

    যৌথ বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, হারেজ মিয়ার হেফাজত থেকে উদ্ধার হওয়া শর্টগানটি গত ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় একটি পুলিশ কেন্দ্র থেকে লুট করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ওই এলাকায় সন্ত্রাসীদের অবস্থানের তথ্য পাওয়ার পর ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে হারেজ মিয়াকে হাতেনাতে আটক করা হয় এবং তার কাছ থেকে অবৈধ শর্টগানটি উদ্ধার করা হয়।

    পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে উদ্ধারকৃত অস্ত্রসহ শেরপুর সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবং দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে দেশব্যাপী যৌথ বাহিনীর বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।