Author: নিউজ ডেক্স

  • জাতীয় নাগরিক পার্টির ২১৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

    জাতীয় নাগরিক পার্টির ২১৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ২১৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রোববার (২ মার্চ) ভোররাতে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আখতার হোসেনের পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    বার্তায় বলা হয়, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে বাংলাদেশের নাগরিকরা মুক্ত হয়েছে। তবে শহিদ মিনারে ঘোষিত অভ্যুত্থানের এক দফা তথা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। একটি রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে এই জনপদের মানুষ ইতিহাসের নানান সময়ে নিজেদের হাজির করেছে। প্রায় ২০০ বছরের উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের অংশ হিসাবে পাকিস্তান আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা ১৯৪৭ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র অর্জন করি। কিন্তু পাকিস্তান রাষ্ট্র এই জনপদের মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক মুক্তির আকাঙ্ক্ষকে ধারণ ও বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে।

    আরও বলা হয়, মুক্তির আকাঙ্ক্ষা থেকে এই জনপদের মানুষ ১৯৭১ সালে একটি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ১৯৭২ সালে প্রণীত মুজিববাদী সংবিধানের মধ্য দিয়ে নির্মিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠার পথ খুলে দিয়েছে। যার ফলে এ দেশের নাগরিকরা ইতিহাসের বিভিন্ন পরিক্রমায় বাকশাল, স্বৈরতন্ত্র এবং সর্বশেষ ফ্যাসিবাদের শিকার হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো থেকে ফ্যাসিবাদের সকল উপাদান ও কাঠামোকে বিলোপ করতে এবং এই জনপদের মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপদানে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বাস্তবায়নে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে আমরা, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা, ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ নামে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করেছি।

    জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম বীর যোদ্ধা শহিদ ইসমাঈলের বোন মিম আক্তার জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক হিসেবে নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব হিসেবে আখতার হোসেনের নাম ঘোষণা করেন। ওই আহ্বায়ক কমিটি (আংশিক) আগামী ১ বছরের মধ্যে এই রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্র ও ইশতেহার প্রণয়ন, কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও সাংগঠনিক বিস্তার কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

    কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম, মনিরা শারমিন, মাহবুব আলম, সারোয়ার তুষার, অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, তাজনূভা জাবীন, সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, ড. আতিক মুজাহিদ, আশরাফ উদ্দীন মাহাদী, অর্পিতা শ্যামা দেব, তানজিল মাহমুদ, অনিক রায়, খালেদ সাইফুল্লাহ, জাবেদ রাসিন, এহতেশাম হক ও হাসান আলী।

    সদস্যসচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা ও নাহিদা সারওয়ার নিভা, যুগ্ম সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরিফ সোহেল, মো. রশিদুল ইসলাম (রিফাত রশিদ), মো. মাহিন সরকার, মো. নিজাম উদ্দিন, আকরাম হুসেইন, এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, সালেহ উদ্দিন সিফাত (দপ্তর), আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, ফরিদুল হক, মো: ফারহাদ আলম ভূঁইয়া, মোহাম্মদ মিরাজ মিয়া, লুৎফর রহমান, মো. মঈনুল ইসলাম (তুহিন), মুশফিক উস সালেহীন, ডা. জাহেদুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম মুসা, অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, মোশফিকুর রহমান জোহান, মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান, সাগুফতা বুশরা মিশমা, আফসানা ছপা, আহনাফ সাইদ খান, আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন, মীর আরশাদুল হক, ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, তারেকুল ইসলাম (তারেক রেজা), মশিউর রহমান, জয়নাল আবেদীন শিশির, গাজী সালাউদ্দীন তানভীর, তামিম আহমেদ, তাহসীন রিয়াজ ও প্রীতম দাশ।

    মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম (উত্তরাঞ্চল), যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, আলী নাছের খান, সাকিব মাহদী, মেজর (অব.) আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, সাদিয়া ফারজানা দিনা, অলিক মৃ, আসাদুল্লাহ আল গালিব, হানিফ খান সজীব, আবু সাঈদ লিয়ন।

    সংগঠক- রাসেল আহমেদ, ইমরান ইমন, ফরহাদ সোহেল, রফিকুল ইসলাম আইনী, মোস্তাক আহমেদ শিশির, আজাদ খান ভাসানী, প্রীতম সোহাগ, দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী, এম এম শোয়াইব, নাহিদ উদ্দিন তারেক, আব্দুল্লাহ আল মনসুর, মিয়াজ মেহরাব তালুকদার, অ্যাডভোকেট শিরীন আক্তার শেলী, আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ আল মুহিম, নাজমুল হাসান সোহাগ, খায়রুল কবির ও সাঈদ উজ্জ্বল।

    মুখ্য সংগঠক- হাসনাত আবদুল্লাহ (দক্ষিণাঞ্চল), যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, মোল্যা রহমাতুল্লাহ্, এস এম শাহরিয়ার, মেজবাহ কামাল মুন্না, জোবাইরুল হাসান আরিফ ও ইমন সৈয়দ।

    সংগঠক- আকরাম হোসাইন রাজ, হামযা ইবনে মাহবুব, ওয়াহিদুজ্জামান, আসাদ বিন রনি, মোহাম্মাদ রাকিব, আরমান হোসাইন, মো. রাসেল আহমেদ, অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা, শওকত আলী, ডা. আশরাফুল ইসলাম সুমন, মুনতাসির মাহমুদ, ডা. মিনহাজুল আবেদীন, সাকিব শাহরিয়ার, আজিজুর রহমান রিজভী, আব্দুর রহমান, ফয়সাল আহমেদ, নয়ন আহমেদ, কাউছার হাবিব, আব্দুল্লাহ আল মামুন ফয়সাল, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জিহান, মাও. সানাউল্লাহ খান, আরিফুল ইসলাম, নফিউল ইসলাম ও মো. রাকিব হোসেন।

    মুখ্য সমন্বয়ক- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক- আব্দুল হান্নান মাসউদ, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক- অ্যাডভোকেট মো. তারিকুল ইসলাম (যুব), ডা. মো. আব্দুল আহাদ (চিকিৎসা), মাজহারুল ইসলাম ফকির (শ্রমিক), দিলশানা পারুল, আবু হানিফ, আব্দুজ জাহের, কৃষিবিদ গোলাম মোর্তজা সেলিম, মেহেরাব সিফাত, অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদ, আশেকীন আলম, ডা. জাহিদুল বারী, কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস, ভীম্পাল্লী ডেভিড রাজু, শেখ মোহাম্মদ শাহ মঈনুদ্দিন, খান মুহাম্মদ মুরসালীন, সাদ্দাম হোসেন, আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, নাভিদ নওরোজ শাহ, তুহিন মাহমুদ, মো. আরিফুর রহমান (তুহিন), সাগর বড়ুয়া, রাফিদ এম ভূঁইয়া ও মাহবুব আলম।

    সদস্য- সানজিদা খান দীপ্তি (শহীদ আনাসের মা), খোকন চন্দ্র বর্মন (আহত), মো. ফাহিম রহমান খান পাঠান, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের (সন্দ্বীপ), ঋআজ মোরশেদ, ইমরান নাঈম, মশিউর আমিন শুভ, আল আমিন শুভ, প্লাবন তারিক, ওমর ফারুক, আসাদুল ইসলাম মুকুল, ফিহাদুর রহমান দিবস, মো. তৌহিদ আহমেদ আশিক, মো. আব্দুল মুনঈম, রকিব মাসুদ ইনজামুল হক রামিম, সৈয়দা নীলিমা দোলা, এস আই শাহীন, আসাদুজ্জামান হৃদয়, তানহা শান্তা, ডা. মশিউর রহমান, ইমরান শাহরিয়ার, এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, আব্দুল্লাহিল মামুন নিলয়, আজাদ আহমেদ পাটওয়ারী, জাহিদুল ইসলাম সৈকত, আরজু নায়েম, ডা. মনিরুজ্জামান, তাওহিদ তানজিম, মোহাম্মদ উসামা, মাহবুব-ই-খোদা, তারিক আদনান মুন, নাহিদা বুশরা, তৌহিদ হোসেন মজুমদার, মারজুক আহমেদ, নীলা আফরোজ, নূরতাজ আরা ঐশী।

    সাইয়েদ জামিল, শেখ খায়রুল কবির আহমেদ, রফিকুল ইসলাম কনক, মীর হাবীব আল মানজুর, মো. ইমরান হোসেন, মো. আরিফুল দাড়িয়া, মো. ইনজামুল হক, আবু সাঈদ মুসা, ডা. আতাউর রহমান রাজিব, সালমান জাভেদ, ইমামুর রশিদ, সাইফুল ইসলাম, ডা. সাবরিনা মনসুর, অ্যাডভোকেট মো. মনিরুজ্জামান, অ্যাডভোকেট ছেফায়েত উল্লাহ, আহমেদুর রহমান তনু, দিদার শাহ, রাদিথ বিন জামান, ফারিবা হায়দার, সাইফুল ইসলাম, ইয়াহিয়া জিসান, সোহেল রানা, রিদওয়ান হাসান, হাসিব আর রহমান, ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ, জাওয়াদুল করিম, আল আমিন টুটুল, ইসমাইল হোসেন সিরাজি, ইফতেখারুল ইসলাম, হাফসা জাহান, জায়েদ বিন নাসের, মামুন তুষার, ওমর ফারুক, সালাহউদ্দিন জামিল সৌরভ, মো. হিফজুর রহমান বকুল, আসিফ মোস্তফা জামাল, জোবায়ের আলম, মেজর (অব.) মো. সালাউদ্দিন ও খালেদ সাইফুল্লাহ জুয়েল।

  • দুই দিনের ব্যবধানে আবারো প্রবাসীর গাড়ীতে ডাকাতি

    দুই দিনের ব্যবধানে আবারো প্রবাসীর গাড়ীতে ডাকাতি

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম মহাসড়কের ফাল্গুনকরা মাজার নামক স্থানে ডাকাত দল হামলা চালিয়ে বেলাল হোসেন নামে এক মালেশিয়ান প্রবাসীর সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে গেছে। তিনি বিমান বন্দর থেকে ভাড়া করা প্রাইভেটকার যোগে তার গ্রামের বাড়ী ফেনীর দাগনভূঁইয়ার শরিফপুর গ্রামে যাচ্ছিলেন। তথ্যটি শনিবার সকালে নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহাম্মেদ।
    ওসি জানান, শনিবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার ফাল্গুনকরা মাজার নামক স্থানে স্বশস্ত্র ডাকাত দল প্রবাসী বেলালের ভাড়া করা প্রাইভেটকারে হামলা চালিয়ে তার সকল মালামাল ও টাকা পয়সা কেড়ে নেয়। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রবাসীকে থানায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় মাইক্রোবাসের চালক জাবেদ খানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ওসি আরো জানান, প্রবাসী বেলাল মালেশিয়া থেকে শুক্রবার রাত ১০ টায় ঢাকা আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করেন। রাত আড়াইটায় তিনি বিমান বন্দর থেকে (ঢাকা মেট্টো- ঘ-২৩-৭৭০২) ভাড়া করা প্রাইভেটকারে করে তার স্বজনদের কে নিয়ে বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা করে। পথিমধ্যে আজ শনিবার ভোর সাড়ে ছয়টায় মহাসড়কের উপজেলার ফাল্গুনকরা নামক স্থানে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনের ডাকাত দল পিকআপে করে এসে প্রবাসীর বহনকৃত প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দেয়। এক পর্যায় প্রাইভেটকারটির নিয়ন্ত্রণে হারিয়ে মহাসড়কের পাশে পরে যায়। পরে ডাকাত দল পিকআপ থেকে নেমে অস্ত্রের মুখে প্রবাসীকে জিম্মি করে ৫ টি মোবাইল ফোন, ১ ভরি স্বর্ণ, ৩ হাজার মালেশিয়ান রিঙ্গিত, ৪ টি মালামালের প্যাকেট লুট করে নেয়। যার আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ টাকা।
    প্রবাসী বেলাল হোসেন বলেন, ঈদ করার জন্য ৩ বছর পর প্রবাস থেকে দেশে আসি শুক্রবার রাতে। বিমান বন্দর থেকে একটি প্রাইভেটকার ভাড়া করে বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা করি। পথিমধ্যে মহাসড়কের মেঘনা ব্রিজ পাড় হয়ে যাত্রা বিরতি করি। যাত্রা শেষে আবারো রওনা করলে দাউদকান্দি এলাকায় বিশাল যানজটে আটকা পড়ি। এ সময় চালক উল্টা লেন দিয়ে গাড়ীটি অনেক দূর নিয়ে আসে এবং এক পর্যায় চালক জাবেদ খান মহাসড়কের একটি স্থানে নেমে পান খেয়ে আবারো গাড়িটি আমাদের বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা করে। পথিমধ্যে মহাসড়কের ফাল্গুনকরা এলাকায় পৌঁছালে পিছন থেকে ত্রিপল মোড়ানো একটি পিকআপ ভ্যান এসে আমার বহনকৃত প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দেয়। এ সময় প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যেতে লাগছিলো। চালক প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ নিলে ডাকাত দল পিকআপ থেকে নেমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রাইভেটকারটিতে আঘাত করে ভাঙচুর করে এবং গাড়ীতে থাকা আমার থেকে সকল মালামাল ও নগদ টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেয়। এসময় তারা আমার পাসর্পোট টিও কেড়ে নেয় আমি অনেক কষ্টে ডাকাত দল থেকে পাসপোর্টটি ফেরত নিই। আক্ষেপ করে প্রবাসী বেলাল বলেন, কষ্টার্জিত সকল টাকা পয়সা ডাকাত দল ছিনিয়ে নিয়েছে। অনেক আশা ভরসা করে বিদেশ থেকে দেশে এসেছি স্বজনদের কে নিয়ে ঈদ করবো। কিন্তু ডাকাত দল আমার সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে গেছে।
    হাইওয়ের পুলিশের কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন, মহাসড়কে চৌদ্দগ্রামে প্রবাসীর গাড়ীতে ডাকাতির সংবাদ পেয়ে আমি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে এসেছি। ভিকটিমের সাথে কথা বলেছি। ডাকাত দলকে চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছি।
    উল্লেখ্য, ২৭ ফেব্রæয়ারী বৃহস্পতিবার একই জায়গায় ডাকাত দল চক্র হামলা চালিয়ে গাড়ী ভাঙচুর করে কুয়েত প্রবাসী নাইমুল ইসলামের সর্বস্ব ও কেড়ে নিয়েছেন। তার মাত্র ২৪ ঘন্টার ভিতরে একই জায়গায় একই সময়ে একই কায়দায় মালেশিয়ান প্রবাসী বেলাল হোসেনের সর্বস্ব ও কেড়ে নিয়ে যায়।

  • মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনার ব্যর্থতায় হাইওয়ে ওসি প্রত্যাহার

    মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনার ব্যর্থতায় হাইওয়ে ওসি প্রত্যাহার

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম অংশের ডাকাতি প্রতিরোধে ব্যর্থতার ঘটনায় মিয়া বাজার হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ জসিম উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় তথ্যটি কালবেলা কে নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপারের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খাইরুল আলম।

    তিনি বলেন, মহাসড়কে চৌদ্দগ্রাম অংশে সাম্প্রতিক সময়ে ডাকাতির ঘটনা বেড়ে গেছে। এ ঘটনা হাইওয়ে পুলিশ উদ্বেগ প্রকাশ করছে। মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা প্রতিরোধে ব্যর্থতার অভিযোগে ওসি জসিম উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, মহাসড়কে চৌদ্দগ্রাম অংশে গত ২ মাসে ৪টি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ১৫ জানুয়ারী মহাসড়কের মিশ্বানী এলাকায় ৩০০ বস্তা চাল ভর্তি ট্রাক পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। গত ৮ ফেব্রæয়ারী মহাসড়কের পাশে অবস্থিত মিয়া বাজার মসজিদ মার্কেটে প্রীতি জুয়েলার্স নামে স্বর্ণ দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসময় ডাকাত দল গুলি বর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরন ঘটায়। লুট হয় ৩৫ ভরি স্বর্ণ। ডাকাতদের গুলিতে আহত হন মোশারফ নামে এক ব্যবসায়ী। ২৭ ফেব্রæয়ারী ভোরে মহাসড়কের ফাল্গুনকরা মাজার নামক স্থানে কুয়েক প্রবাসী নাইমুল ইসলামের বহনকৃত মাইক্রোবাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ১লা মার্চ একই জায়গায় মালেশিয়ান প্রবাসী বেলাল হোসেনের বহনকৃত প্রাইভেটকারেও একই কায়দায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সকল ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশের ব্যর্থতার অভিযোগে ওসি মোঃ জসিম উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

  • দ্বিতীয় পর্যায়ের অগ্রগতি নেই, তার আগেই শেষ গাজায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ

    দ্বিতীয় পর্যায়ের অগ্রগতি নেই, তার আগেই শেষ গাজায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ

    অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইল ও ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায়ের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময় চুক্তির পরবর্তী পর্যায়ের জন্য মিশরের কায়রোতে বসা আলোচনারও কোনো অগ্রগতি জানা যায়নি।

    শনিবার (১ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

    শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) মিশরের কায়রোতে গাজায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি কার্যকরের বিষয়ে আলোচনা হয়।

    আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ মিশর বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বলেছে, যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ নিয়ে ‘নিবিড়’ আলোচনায় অংশ নিতে ইসরাইল, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল কায়রোতে অবস্থান করছে। কয়েক মাসের আলোচনার পরই কেবল প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা সম্ভব হয়েছিল।

    তবে প্রথম পর্যায়ের মেয়াদ শেষ হলেও কায়রো থেকে আলোচনার কোনও অগ্রগতি ঘোষণা করা হয়নি।

    এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, ইসরাইল-হামাস চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনার জন্য আগামী দিনগুলো ‘গুরুত্বপূর্ণ’।

    নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের গুতেরেস বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি মুক্তি চুক্তি অবশ্যই বহাল থাকবে। আগামী দিনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই চুক্তির ভাঙন এড়াতে উভয়পক্ষকে প্রচেষ্টা ছাড়া যাবে না। ’

    অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য-বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ গাজা যুদ্ধের দ্বিতীয় পর্যায়ের জন্য চলতি সপ্তাহেই মধ্যঞ্চলে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

  • সীমাহীন জ্বালানির সন্ধান পেয়েছে চীন

    সীমাহীন জ্বালানির সন্ধান পেয়েছে চীন

    সীমাহীন এক জ্বালানির উৎসের সন্ধান পেয়েছে চীন। এই জ্বালানি দিয়ে তারা ৬০ হাজার বছর চলতে পারবে। বেইজিংয়ে ভূবিজ্ঞানীরা এমন দাবি করেছেন।  এ খবর দিয়ে অনলাইন ডেইলি মেইল বলছে, ইনার মঙ্গোলিয়ায় বায়ান ওবো খনিজ কমপ্লেক্সে পাওয়া গেছে পর্যাপ্ত পরিমাণ থোরিয়াম। এটি এতটা বেশি যে, তা দিয়ে চীনাদের প্রতিটি বাড়িতে ‘চিরদিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব।

    উল্লেখ্য, থোরিয়াম হালকা মাত্রার একটি তেজষ্ক্রিয় পদার্থ। এটা দিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে। এর নাম হবে মল্টেন-সল্ড রিঅ্যাকটর। তা থেকে আসবে অসীম পরিমাণ বিদ্যুৎ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, যদি ওই খনি থেকে পুরোটা থোরিয়াম উত্তোলন করা যায় তাহলে তার পরিমাণ হবে ১০ লাখ টন। দ্য সাউথ চায়না পোস্ট প্রকাশিত হয়ে পড়া একটি রিপোর্ট উল্লেখ করে এ তথ্য দিয়েছে।

    গবেষণায় বলা হয়েছে, ওই খনিতে থোরিয়ামের উৎস এখন পর্যন্ত অস্পৃশ্য অবস্থায় আছে। এটা যথাযথভাবে উত্তোলন করা গেলে তা সারাবিশ্বের জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতার ইতি ঘটাবে। গবেষকরা আরো দাবি করেছেন যে, ইনার মঙ্গোলিয়ার একটি লোহার আকরিকের খনি থেকে ৫ বছরে যে বর্জ্য হিসেবে খনিজ পাওয়া যাবে, তাতে যে পরিমাণ থোরিয়াম থাকবে, তা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কমপক্ষে এক হাজার বছরের বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো সম্ভব। উল্লেখ্য, এই খবরটি এমন এক সময়ে এলো যখন চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পাওয়ার সোর্স সন্ধান করছে। গবেষণায় পুরো চীনে ২৩৩ টি থোরিয়াম সমৃদ্ধ অঞ্চলের সন্ধান মিলেছে। যদি এ কথা সত্য হয়, তাহলে চীনে যে পরিমাণ থোরিয়াম জমা আছে, তা আগের হিসাবকে অনেকটাই ছাড়িয়ে যাবে। প্রচলিত পারমাণবিক চুল্লিতে ব্যবহৃত হয় ইউরেনিয়াম-২৩২। তার চেয়ে কমপক্ষে ৫০০ গুণ বেশি থোরিয়াম জমা আছে। ফলে চীনের মুখে হাসির রেখা দেখা দিয়েছে।

    পারমাণবিক চুল্লি তেজষ্ক্রিয় পদার্থকে ফিশন বা বিগলন নামে একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি সৃষ্টি করে। এই প্রক্রিয়াকালে ওই তেজষ্ক্রিয় পদার্থ ভেঙে টুকরো টুকরো হয়, অধিক স্থিতিশীল পদার্থে পরিণত হয়। তার সঙ্গে প্রচুর তাপশক্তি সৃষ্টি করে। এই তাপশক্তিকে ব্যবহার করে স্টিম টার্বাইন চালানো যায়। নিজে থেকে থোরিয়াম বিগলনযোগ্য নয়। এর অর্থ হলো ফিশন প্রক্রিয়ায় একে ব্যবহার করা যায় না। তবে ফিশন বিক্রিয়ার ভিত্তি হিসেবে তা ব্যবহার হয়। এর কারণ হলো থোরিয়াম হলো ‘উর্বর’। এর অর্থ হলো যখন নিউট্রনের সঙ্গে সংঘর্ষে বোমার মতো আচরণ করে তখন থেরিয়াম পরিবর্তিত হয়ে ইউরেনিয়াম- ২৩৩’তে পরিণত হতে পারে। মল্টেন-সল্ড রিঅ্যাকটরে থোরিয়াম মিশ্রিত হয় আরেকটি রাসায়নিক লিথিয়াম ফ্লোরাইডের সঙ্গে এবং তা প্রায় ১৪০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উত্তপ্ত হয়। এই মিশ্রণ তারপর নিউট্রনের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটায় যতক্ষণ না কিছু থোরিয়াম পরিবর্তন হয়ে ইউরেনিয়াম-২৩২’তে পরিণত হওয়া শুরু করে। এটা একটি ফিশন বিক্রিয়া। ক্ষয় প্রক্রিয়ায় এই ইউরেনিয়াম তখন অধিক পরিমাণে নিউট্রন তৈরি করে। তা অতিরিক্ত থোরিয়ামের সঙ্গে বিক্রিয়ার মাধ্যমে জ্বালানিতে পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়া চলাকালে পারমাণবিক চুল্লি অসীম পর্যন্ত শক্তি উৎপন্ন করে।

  • ধর্মীয় মূল্যবোধ পরিপন্থী কিছুই নতুন রাজনীতিতে জায়গা পাবে না

    ধর্মীয় মূল্যবোধ পরিপন্থী কিছুই নতুন রাজনীতিতে জায়গা পাবে না

    ধর্মীয় মূল্যবোধ পরিপন্থী কোনোকিছুই নতুন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের কাছে জায়গা পাবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

    শনিবার (০১ মার্চ) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।

    ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘রাজনীতির আগেও আমার পরিচয়- আমি একজন মুসলমান। আমি আমার এই পরিচয় ধারণ করি, সবসময় করেই যাবো।
    আমার বিশ্বাসকে কিংবা আমার দেশের মানুষের বিশ্বাসকে আঘাত করে কোনো রাজনীতি আমি কখনও করবো না। স্পষ্ট কণ্ঠে জানিয়ে দিতে চাই, ধর্মীয় মূল্যবোধের পরিপন্থী কিছুই আমার বা আমাদের রাজনীতিতে কখনও জায়গা পাবে না।’

    তিনি আরও লিখেন, ‘যা হয়েছে, সেটা ছিলো একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। আমরা নির্ভুল নই। কোনো ভুল করলে আপনারা আমাদের নিজের ভাই মনে করে ভুল ধরিয়ে দেবেন এবং কোনো প্রকার ‘যদি’, ‘কিন্তু’, ‘অথবা’ ব্যাতিত আমরা আমাদের ভুল সংশোধন করে নিবো। এই সংশোধন করার মানসিকতা আমাদের সবসময় ছিলো, আছে, থাকবে ইনশাআল্লাহ।’

    উল্লেখ্য, সদ্য আত্মপ্রকাশ পাওয়া রাজনৈতিক দল এনসিপিতে একজন সমকামিতা সমর্থক থাকার অভিযোগ উঠলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সমালোচনা সৃষ্টি করে। এর প্রেক্ষিতে সারজিস আলম এই ফেসবুক বার্তা দিয়েছেন।

  • প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ অভিযোগ করেন ক্রেতারা : ভোজ্য তেল উধাও

    প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ অভিযোগ করেন ক্রেতারা : ভোজ্য তেল উধাও

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    রমজান মাসে আসলে বাজারের সয়াবিন তেলের চাহিদা বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যায়। এসময় দাম বাড়তে থাকে সয়াবিন তেলের । দাম বৃদ্ধির আশঙ্কার চৌদ্দগ্রাম বিভিন্ন হাট বাজার থেকে উধাও হয়ে গেছে বোতল জাত সয়াবিন তৈল। বাজারে অনেক দোকান ঘুরেও মিলছেনা ভোজ্যতেল। তবে বোতলজাত না মিললেও পাওয়া যাচ্ছে খোলা সয়াবিন তেল । সকল খোলা ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ পাইকারি বিক্রেতা ও ডিলারদের বিরুদ্ধে। পাইকার বলছে ডিলার তেল দিতে পারছেনা, ডিলাররা বলছেন প্রতিমাসে চৌদ্দগ্রামে ৪০ থেকে ৫০টন ভোজ্য তেলের প্রয়োজন। পরিবেশকরা কোম্পানিগুলো ঠিকমতো সরবরাহ করছেনা। রমজানের আগে এই তেল সংকটে ক্ষোভ ক্রেতা বিক্রেতাদের। নিয়মিত বাজার তদারকি না থাকায় প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই ক্রেতা।

    সরেজমিন বৃহস্পতিবার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত ৯ ডিসেম্বর সরকার সয়াবিন তেলের দাম লিটার প্রতি ৮টাকা বৃদ্ধি করে। ফলে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল এখন বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ টাকায়। প্রতি কেজি খোলা সয়াবিন তেল ১৭০ টাকা থেকে বেড়ে ১৯৫-২০০টাকা বিক্রি হচ্ছে। খোলা পামওয়েল তেল লিটার প্রতি ১৭৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৮৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া বোতলজাত ৫ লিটার সয়াবিন তেলের দাম এখন ৯৪৫টাকা, যা আগে ছিল ৯২৫ টাকা।

    পৌরসভার গোমারবাড়ী এলাকার মোঃ জামাল মিয়া বলেন, বেশ কয়েকটি খুচরা দোকান ঘুরে ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল পাওয়া যায়নি। কিছু দোকানে ১ থেকে ২ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন মিললেও দোকানি চাচ্ছেন মোড়কে উল্লেখিত দামের চেয়েও অনেক বেশি দাম। বাধ্য হয়ে টিচার ব্রান্ডের ৯৫০ মিলি বোতল কিনেছি ২শ টাকা দিয়ে।

    মুন্সিরহাট বাজারের শফিক নামের এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নির্দিষ্ট দুই এক জন বিক্রেতার কাছে বেশি দামে সয়াবিন তেলের ছোট বোতল মিললেও ৫ লিটারের বোতল মিলছে না। খোলা সুপার তেলের দাম ছাচ্ছেন ১৮০ টাকা। আবার তেলের সাথে প্যাকেটজাত চাল আটা মশলা কিনতে হবে বলছে দোকানদার।

    একই বাজারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক খুচরা দোকানদার জানান, ডিলারদের কাছে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিরা কল রিসিভ করেন না। তেল চাইলে ডিলাররা তেলের সাথে ওই কোম্পানির কয়েক ধরনের পন্য কেনার শর্ত জুড়ে দেন।

    উপজেলার দুইটি বড় বাজার চৌদ্দগ্রাম ও মুন্সিরহাট। চৌদ্দগ্রাম বাজার ঘুরে দেখা মিলেনি সয়াবিন তেলের ৫ লিটারের বোতল। নাম না প্রকাশের শর্তে বাজারের এক দোকানদার বলেন, নিরুপায় হয়ে গতকাল তীর ব্রান্ডের ৫ কার্টুন (২০বোতল) সয়াবিন ক্যানোলা কিনেছি; এর সাথে কিনতে হয়েছে তীর ব্রান্ডের ১০ ব্যাগ লবন (প্রতিটি ২৫কেজি), ৫ বস্তা আটা (প্রতিটি ২৫ কেজি), ১ বস্তা ময়দা (২৫ কেজি), ৫০কেজির ১ বস্তা চিনিগুড়া চাল। একই শর্ত ফ্রেশ ব্রান্ডের ডিলারেরও।

    ফ্রেশ ব্রান্ডের ডিলার পরিচয় ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী রোমেল জানান, চাহিদা অনুযায়ী কোম্পানি তেল দিচ্ছে না। আবার তেলের সাথে কোম্পানির অন্যান্য পন্য বিক্রির নির্দেশ রয়েছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চাইতে বেশি দামে তেল বিক্রির কথাও স্বীকার করেন এবং কোম্পানি বাড়তি দামে তেল সরবরাহ করছে বিধায় বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
    চৌদ্দগ্রাম বাজারের প্রাইম ব্যাংকের গলিতে মুন্সি বাড়ির সামনে শফিক পাটোয়ারী গোডাউন, জামে মসজিদ রোডে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের গোডাউন, আছু শাহ ফকির রোডের মাছ বাজারের পাশে পরিচয় ট্রেডার্সের গোডাউনের আশপাশের লোকজন অভিযোগ করেন বলেন নিয়মিত এই গোডাউন গুলোতে তৈল মজুদ করছেন ডিলারা।

    তীর ব্রান্ডের ডিলার বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী রিংকু জানান, গত শুক্রবার আমরা ১৫০কার্টুন ক্যানোলা সয়াবিন এবং ১২০ কার্টুন সয়াবিন সরবরাহ করেছি। প্রতি ৫ লিটার ৯২৫ টাকা দরে। প্রতিমাসে আমাদের তেলের চাহিদা থাকে ৪০/৫০ টন। এবং তেলের সাথে অন্যান্য পন্য কিনতে বাধ্য করার কথা অস্বীকার করেন।

    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেন বলেন, ‘বাজারে ভোজ্যতেল সংকটের কথা জেনেছি। সরবরাহ সংকটের কথা বলা হচ্ছে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিব।’

    কুমিল্লার জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো: কাউছার মিয়া বলেন, রমজান মাস আসলে ভোজ্য তেলের চাহিদা বেড়ে যায়। ভোক্তা অধিকার ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যৌথ ভাবে বাংলাদেশের বড় বড় ভোজ্য তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মেঘনা, তীর, রুপচাঁদা ও প্রাণ কোম্পানীর সাথে আলোচনা চলছে রমজানে যেন ভোজ্য তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে।

  • ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি, স্বর্বস্ব লুট

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রবাসীর গাড়িতে ডাকাতি, স্বর্বস্ব লুট

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রবাসীর গাড়ি ব্যারিকেড দিয়ে স্বর্বস্ব লুটে নিয়েছে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল। বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ছয়টায় মহাসড়কের ফালগুনকরা দীঘি এলাকায় চট্টগ্রামমুখী লেনে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী চট্টগ্রামের জোরারপঞ্জ থানার উত্তর সোনাপাহাড় গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে কুয়েত প্রবাসী নাইমুল ইসলাম বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামা ৮-১০ জন অস্ত্রধারী ডাকাতের বিরুদ্ধে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। দুপুরে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন থানার পরিদর্শক তদন্ত গুলজার আহমেদ।

    অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, কুয়েত থেকে প্রবাসী নাইমুল ইসলাম বুধবার রাত এগারটায় ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন। সেখানে প্রয়োজনীয় কাজ শেষে ভাড়া করা নোহা মাইক্রোবাস(চট্টমেট্রো-চ-১১-২৭৮৬) যোগে তিনটি কার্টুন, একটি হ্যান্ড লাগেজ ও একটি হ্যান্ড ব্যাগ নিয়ে চট্টগ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন। গাড়িতে তার কয়েকজন আত্মীয় স্বজন ছিলেন। পথিমধ্যে বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ছয়টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফালগুনকরা দীঘি এলাকায় ৮-১০ জনের সংঘবদ্ধ ডাকাতদল পিকআপ গাড়ি যোগে কুয়েত প্রবাসীর গাড়িকে গতিরোধ করে। এক পর্যায়ে ডাকাতদলের হাতে থাকা ধারালো রামদা, চাপাতি, কিরিছ ও ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে প্রবাসীর গাড়ির গ্লাস ভাংচুর করে। ডাকাতরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে গাড়ির দরজা খুলে সবাইকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তিনটি কার্টুন, একটি হ্যান্ড লাগেজ, একটি হ্যান্ড ব্যাগ, নগদ ২১ হাজার ২৫০ টাকা জোর পূর্বক নিয়ে ছিনিয়ে নিয়ে পিকআপ গাড়ি ভর্তি করে দ্রুত দক্ষিণ দিকে চলে যায়। ডাকাতদল আনুমানিক ৭ লাখ ৭৬ হাজার ২৫০ টাকার মালামাল লুটে নিয়েছে। পরবর্তীতে কুয়েত প্রবাসীর গাড়িতে থাকা নুরুল ইসলাম তাৎক্ষনিক জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে মিয়াবাজার হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

    কুয়েত প্রবাসী নাইমুল ইসলাম বলেন, রাত সাড়ে বারটায় এয়ারপার্ট থেকে বাবা, ভাই ও ভগ্নিপতিসহ গাড়ি নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা করি। পথিমধ্যে ভোররাত সাড়ে তিনটায় মেঘনা এলাকায় তাজ হোটেলে সবাই খাবার শেষে যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণ পর সংঘবদ্ধ ডাকাতদল বেশ কয়েকবার আমাদেরকে গাড়িটি থামানোর জন্য সংকেত দেয়। কিন্তু আমাদের গাড়িটি না দাঁড়ালে ফালগুনকরা এলাকায় গতিরোধ করে হামলা চালিয়ে ডাকাতদল সর্বস্ব লুটে নিয়ে যায়। প্রবাসীদের জীবন ও মালামাল রক্ষার্থে দেশের সব মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল জোরদারের দাবি জানান তিনি।

    চৌদ্দগ্রাম থানার পরিদর্শক তদন্ত গুলজার আহমেদ বলেন, ‘ভুক্তভোগী প্রবাসী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনাটি তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে’।

  • মার্চ থেকে শহিদ পরিবার ও আহতদের আর্থিক সুবিধা কার্যকর

    মার্চ থেকে শহিদ পরিবার ও আহতদের আর্থিক সুবিধা কার্যকর

    জুলাই আন্দোলনে শহিদদের পরিবার ও আহতদের জন্য অর্থ বরাদ্দ ও সুযোগ সুবিধা ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী মার্চ মাস থেকে তা কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

    বৃহস্পতিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

    প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, জুলাই-আগস্টের শহিদের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৮৩৪ জন। আরও খোঁজা হচ্ছে। কেননা অনেকের এখনো হদিস মিলেনি। শহিদ পরিবারের প্রত্যেককে ৩০ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। তন্মধ্যে চলতি অর্থবছরে ১০ লাখ টাকা এবং প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এ ছাড়া যেসব পরিবারের সামর্থ্য আছে তাদের সরকারি বেসরকারি-চাকরির ব্যবস্থা করা হবে।

    প্রেস সচিব আরও বলেন, আহতদের মধ্যে তিনটি ক্যাটাগরি করা হয়েছে। মেডিকেল বোর্ড কর্তৃপক্ষ এ ক্যাটাগরি করেছেন। আহত ‘এ’ ক্যাটাগরিতে যারা রয়েছেন তাদের এককালীন পাঁচ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। তারাও প্রতি মাসে পাবেন ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এ সংখ্যা ৪৯৩।

    ‘বি’ ক্যাটাগরির আহতদের তিন লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। তারা প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। এ সংখ্যা ৯০৮। ‘সি’ ক্যাটাগরির আহতরা সুস্থ হয়ে গেছেন। এই ক্যাটাগরির যোদ্ধারা এককালীন এক লাখ টাকা করে পাবেন। তাদের প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এই ক্যাটাগরিতে আছেন ১০ হাজার ৬৪৮ জন।

  • সংস্কার ও স্থানীয় নির্বাচন ইস্যুতে ধূম্রজাল সৃষ্টি করা হচ্ছে: তারেক রহমান

    সংস্কার ও স্থানীয় নির্বাচন ইস্যুতে ধূম্রজাল সৃষ্টি করা হচ্ছে: তারেক রহমান

    জাতীয় ঐক্য ও জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্টের চক্রান্তের বিরুদ্ধে দেশের কৃষক শ্রমিক জনতা আলেম ওলামা পীর মাশায়েখ তথা সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যারা বাংলাদেশকে তাবেদার রাষ্ট্র বানিয়ে রাখতে চেয়েছিল তাদের ষড়যন্ত্র কিন্তু এখনও থেমে নেই। ‘সংস্কার’ কিংবা ‘স্থানীয় নির্বাচন’ এসব ইস্যু নিয়ে জনগণের সামনে এক ধরণের ধূম্রজাল সৃষ্টি করা হচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার সকালে সংসদ ভবনে বিএনপির বর্ধিত সভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান বলেন, আজকের এই বর্ধিত সভার শুরুতেই আমি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করতে চাই। তিনি একদলীয় অভিশপ্ত বাকশালের অন্ধকারাচ্ছন্ন বাংলাদেশে গণতন্ত্রের আলো জ্বালিয়েছিলেন। মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের নিষিদ্ধ করা সব রাজনৈতিক দলগুলোকে বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। জনগণের ভালোবাসায় ধন্য বিএনপির হাতে গণতন্ত্রের ঝাণ্ডা তুলে দিয়েছিলেন।

    তিনি বলেন, বিএনপির জন্ম থেকে আজ পর্যন্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং স্বৈরাচার বিরোধী ধারাবাহিক আন্দোলনে, যারা শহিদ হয়েছেন আহত হয়েছেন, সন্তান স্বজন হারিয়ে যেসব পরিবার নিদারুণ দুঃখ কষ্টের মুখোমুখি হয়েছেন, যাদের শ্রম, ঘাম ও মেধায় বিএনপি আজ আপামর জনগণের কাছে দেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে, আজকের বর্ধিত সভার শুরুতে আমি তাদের প্রত্যেকের অবদানকেও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই।

    তিনি আরও বলেন, সর্বোপরি ৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের লাখো শহিদ দেশে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ধারাবাহিক সংগ্রামে যারা শহীদ হয়েছেন, ২০২৪ সালে জুলাই-আগস্টে তাবেদার অপশক্তির বিরুদ্ধে দলমত নির্বিশেষে স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধের সাহসী বীর আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম রিয়া গোপ, আব্দুল আহাদ এবং বিএনপির পাঁচ শতাধিকসহ হাজারো শহিদ এবং আহত যোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, হাজারো শহিদের আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতা প্রিয় বীর জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভুত্থানে ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর দেশে গণতন্ত্রকামী মানুষের সামনে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের এক অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। এই সুযোগ এবং সম্ভাবনা নস্যাৎ করার জন্য এরইমধ্যে নানারকম ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। সুকৌশলে রক্ত পিচ্ছিল রাজপথে গড়ে ওঠা ‘জাতীয় ঐক্য’ এবং জাতীয় নির্বাচনে’র পরিবেশ বিনষ্টের অপচেষ্টা চলছে।

    তিনি বলেন, রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে সংস্কার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। বিএনপির কাছে সংস্কারের ধারণা নতুন কিছু নয়। সরকারে কিংবা বিরোধী দলে বিএনপি যখন যে অবস্থানেই দায়িত্ব পালন করেছে জনগণের আকাঙক্ষাকে ধারণ করে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে সব সময়েই রাষ্ট্র সরকার ও রাজনীতিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার করেছে এবং করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

    তারেক রহমান বলেন, তবে ষড়যন্ত্রের পথ ধরে পলাতক স্বৈরাচার রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের পর সংস্কারের সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। বাংলাদেশকে চিরতরে তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করে রাখতে গত দেড় দশকে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছিল। দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে নাজুক করে তুলেছিল।

  • গাজায় ৭ শতাধিক মৃতদেহ উদ্ধার, মিলছে না পরিচয়

    গাজায় ৭ শতাধিক মৃতদেহ উদ্ধার, মিলছে না পরিচয়

    গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭০০-র বেশি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গাজা সিভিল ডিফেন্স। উদ্ধারকৃত মৃতদেহের বেশিরভাগের শরীরেই তীব্র আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, ফলে মৃতদেহগুলোর পরিচয় শনাক্ত করা যাচ্ছে না।

    প্যালেস্টাইন টুডে গাজার মুখপাত্র মেজর মাহমুদ বাসলের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।

    এক বিবৃতিতে বাসল ব্যাখ্যা করেছেন, উপলব্ধ পরীক্ষাগারের অভাবের কারণে মৃত ব্যক্তির পরিচয় সনাক্তকরণে বেগ পেতে হচ্ছে তাদের। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, বেসামরিক প্রতিরক্ষা দলগুলি মৃতদেহ উদ্ধার এবং ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পায়নি।

    গাজায় ইসরাইলের বর্বরতায় ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও ১০ হাজার মৃতদেহ আটকা পড়ে আছে বলেও জানান তিনি। বলেন, ‘১০ হাজারেরও বেশি মৃতদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছে এবং সিভিল ডিফেন্স তাদের উদ্ধার করতে পারছে না। প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ না করা পর্যন্ত এই সমস্যাটি অমীমাংসিত থাকবে।’

    ফিলিস্তিনি মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রয়োজন বলেও জানান তিনি। বলেন, ‘অজ্ঞাত মৃতদেহগুলিকে ‘অজানা’ শ্রেণীবিভাগের অধীনে মনোনীত কবরস্থানে সমাহিত করা হচ্ছে। এই দেহাবশেষগুলির মধ্যে বেশিরভাগই দেহের টুকরো টুকরো অংশ বা হাড়। নিখোঁজ ব্যক্তিদের ইস্যুটি অমীমাংসিত রয়ে গেছে। যারা প্রিয়জনের সন্ধান করছে সেই সব হাজার হাজার পরিবারের যন্ত্রণা দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

  • নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম

    নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম

    অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার পদ থেকে মো. নাহিদ ইসলামের পদত্যাগের একদিন পর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মাহফুজ আলম।

    বুধবার মন্ত্রিপরিষদ সচিবের রুটিন দায়িত্বে থাকা সচিব জাহেদা পারভীন স্বাক্ষরিত মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়।

    এর আগে মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে পদত্যাগ করেন।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে ন্যস্ত আছে।

    আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি নতুন একটি রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করছে। এই দলের নেতৃত্ব দেবেন নাহিদ ইসলাম। সে কারণে তিনি উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

  • ডেভিল হান্টে গ্রেফতার আরও ৬৭৮

    ডেভিল হান্টে গ্রেফতার আরও ৬৭৮

    সারা দেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ পরিচালনা করে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬৭৮ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

    পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় অপারেশন ডেভিল হান্টে ৬৭৮ জন এবং অন্যান্য মামলা ও ওয়ারেন্টমূলে ১ হাজার ১২ জনসহ মোট ১ হাজার ৬৯০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে একটি ৪.৫ এম এম পিস্তল, একটি এলজি ও একটি শুটারগান ছাড়াও একটি দেশীয় তৈরি একনলা বন্দুক, একটি ম্যাগজিন, ৭টি কার্তুজ ও একটি রাইফেলের গুলি জব্দ করা হয়েছে।

    এছাড়াও অভিযানে স্টিলের দেশীয় তৈরি একটি কুড়াল ছাড়াও একটি ধারাল চাপাতি, একটি রামদা, একটি লোহার শাবল, একটি ক্ষুর, ২টি সুইচ গিয়ার ও ২টি লোহার রড জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    গত ৭ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনার ঘটে। এর প্রতিবাদে ঘটনার পরদিন গাজীপুরে দিনভর বিক্ষোভ ও সমাবেশ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি। পরবর্তীতে দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে গাজীপুরসহ সারাদেশে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু হয়।

  • সমন্বয়কদের নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

    সমন্বয়কদের নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়কদের উদ্যোগে নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। সংগঠনটির নাম ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই নাম ঘোষণা করা হয়

    সংগঠনটির আহ্বায়ক হয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মুখসারির অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন তিনি।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষার্থী। তিনি গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব ছিলেন।

    এর আগে মঙ্গলবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই ছাত্রসংগঠনের সঙ্গে যুক্ত আল মাশনুন জানিয়েছিলেন, ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট, বাংলাদেশ ফার্স্ট’ স্লোগানকে ধারণ করে হবে এই সংগঠনে।

    সাবেক সমন্বয়করা জানিয়েছেন, নতুন ছাত্রসংগঠনটির নীতি হবে ‘স্টুডেন্টস ফার্স্ট’ ও ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। ছাত্র-নাগরিকের স্বার্থ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করবে তারা। নতুন ছাত্রসংগঠন কারও লেজুড়বৃত্তি করবে না। কোনো ‘মাদার পার্টির’ এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবে না। নতুন সংগঠনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে।

    জানা গেছে, সারা দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যে সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে নতুন ছাত্র সংগঠনের কোনো সংযোগ থাকবে না। এমনকি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে গঠিত নতুন রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও এই ছাত্র সংগঠনের সম্পর্ক নেই।

    সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ নেতৃত্ব প্রায় চূড়ান্ত। ব্যতিক্রম না ঘটলে এতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন নতুন সংগঠনের একাধিক উদ্যোক্তা।

    তারা জানান, সংগঠনটিতে শীর্ষ চারটি পদ থাকবে: আহ্বায়ক, সদস্য সচিব, মুখ্য সংগঠক ও মুখপাত্র। এছাড়া জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব পদ থাকতে পারে। এর বাইরে যুগ্ম আহ্বায়ক ও যুগ্ম সদস্য সচিব পদে একাধিক সদস্য থাকবেন।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আহ্বায়ক হিসেবে থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আব্দুল কাদের। সদস্য সচিব পদে আসতে পারেন গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মুহির আলম। মুখ্য সংগঠক হতে পারেন সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র হতে পারেন সাবেক সমন্বয়ক রাফিয়া রেহনুমা হৃদি।

    আব্দুল কাদের বলেন, “এই সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ২৮ বছর। ২৮ বছরের বেশি কেউ কেন্দ্রীয় কমিটিতে থাকতে পারবেন না। বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটগুলোর সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে অনার্সে ভর্তি হওয়ার পর থেকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত অনুমতি থাকবে। অর্থাৎ এটি শুধু শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সংগঠন।”

  • শহীদ লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুলের কবর জিয়ারত করলেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ

    শহীদ লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুলের কবর জিয়ারত করলেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ

    আব্দুল আওয়াল, এনায়েতপুর (সিরাজগঞ্জ):

    গতকাল (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এনায়েতপুরে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: সাইফুল ইসলাম এর কবর জিয়ারত করেছেন। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে । এই বিদ্রোহে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে শহীদ হন এনায়েতপুরের কৃতি সন্তান লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: সাইফুল ইসলাম।

    তাকে এনায়েতপুর থানার জালালপুর ইউনিয়ন এর নিজ গ্রাম চউবাড়িয়াতে দাফন করা হয়। গতকাল পিলখানা হত্যাকাণ্ডের এই দিনে জাতীয় শহীদ সেনা দিবসে এনায়েতপুর থানা জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা শহীদ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: সাইফুল ইসলাম এর কবর জিয়ারত করেছেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন এনায়েতপুর থানা জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য ও প্রচার সম্পাদক হাজী আনোয়ার হোসেন, জালালপুর ইউনিয়ন আমীর ইউসুফ আলীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এনায়েতপুর থানা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা সেলিম রেজা জানিয়েছেন, কবর জিয়ারতে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সাথে শহীদ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: সাইফুল ইসলাম এর পরিবারের সদস্যগণ ও স্থানীয় অধিবাসীরাও অংশগ্রহণ করেন। জামায়াত নেতৃবৃন্দ উপস্থিত সবাইকে নিয়ে শহীদ লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: সাইফুল ইসলাম এর রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করেন।

  • সিরাজগঞ্জে হেরোইন রাখার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

    সিরাজগঞ্জে হেরোইন রাখার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

    সিরাজগঞ্জে হেরোইন রাখার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওহিদ আলী নবীনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়া ৩৬ (১) ও ২৪ (ক) ধারায় ৬ মাসের কারাদণ্ডসহ ১ হাজার টাকা জরিমানা এবং ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
    দণ্ডপ্রাপ্ত ওহিদ আলী নবীন রাজশাহীর মহিষালবাড়ি গ্রামের মৃত সাঈদ আলী বাবলুর ছেলে।

    মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক কানিজ ফাতিমা এ রায় দেন।
    আদালতের অতিরিক্ত পিপি গোলাম সরোয়ার খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি জানান, ২০২২ সালের ২৮ আগস্ট সকালে সিরাজগঞ্জ সদর থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালায় পুলিশ।

    ওইদিন দুপুরে পুলিশের কাছে সংবাদ আসে যে রাজশাহী থেকে মাদকের একটি বড় চালান ঢাকার উদ্দেশ্যে যাচ্ছে।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের কড্ডার মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়।

    এ সময় একটি প্রাইভেটকারকে থামার সংকেত দিলে চালক পালানোর চেষ্টা করে। পরে মিয়াবাড়ি মার্কেটের সামনে থেকে গাড়িটি থামিয়ে চালককে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাইভেটকার তল্লাশি করে বিভিন্ন প্যাকেট থেকে ১ কেজি ৪৫ গ্রাম হেরোইন ও ১ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এসআই ইব্রাহিম বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা করেন।

    তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিজ্ঞ বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।

  • ৬০ কোটি টাকায় মার্কিন নাগরিকত্ব বিক্রির পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

    ৬০ কোটি টাকায় মার্কিন নাগরিকত্ব বিক্রির পরিকল্পনা করছেন ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন এক পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন এ ব্যবস্থার নাম দেওয়া হয়েছে ‘গোল্ড কার্ড’।

    বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিদ্যমান ইবি-ফাইভ ভিসা কর্মসূচির জায়গায় নতুন এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে এবং এটি মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ সুগম করবে। প্রতিটি গোল্ড কার্ডের মূল্য ধরা হয়েছে ৫০ লাখ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬০ কোটি টাকার বেশি)।

    ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, গোল্ড কার্ড ব্যবস্থার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী অধিবাসী হতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করতে হবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।

    বিদ্যমান ইবি-ফাইভ কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায় বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া বিদেশিদের গ্রিন কার্ড দেওয়া হয়ে থাকে।

    ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা গোল্ড কার্ড বিক্রি করতে যাচ্ছি। আর সে কার্ডের মূল্য ধরা হবে ৫০ লাখ ডলার। এটি আপনাদের গ্রিন কার্ডের সুবিধা দেবে এবং এটি (মার্কিন) নাগরিকত্ব পাওয়ার একটি পথ হতে যাচ্ছে। ধনী ব্যক্তিরা এই কার্ডটি কিনে আমাদের দেশে আসবেন।’

    দুই সপ্তাহের মধ্যে এই পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

    এক সাংবাদিক ট্রাম্পের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, রুশ ধনকুবেররাও এ গোল্ড কার্ড পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, সম্ভবত। আরে, আমি কিছু রুশ ধনকুবেরকে চিনি, যাঁরা বেশ দারুণ মানুষ।’

    বর্তমানে ইবি-ফাইভ ইমিগ্রান্ট ইনভেস্টর প্রোগ্রাম নামক কর্মসূচিটি পরিচালনা করছে ইউ.এস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস)। এটি যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সংস্থা। তাদের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পুঁজি বিনিয়োগের মাধ্যমে মার্কিন অর্থনীতিকে চাঙা করার লক্ষ্যে ১৯৯০ সালে কংগ্রেস এ কর্মসূচি চালু করেছিল।

    গতকাল মঙ্গলবার মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইবি-ফাইভ কর্মসূচি. এটা একেবারেই বাজে পদ্ধতি, এটা মিথ্যা ও জালিয়াতিতে ভরা। এটি হলো কম দামে গ্রিন কার্ড পাওয়ার একটি উপায়। তাই প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এই ধরনের হাস্যকর ইবি-ফাইভ কর্মসূচি না রেখে আমরা ইবি-ফাইভ কর্মসূচি শেষ করে দিই। এর জায়গায় আমরা ‘ট্রাম্প গোল্ড কার্ড’ আনতে যাচ্ছি।’

  • প্রধান উপদেষ্টাকে লেখা চিঠিতে যা বললেন জাতিসংঘের মহাসচিব

    প্রধান উপদেষ্টাকে লেখা চিঠিতে যা বললেন জাতিসংঘের মহাসচিব

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি লিখেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

    চিঠিটি প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করা হয়েছে।

    এর আগে জাতিসংঘের মহাসচিবের উদ্দেশে একটি চিঠি লেখেন প্রধান উপদেষ্টা। জাতিসংঘের মহাসচিব ২৫ ফেব্রুয়ারি এর উত্তর দিয়েছেন।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, চিঠিতে বাংলাদেশ ও ড. ইউনূসের নেতৃত্বে সংস্কার প্রক্রিয়ার প্রতি সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন গুতেরেস।

    চিঠিতে লিখেছেন,  ৪ ফেব্রুয়ারি আপনি যে চিঠি দিয়েছেন তার জন্য আপনাকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই, যা ৭ ফেব্রুয়ারি সাক্ষাতের সময় আপনার রোহিঙ্গা সংকট ও অগ্রাধিকার বিষয়ক প্রতিনিধি খলিলুর রহমান আমার কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। আমি বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের দৃঢ় সংহতি এবং আপনার নেতৃত্বে সংস্কার প্রক্রিয়ার প্রতি আমাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করতে চাই।

    আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশসহ এই অঞ্চলে রোহিঙ্গা সংকটের প্রভাব নিয়ে সৃষ্ট উদ্বেগ এবং রাখাইনে মানবিক পরিস্থিতির অবনতির কথা উল্লেখ করেছেন। এই ইস্যুতে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার প্রকাশ করেছেন।

    মার্চে বাংলাদেশ সফরের সময় মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলোচনা আরও এগিয়ে নেওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

  • বিকেল ৩টায় আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন ছাত্রসংগঠন

    বিকেল ৩টায় আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন ছাত্রসংগঠন

    আজই আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন ছাত্রসংগঠন। বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়করা।

    গতকাল রাতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেয়া হয়। এছাড়া আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদারও এমন ঘোষণার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    শোনা যাচ্ছে, নতুন ছাত্রসংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়কও হচ্ছেন আবু বাকের মজুমদার। তিনি গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যসচিব ছিলেন।

    গুঞ্জন রয়েছে, নতুন সংগঠনটির সদস্যসচিব হতে পারেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দফতর সেলের সম্পাদক জাহিদ আহসান আর মুখ্য সংগঠক হতে পারেন সাবেক সমন্বয়ক তাহমীদ আল মুদাসসির। মুখপাত্র হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী আশরেফা খাতুন।

    এই ছাত্রসংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কমিটির আহ্বায়ক হতে পারেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদের, সদস্যসচিব মহির আলম, মুখ্য সংগঠক হতে পারেন সাবেক সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম আর মুখপাত্রের দায়িত্বে আসছেন রাফিয়া রেহনুমা হৃদি। যদিও ঘোষণার আগপর্যন্ত এ বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    এছাড়া নতুন এই ছাত্রসংগঠনটির নাম নিয়েও রয়েছে নানা গুঞ্জন।

  • জামায়াত ইসলামীর পক্ষ থেকে অসহায় পরিবারকে সতঘর উপহার

    জামায়াত ইসলামীর পক্ষ থেকে অসহায় পরিবারকে সতঘর উপহার

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধ:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কালিকাপুর ইউনিয়নে একটি অসহায় পরিবারকে জামায়াতে ইসলামী’র পক্ষ থেকে ঘর উপহার দেওয়া হয়েছে।
    মঙ্গলবার (২৫শে ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঘর প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসময় একই ইউনিয়নের আরও দুইটি পরিবারকে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।
    ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামী চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আমির মাহফুজুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিকাপুর ইউনিয়ন আমির মাওলানা আবুল হাসেম, কালিকাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারী মকবুল আহমদ, কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাকির মাহমুদ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক জেলা সেক্রেটারি ফরিদুজ্জামান, বিশিষ্ট সমাজসেবক আবুল খায়ের মজুমদার সহ বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।
    সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়, যা স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে।