Author: বাসস

  • ভোটারদের যাতায়াত ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ১১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি অনুমোদন

    ভোটারদের যাতায়াত ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ১১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি অনুমোদন

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ সহজ করতে এবং নির্বাচনপূর্ব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ১১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি ঘোষণা করার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারির ছুটির পাশাপাশি এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

    বৈঠক শেষে বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, গতকাল বুধবার নির্বাচন প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, সেটিই উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন করেছে।

    প্রেস সচিব আরও জানান, শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি আলাদা ছুটির প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকরা ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি—এই দুই দিন ছুটি পাবেন। এর সঙ্গে ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারির ছুটি যুক্ত হয়ে তাঁদের জন্য টানা তিন দিনের ছুটি থাকবে। তবে ১০ ফেব্রুয়ারির ছুটি শুধু শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

    শফিকুল আলম বলেন, ১১ ফেব্রুয়ারি যেহেতু ভোটের আগের দিন, তাই ঢাকা, শিল্পনগরী বা অন্যান্য বড় শহরে অবস্থানরত অনেক ভোটার নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি এ ব্যবস্থার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    এই সিদ্ধান্তগুলোর বিষয়ে খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানান প্রেস সচিব।

    ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্রঃ বাসস

  • আজ থেকে ৪১৯ উপজেলায় ভর্তুকি মূল্যে চাল বিক্রি শুরু হচ্ছে

    আজ থেকে ৪১৯ উপজেলায় ভর্তুকি মূল্যে চাল বিক্রি শুরু হচ্ছে

    চালের বাজার মূল্য স্থিতিশীল রেখে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে মূল্য সহায়তা দিতে আজ (২২ জানুয়ারি) থেকে ৪১৯টি উপজেলায় দৈনিক এক মেট্রিক টন করে প্রতি চাল কেজি ৩০ টাকা দরে অতিরিক্ত ওএমএস কর্মসূচির আওতায় বিক্রি করা হচ্ছে।

    ইতোপূর্বের ওএমএস (সাধারণ) কর্মসূচি যথানিয়মে চলমান রয়েছে। অতিরিক্ত ওএমএস কর্মসূচি সাধারণ ওএমএস কর্মসূচির পাশাপাশি চলমান থাকবে।

    ওএমএস (সাধারণ) কর্মসুচির মাধ্যমে বর্তমানে সারাদেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশন, ৫২টি জেলা সদর পৌরসভা, ১৫টি শ্রমঘন উপজেলা এবং ০৫টি শ্রমঘন পৌরসভাসহ মোট ১০৮১টি কেন্দ্রে দৈনিক ১৪১৭ দশমিক ৫ মে. টন আটা (প্রতি কেজি খোলা আটা ২৪ টাকা এবং ২ কেজি প্যাকেট আটা ৫৫ টাকা দরে) এবং ১১৭৫ মে. টন চাল (প্রতি কেজি ৩০ টাকা দরে) ভর্তুকি মুল্যে বিক্রি করা হয়।

    দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ থাকা সত্ত্বেও কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্নভাবে সরু চালের বাজার দর বৃদ্ধির প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা কোনভাবেই কাম্য নয়।

    এ সকল এলাকায় নিয়মিত বাজার মনিটরিং করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    মাঝারি ও মোটা চালের বাজার দর স্থিতিশীল রয়েছে।

    সূত্রঃ বাসস

  • অধ্যাদেশ জারি : তিন ফসলি জমিতে তামাক চাষ নিষিদ্ধ, লঙ্ঘনে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

    অধ্যাদেশ জারি : তিন ফসলি জমিতে তামাক চাষ নিষিদ্ধ, লঙ্ঘনে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

    কৃষিভূমি হ্রাস রোধ এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার।

    নতুন আইনের ফলে এখন থেকে তিন বা ততোধিক ফসলি জমিতে তামাক চাষ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সাথে অনুমতি ব্যতিত কৃষিভূমি অকৃষি কাজে ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

    আইন অমান্য করে বিশেষ কৃষি অঞ্চলের ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে এই অধ্যাদেশে।

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে গত মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। গত ১৯ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশটি জারি করেন।

    আজ বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয়ের পাবলিক রিলেশন্স অফিসার ড. মো. রেজাউল করিম এ তথ্য জানিয়েছেন।

    এই অধ্যাদেশ ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬ নামে অভিহিত হবে।

    অধ্যাদেশটি পার্বত্য চট্টগ্রাম (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি) ব্যতিত সমগ্র বাংলাদেশে অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর প্রধান লক্ষ্য হলো বৈজ্ঞানিক উপায়ে ভূমির অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনা (জোনিং) প্রণয়ন এবং কৃষিভূমির সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

    বিশেষ কৃষি অঞ্চল :

    অধ্যাদেশ অনুযায়ী, সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তির (জিআইএস ও রিমোট সেন্সিং) সহায়তায় সারা দেশের জন্য ‘ভূমি ব্যবহার জোনিং ম্যাপ’ প্রণয়ন করবে। প্রতি ১০ বছর অন্তর এই ম্যাপ হালনাগাদ করা হবে।

    এছাড়া, খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে বিশেষ কোনো কৃষিপণ্য উৎপাদনকারী এলাকাকে সরকার ‘বিশেষ কৃষি অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। এই অঞ্চলের ভূমি কোনোভাবেই কৃষি ব্যতিত অন্য কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

    কৃষিভূমি ও জলাধার ব্যবহারে বিধিনিষেধ :

    অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, তিন বা ততোধিক ফসলি জমিতে তামাক চাষ করা যাবে না। এক ও দুই ফসলি জমিতেও তামাক চাষ পর্যায়ক্রমে সীমিত করা হবে।

    অধ্যাদেশ অনুযায়ী, কোনো কৃষিভূমি, জলাধার বা জলাভূমিতে বাণিজ্যিক আবাসন, রিসোর্ট বা শিল্পকারখানা নির্মাণ করা যাবে না।

    ইটভাটা বা অন্য কোনো প্রয়োজনে কৃষিভূমির উপরিভাগের মাটি (টপ সয়েল), পাহাড় বা জলাধারের পাড়ের মাটি কাটা ও অপসারণ দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে নিজস্ব কৃষিভূমিতে বসতবাড়ি, উপাসনালয় বা পারিবারিক কবরস্থান নির্মাণের ক্ষেত্রে নির্ধারিত পদ্ধতিতে অনুমতি গ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে।

    অপরাধ ও দণ্ড :

    অধ্যাদেশের তফসিল-২ অনুযায়ী, বিভিন্ন অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

    ১. অনুমতি ছাড়া জোন পরিবর্তন করলে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।

    ২. কৃষিভূমি বা জলাধারে বাণিজ্যিক অবকাঠামো নির্মাণ করলে অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড বা ৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।

    ৩. বিশেষ কৃষি অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত করার অপরাধে অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং সেই সাথে ভূমির প্রকৃতি পুনঃস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হবে।

    ৪. কোম্পানি কর্তৃক অপরাধে কোনো কোম্পানি এই আইন লঙ্ঘন করলে তার পরিচালক বা কর্মকর্তারা ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন এবং কোম্পানিকে দ্বিগুণ অর্থদণ্ড করা যাবে।

    তদন্ত ও বিচার :

    এই অধ্যাদেশের অধীনে সংঘটিত অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণির জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। এছাড়া ‘মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯’ এর আওতায়ও তাৎক্ষণিক বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে।

    সূত্রঃ বাসস

  • টোকিওতে জাপানি গণমাধ্যমকে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ব্রিফিং

    টোকিওতে জাপানি গণমাধ্যমকে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ব্রিফিং

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট নিয়ে জাপানি সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা করেছে টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস।

    আজ বুধবার দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, টোকিওতে আয়োজিত এই সভায় জাপানের বিভিন্ন প্রভাবশালী গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সামনে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী।

    রাষ্ট্রদূত তার উপস্থাপনায় আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সামগ্রিক প্রস্তুতি এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাংবিধানিক প্রক্রিয়াগুলোসহ একটি স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য পরিবেশে এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরেন।

    জাপানের শীর্ষস্থানীয় নয়টি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের মোট ১৪ জন সাংবাদিক এই বিশেষ ব্রিফিং ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

    ব্রিফিং শেষে রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন। সেখানে নির্বাচনী প্রক্রিয়া, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির অগ্রগতি এবং আন্তর্জাতিক মহলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এমন বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকদের করা নানা প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।

    সভাটি উন্মুক্ত আলোচনার সুযোগ তৈরি করে এবং জাপানি সাংবাদিকদের কাছে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে বোঝাপড়া বাড়াতে সহায়ক হয়।

    দূতাবাস প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে বলেছে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও অংশীজনদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে। এতে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সঠিক ও সময়োপযোগী তথ্য প্রচার নিশ্চিত হবে।

    সূত্রঃ বাসস

  • আজ থেকে প্রবাসী ভোটাররা পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন

    আজ থেকে প্রবাসী ভোটাররা পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে পোস্টাল ভোট বিডি অ্যাপে নিবন্ধন করা প্রবাসী ভোটাররা আজ বুধবার বিকাল ৫টা থেকে পোস্টাল ভোট দিতে পারবেন।

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানায়, কমিশনের ওয়েবসাইট বা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থী ও প্রতীকে ভোট দেওয়া যাবে।

    ইসি আরও জানায়, ভোট দেওয়ার পর আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে পোস্টাল ব্যালট ডাকযোগে বাংলাদেশে সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠাতে হবে।

    এ বিষয়ে আজ বুধবার ইসির পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপে নিবন্ধনকারী প্রবাসী ভোটাররা ২১ জানুয়ারি ২০২৬ বিকাল ৫টা থেকে অ্যাপে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে অথবা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট বা অ্যাপ দেখে নিজ নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। ভোট দেওয়ার পর হলুদ খাম আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে নিকটস্থ পোস্ট অফিস বা ডাকবাক্সে জমা দিতে হবে।

    ইসির অপর এক বার্তায় বলা হয়, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকায় একজন ভোটারের ভোট অন্য কেউ দেওয়ার সুযোগ নেই। একই সঙ্গে ভোটাধিকার প্রয়োগের গোপনীয়তাও পুরোপুরি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান বাসস’কে জানান, ১২১টি দেশে অবস্থানরত ৭ লাখ ৬৭ হাজার ২৮ জন প্রবাসী ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানোর কাজ নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে সম্পন্ন করেছে।

    ইসির তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।

    সূত্রঃ বাসস

  • সংসদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ আজ

    সংসদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ আজ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজ বুধবার নির্বাচনি এলাকায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

    গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়ে সারাদেশে মোট ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে বর্তমানে সারাদেশে মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নির্বাচনি মাঠে রয়েছেন বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে জানানো হয়েছে।

    ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলে ২৯৮ আসনে (পাবনা-১ ও ২ বাদে) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী। নির্বাচনে ৩০০ আসনে ২ হাজার ৫৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৫৮ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ছিল এবং ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। পরবর্তীতে বাতিলের বিরুদ্ধে ৬৩৯ জন আপিল করেন এবং আপিল শুনানি শেষে প্রার্থিতা ফেরত পান ৪৩১ জন।

    তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা শুরু হবে এবং ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত এই প্রচারণা চালানো যাবে।

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে।

    প্রতীক বরাদ্দের বিষয়ে ইসির পরিপত্রে বলা হয়, ‘প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখের পরের দিন অর্থাৎ ২১ জানুয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করে নামের তালিকা প্রকাশ করতে হবে।’

    এ বিষয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ২০ অনুযায়ী, কোনো নির্বাচনি এলাকায় প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর এক বা একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকলে রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক বরাদ্দ করবেন। এ ক্ষেত্রে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীকে সংশ্লিষ্ট দলের জন্য সংরক্ষিত প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।

    স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিধি অনুসারে নির্ধারিত প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।

    প্রতীক বরাদ্দের সময় যতদূর সম্ভব প্রার্থীর পছন্দ বিবেচনায় নেওয়া হবে।

    গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের বিধান অনুযায়ী, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের অনুকূলে প্রতীক সংরক্ষিত থাকে।

    মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থী কোন রাজনৈতিক দলের মনোনীত, তা উল্লেখ থাকে। একটি দল থেকে একাধিক মনোনয়ন দেওয়া হলে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় অর্থাৎ ২০ জানুয়ারি বিকেল ৫টার মধ্যে দলগুলো তাদের চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করবে। সে অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট দলের সংরক্ষিত প্রতীক মনোনীত প্রার্থীকে বরাদ্দ দেন। প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রার্থী যে রাজনৈতিক দল থেকে মনোনীত হয়েছেন, সে সম্পর্কে দলিলাদি দ্বারা প্রমাণের ভিত্তিতে নিশ্চিত হতে হবে।

    স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮-এর বিধি ৯ অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত প্রতীক থেকে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। একই প্রতীকের জন্য একাধিক প্রার্থী দাবি জানালে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার চেষ্টা করা হবে। সমঝোতা না হলে লটারির মাধ্যমে প্রতীক নির্ধারণ করা হবে। তবে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী আগে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে থাকলে এবং তার পছন্দের প্রতীক সংরক্ষিত না থাকলে বা অন্য কাউকে বরাদ্দ না দেওয়া হলে তিনি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রতীক পাওয়ার অধিকারী হবেন।

    প্রতীক বরাদ্দের পরপরই সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে প্রতীকের একটি নমুনা সরবরাহ করা হবে, যা নির্বাচনী প্রচারণার জন্য প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটেও প্রতীকগুলোর নমুনা পাওয়া যাবে। বিধিতে উল্লিখিত প্রতীকের নমুনাসহ পোস্টার ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে সরবরাহ করা হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশন থেকে সরবরাহ করা নমুনার বাইরে অন্য কোনো প্রতীক বরাদ্দ বা প্রতীকের নমুনা কোনো প্রার্থীকে দেওয়া যাবে না।

    এর আগে গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

    তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর।

    সূত্রঃ বাসস

  • গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দ্বিতীয় ফটোকার্ড প্রকাশ

    গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দ্বিতীয় ফটোকার্ড প্রকাশ

    স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দ্বিতীয় ফটোকার্ড প্রকাশ করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

    আজ প্রকাশিত ফটোকার্ডটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা হয়। এতে লেখা রয়েছে— ‘‘স্বপ্নের বাংলাদেশ বাস্তবে গড়ার জন্য ‘হ্যাঁ’-তে সিল দিন।”

    প্রেস উইং জানিয়েছে, গণভোটের প্রচারণার অংশ হিসেবে ১১ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে মোট আটটি ফটোকার্ড প্রকাশ করা হবে।

    এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো গণভোটের বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা। গত রোববার গণভোট ২০২৬-এর প্রথম ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়।

    এদিকে গণভোট সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে সরকারের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এসব কর্মসূচির আওতায় মাঠপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যাতে তৃণমূল পর্যায়ে গণভোটের বিষয়ে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করা যায়।

    সূত্রঃ বাসস

  • রপ্তানি আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রয়েছে

    রপ্তানি আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় রয়েছে

    ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৩ হাজার ৯৬৮ দশমিক ২৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা নভেম্বর ২০২৫-এর তুলনায় ১.৯৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এটি দেশের রপ্তানি সাফল্যে গতিশীলতার প্রতিফলন।

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) মোট রপ্তানি আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৩ হাজার ৯৯৮ দশমিক ৮৭ মিলিয়ন ডলার। তবে গত অর্থবছরের একই সময়ের (২৪ হাজার ৫৩৩ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলার) তুলনায় ২.১৯ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে রপ্তানি আয় বার্ষিক ১৪.২৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

    রপ্তানি আয়ের মূল ভিত্তি হিসেবে বরাবরের মতো তৈরি পোশাক খাত তার অবস্থান ধরে রেখেছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে এই খাত থেকে আয় হয়েছে ৩ হাজার ২৩৪ দশমিক ১৩ মিলিয়ন ডলার, যা নভেম্বর মাসের তুলনায় ১.৯৭ শতাংশ বেশি।

    নিটওয়্যার এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি উভয়ই এই প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে। এছাড়া, নভেম্বর ২০২৫-এর তুলনায় বেশ কিছু পোশাক বহির্ভূত (নন-আরএমজি) খাতেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। এর মধ্যে রয়েছে পাট ও পাটজাত পণ্য, বিশেষায়িত টেক্সটাইল, হোম টেক্সটাইল, হিমায়িত ও তাজা মাছ, শাকসবজি, রাসায়নিক পণ্য, রাবার, চামড়া এবং বাইসাইকেল যা রপ্তানি বহুমুখীকরণের ধারাবাহিকতা প্রতিফলিত করে।

    প্রধান রপ্তানি গন্তব্যগুলোর মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শীর্ষ তিনটি বাজার হিসেবে অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি এবং যুক্তরাজ্য। এই দেশগুলোতে প্রবৃদ্ধির হার ছিল যথাক্রমে ৭.১৪ শতাংশ, ১৮.০৮ শতাংশ এবং ১৪.৫০ শতাংশ।

    এ ছাড়া বেশ কিছু উদীয়মান ও কৌশলগত বাজারেও রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত (২৫.৩৯ শতাংশ), অস্ট্রেলিয়া (২১.৩৩ শতাংশ) এবং কানাডায় (৯.১৩ শতাংশ) রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে যা বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি সম্প্রসারনের নজির।

    সার্বিকভাবে, বিশ্বজুড়ে চাহিদার মন্দাভাব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত পারস্পরিক শুল্ক , যেসব বাজারে বাংলাদেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সেখানে চীনের বাড়তি মনোযোগ, তীব্র বিশ্ব প্রতিযোগিতা, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং চলমান ভূ-রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে উল্লেখযোগ্য বাহ্যিক চাপ সৃষ্টি করছে। এই বিষয়গুলোই বর্তমানে রপ্তানি পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ হিসেবে কাজ করছে।

    সূত্রঃ বাসস

  • ঘন কুয়াশায় শাহজালালে ৪ ঘণ্টা ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত

    ঘন কুয়াশায় শাহজালালে ৪ ঘণ্টা ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত

    ঘন কুয়াশার কারণে আজ সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় চার ঘণ্টা ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হয়েছে।

    তীব্র কুয়াশায় রানওয়ের দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় উড়োজাহাজ ওঠা-নামা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা এবং বেশ কিছু ফ্লাইট অন্য বিমানবন্দরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    বিমানবন্দর সূত্র জানায়, আজ ভোর ৬টার কিছু পরেই ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কমে আসায় ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এই সময়ে কোনো উড়োজাহাজ টেক-অফ বা ল্যান্ড করতে পারেনি। নিরাপত্তার স্বার্থে দেশে প্রবেশ করা বেশ কিছু ফ্লাইট আকাশে চক্কর দিতে থাকে অথবা বিকল্প বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

    শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ জানান, বিমানবন্দর আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করা হয়নি, তবে নিরাপত্তার স্বার্থে কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়।

    তিনি বাসসকে বলেন, ‘ভোর ৬টা থেকে দৃশ্যমানতা শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। ফলে কোনো বিমান ওঠা-নামা করতে পারেনি।’

    আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার পর সকাল ৯টা ৫২ মিনিট থেকে পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু হয় বলে জানান তিনি।

    রাগীব সামাদ আরও জানান, কুয়াশা কেটে যাওয়ার পর সকাল ১০টা ২৭ মিনিটে প্রথম ফ্লাইটটি অবতরণ করে। এরপর দৃশ্যমানতা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হলে পরবর্তী ফ্লাইটগুলো পর্যায়ক্রমে নামতে শুরু করে।

    বিমানবন্দর সূত্র জানায়, অবতরণের অপেক্ষায় বেশ কয়েকটি ফ্লাইট ঢাকার আকাশে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করছিল। অন্যদিকে ডাইভার্ট হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ছয়টি সিলেট বিমানবন্দরে, একটি কলকাতা ও একটি ভিয়েতনামের হ্যানয় বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

    অবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার পর বর্তমানে বিমানবন্দরের নিয়মিত শিডিউল অনুযায়ী সব ধরনের ফ্লাইট ওঠা-নামা করছে বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

    সূত্রঃ বাসস

  • পৌনে ১২ ঘণ্টা পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ার মধ্যে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু

    পৌনে ১২ ঘণ্টা পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ার মধ্যে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু

    ঘন কুয়াশার কারণে শনিবার রাত ১১.৩০টা থেকে ১১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ার মধ্যে ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। আজ বেলা ১১.৪৫ মিনিটে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    পাটুরিয়া ঘাট সূত্র জানায়, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এই সময়ের মধ্যে সমস্ত ইঞ্জিনচালিত নৌকা এবং লঞ্চ চলাচলও বন্ধ রাখা হয়।

    বিআইডব্লিউটিসির পাটুরিয়া ঘাটের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আবদুস সালাম জানান, পদ্মা নদীর তলদেশে ঘন কুয়াশা থাকায় দৃশ্যমানতা হ্রাস পাওয়ায় শনিবার রাত ১১.৩০ টা থেকে পাটুরিয়া- দৌলতদিয়ার মধ্যে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়।

    এসময় বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন, কুমিল্লা, ভাইগার এবং শাহ পরাণ পাটুরিয়া ঘাটে আটকা পড়ে।

    অন্যদিকে ভাষা শহীদ বরকত, এনায়েতপুরী, হাসনা হেনা এবং খান জাহান আলী ফেরি দৌলতদিয়া ঘাটে আটকা পড়ে। বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান পদ্মার মাঝখানে যানবাহন ও যাত্রী ভর্তি অবস্থায় আটকা পড়ে।

    ডিজিএম আব্দুস সালাম জানান, আজ রবিবার সকাল ১১.৪৫ মিনিটে ফেরি চলাচল শুরু হয়। সূত্র জানায়, সমস্ত ফেরি এখন সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবে চলছে।
    এদিকে, ঘন কুয়াশার কারণে গতকাল শনিবার রাত ১০.৩০ টায় যমুনা নদীর তীরে আরিচা-কাজিরহাটের মধ্যে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। আজ রোববার সকাল ১১.৩০ টায় পুনরায় চালু করা হয়।

    বিআইডব্লিউটিসির আরিচা ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. আবদুল্লাহ জানান, ১৩ ঘন্টা স্থগিতাদেশের পর ঘন কুয়াশা কমে যাওয়ায় আজ সকাল ১১.৩০ টায় ফেরি চলাচল পুনরায় চালু করা হয়। সমস্ত ফেরি এখন স্বাভাবিক ও পূর্ণ লোড নিয়ে চলছে।

    সূত্রঃ বাসস

  • অধ্যাদেশ জারি : ট্রাভেল এজেন্সি আইন লঙ্ঘনে ১ বছরের কারাদণ্ড

    অধ্যাদেশ জারি : ট্রাভেল এজেন্সি আইন লঙ্ঘনে ১ বছরের কারাদণ্ড

    বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ট্রাভেল এজেন্সি আইন লঙ্ঘনে ১ বছরের কারাদণ্ড, অনধিক ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

    বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরের অধ্যাদেশটি জারি করা হয়।

    অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ০১ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ তারিখে প্রণীত নিম্নে উল্লিখিত অধ্যাদেশটি এতদ্দ্বারা জনসাধারণের জ্ঞাতার্থে প্রকাশ করা হইল।

    অধ্যাদেশে আরো বলা হয়েছে, যেহেতু অফলাইন ও অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসা পরিচালনায় গ্রাহকসেবা, টিকেটের ন্যায্যমূল্য, আকাশপথে পরিবহণ খাতে সুশাসন এবং সাধারণ যাত্রীসহ অভিবাসী কর্মীদের বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে হয়রানি নিবারণকল্পে বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ সংশোধন করা প্রয়োজন।

    যেহেতু সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় রহিয়াছে এবং রাষ্ট্রপতির নিকট ইহা সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইয়াছে যে, আশু ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে।

    সেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করিলেন, যথা:-

    সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন। (১) এই অধ্যাদেশ বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬ নামে অভিহিত হইবে।

    ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

    আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা সংক্রান্ত বিষয়ে এই আইনের বিধানাবলি প্রাধান্য পাইবে।

    আকাশপথে ভ্রমণের সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তির নিকট হইতে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করিবে না বা তাহাকে মিথ্যা প্রলোভন দেখাইবে না বা তাহার সহিত কোনো প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ করা হইবে না বা অন্য কোনো ট্রাভেল এজেন্সির নিকট হইতে টিকেট ক্রয়-বিক্রয় করা হইবে না বা ট্রাভেল এজেন্সির ঠিকানায় রিক্রুটিং এজেন্ট হিসাবে ব্যবসা পরিচালনা করা যাইবে না এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যমে লেনদেন করিতে হইবে মর্মে হলফনামা দফা (ঙ) এর পর নিম্নরূপ নূতন দফা (চ) ও দফা (ছ) সন্নিবেশিত হইবে, যথা পরিবারের সদস্যবর্গের নামে ট্রাভেল এজেন্সি থাকিলে এজেন্সির নাম, নিবন্ধন নম্বর, মালিকের পাসপোর্ট নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি, উত্তরাধিকার সনদ, অর্থের উৎসসহ চূড়ান্ত উপকারভোগী মালিকের নাম ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য এবং স্বার্থ নিরপেক্ষ লেনদেন অনুযায়ী ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার তথ্যাদি; এবং অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ হইবে ১০ (দশ) লক্ষ টাকা এবং অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে ব্যাংক গ্যারান্টির পরিমাণ হইবে ১ (এক) কোটি টাকা।

    ট্রাভেল এজেন্সি কর্তৃক প্রতি বৎসর আর্থিক বিবরণীসহ সার্বিক কার্যক্রমের প্রতিবেদন সরকারের নিকট নির্ধারিত পদ্ধতিতে দাখিল করিতে হইবে এবং দাখিলকৃত প্রতিবেদন সন্তোষজনক মর্মে বিবেচিত হইলে প্রতি ৩ (তিন) বৎসর পর পর নিবন্ধন সনদ নবায়নযোগ্য হইবে।

    টিকেটিং এর উদ্দেশ্যে কোনো এয়ারলাইন্সের প্যাসেঞ্জার সার্ভিস সিস্টেমরূপে ব্যবহৃত দেশি ও বিদেশি অ্যাপ্লিকেশন, সিস্টেম, পোর্টাল, প্ল্যাটফর্ম, ইত্যাদি ডিজিটাল টিকেট ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল অবৈধভাবে ব্যবহার করিলে বা ইহার লগইন আইডি ও পাসওয়ার্ড শেয়ার বা বিতরণ করিলে অন্য কোনো ট্রাভেল এজেন্সির নিকট হইতে টিকেট ক্রয়-বিক্রয় করিলে বা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করিলে ট্রাভেল এজেন্সির ঠিকানা ব্যবহার করিয়া রিক্রুটিং এজেন্ট হিসাবে ব্যবসা পরিচালনা করিলে, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত আর্থিক মাধ্যমে লেনদেন না করিলে, যে-কোনো উপায়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করিয়া বা মিথ্যা তথ্য দ্বারা সৃষ্ট বুকিং (ভধষংব নড়ড়শরহম) এর মাধ্যমে টিকেটের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি করিলে, মিথ্যা তথ্য বা প্রতারণার উদ্দেশ্যে মূল্য ছাড়, চটকদার প্রলোভন, ক্যাশব্যাক বা ইনসেনটিভ প্রদান সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন প্রচার করিলে অথবা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে অগ্রিম অর্থ আদায় করিলে, অভিবাসী কর্মী বা জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এর কার্ডধারীগণের ক্ষেত্রে উৎস দেশ ও গন্তব্য দেশ ব্যতীত তৃতীয় কোনো দেশ হইতে টিকেট ক্রয়-বিক্রয় করিলে এবং তাহাদের গ্রুপ বুকিং বা টিকেটিং এর ক্ষেত্রে টিকেট কনফার্মেশনের পর যাত্রীর তথ্য পরিবর্তন করিলে; অভিবাসী কর্মী বা জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) এর কার্ডধারীগণের টিকেট ক্রয়-বিক্রয়কালে মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে একত্রে অর্থ পরিশোধ করিলে; ট্রাভেল এজেন্সির চাকরি বা কার্যক্রমের সহিত এয়ারলাইন্স বা এর কোনো কর্মচারীর সম্পৃক্ততা থাকিলে; অথবা টিকেটের গায়ে ট্রাভেল এজেন্সির নাম, নিবন্ধন সনদ নম্বর ও মূল্য লেখা না থাকিলে। (আ) উপ-ধারা (২) এর পর নিম্নরূপ নূতন উপ-ধারা (৩) সংযোজিত হইবে, যথা কোনো ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন সনদ স্থগিত করা সমীচীন মর্মে প্রতীয়মান হইলে জনস্বার্থে, শুনানি গ্রহণ ব্যতীত, সরকার, সাময়িকভাবে উক্ত নিবন্ধন সনদ স্থগিত করিতে পারিবে।

    কোনো ব্যক্তি এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধিমালার কোনো বিধান লঙ্ঘন করিলে, উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১ (এক) বৎসরের কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

    ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি। প্রতারণা, দুর্নীতি বা এতদসংক্রান্ত আবশ্যকীয় ক্ষেত্রে আকস্মিক দেশত্যাগ রোধকল্পে নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহিত সমন্বয় সাধনপূর্বক ট্রাভেল এজেন্সির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করিবে।

    আদেশ জারির ক্ষমতা। সরকার, সময় সময়, নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে এতদুদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ উহা মানিয়া চলিতে বাধ্য থাকিবে।’

    সূত্রঃ বাসস

  • গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ৪৯০ কোটি টাকার এলএনজি’র চালান দেশে পৌঁছেছে

    গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ৪৯০ কোটি টাকার এলএনজি’র চালান দেশে পৌঁছেছে

    দেশের শিল্প-কারখানা ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) আরও একটি চালান দেশে পৌঁছেছে।

    সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড’ সরবরাহকৃত এই কার্গোটি গত ২৮ ডিসেম্বর কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত ‘এক্সসিলারেট এনার্জি লিমিটেড’-এর ভাসমান টার্মিনালে এসে পৌঁছায়। এই কার্গো এলএনজি আমদানি করতে সরকারকে খরচ করতে হয়েছে ৪৯০ কোটি টাকা।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন। তিনি জানান, বিদায়ী বছরের ২৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড’র সরবরাহকৃত এক কার্গো এলএনজি বাংলাদেশে পৌঁছায়। তিনি আরও জানান, আমাদনিকৃত এলএনজি দিয়ে চলতি মাসের প্রাকৃতিক গ্যাসের ঘাটতি মেটানো হবে।

    সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির এক সারসংক্ষেপ থেকে জানা যায়, ভ্যাট ও ট্যাক্সসহ এই কার্গো এলএনজি আমদানিতে সরকারের মোট ব্যয় হয়েছে ৪৮৯ কোটি ৮৮ লাখ ১২ হাজার ২৬২ টাকা। ২০২৫ সালের জন্য স্পট মার্কেট থেকে আমদানির যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, এটি তার ৪৯তম কার্গো।

    তবে, নতুন বছরে নতুন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এলএনজি আমদানি করা হবে বলে জানিয়েছেন রুপান্তরিত প্রকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের অপর উপ-মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী কে. এম. জহিরুল ইসলাম। তিনি জানান, এটি ছিল গত বছরের সর্বশেষ আমদানি করা এলএনজির কার্গো। নতুন বছরে নতুন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী এলএনজি আমদানি করা হবে।

    উপ-মহাব্যবস্থাপক বলেন, সরকার দেশের শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানি করে থাকে। প্রতি মাসে ৮/৯ কার্গো এলএনজি আমদানি করে দেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের ঘাটতি মেটানো হয়।

    দরপত্র ও আর্থিক বিশ্লেষণ- পারচেজ কমিটির কাছে পাঠানো জ্বালানি বিভাগের সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, এলএনজি আমদানির জন্য গত বছরের ১০ নভেম্বর আন্তর্জাতিক কোটেশন আহ্বান করা হলে মাস্টার সেল অ্যান্ড পারচেজ এগ্রিমেন্ট (এমএসপিএ) স্বাক্ষরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে চারটি বৈশ্বিক কোম্পানি দরপত্র প্রস্তাব জমা দেয়। এর মধ্যে সিঙ্গাপুরের ‘বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড’ প্রতি এমএমবিটিইউ ১১ দশমিক ৬৪ মার্কিন ডলার দর উল্লেখ করে সর্বনিম্ন দরদাতা নির্বাচিত হয়।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩৩ লাখ ৬০ হাজার এমএমবিটিইউ এলএনজি আমদানিতে মূল খরচ হয়েছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ১০ হাজার ৪০০ মার্কিন ডলার। গত ১৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখের মুদ্রা বিনিময় হার (১ ডলার = ১২২ দশমিক ৮০ টাকা) অনুযায়ী বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৪৮০ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এর সাথে ২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর (এআইটি) যুক্ত হয়ে চূড়ান্ত ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৯০ কোটি টাকা।

    সাশ্রয় ও বাজার পরিস্থিতি- জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমান বাজারে এলএনজির আন্তর্জাতিক সূচক জেকেএম দরের তুলনায় এই দাম বেশ সামঞ্জস্যপূর্ণ। ইতিপূর্বে কেনা ৪৬, ৪৭ ও ৪৮তম কার্গোর তুলনায় এই চালানে প্রতি এমএমবিটিইউতে যথাক্রমে শূন্য দশমিক ২১, শূন্য দশমিক ২৪ এবং শূন্য দশমিক ৩৩ মার্কিন ডলার সাশ্রয় হয়েছে।

    জ্বালানি বিভাগ আরও জানিয়েছে, বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান। ২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির মোট সম্পদের পরিমাণ ১৫ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশে এটিই এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম এলএনজি সরবরাহ। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, নিজস্ব তহবিল থেকে এই আমদানির ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা এই প্রতিষ্ঠানটির রয়েছে।

    উল্লেখ্য, কাতার ও ওমানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির আওতায় বর্তমানে বছরে ৫৬ কার্গো এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। তবে অভ্যন্তরীণ গ্যাসের ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও শিল্পোৎপাদন সচল রাখতে স্পট মার্কেট থেকে বাড়তি এলএনজি আমদানির এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে সরকার।

    বাসস/এসপিএল/এনআর/২০১০/কেজিএ

    সূত্রঃ বাসস

  • দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সিরাজগঞ্জে, আজ ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস

    দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সিরাজগঞ্জে, আজ ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস

    আজ শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সিরাজগঞ্জে রেকর্ড করা হয়েছে, যা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সারাদেশের ন্যায় সিরাজগঞ্জেও শীতের তীব্র প্রভাব অব্যাহত রয়েছে। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত জনজীবন।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলমান শীত মৌসুমে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে শীতের প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হচ্ছে। শনিবার সকাল ৯টায় সিরাজগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়, যা এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

    এর আগে গতকাল শুক্রবার (২ জানুয়ারি) যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিনও সেখানে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। সবমিলিয়ে চলতি মৌসুমে যশোর জেলায় তিন দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

    সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চল ও গ্রামাঞ্চলে শীতের প্রভাব সবচেয়ে বেশি অনুভূত হচ্ছে। ভোর থেকে ঘন কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। রাস্তাঘাটে জনসমাগম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

    এদিকে, বিশেষ করে ছিন্নমূল মানুষ, দিনমজুর, শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। অনেক এলাকায় শীতবস্ত্রের অভাবে দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। শীতের কারণে কাজের সুযোগ কমে যাওয়ায় দিনমজুরদের আয়ও কমে গেছে, যা তাদের জীবনযাপন আরও কঠিন করে তুলেছে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে এবং শীতের এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। এ অবস্থায় শীতপ্রবণ এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সহায়তা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

    সূত্রঃ বাসস

  • ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ কার্যকর, ই-সিগারেটসহ সব উদীয়মান তামাকপণ্য নিষিদ্ধ

    ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ কার্যকর, ই-সিগারেটসহ সব উদীয়মান তামাকপণ্য নিষিদ্ধ

    ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ কার্যকর হয়েছে। বিদ্যমান ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ আরও শক্তিশালী করতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত এ অধ্যাদেশটি গত ৩০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের মাধ্যমে কার্যকর হয়।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং আজ এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

    প্রেস উইংয়ের বার্তায় জানানো হয়, নতুন অধ্যাদেশের মূল লক্ষ্য হলো তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া। একই সঙ্গে বিড়ি উৎপাদনসংক্রান্ত পৃথক অধ্যাদেশ বাতিল করে একটি সমন্বিত আইন কাঠামো গড়ে তোলা এবং ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ সব উদীয়মান তামাকপণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা।

    সংজ্ঞা সম্প্রসারণ ও নতুন অন্তর্ভুক্তি:

    নতুন অধ্যাদেশে ‘তামাকজাত দ্রব্য’-এর সংজ্ঞা সম্প্রসারিত করা হয়েছে। এর আওতায় ই-সিগারেট, ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম (ইএনডিএস), হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট (এইচটিপি), নিকোটিন পাউচসহ সব ধরনের উদীয়মান তামাকপণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার প্রয়োজনে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে যে কোনো নতুন পণ্যকে তামাকজাত দ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। পাশাপাশি ‘নিকোটিন’ ও ‘নিকোটিন দ্রব্য’-এর পৃথক সংজ্ঞা সংযোজন এবং ‘পাবলিক প্লেস’-এর সংজ্ঞাও ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

    পাবলিক প্লেসে কড়াকড়ি:

    অধ্যাদেশ অনুযায়ী, সব পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিধান লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা আগের ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন ও প্রচারণায় সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা:

    প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, ইন্টারনেট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মসহ সব মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিক্রয়স্থলে প্যাকেট প্রদর্শন ও প্রচারণা, করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) কার্যক্রমে তামাক কোম্পানির নাম বা লোগো ব্যবহার এবং কোনো অনুষ্ঠান বা কর্মসূচির নামে তামাক কোম্পানির আর্থিক সহায়তা প্রদানও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের আশপাশে বিক্রি নিষিদ্ধ:

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    ই-সিগারেটসহ উদীয়মান তামাকপণ্যে কঠোর শাস্তি:

    ই-সিগারেট ও অন্যান্য উদীয়মান তামাকপণ্যের উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ব্যবহারকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এসব বিধান লঙ্ঘনের জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

    বিড়ি ও ক্ষতিকর মিশ্রণ নিষিদ্ধ:

    কুম্ভি পাতা ও টেন্ডু পাতার বিড়ির উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিড়ি উৎপাদন (নিষিদ্ধ) অধ্যাদেশ, ১৯৭৫ বাতিল করা হয়েছে। তামাকজাত দ্রব্যের সঙ্গে কোনো ক্ষতিকর বা আসক্তিমূলক উপাদান মেশানোও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ও শাস্তি জোরদার:

    অধ্যাদেশে তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেটের ৭৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে রঙিন ছবি ও স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা সংবলিত স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি জরিমানা ও কারাদণ্ডের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। কোম্পানির ক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিল, মালামাল জব্দ এবং ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী মামলা পরিচালনার বিধানও যুক্ত করা হয়েছে।

    প্রেস উইংয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন এ অধ্যাদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে ধূমপান ও তামাক ব্যবহারের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে সরকার আশা করছে।

    সূত্রঃ বাসস

  • সারাদেশে স্কুলগুলোর জন্য ২৪ কোটি বই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে : এনসিটিবি

    সারাদেশে স্কুলগুলোর জন্য ২৪ কোটি বই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে : এনসিটিবি

    বছরের প্রথম দিনে স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য বই প্রার্থী নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সারা দেশের স্কুলগুলোতে ২৪ কোটি বই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

    আজ পহেলা জানুয়ারি সারাদেশের সকল স্কুলের শিক্ষার্থীরা বই হাতে পেয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার অধ্যাপক ড. রিয়াদ চৌধুরী বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা বাসস’কে এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)’র সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    ড. রিয়াদ চৌধুরী আরও বলেন, ‘আমাদের ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রাক প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত টোটাল বইয়ের সংখ্যা হচ্ছে ৩০ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪টি, আর এর মধ্যে আজকে এক তারিখ পর্যন্ত আমাদের বই সরবরাহ করা হয়েছে ২৪ কোটি ৬৯ লক্ষ ৯২ হাজার ১০টি। অর্থাৎ ডেলিভারি হয়েছে ৮২ দশমিক ২৬%। এটা হচ্ছে ওভারঅল পিকচার।’

    তিনি বলেন, প্রাথমিক স্তরে আমাদের সাধারণ শিক্ষাধারার বইয়ের সংখ্যা ছিল ৮ কোটি ৫৯ লাখ ২৪ হাজার ৮৫৪ টি। এটা আমরা ডিসেম্বরের ১৫ তারিখের মধ্যেই ডেলিভারি করে ফেলেছি ১০০%।

    এনসিটিবি’র সিনিয়র এই সদস্য আরও বলেন, প্রাথমিক স্তরে মাদ্রাসার শিক্ষাধারার বই সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ১১ লক্ষ ১৯ হাজার ৩৪৭টি। এর মধ্যে ডেলিভারি হয়েছে ২ কোটি ৯৫ লক্ষ ৮ হাজার ৬৮২ অর্থাৎ ৯৫ দশমিক ০৮%।

    ড. রিয়াদ চৌধুরী আরও বলেন, ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর জন্য আলাদা করে বলছি এ জন্য যে সেটা আলাদা করে গুরুত্বের দাবি রাখে।

    তিনি বলেন, আমাদের ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী যারা তাদের বই সংখ্যা হচ্ছে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ৭১৫টি এবং এটাও ১০০% ডেলিভারি হয়ে গেছে ডিসেম্বর ১৫ তারিখের মধ্যেই।

    জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সিনিয়র এ সদস্য জানান, সেকেন্ডারিতে আমাদের মাধ্যমিক স্তরে যে তিনটা শিক্ষাধারা আছে— সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি, এই তিনটি মিলে টোটাল বইয়ের সংখ্যা হচ্ছে ১৮ কোটি ৩২ লক্ষ ৪০ হাজার ৯২৭টি।

    তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে আমাদের আজকে পর্যন্ত, মানে আজ সকাল আমি ৮টার ডেটা বলছি, এগুলো যা যা বলছি, সবই ডেলিভারি হয়েছে ১৩ কোটি ১৪ লক্ষ ৭৫৮৫৪ অর্থাৎ ৭১ দশমিক ৭৬%।’

    ড. রিয়াদ চৌধুরী আরও বলেন, আর ক্লাস ধরে যদি বলি ক্লাস সিক্সে আমাদের বইয়ের বরাদ্দ ছিল ৪ কোটি ৪৩ লক্ষ ১৭ হাজার ৫০৯টি। এর মধ্যে ডেলিভারি হয়েছে ৩ কোটি ৫৯ লাখ ৭৮ হাজার ৯১০টি। পারসেন্টেজে দাড়ায় ৮১ দশমিক ১৮%।

    তিনি বলেন, ক্লাস সেভেনে বইয়ের বরাদ্দ সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ১৫ লক্ষ ৮৪ হাজার ৬৯২টি। এর মধ্যে আজকে সকাল আটটা পর্যন্ত ডেলিভারি হয়েছে ২ কোটি ৬১ লক্ষ ৩৮ হাজার ৭৮৫, অর্থাৎ ৬২ দশমিক ৮৬ পারসেন্ট।

    ড. রিয়াদ চৌধুরী আরও বলেন, ক্লাস এইটে বরাদ্দ হচ্ছে ৮ কোটি ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯৮টি বই। ডেলিভারি হয়েছে ২ কোটি ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৩৯৫, অর্থাৎ ৫১.৪২% আর ৯ম এর বইয়ের বরাদ্দকৃত সংখ্যা হচ্ছে ৫ কোটি ৭০ লাখ ৬৮ হাজার ২৮টি। এর মধ্যে ডেলিভারি হয়েছে ৪ কোটি ৮৬ লক্ষ ৬৯ হাজার ৭৬৪ অর্থাৎ ৮৫.২৮%।

    তিনি বলেন, এই টোটাল বইয়ের মধ্যে যেটা বললাম ৩০ কোটি ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৫৪, এর মধ্যে ব্রেইলের পাঠ্য বইয়ের সংখ্যা হচ্ছে ৬ হাজার ২৬টি। ব্রেইল পাঠ্য বইয়ের ডেলিভারি হয়ে গেছে ৪ হাজার ৫২০টি অর্থাৎ ৭৬ দশমিক ৪০% এবং আমরা আশা করছি যে আগামী ১৫ জানুয়ারি আমাদের ১০০% ডেলিভারি হয়ে যাবে।

    সূত্রঃ বাসস

  • সকল প্রকার জ্বালানি তেলের দাম কমল

    সকল প্রকার জ্বালানি তেলের দাম কমল

    দেশের সকল সকল প্রকার জ্বালানি তেলের দাম ২ টাকা করে কমালো সরকার।

    আজ (বৃহস্পতিবার) বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য হ্রাস/বৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতিমাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এ লক্ষ্যে সংশোধিত প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে জানুয়ারি মাসের জন্য তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিতকরণের নিমিত্ত ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০৪.০০ টাকা হতে ২.০০ টাকা কমিয়ে ১০২.০০ টাকা, অকটেন ১২৪.০০ টাকা হতে ২.০০ টাকা কমিয়ে ১২২.০০ টাকা, পেট্রোলের মূল্য ১২০.০০ টাকা হতে ২.০০ টাকা কমিয়ে ১১৮.০০ টাকা এবং কেরোসিনের মূল্য ১১৬.০০ হতে ২.০০ টাকা কমিয়ে ১১৪.০০ টাকায় পুনর্নির্ধারণ/সমন্বয় করা হয়েছে। এটি ১ জানুয়ারী (বৃহস্পতিবার) থেকে কার্যকর হবে।

    সূত্রঃ বাসস

  • আপনারা সবাই আমার মা’র জন্য দোয়া করবেন : তারেক রহমান

    আপনারা সবাই আমার মা’র জন্য দোয়া করবেন : তারেক রহমান

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আপনারা সবাই আমার মা’র জন্য দোয়া করবেন।

    তারেক রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজ এক পোস্টে বলেন, ‘আমার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, সর্বশক্তিমান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আজ আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।’

    তিনি বলেন, ‘অনেকের কাছে তিনি ছিলেন দেশনেত্রী, আপসহীন নেত্রী; অনেকের কাছে গণতন্ত্রের মা, বাংলাদেশের মা। আজ দেশ গভীরভাবে শোকাহত এমন একজন পথপ্রদর্শককে হারিয়ে, যিনি দেশের গণতান্ত্রিক পথযাত্রায় অনিঃশেষ ভূমিকা রেখেছেন।’

    ‘আমার কাছে খালেদা জিয়া একজন মমতাময়ী মা, যিনি নিজের সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশ ও মানুষের জন্য। আজীবন লড়েছেন স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে; নেতৃত্ব দিয়েছেন স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে।’

    তারেক রহমান বলেন, ‘ত্যাগ ও সংগ্রামে ভাস্বর হয়েও, তিনি ছিলেন পরিবারের সত্যিকারের অভিভাবক; এমন একজন আলোকবর্তিকা যাঁর অপরিসীম ভালোবাসা আমাদের সবচেয়ে কঠিন সময়েও শক্তি ও প্রেরণা জুগিয়েছে। তিনি বারবার গ্রেফতার হয়েছেন, চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, সর্বোচ্চ নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তবুও যন্ত্রণা, একাকিত্ব ও অনিশ্চয়তার মধ্যে থেকেও তিনি অদম্য সাহস, সহানুভূতি ও দেশপ্রেম সঞ্চার করেছিলেন পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মাঝে।’

    তিনি বলেন, ‘দেশের জন্য তিনি হারিয়েছেন স্বামী, হারিয়েছেন সন্তান। তাই এই দেশ, এই দেশের মানুষই ছিল তাঁর পরিবার, তাঁর সত্তা, তাঁর অস্তিত্ব। তিনি রেখে গেছেন জনসেবা, ত্যাগ ও সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস, যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পরিক্রমায় চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

    তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা সবাই আমার মা’র জন্য দোয়া করবেন। তাঁর প্রতি দেশবাসীর আবেগ, ভালোবাসা ও বৈশ্বিক শ্রদ্ধায় আমি ও আমার পরিবার চিরকৃতজ্ঞ।’

    সূত্রঃ বাসস

  • বুধবার সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার জানাজা

    বুধবার সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার জানাজা

    দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা এবং এর সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউতে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার পর তাঁকে শহীদ প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের পাশে দাফন করা হবে।

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশে যত দূতাবাস আছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে সেখানে শোক বই খোলা হবে। সভায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন এবং জানাজা সম্পর্কিত বিষয়ে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। প্রধান উপদেষ্টা সভায় বেগম জিয়ার বিষয়ে বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন।’

    মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মার যান রাজনীতিতে আপসহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিত বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসারত অবস্থায় দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের এই মৃত্যুতে দেশের রাজনীতিতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু শুধু একটি রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, বরং একটি যুগের অবসান।

    সূত্রঃ বাসস

  • খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি হারাল এক মহান অভিভাবক : প্রধান উপদেষ্টা

    খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি হারাল এক মহান অভিভাবক : প্রধান উপদেষ্টা

    দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

    জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি এক মহান অভিভাবককে হারিয়েছে।

    আজ দুপুর ১২টায় দেওয়া ভাষণের শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। তাঁর মৃত্যুতে জাতি এক মহান অভিভাবককে হারিয়েছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমাদের পুরো জাতি গভীর শোক ও বেদনায় নিস্তব্ধ। দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আর আমাদের মাঝে নেই(ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।’

    ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক পরম মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব। গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব বারবার জাতিকে গণতন্ত্রহীন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ দেখিয়েছে এবং মুক্তির প্রেরণা জুগিয়েছে।

    এই গভীর শোকের মুহূর্তে খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং অগণিত কর্মী-সমর্থকের প্রতি সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানান প্রধান উপদেষ্টা। একই সঙ্গে তিনি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, যেন সবাই এই শোক কাটিয়ে ওঠার শক্তি লাভ করেন।

    তিনি বলেন, দেশ ও জাতির প্রতি খালেদা জিয়ার সমুজ্জ্বল অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা, গণমুখী নেতৃত্ব এবং মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিচল ভূমিকা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এমন একজন মহান, দূরদর্শী ও নিখাদ দেশপ্রেমিক নেত্রীর শূন্যতা পূরণ হবার নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    শোকাবহ এই সময়ে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সবাই যেন যার যার অবস্থান থেকে মহান আল্লাহর দরবারে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, জাতির এই কঠিন সময়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

    ভাষণে তিনি সতর্ক করে বলেন, শোকের এই সময়ে কেউ যেন অস্থিতিশীলতা বা নাশকতার অপচেষ্টা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। এই সময়ে সবার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন অত্যন্ত জরুরি।

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তাঁর নামাজে জানাজার দিনে(আগামীকাল বুধবার) এক দিনের সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করেন তিনি।

    নামাজে জানাজাসহ সব ধরনের শোক পালন শৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পন্ন করার জন্য দেশবাসীর প্রতি বিনীত আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা।

    ভাষণের শেষাংশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, তিনি জানেন, এই সময়ে মানুষ আবেগাপ্লুত। তবে তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবাই ধৈর্যের পরিচয় দেবেন এবং জানাজাসহ সব আনুষ্ঠানিকতা পালনে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা করবেন।

    শেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে দেশবাসীর জন্য ধৈর্য, শক্তি ও ঐক্যবদ্ধ থাকার ক্ষমতা কামনা করেন।

    সূত্রঃ বাসস

  • খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও সাধারণ ছুটি ঘোষণা

    খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও সাধারণ ছুটি ঘোষণা

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত (৩১ ডিসেম্বর এবং ১ ও ২ জানুয়ারি) তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে সরকার।

    এ ছাড়া কাল বুধবার সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ ।

    উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ সকাল ৬টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তাঁর মৃত্যুতে সারাদশে শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

    সূত্রঃ বাসস