Month: March 2025

  • যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস পালনের আহ্বান জামায়াত আমিরের

    যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস পালনের আহ্বান জামায়াত আমিরের

    যথাযোগ্য মর্যাদায় ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    তিনি বলেন, স্বার্থান্বেষী মহল দেশকে আবার অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছে এবং পতিত স্বৈরাচারকে ফিরে আনার অপতৎপরতা শুরু করেছে। এমন অবস্থায় দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ, সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। শান্তি-স্বস্তির নতুন বাংলাদেশ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।

    সোমবার এক বিবৃতিতে জামায়াত আমির এসব কথা বলেন।

    জামায়াত আমির বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী জনতা দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তদানীন্তন শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার। ক্ষুধা-দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসন মুক্ত একটি দেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনতা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। লাখো মানুষের রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতার ৫৪ বছরে আজ দেশের মানুষের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি হিসাব করলে দেখা যায় বহু প্রত্যাশা এখনও পূরণ হয়নি।

    তিনি আরও বলেন, গত জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে দেশ আবার নতুন করে দ্বিতীয়বারের মত স্বাধীনতা অর্জন করেছে। দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের জগদ্দল পাথরের ন্যায় চেপে বসা জালিমের হাত থেকে মুক্ত হয়ে দেশের মানুষ মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে পারছে। দেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেয়েছে এবং শান্তিতে-স্বস্তিতে চলাফেরা করতে পারছে। পতিত সরকারের দোসররা এবং দেশের কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তির সহায়তায় ছাত্র-জনতার এই গণআন্দোলনকে ব্যর্থ করার জন্য গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা মহান স্বাধীনতা দিবসে গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করছি বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ওই সমস্ত জনতাকে যাদের ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করেছে। আমরা আরও স্মরণ করছি গত জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনের সব শহিদদের এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের। আমরা সব শহিদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

  • হাসিনা রাইফেল দিয়ে ইতিহাস পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন: রুহুল কবির রিজভী

    হাসিনা রাইফেল দিয়ে ইতিহাস পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন: রুহুল কবির রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে পালিয়ে গিয়ে ভারতে অবস্থানকারী শেখ হাসিনা জোর করে, রায় দিয়ে, রাইফেল দিয়ে ইতিহাস পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারেননি।

    সোমবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ এই লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে ব্যক্তিগত সম্পদ মনে করতো। স্বাধীনতার পর থেকে এরা শুরু করেছে লুটপাট, অপকর্ম, দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল মানুষের জীবন। স্বাধীন বাংলাদেশকে অপশাসনের কবজায় নিয়ে ত্রাসের কায়েম করেছিল। জিয়ার সময় মানুষ ঘরের দরজা খুলে ঘুমাতো। এখনকার মতো বিদেশি কিছু এজেন্ট চক্রান্ত করত তো বলে জানান তিনি।

    তিনি বলেন, শেখ হাসিনা জোর করে, রায় দিয়ে, রাইফেল দিয়ে ইতিহাস পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারেননি। ছাত্ররা প্রকৃত ইতিহাস জেনে জুলাই অভ্যুত্থানে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। দেশে স্বৈরাচার আসলে টিকে থাকতে পারে না। দূরে থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে কাজ করে গেছেন নেতৃত্বের মাধ্যমে।

    সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, কিছু জিনিসের দাম কমলেও নিত্যপণ্যের মধ্যে চাল, ডাল ও মুরগির দাম হুহু করে বাড়ছে। এ বিষয়ে লাগাম টেনে ধরা দরকার।

    এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • চৌদ্দগ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

    চৌদ্দগ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

    চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সহোদর দুই ভাইয়ের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সামাজিক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার, তাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করা ও প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার প্রতিবাদে এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।

    শনিবার (২২ মার্চ) বিকালে উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের জিনিদকরা কাদেরীয়া ইসলামিয়া মাদরাসা সংলগ্ন সড়কে এ উপলক্ষে আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সমাজসেবক শাহিন শিকদার, এয়াকুব আলী, এয়াছিন মিয়া, মো: রাকিব হোসেন, মাইন উদ্দীন, দুলাল মিয়া, আবুল হোসেন, আলমগীর হোসেন, মমিন মিয়া, জিয়াদ হোসেন, আছিয়া বেগম, জফুরা বেগম, মোমেনা বেগম প্রমুখ।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ আব্দুর রশিদ এর সাথে তার অপর দুই ভাই দুলাল মিয়া ও আবুল হোসেনের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিলো। সামাজিকভাবে বেশ কয়েকবার শালিস বৈঠকে বসে বিষয়টির নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়েছে। শালিসি সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে আব্দুর রশিদ অপর ভাইদের জায়গা জবরদখল করে ভোগ করছে। গত ১৯ মার্চ তিন ভাইয়ের চলমান বিরোধ মীমাংশার চেষ্টাকালে আব্দুর রশিদের নেতৃত্বে শালিসদার ও তার ভাইদের পরিবারের উপর হামলা করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করা আব্দুর রশিদ ও তার সহযোগিরা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মিথ্যা অপপ্রচার করে সামাজিক গণ্যমান্য লোকজনের সম্মানহানী করার অপচেষ্টা করে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে। এ সময় তারা অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক সাজা নিশ্চিতের জোর দাবি জানিয়েছেন।

    অভিযুক্ত আব্দুর রশিদের প্রতিবেশী এয়াকুব আলী জানান, ১৯ মার্চ আব্দুর রশিদ ও তার ভাইয়েরা তাদের পৈতৃক পুরনো ও পরিত্যাক্ত বসতঘরটি ভেঙ্গে ফেলে। এর আগেও বিষয়টি নিয়ে একাধিক শালিস অনুষ্ঠিত হয়েছে। আব্দুর রশিদ শালিসের কোনো সিদ্ধান্তই মানতে রাজী নয়।

    ভুক্তভোগি বিধবা মোমেনা বেগম বলেন, আমি অন্যের বাড়ীতে কাজ করে খাই। আমার স্বামীর রেখে যাওয়া জমিতে ঘর করতে গেলে আব্দুর রশিদ বারবার বাধা দিচ্ছে। তার পরিবার আমাদের উপর বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে।

    অপর ভুক্তভোগি আছিয়া বেগম জানান, আব্দুর রশিদ আমাদের বসতবাড়ী নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। আমরা যাতে এ বাড়ী ছেড়ে চলে যাই সেজন্য আব্দুর রশিদ নিয়মিত আমাদের উপর অত্যাচার করছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার এর কথা অস্বীকার করে অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, মোমেনা বেগম আমার জমিতে এলাকার সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় ঘর নির্মাণের চেষ্টা করলে আমি বাধা প্রদান করি। আমার বিরুদ্ধে আনীত অন্যান্য অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

  • পাবনা মেডিকেলের ২২ সদস্যের ছাত্রদল কমিটির ১১ জনই ছাত্রলীগ নেতা

    পাবনা মেডিকেলের ২২ সদস্যের ছাত্রদল কমিটির ১১ জনই ছাত্রলীগ নেতা

    পাবনা মেডিকেল কলেজ শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন ২২ সদস্যের কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে নতুন কমিটি নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অভিযোগ উঠেছে, এই কমিটির ১১ জন নেতা আগেও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পদে ছিলেন!

    ছাত্রদল না ছাত্রলীগের পুরনো মঞ্চ?
    রোববার (২৩ মার্চ) জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাসির পাবনা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    কিন্তু বিশ্লেষণে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। নবগঠিত কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিমুল আহসান তনিম, সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান শুভসহ মোট ১১ জন নেতাই নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পদে ছিলেন!

    কে কোন পদে ছিলেন?
    তথ্য বলছে, নবগঠিত সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান শুভ আগে ছাত্রলীগের বঙ্গবন্ধু হল শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিমুল আহসান তনিম ছিলেন ছাত্রলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়া—

    সহ-সভাপতি রাহুল রায়: ছাত্রলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক।

    সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ আল ফায়াদ: ছাত্রলীগের গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক।
    সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত: ছাত্রলীগের আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক।

    যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম: ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক।

    যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান: ছাত্রলীগের সমাজসেবা সম্পাদক।

    যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তাসরীফ আলম: ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক।

    যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক স্বাধীন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাবিল, প্রচার সম্পাদক সামিন রাফিদ আরোহও ছিলেন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী।

    নেতাদের কী বক্তব্য?

    ছাত্রদলের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান শুভ বলেন, “আমি কখনও ছাত্রলীগ করিনি। তবে কলেজে যারা সক্রিয় ছিল, তাদের নাম ছাত্রলীগের কমিটিতে রাখা হয়েছিল। আমার অনুমতি না নিয়েই আমাকে ওই কমিটিতে যুক্ত করা হয়েছিল।”

    নতুন কমিটিতে ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ইতোমধ্যে ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে এই কমিটি কতদিন টিকে থাকবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়!

  • ইসরাইলকে থামাতে ‘কঠোর ও সমষ্টিগত’ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান

    ইসরাইলকে থামাতে ‘কঠোর ও সমষ্টিগত’ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বর্বরতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্যবদ্ধ ও জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।

    শীর্ষ এই ইরানি কূটনীতিক শনিবার সন্ধ্যায় সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহানের সঙ্গে একটি টেলিফোন আলাপচারিতায় কথা বলেন।

    এ সময় তিনি বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর প্রতি ইসরাইলের আগ্রাসন প্রতিরোধে ‘কঠোর ও সমষ্টিগত’ পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। খবর প্রেস টিভির।

    আরাগচি গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের গণহত্যামূলক আগ্রাসন পুনরায় শুরু করার বিষয়টি উল্লেখ করেন। যা ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে তেলআবিবের হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন।

    নতুন এই গণহত্যামূলক অভিযানে ১,০০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

    এর আগের ১৫ মাসের বর্বর সামরিক অভিযানে প্রায় ৬২,০০০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে।

    মর্মান্তিক এই বর্বরতার মধ্যে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ও যুদ্ধমন্ত্রী ইসরাইল কাৎজ গাজার কিছু অংশ দখল করার হুমকি দিয়েছেন, যদি হামাস ফিলিস্তিনে আটক রাখা জিম্মিদের মুক্তি না দেয়।

    আরাগচি তার বক্তব্যে ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের চলমান সামরিক আগ্রাসনেরও নিন্দা জানান। যেখানে নিরপরাধ নারী ও শিশুদের মৃত্যু এবং দেশের অবকাঠামো ধ্বংস হচ্ছে।

    তিনি বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের সম্মিলিত দায়িত্বের ওপর জোর দেন। যেন তারা সহিংসতা ও দারিদ্র্যপীড়িত আরব উপদ্বীপ দেশ ইয়েমেনের মুসলিমদের সহায়তা করতে পারে।

    সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনের বিরুদ্ধে তাদের আক্রমণ তীব্র করেছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইয়েমেনের আনসারাল্লাহ সশস্ত্র গোষ্ঠীকে ‘ধ্বংস’ করার অঙ্গীকার করেছেন। যারা গাজার পক্ষে সানার সহায়ক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কাজ করছে।

    এ সময় প্রিন্স ফারহান ইসরাইলি শাসনের প্রাণঘাতী আগ্রাসনের নিন্দায় রিয়াদের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

    তিনি গাজা সংকট উত্তরণ এবং চলমান উত্তেজনার বৃদ্ধি প্রতিরোধে আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সমন্বয় এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    সূত্র: মেহের নিউজ

  • চৌদ্দগ্রামে আবদুল বারী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    চৌদ্দগ্রামে আবদুল বারী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধিঃ

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কবরবাসীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সম্মানে আবদুল বারী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দোয়া এবং ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার উপজেলার বাতিসা ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাহফুজুর রহমান।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন বাতিসা ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর সাইয়েদ রাশীদুল হাসান জাহাঙ্গীর, সেক্রেটারী মোতাহের উদ্দিন মোল্লা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ৬নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি কাজী নিজামুল ইসলাম।

    অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মনির আহমেদ, মাওলানা ফয়েজ আহমেদ, মাওলানা আবদুল মন্নান মজুমদার, চৌদ্দগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসাইন, পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী মোশারফ হোসেন ওপেল, শিবিরের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারী জাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, আইটি ও প্রচার সম্পাদক নুরুল ইসলাম মোল্লা, এইচআরডি সম্পাদক ইকবাল হোসেন বাবলু, উপজেলা শিবির সভাপতি মোজাম্মেল হক, পৌরসভা সভাপতি হোসাইন আহমেদ।

    আবদুল বারী ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, দুবাইয়ের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মু. শরীফুল ইসলামের আয়োজনে ও পরিচালক মু. আরিফুর রহমানের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ শিবিরের সাবেক অফিস সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, মাস্টার আবদুর রহিম, ছাত্রনেতা মামুন মজুমদার, জাহিদুল ইসলাম, আবদুল বারীর আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • ড. ইউনূসকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান আব্দুস সালাম আজাদের

    ড. ইউনূসকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান আব্দুস সালাম আজাদের

    দেশের আইন শৃঙ্খলা ঠিক করতে না পারলে ড. ইউনূসের সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ। রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সুশীল ফোরাম আয়োজিত এক কর্মসূচিতে তিনি এ আহ্বান জানান।

    আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, ‘শেখ হাসিনা অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় গণতন্ত্র হরণ করে দেশের মানুষের নির্যাতন করেছিল। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে জনগণের অধিকার হরণ করেছিল। জুলাই-আগস্টে দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল বলেই হাসিনা ভারতে পালাতে বাধ্য হয়েছিল।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আজকে ড. ইউনূস সরকার যদি দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ঠিক করতে না পারে, তাহলে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়াক। বর্তমানে দেশের যে অবস্থা তাতে দেশের জনগণ আতেঙ্কের মধ্যে রয়েছে। যদি অতি দ্রুত নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতা গ্রহণ না করে তাহলে আওয়ামী দোসররা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে।’

    দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে গোটা জাতি উদ্বিগ্ন দাবি করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘প্রতিদিন মিডিয়ায় আমরা দেখতে পাচ্ছি দেশের কোথাও না কোথাও খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, চাঁদাবাজির মতো ঘটনা ঘটছে। দেশের নারী সমাজ আজ কোথাও নিরাপদ না। অন্তর্বর্তী সরকারকে বলবো, অতি দ্রুত নির্বাচনের রোড ম্যাপ ঘোষণা করুন। কারণ, দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী।’

  • এনায়েতপুরে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    এনায়েতপুরে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    আব্দুল আওয়াল,এনায়েতপুর (সিরাজগঞ্জ): 

    ২২ মার্চ শনিবার সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহীদ হাফেজ সিয়াম ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে এনায়েতপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অডিটোরিয়ামে এই দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে জুলাই অভ্যুত্থানের এনায়েতপুর এর শহীদ ইয়াহিয়া, শহীদ হাফেয সিয়াম, শহীদ শিহাবসহ সকল শহীদ ও আহতদের জন্য দোয়া করা হয়।
    এনায়েতপুর ইসলামিয়া ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থী শহীদ হাফেজ সিয়াম এর পিতা আলহাজ্ব আব্দুল কুদ্দুস তার ছেলের জন্য এবং শহীদ শিহাব এর দুই ভাই হাসান ও হোসাইন তাদের ভাইয়ের জন্য দোয়া চান।

    দোয়া পূর্ব আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন এনায়েতপুর ইসলামিয়া ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা আমিনুল ইসলাম। হাফেজ সিয়াম স্মৃতি ফাউন্ডেশন এর উপদেষ্টা মাওলানা আব্দুস সালাম এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করেন এনায়েতপুর এনায়েতপুর ইসলামিয়া ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থী ও এনায়েতপুর থানা জামায়াতে ইসলামীর আমীর চিকিৎসক মাওলানা সেলিম রেজা, এনায়েতপুর ইসলামিয়া ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থী ও এনায়েতপুর থানা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি চিকিৎসক মোফাজ্জল হোসেন, এনায়েতপুর ইসলামিয়া ফাজিল সিনিয়র মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা আশরাফুল ইসলাম, মাওলানা রেজাউল ইসলাম, মাওলানা আলমগীর হোসেন প্রমুখ।

    বক্তাগণ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান এর পূর্বে এক ভয়াবহ দু:শাসন এদেশের বুকে জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসেছিল। হাফেজ সিয়াম এর মত শত শত শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা মুক্ত পরিবেশ পেয়েছি। আমরা এই শহীদদের কাছে চির কৃতজ্ঞ। জুলাই অভ্যুত্থানে হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। আমরা তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞ। হাফেজ সিয়ামকে স্থানীয় বেতিল কবরস্থানে দাফন করতে আওয়ামী লীগের নেতারা বাধা প্রদান করেছিল বলে উল্লেখ করে এর ধিক্কার জানান। বক্তাগণ বলেন, হাফেজ সিয়াম এর মত শহীদেরা দেশপ্রেমের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কল্যাণে নিজেদেরকে উৎসর্গ করেছেন। আমাদেরকে জুলাই বিপ্লবের আদর্শকে ধারণ করে দেশ জাতির কল্যানে একনিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে হবে।

    বক্তাগণ আরও বলেন, ইমাম হোসাইন (রা) এর আদর্শে উজ্জীবীত হয়ে জুলাই অভ্যুত্থান এর শহীদেরা এদেশের মানুষের পক্ষে জালিমের বিপক্ষে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। আল্লাহ তায়ালা জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদানদের শাহাদাতকে ইমাম হোসাইন (রা.) এর সাথে কবুল করে নিন।

  • আ. লীগ নিষিদ্ধ না হলে প্রয়োজনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হবে: রাশেদ খান

    আ. লীগ নিষিদ্ধ না হলে প্রয়োজনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হবে: রাশেদ খান

    আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণে জাতীয় সংলাপ ডাকার আহ্বান জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। অন্তর্বর্তী সরকার এতে রাজি না হলে প্রয়োজনে সরকার বিলুপ্ত করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করার কথা বলেন তিনি।

    সম্প্রতি জাতীয় নাগরিক পার্টির শীর্ষ নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে উত্তপ্ত হয় রাজনীতির মাঠ। যেখানে তিনি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার চেষ্টা চলছে বলে জানান। তাছাড়া সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন। যা নিয়ে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ।

    এবার এই রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফেসবুকে একটি বার্তা দিয়েছেন। যেখানে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। রাশেদ খানের দেওয়ার ফেসবুক পোস্টটি যুগান্তর অনলাইন পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

    আ.লীগকে নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রধান উপদেষ্টাকে জাতীয় সংলাপ ডাকার আহ্বান করছি। প্রধান উপদেষ্টা যদি আগামীকালই এই সংলাপ ডাকে আগামীকালই আ.লীগ নিষিদ্ধ হবে। এখন কথা হলো, সেই সংলাপ কি ডাকা হবে?

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে দুজন ছাত্র উপদেষ্টা আছেন, তারা সরকারের অন্যান্য উপদেষ্টাদের সঙ্গে কথা বলে সংলাপ ডাকতে চাপ প্রয়োগ করুক। যদি তাদের কথা না শোনে, তাহলে পদত্যাগ করে জনতার কাতারে আসুক। তারপর জনগণ সরকারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। প্রয়োজনে এই সরকার বিলুপ্ত করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হবে। সেই সরকার আ.লীগকে নিষিদ্ধ করতে বাধ্য থাকবে।

    সত্যিই যদি আ.লীগকে সত্যিই নিষিদ্ধ চান, তবে জাতীয় সংলাপ ডাকতেই হবে এবং এক্ষেত্রে মূল ভূমিকা রাখতে হবে ছাত্র উপদেষ্টাদের। আমি দৃঢ় বিশ্বাস করি, কোন দল পাবলিক সেন্টিমেন্টের বিরুদ্ধে গিয়ে বলতে পারবে না, আ.লীগকে নিষিদ্ধ চায় না।

    সুতরাং জাতীয় ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে জাতীয় সংলাপের মাধ্যমেই নিষিদ্ধ হোক গণহত্যাকারী দল আ.লীগ। আ.লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত  রাজনৈতিক ও সরকারি সিদ্ধান্তের বিষয়। এবং সেটির আয়োজক হতে হবে সরকারকে। আর যদি সেটি না হয় আ.লীগ পুনর্বাসনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আজীবন থেকে যাবে দায়ী। দ্রুত সময়ের মধ্যে যদি নিষিদ্ধ ইস্যুটা সমাধান না করা হয়, তাহলে ধরে নিবো নিষিদ্ধের ইস্যু জিইয়ে রেখে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়া হচ্ছে!

  • যুদ্ধবিরতি ভেঙে এবার লেবাননে ইসরায়েলের রকেট হামলা

    যুদ্ধবিরতি ভেঙে এবার লেবাননে ইসরায়েলের রকেট হামলা

    যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে লেবাননে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এর আগে লেবানন থেকে ইসরায়েলে বেশ কয়েকটি রকেট নিক্ষেপ করা হয়। যার জবাবে পাল্টা হামলা চালায় ইসরায়েল।

    গত নভেম্বরের যুদ্ধবিরতির পর এটিই সেখানে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা।

    লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই বিমান হামলায় একজন শিশুসহ অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। আর আহত হয়েছে আরও অন্তত ৪০ জন।

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শনিবার লেবানন থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালানো হয়।

    এর জবাবেই তারা দক্ষিণ লেবাননে ইরান-সমর্থিত রাজনৈতিক ও সামরিক গোষ্ঠী হেজবুল্লাহর ঘাঁটি লক্ষ্য করে রকেট হামলা চালাতে শুরু করে।

    লেবাননে হেজবুল্লাহ ও ফিলিস্তিনপন্থি কয়েকটি সশস্ত্র সংগঠন সক্রিয় রয়েছে। তবে, যুদ্ধবিরতি ভেঙে শনিবারে ইসরায়েলে রকেট হামলার দায় স্বীকার করেনি কেউ।

    প্রথম দফার হামলার কয়েক ঘণ্টা পর, রাতে দ্বিতীয় দফার হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা হিজবুল্লাহর কমান্ড সেন্টার, অবকাঠামো এবং একটি অস্ত্র ভাণ্ডার লক্ষ্য করে এ হামলা চালিয়েছে।

    সূত্রঃ বিবিসি

  • ৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

    ৩ এপ্রিল ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি

    ঈদের পর আগামী ৩ এপ্রিল সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রোববার নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) তিন এপ্রিলের ছুটি ঘোষণা সংক্রান্ত প্রস্তাব উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়।

    এতে এবার ঈদে ২৮ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৯ দিনের ছুটি পেলেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

    এবার আগেই ঈদে টানা পাঁচ দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা করে সরকার। ঈদের আগে-পরে মিলছে স্বাধীনতা দিবস, শবেকদর ও সাপ্তাহিক ছুটি। সবমিলিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ ও এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহ যাবে ছুটির মধ্যে।

    চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩১ মার্চ (সোমবার) বা ১ এপ্রিল (মঙ্গলবার) মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। তবে ৩১ মার্চ ঈদুল ফিতর ধরে ঈদের ছুটি নির্ধারণ করে রেখেছে সরকার। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ীও ৩১ মার্চ ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

    তবে ছুটি মূলত শুরু হচ্ছে ২৬ মার্চ (বুধবার) স্বাধীনতা দিবসের দিন। এরপর ২৭ মার্চ (বৃহস্পতিবার) একদিন অফিস খোলা। ২৮ মার্চ (শুক্রবার) শবেকদরের ছুটি। এবার ২৯ মার্চ (শনিবার) থেকে শুরু হচ্ছে ঈদুল ফিতরের ছুটি, টানা পাঁচ দিনের ছুটি (২৯, ৩০, ৩১ মার্চ এবং ১ ও ২ এপ্রিল) থাকার কথা ছিল ২ এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর মাঝখানে একদিন (৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার) অফিস খোলা রাখার কথা ছিল।

    এরপর আবার ৪ ও ৫ এপ্রিল (শুক্র ও শনিবার) দুদিনের সাপ্তাহিক ছুটি। সেই হিসাবে ২৬ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত ১১ দিনের মধ্যে মাত্র দুদিন অফিস খোলা ছিল। তবে ‘নির্ধারিত ছুটি বিধিমালা, ১৯৫৯’ অনুযায়ী, দুটি ছুটির মাঝখানে নৈমিত্তিক ছুটি নেওয়ার নিয়ম নেই। তাই মাঝখানের কর্মদিবসগুলোতে ছুটি নিয়ে কেউ চাইলেই টানা ছুটি নিতে পারবেন না। মাঝখানে ছুটি নিলে টানা ছুটি হয়ে যায়।

    এই পরিস্থিতিতে ২৮ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত টানা ৯ দিন ছুটির সুযোগ করে দিতে ৩ এপ্রিলও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে সরকার।

  • চৌদ্দগ্রামে ছাতিয়ানি গ্রামে জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

    চৌদ্দগ্রামে ছাতিয়ানি গ্রামে জামায়াতের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল

    চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ছাতিয়ানি গ্রামবাসির সম্মানে জামায়াত ইসলামী ছাতিয়ানি ইউনিটের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
    শুক্রবার (২১ মার্চ) বিকালে ছাতিয়ানি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামি উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি জয়নাল আবদীন পাটোয়ারী,
    মাওলানা মাহাবুব হক মোল্লা সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খিরনশাল ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যাপক মাওলানা আবু ইউছুপ,
    মুস্নিরহাট ইউনিয়ন ইসলামি ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি কপিল উদ্দিন মোল্লা, ছাতিয়ানি গ্রামের মাওলানা এরশাদ মিয়া, মাওলানা তাজুল ইসলাম

    মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সঞ্চালনায় এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জনতা ব্যাংকের আলকরা বাজার শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক ইসরাফিল হোসেন, ছাতিয়ানী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোঃ ইদ্রিসমিয়া, সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ মেশকাত হোসেন, ওমর ফারুক পন্ডিত, স্থানীয় ইউপি মেম্বার মোঃ মহিন উদ্দিন, সামছুল হক মোল্লা।

  • চৌদ্দগ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

    চৌদ্দগ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

    চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সহোদর দুই ভাইয়ের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সামাজিক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার, তাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করা ও প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার প্রতিবাদে এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে এলাকাবাসী।

    শনিবার (২২ মার্চ) বিকালে উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের জিনিদকরা কাদেরীয়া ইসলামিয়া মাদরাসা সংলগ্ন সড়কে এ উপলক্ষে আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সমাজসেবক শাহিন শিকদার, এয়াকুব আলী, এয়াছিন মিয়া, মো: রাকিব হোসেন, মাইন উদ্দীন, দুলাল মিয়া, আবুল হোসেন, আলমগীর হোসেন, মমিন মিয়া, জিয়াদ হোসেন, আছিয়া বেগম, জফুরা বেগম, মোমেনা বেগম প্রমুখ।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ আব্দুর রশিদ এর সাথে তার অপর দুই ভাই দুলাল মিয়া ও আবুল হোসেনের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিলো। সামাজিকভাবে বেশ কয়েকবার শালিস বৈঠকে বসে বিষয়টির নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়েছে। শালিসি সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে আব্দুর রশিদ অপর ভাইদের জায়গা জবরদখল করে ভোগ করছে। গত ১৯ মার্চ তিন ভাইয়ের চলমান বিরোধ মীমাংশার চেষ্টাকালে আব্দুর রশিদের নেতৃত্বে শালিসদার ও তার ভাইদের পরিবারের উপর হামলা করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করা আব্দুর রশিদ ও তার সহযোগিরা বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মিথ্যা অপপ্রচার করে সামাজিক গণ্যমান্য লোকজনের সম্মানহানী করার অপচেষ্টা করে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে। এ সময় তারা অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক সাজা নিশ্চিতের জোর দাবি জানিয়েছেন।

    অভিযুক্ত আব্দুর রশিদের প্রতিবেশী এয়াকুব আলী জানান, ১৯ মার্চ আব্দুর রশিদ ও তার ভাইয়েরা তাদের পৈতৃক পুরনো ও পরিত্যাক্ত বসতঘরটি ভেঙ্গে ফেলে। এর আগেও বিষয়টি নিয়ে একাধিক শালিস অনুষ্ঠিত হয়েছে। আব্দুর রশিদ শালিসের কোনো সিদ্ধান্তই মানতে রাজী নয়।

    ভুক্তভোগি বিধবা মোমেনা বেগম বলেন, আমি অন্যের বাড়ীতে কাজ করে খাই। আমার স্বামীর রেখে যাওয়া জমিতে ঘর করতে গেলে আব্দুর রশিদ বারবার বাধা দিচ্ছে। তার পরিবার আমাদের উপর বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে।

    অপর ভুক্তভোগি আছিয়া বেগম জানান, আব্দুর রশিদ আমাদের বসতবাড়ী নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। আমরা যাতে এ বাড়ী ছেড়ে চলে যাই সেজন্য আব্দুর রশিদ নিয়মিত আমাদের উপর অত্যাচার করছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার এর কথা অস্বীকার করে অভিযুক্ত আব্দুর রশিদ উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, মোমেনা বেগম আমার জমিতে এলাকার সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় ঘর নির্মাণের চেষ্টা করলে আমি বাধা প্রদান করি। আমার বিরুদ্ধে আনীত অন্যান্য অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

  • আ.লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম, ঢাকা অবরোধের হুঁশিয়ারি

    আ.লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম, ঢাকা অবরোধের হুঁশিয়ারি

    আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত না আসলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সারা দেশ থেকে ঢাকা অবরোধ করার ঘোষণা দিয়েছে জুলাই আন্দোলনে আহতদের সংগঠন ওয়ারিয়র্স অফ জুলাই।

    শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ মিছিল শেষে অবস্থান নেন ওয়ারিয়র্স অফ জুলাইয়ের নেতারা।

    এসময় তারা বলেন, আমাদের পঙ্গুত্বের থেকে বের করে সাধারণ জীবন ফিরিয়ে না দিয়ে, আমাদের শহিদদের জীবন ফিরিয়ে না দিয়ে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন এদেশে করতে দেওয়া হবে না।

    রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক করে এসময় তারা বলেন, সতর্ক হয়ে যান নইলে আর একটি জুলাই দেখতে হবে। শুধরে যান নইলে আপনাদের অবস্থাও আওয়ামী লীগের মতোই হবে।

    তারা আরও বলেন, আমরা বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে আন্দোলন করেছি আমাদের ভয় দেখবেন না। খুনি হাসিনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমারা রাজপথ ছাড়ব না। জুলাই আন্দোলন কেবল নির্বাচনের জন্য হয়নি। মানুষের বাকস্বাধীনতা এবং সমতা, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য হয়েছে। যা বাংলাদেশ স্বাধীনতার এত বছরেও পায়নি।

    আহতরা বলেন, বেঁচে থেকেও অর্ধমৃতের মতো জীবন যাপন করছি। দেশের প্রয়োজনে বাকি জীবনটুকু উৎসর্গ করতে প্রস্তুত। গণহত্যার অভিযোগে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলেও জানান।

    সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহিদ মিনারে অবস্থান নেন জুলাই যোদ্ধারা

  • ১৬ বছরে ভোট ও ২৩ বছরে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব রাখবে এনসিপি

    ১৬ বছরে ভোট ও ২৩ বছরে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব রাখবে এনসিপি

    ভোট দেওয়ার বয়স ১৬ ও নির্বাচনে প্রার্থীর বয়স ২৩ বছর করার প্রস্তাব জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে দেবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

    শনিবার (২২ মার্চ) সকালে রাজধানীর রূপায়ণ সেন্টারে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার।

    তিনি বলেন, ‘আগামীকাল (রোববার) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে সংস্কার সুপারিশমালা জমা দেওয়া হবে। সেখানে ভোট দেওয়ার বয়স ১৬ বছর এবং নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বয়স ২৩ বছর করার প্রস্তাব করবে এনসিপি।’

    গণ-অভ্যুত্থানের পর সংবিধান আর কার্যকর নেই উল্লেখ করে নতুন সংবিধান রচনা করার দাবি জানান জাতীয় নাগরিক পার্টির এই নেতা।

    সারোয়ার বলেন, ‘এনসিপি মনে করে আগামী নির্বাচন গণপরিষদ হওয়া উচিত। সংবিধান সংস্কার কাজ শেষ করে একটা নির্দিষ্ট সময় পর এই গণপরিষদই আইন সভায় রূপান্তরিত হবে।’

    উল্লেখ্য, বর্তমানে ভোটার হয়ে ভোট দিতে ১৮ বছর হতে হয় একজনকে। আর নির্বাচনে প্রার্থী হতে ২৫ বছর পূর্ণ হতে হয়। যা এবার কমিয়ে আনার প্রস্তাব রাখতে যাচ্ছে তরুণদের নিয়ে গড়া নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি।

  • সেনাপ্রধান বুকে পাথরচাপা দিয়ে ড. ইউনূসকে মেনে নিয়েছিলেন: আসিফ মাহমুদ

    সেনাপ্রধান বুকে পাথরচাপা দিয়ে ড. ইউনূসকে মেনে নিয়েছিলেন: আসিফ মাহমুদ

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান বুকে পাথরচাপা দিয়ে ড. ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করার সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন।

    জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর বৃহস্পতিবার রাতের একটি ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা আলোচনা। এর মধ্যেই শুক্রবার দুপুরে হাসনাত আব্দুল্লাহর ভেরিফায়েড আইডি থেকে আসিফ মাহমুদের একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। ওই ভিডিওতে আসিফ সেনাপ্রধানকে নিয়ে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।

    আসিফ বলেন, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের পক্ষ থেকে মূল ভেটোটা ছিল প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস কেন? ইউনূসের পরিবর্তে অন্য যেকোনো কেউ আসতে পারে। ইউনূসের নামে মামলা আছে, তিনি একজন কনভিক্টেড পারসন। একজন কনভিক্টেড পারসন কীভাবে একটা দেশের প্রধান উপদেষ্টা হতে পারেন।

    আসিফ মাহমুদদের সেনাপ্রধান বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ একটা লোককে একেবারেই দেখতে পারছে না এবং বাংলাদেশে তো আলটিমেটলি ৩০-৪০ শতাংশ লোক আওয়ামী লীগকে সাপোর্ট করে। এই ৩০-৪০ শতাংশ লোকের মতামতের বিরুদ্ধে গিয়ে একটা লোককে প্রধান উপদেষ্টা করা উচিৎ?

    আসিফ বলেন, সেনাপ্রধান সর্বশেষ আমাদেরকে বলেছিলেন বুকে পাথরচাপা দিয়ে আমি এ সিন্ধান্তটা মেনে নিয়েছি।

  • গাজায় ইসরাইলি হামলায় প্রাণ গেল আরও ৮৫ ফিলিস্তিনির

    গাজায় ইসরাইলি হামলায় প্রাণ গেল আরও ৮৫ ফিলিস্তিনির

    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি হামলায় প্রাণ গেছে আরও ৮৫ ফিলিস্তিনির। এ নিয়ে ইসরাইলি বর্বরতায় গত তিনদিনের প্রায় ৬০০ জন নিহত হলেন।  এছাড়া আহত হয়েছেন আরও শতাধিক।

    শুক্রবার (২১ মার্চ) পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা আনাদোলু এবং সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

    বৃহস্পতিবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি আগ্রাসনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ হাজার ৬১৭ জনে দাঁড়িয়েছে।

    মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৮৫ জন নিহত এবং আরও ১৩৩ জন আহত হয়েছেন।

    মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ১ লাখ ১২ হাজার ৯৫০ জন আহত হয়েছেন।

    এদিকে গত ৩ দিনে গাজায় নিহত হয়েছেন প্রায় ৬০০ ফিলিস্তিনি। আলজাজিরা বলছে, মঙ্গলবার গাজায় যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের পর থেকে ইসরাইলি হামলায় ৫৯০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে চিকিৎসা কর্তৃপক্ষ।

    এদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার রাফাহতে তাদের স্থল আক্রমণ চলছে এবং সৈন্যরা বেইত লাহিয়া শহর ও উত্তর দিকে কেন্দ্রীয় এলাকায় অগ্রসর হচ্ছে।

    অন্যদিকে তেল আবিবে রকেট হামলা চালিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস।  ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে নতুন করে হামলা চালানোর প্রতিশোধে বৃহস্পতিবার এই হামলা চালানোর দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।

    হামাসের সশস্ত্র শাখা ইজেদাইন আল-কাশেম ব্রিগেডস বলেছে, গাজার বেসামরিক নাগরিকদের ইসরাইলি ‘গণহত্যার’ প্রতিশোধে তারা তেল আবিবে রকেট নিক্ষেপ করেছে।

    ইসরালি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলেছে, গাজা থেকে ছোড়া একটি প্রোজাক্টাইল আটকে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অন্য দুটি প্রোজেক্টাইল জনবসতিহীন উন্মুক্ত একটি এলাকায় আঘাত হেনেছে। তবে এই হামলায় কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছে ইসরাইল।

  • যৌথবাহিনীর অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ ১ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক

    যৌথবাহিনীর অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ ১ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক

    পাবনার চাটমোহরে যৌথবাহিনীর বিশেষ অভিযানে দেশীয় অস্ত্র ও ছয় কেজি গাঁজাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।
    বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) বিকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘন্টা অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ীর বাসা থেকে দেশীয় অস্ত্র এবং ওই গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
    আটককৃত গাঁজা ব্যবসায়ী রুবিয়া খাতুন (৪৫) উপজেলার নিমাইছড়া ইউনিয়নের মির্জাপুর কলেজ পাড়ার মাদক ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলীর স্ত্রী। ইদ্রিস ওই গ্রামের মৃত ঈমান শেখের ছেলে ও একাধিক মাদক মামলার আসামি।

    স্থানীয় সূত্র জানাযায়,ইদ্রিস ও তার স্ত্রী  দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) বিকেলে ভাঙ্গুড়া সেনা ক্যাম্পের কমান্ডার ক্যাপ্টেন আল-আমিন খাঁনসহ চাটমোহর থানা পুলিশের সদস্যরা মাদক ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলীর বাড়িতে অভিযান চালায়।
    এ সময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে রুবিয়া খাতুন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করে সেনা সদস্যরা। প্রায় দুই ঘন্টা অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে রাখা মাটির নিচে পলিথিনে মুড়ানো ৬ কেজি মাদকদ্রব্য (গাঁজা) ও দেশীয় অস্ত্র দুটি চাপাতি, দুটি ছুরি উদ্ধার করে সেনাবাহিনী।
    পরে চাটমোহর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে চাটমোহর থানায় হস্তান্তর করা হয়। অপরদিকে ইদ্রিস আলী আগে থেকেই পালিয়ে গেলে তাকে আটক করা যায়নি।

    এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া সেনা ক্যাম্পের দায়িত্ব প্রাপ্ত কমান্ডার ক্যাপ্টেন আল-আমিন খাঁন বলেন, প্রায় দুই ঘন্টা অভিযান পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করতে সক্ষম হয়েছি।
    পরে চাটমোহর থানা পুলিশের কাছে মাদক ব্যবসায়ী কে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ ব্যাপারে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঞ্জুরুল আলম জানান, তিনি নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আসামিকে থানায় নিয়ে আসেন। গ্রেপ্তারকৃত রুবিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে।
    রুবিয়া এলাকায় মাদক সম্রাজ্ঞী হিসেবে পরিচিত। গাঁজা ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় চাটমোহর থানায় মাদক ও অস্ত্র আইনে পৃথক দুটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। শুক্রবার গ্রেপ্তারকৃত রুবিয়া খাতুনকে পাবনা জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।

  • তারেক রহমানের দেশে ফিরেতে আর কোনো বাধা নেই

    তারেক রহমানের দেশে ফিরেতে আর কোনো বাধা নেই

    বিচারিক আদালতে সব মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে থাকা সর্বশেষ মামলা ‘হত্যা মামলা থেকে দায়মুক্তির উদ্দেশ্যে ঘুস লেনদেন’ এর অভিযোগ থেকে তারেক রহমানসহ আটজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন বিচারিক আদালত।

    বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মুহা. আবু তাহের এই রায় ঘোষণা করেন।

    এর ফলে বিচারিক আদালতে তারেক রহমানের আর কোনো মামলা নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির আইনজীবীরা।

    এই মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির হত্যা মামলার আসামি সাফিয়াত সোবাহান সানভীরকে দায়মুক্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে ২১ কোটি টাকা ঘুস নেওয়া হয়। এক-এগারোর সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বাদী হয়ে মামলাটি করেছিল। ২০০৮ সালের ১৪ জুলাই তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করেছিলেন।

    বিএনপির আইনজীবী বোরহান উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, আসামিদের বিপক্ষে কোনো স্বাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি দুদক। এখন কোনো মামলা না থাকার কারণে তারেক রহমানের দেশে ফিরে রাজনীতি করতে আর কোনো বাধা নেই।

    গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারেক রহমান আইনি প্রক্রিয়ায় তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো থেকে খালাস পেয়েছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন ও তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়া রাষ্ট্রের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পান গত ৬ আগস্ট। গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন মামলায় তাদের সাজা হয়েছিল।

    হাসিনা সরকারের পতনের পর বিএনপি নেতাকর্মীদের আগ্রহ, যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত তারেক রহমান দেশে ফিরছেন কবে সে বিষয়ে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম তার ফেরার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ের কথাও বলেছিল। তবে বিএনপির শীর্ষ নেতারা আইনি বাধা কাটানোর কথা জানিয়েছিল।

    যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য, কেবল আইনি বাধা নয়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরার সঙ্গে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি ও তার নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িত।

  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

    সাক্ষাৎকালে সেনাপ্রধান দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সেনাবাহিনীর চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। পাশাপাশি, দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য সেনাবাহিনী কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করেন।

    আলোচনাকালে, সেনাপ্রধান তার সাম্প্রতিক সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফরের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন। এই সফরটি দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়ন ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে সেনাপ্রধান আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    এছাড়া সদ্য সমাপ্ত বিবিধ বঞ্চিত সেনা কর্মকর্তাদের সুবিচার নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত উচ্চপদস্থ পর্ষদের মূল্যায়ন ও সুপারিশ এবং বিবিধ কারণে চাকরিচ্যুত জেসিও ও অন্যান্য পদবির সেনা সদস্যদের চলমান উচ্চপদস্থ পর্ষদের অগ্রগতির বিষয়ে সেনাপ্রধান প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।

    পরিশেষে, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতার চিকিৎসায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কেও তাকে অবহিত করা হয়।

    প্রধান উপদেষ্টা সেনাবাহিনীর ভূমিকা ও অবদানের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে সেনাবাহিনীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী তাদের পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখবে।