Blog

  • ‘নারীর প্রতি হেনস্তার পেছনে উগ্র গোষ্ঠীর মদদ থাকতে পারে’

    ‘নারীর প্রতি হেনস্তার পেছনে উগ্র গোষ্ঠীর মদদ থাকতে পারে’

    ‘বহির্বিশ্বে বাংলাদেশকে অতি রক্ষণশীল দেশ হিসাবে পরিচিত করতে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে দেশব্যাপী নারী হেনস্তার ঘটনা ঘটতে পারে’ বলে আশঙ্কা করছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    রিজভী বলেন, ‘দেশজুড়ে নারীর প্রতি হেনস্তার পেছনে উগ্র গোষ্ঠীর মদদ থাকতে পারে। বাংলাদেশকে অতি রক্ষণশীল বানানোই তাদের লক্ষ্য।’

    শনিবার (৮ মার্চ) সকালে নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা দলের র‍্যালী পূর্ব বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    তিনি বলেন, একটি জংলী সরকার ক্ষমতায় থাকলে সমাজের মধ্যে জঙ্গলের রাজত্ব কায়েম থাকে, শেখ হাসিনা সেই ভয়ংকর আদিম অরণ্যের রাজত্ব কায়েম করেছিলো। কিন্তু বর্তমানে রক্তক্ষয়ী এক মহাবিপ্লবের মধ্য দিয়ে জুলাই-আগস্টের বিপ্লব সম্পন্ন হয়েছে। এখন কেন সমাজের মধ্যে অস্থিরতা থাকবে?

    রুহুল কবির রিজভী বলেন, এখন একটি অস্থিরতা বের হয়েছে, মব কালচার। মব কালচার তৈরি হলো কেন? অন্তর্বর্তী সরকার ত সকল গণতন্ত্রকামীর সমর্থীত সরকার। মব কালচারে আজ সমাজের মতো কত যে নির্যাতন, নিপীড়ন হচ্ছে, তার কোন ইয়ত্তা নাই। কত নারী এবং শিশু নিপীড়িত হচ্ছে এর পরিসংখ্যান যা আসে তা অল্প। মহিলা পরিষদ তার মাসিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, জানুয়ারি মাসেই কন্যা নির্যাতিত হয়েছেন ৮৫ জন, নারী মির্যাতিত হয়েছেন ১২০ জন। এর কধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৬৭ জন, হত্যাকান্ডে শিকার হয়েছেন ১৪ জন। এটা ভয়ংকর পরিস্থিতি।

    পুরুষ এবং মেয়ে আমরা হলাম মানব সম্প্রদায় উল্লেখ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, যিনি প্রথম ইসলামে দীক্ষিত হয়েছেন তিনি ত একজন মহিলা। তাহলে নিজেকে কেমন করে চলতে হবে, সন্তানকে কেমন করে মানুষ করতে হবে, এই প্রতিষ্ঠানটা হচ্ছেন মা, আর মা ত একজন নারী। শিক্ষকদের সম্মান, বড়দের সম্মান এটা কে শেখায় প্রথমে? সেটা শেখায় মা। তাই নারী কিভাবে চলতে হবে সেটা পুরুষরা যদি প্রতিদিন বলে দেই তাহলে ত যে আমার মা, আমার বোন, আমার স্ত্রী তাহলে ত আমি তার স্বাধীনরায়, তার চলাফেরায়, তার চিন্তায় হস্তক্ষেপ করছি। সে কিভাবে চলবে সে স্বাধীনরা তাকে দিতে হবে। তাতে বাধা দেয়ার অধিকার কারও নাই।

    তিনি বলেন, কোন উগ্রগোষ্ঠী যাতে নারীদের কে শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে না পারে সে প্রচেষ্টাও আমাদের থাকবে। কারণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করেছে, সংবিধানে আল্লাহর নাম স্থাপন করেছে, নারী শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছে, সেই দল রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে নারীদের উন্নয়নে এবং অগ্রগতিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখবে।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস ও সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ সহ দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

  • অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স ও জেসিআই ঢাকা ইউনাইটেডের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

    অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স ও জেসিআই ঢাকা ইউনাইটেডের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

    নীতি নির্ধারণে তরুণদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স ও জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) ঢাকা ইউনাইটেডের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    শুক্রবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে ক্লাব জেসিআইয়ের কনফারেন্স হলে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহেল এবং জেসিআই ঢাকা ইউনাইটেডের লোকাল প্রেসিডেন্ট ফাহমিদুর রহমান অনি নিজ নিজ সংগঠনের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

    এ সময় জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম তানভীর সাদ আকাশ, জেসিআই ঢাকা ইউনাইটেডের ইমিডিয়েট লোকাল পাস্ট প্রেসিডেন্ট ও ন্যাশনাল ভাইস প্রেসিডেন্ট কামরুজ্জামান পাভেল, জেসিআই ঢাকা ইউনাইটেডের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. এনাম, সেক্রেটারি জেনারেল রবিউল ইসলাম রবি, অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অর্থ সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের সময়ের হেড অব অনলাইন মঈন বকুল, অফিস সম্পাদক ও দীপ্ত টেলিভিশনের হেড অব অনলাইন মাসউদ বিন আব্দুর রাজ্জাকসহ উভয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    চুক্তির আওতায় দুই সংগঠন যৌথভাবে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণে তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষা-ইচ্ছা তুলে ধরতে গোলটেবিল বৈঠক ও সেমিনারের আয়োজন করবে।

    জেসিআই ঢাকা ইউনাইটেডের প্রেসিডেন্ট ফাহমিদুর রহমান অনি বলেন, ‘‘নীতি নির্ধারণে তরুণদের ভূমিকা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এই চুক্তির মাধ্যমে আমরা আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবো।’’

    অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহেল বলেন, ‘‘তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ ও তাদের ভাবনা-চিন্তা তুলে ধরতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য। এ চুক্তির মাধ্যমে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা আরও দৃঢ় হবে।’’

    আয়োজকরা জানান, আগামী দিনে যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা তরুণদের নেতৃত্বদানের সক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

  • ছাত্রশিবিরের টাকার উৎস নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন জবি সেক্রেটারি

    ছাত্রশিবিরের টাকার উৎস নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন জবি সেক্রেটারি

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের এত টাকা কোথা থেকে আসে, এমন প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন।

    শুক্রবার বিকাল ৩টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদকের এই মন্তব্যের পর সন্ধ্যায় শিবিরের টাকার উৎস সম্পর্কে জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. রিয়াজুল ইসলাম। তিনি তার ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে লেখেন, আমাদের আয়ের উৎস গুলো আমাদের সংবিধানে সুস্পষ্ট করে বলা আছে।

    তিনি বলেছেন, শিবির কর্মীরা তাদের টিউশন করা জমানো টাকা ছাত্রকল্যাণ ফান্ডে দান করে। আমাদের মায়েরা তাদের গলার হার আমাদের বিশ্বাস করে দিয়ে দেয়।

    তিনি তার পোস্টে লেখেন, অর্থ-ব্যবস্থা/বায়তুলমাল ধারা-৩৬ : সংগঠনের প্রত্যেক স্তরে বায়তুলমাল থাকবে। কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দান, সংগঠন-প্রকাশনীর মুনাফা এবং শরিয়ত অনুমোদিত অন্যান্য খাতসমূহ থেকে প্রাপ্ত অর্থই হবে বায়তুলমালের আয়ের উৎস। আমাদের কর্মীরা তাদের টিউশন করা জমানো টাকা ছাত্রকল্যাণ ফান্ডে দান করে। আমাদের মায়েরা তাদের গলার হার আমাদের বিশ্বাস করে দিয়ে দেয়। আমাদের বোনেরা রান্নার মুষ্টি চাল জমা করে আমাদের দিয়ে দেয়।

    তিনি সেই পোস্টে আরও লিখেন, আমাদের ভাইয়েরা তাদের বেতনের কষ্ট করা টাকা কোনো প্রকার চিন্তা ভাবনা ছাড়াই আমাদের দিয়ে দেয়। আমাদের সকল সাবেক ভাইয়েরা আমাদের টাকা দেয়, বিপদের দিনে আমাদের আশ্রয় দেয়। আমাদের কোনো ব্যক্তিগত আয় নেই কোনো ব্যক্তিগত ব্যয় নেই। আমাদের যা আয় যা ব্যয় সব সংগঠনের জন্য নিবেদিত। যারা আমাদের নিয়ে প্রশ্ন করেন তাদের অনুরোধ করবো বুকে হাত রেখে আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলেন আপনার দলের টাকা কোথা থেকে আসে?

    এর আগে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারিকে বলতে শুনেছি তারা প্রতিদিন গণ-ইফতার কর্মসূচিতে তিন লাখ টাকা ব্যয় করছেন। আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে, তারা এত টাকা কীভাবে উপার্জন করছেন। তাদের আয়ের উৎস কী? একটি সাধারণ ছাত্র সংগঠন মাসে ৯০ লাখ টাকা কোথায় পাচ্ছে, এই তথ্য আমরা গণমাধ্যমের মাধ্যমে শিবিরের কাছে জানতে চাই।

  • গাজায় ফের যুদ্ধের জন্য আইডিএফকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ নেতানিয়াহুর

    গাজায় ফের যুদ্ধের জন্য আইডিএফকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ নেতানিয়াহুর

    ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক দল আইডিএফকে গাজায় ‘তাৎক্ষণিক’ যুদ্ধে ফিরে আসার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম কান নিউজ শুক্রবার (৭ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

    এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে জেরুজালেম পোস্টের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি কর্মকর্তারা অনুমান করছেন, যদি ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময়ের কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে ইসরাইল প্রায় দেড় সপ্তাহের মধ্যে গাজায় যুদ্ধ শুরু করতে পারে।

    এক কর্মকর্তা বলেছেন, হামাস ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক দূত উইটকফের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছে, তাই অগ্রগতি করা খুবই কঠিন।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মতে, উইটকফের পরিকল্পনায় রয়েছে জীবিত জিম্মিদের অর্ধেক মুক্তি এবং অব্যাহত চুক্তির প্রথম দিনে অর্ধেক মৃতদেহ ফেরত পাঠানো। বাকি জিম্মি এবং মৃতদেহ ৪২তম দিনে ফেরত পাঠানো হবে, যা যুদ্ধবিরতির শেষ দিন হবে।

    তবে কেউ কেউ দাবি করেছেন, হামাস উইটকফের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেনি।  আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, হামাস উইটকফের প্রস্তাব গ্রহণও করেনি বা প্রত্যাখ্যানও করেনি।

  • এনায়েতপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

    এনায়েতপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

    আব্দুল আওয়াল, এনায়েতপুর (সিরাজগঞ্জ):

    সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে মাহে রমযান এর তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এনায়েতপুর হাটখোলা জামে মসজিদে এনায়েতপুর থানা জামায়াতে ইসলামীর ব্রাহ্মণগ্রাম ওয়ার্ড এর উদ্যোগে এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এতে আলোচনা পেশ করেন শাহজাদপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মিজানুর রহমান, এনায়েতপুর থানা জামায়াতে ইসলামীর আমীর চিকিৎসক মাওলানা সেলিম রেজা, এনায়েতপুর থানা জামায়াতে সেক্রেটারি ব্যবসায়ী নেতা মো: মোফাজ্জল হোসেন, এনায়েতপুর থানা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি শ্রমিক নেতা শেখ মো: আইয়ুব আলী, সাংগঠনিক সদর ইউনিয়নের আমীর সহকারী অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল হক প্রমূখ।

    আলোচকগণ বলেন, রহমত, বরকত মাগফিরাত এর বার্তা নিয়ে এসেছে মাহে রমযান। এই রমযান হলো কুরআন নাজিলের মাস। এ মাসে বেশি বেশি কুরআন অধ্যয়ন করতে হবে। তাকওয়া অর্জনের বড় সুযোগ পাওয়া যায় রমযানে। কুরআনের শিক্ষা নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে। কুরআনের আলোকে সমাজ বিনির্মানে প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

  • নির্বাচন প্রশ্নে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি ত্রিমুখী দ্বন্দ্ব

    নির্বাচন প্রশ্নে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি ত্রিমুখী দ্বন্দ্ব

    রাজনীতিতে অনেকটা হঠাৎ করেই গণপরিষদের আলোচনা। এর আগেও গণপরিষদ নির্বাচন নিয়ে কেউ কেউ কথা বলেছেন। তবে সেটা রাজনীতিতে সেভাবে গুরুত্ব পায়নি। তবে এখন বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। কারণ আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের দিনে ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি তুলে ধরেছে।অন্য রাজনৈতিক দলগুলোও এর পক্ষে-বিপক্ষে নানা বক্তব্য দিয়েছে।

    এই গণপরিষদ নির্বাচন নতুন সংবিধান প্রণয়নের জন্য প্রয়োজন এরকম কথা বলা হচ্ছে এনসিপির পক্ষ থেকে।

    যখন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়, তখন আন্দোলনে থাকা সবগুলো দলের মধ্যে একধরনের ঐক্য স্পষ্ট হয়েছিল। কিন্তু এরপর সময় যত গড়িয়েছে, দলগুলোও তাদের নিজস্ব রাজনীতি আর কৌশল নিয়ে হাজির হয়েছে।

    বিএনপি শুরু থেকেই দ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা বলে আসছে। জামায়াতে ইসলামী চাইছে, সংস্কার শেষে ‘যৌক্তিক সময়ের’ মধ্যে নির্বাচন। অন্যান্য দলগুলোও কমবেশি এর মধ্যেই ঘুরপাক খেয়েছে।

    তবে ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি বলছে, গণপরিষদ নির্বাচনের কথা। যেটাকে বিএনপি দেখছে নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্র হিসেবে। দলটির স্থীয় কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ঢাকায় সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে গণপরিষদের দাবির সমালোচনা করেন।

    তিনি বলেছেন, যারা গণপরিষদ নির্বাচনের বিষয়টি সামনে আনছে, হয় তারা বোঝে না অথবা বুঝেও আমাদের এই রাষ্ট্রব্যবস্থাকে আরো দীর্ঘায়িত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র আছে।

    কিন্তু গণপরিষদ নির্বাচন হলে কি জাতীয় সংসদ নির্বাচন পেছাতে হবে? এমন প্রশ্ন যখন উঠছে কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের মধ্যে তখন নির্বাচন কমিশন বলছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে গেলে জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে যাবে।

    নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘আমরা যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে করি তাহলে জাতীয় সরকার নির্বাচন অনেক পিছিয়ে যাবে। তখন প্রধান উপদেষ্টার তরফ থেকে ডিসেম্বর এবং পরের বছরের জুন নাগাদ যে একটা কথা বলা হয়েছে, সেটি রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

    ফলে এমন বক্তব্যের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে জাতীয় সংসদ, গণপরিষদ কিংবা স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে শেষপর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত আসে।

    বিএনপি ইতোমধ্যেই সেকেন্ড রিপাবলিক, নতুন সংবিধান কিংবা গণপরিষদের দাবির বিরোধিতা করেছে। দলটি মনে করছে, এর ফলে নির্বাচন পিছিয়ে যাবে।

    দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে বলেন, যে কেউ যে কোনো কথা বলতেই পারে। কিন্তু সেটা পূরণের জন্য অবশ্যই জনগনের ম্যান্ডেট লাগবে।

    তিনি বলছেন, এখানে ইলেকশন পেছানোর তো কোনো সুযোগ নাই। অলরেডি ডিসেম্বর ইজ টু লেইট। একেকদিন গণতন্ত্রহীন অবস্থার মধ্য দিয়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ দীর্ঘায়িত হচ্ছে। এরকম একটা অবস্থা তো একদিনও থাকার প্রয়োজন নেই। আমাদের অনেকের অনেক চাহিদা থাকতে পারে। সে চাহিদা পূরণের সময় তো এটা না।

    আমীর খসরু বলেন, সে চাহিদা পূরণ করতে হলে আপনাকে জনগনের কাছে যেতে হবে। জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে সংসদে আসতে হবে। সংসদের কাজই হচ্ছে, আইন প্রণয়ন থেকে শুরু করে সংবিধান সংশোধন। এটার জন্য নতুন কিছু আবিস্কার করার প্রয়োজন নেই তো।

    নির্বাচন পেছানোর ইচ্ছা নেই, দাবি এনসিপির

    ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রথমে যে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়, সেটা ছিলো সংস্কারকে ঘিরে। সংস্কার আগে নাকি নির্বাচন আগে -এমন প্রশ্নের মধ্যে দ্রুত নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক চাপ তৈরি করে বিএনপি।

    সরকার অবশ্য ইতোমধ্যেই আগামী ডিসেম্বরকে ধরে নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সীমার কথা জানিয়েছে।

    এরমধ্যেই জাতীয় নাগরিক পার্টির গণপরিষদ নির্বাচনের দাবিকে ঘিরে রাজনীতিতে আবারও আলোচনা। কিন্তু গণপরিষদ নির্বাচন এবং এর মাধ্যমে নতুন সংবিধান তৈরির মতো সময়সাপেক্ষ দাবি তুলে ধরে ছাত্রদের দল এনসিপি কি আসলে নির্বাচন পেছাতে চায়? এমন প্রশ্নে এনসিপির জ্যেষ্ঠ্য যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল আসলাম আদিব অবশ্য তা নাকচ করে দেন।

    তিনি বলছেন, গণপরিষদ নির্বাচন চেয়ে আমরা আসলে জাতীয় নির্বাচন পেছাতে চেয়েছি, এমন ধারণা সঠিক নয়। আমাদের দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ইতোমধ্যেই বলেছেন যে, গণপরিষদ নির্বাচন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচন একসঙ্গে হতে পারে। এটার জন্য কোনো নির্বাচনই পেছাতে হবে না। সরকার প্রস্তুতি নিলে দুটি নির্বাচনই একসঙ্গে ডিসেম্বরে বা জুন মাসে সরকার যখন চাইবে সেটা সম্ভব।

    তিনি এ-ও বলেন, এটা একসঙ্গে আমরা একারণে চাই, যেন নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংবিধান পরিবর্তন এবং নতুন সংবিধান করার ম্যান্ডেট পান, একইসঙ্গে তারা পাঁচবছর ক্ষমতায় থাকার ম্যান্ডেটও পান।

    নির্বাচন পেছানোর সন্দেহ কেন তৈরি হচ্ছে?

    জাতীয় নাগরিক পার্টি বলছে, গণপরিষদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন পেছানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু এরপরও যে নির্বাচন পেছানো নিয়ে সংশয়-সন্দেহ, তার কারণ রাজনীতিতে শুধু জাতীয় নির্বাচন নয় বরং স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও জোরালো আলোচনা দেখা যাচ্ছে। যেখানে জাতীয় নাগরিক পার্টি তো বটেই এমনকি জামায়াতের পক্ষ থেকেও জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের কথা বলা হচ্ছে।

    জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বিবিসি বাংলাকে বলেন, তার দল মনে করে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে হওয়া দরকার।

    কিন্তু কেন-এই প্রশ্নে জামায়াত নেতা অধ্যাপক পরওয়ার বলেন, এখানে দুটো কারণ আছে। প্রথমটা হচ্ছে, এখন কোনো সিটি করপোরেশনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নেই, পৌরসভায় নেই, উপজেলায় নেই। নিচের স্তরগুলোও নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে। উন্নয়ন হচ্ছে না, মানুষ জনদুর্ভোগের প্রতিকারে তো জনপ্রতিনিধিকে পাচ্ছে না। ফলে স্থানীয় নির্বাচনটি দ্রুত দরকার।

    তিনি বলছেন, আর দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনেই যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনটা হয়ে যায়, তাহলে সেটা নিরপেক্ষ হবে বলেই আমরা আশা করি। তা না হলে যে কোনো রাজনৈতিক দলের অধীনেই নির্বাচন হোক না কেন, তারা সেটা কব্জা করে নিতে চাইবে। যে নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য পনের/ষোল বছর আমরা অপেক্ষা করেছি, এখন দুই মাস আগে হলো না পারে সেটা গুরুত্বপূর্ণ না। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, ইলেকশনটা সুষ্ঠু হচ্ছে কি-না। এই কারণেই আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনটা আগে চাই।

    তবে বিএনপি আবার এর বিপক্ষে। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে বলেন, স্থানীয় নির্বাচন করতে গেলেই জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে যাবে।

    তিনি বলছেন, এই সরকারের ম্যান্ডেটের মধ্যে তো স্থানীয় সরকার নির্বাচন নাই। তারা করবে জাতীয় নির্বাচন। তারা যদি স্থানীয় নির্বাচনই করতে চায়, তাহলে শুধু স্থানীয় কেন, ট্রেড বডিগুলোর নির্বাচনও তারা করুক, মসজিদ কমিটির নির্বাচন করুক, আরও যতো কমিটি আছে সবগুলোর নির্বাচন করে তারপর জাতীয় নির্বাচন দিক!

    এছাড়া নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই স্থানীয় নির্বাচন করে ফেলা ভালো- এমন ধারণাও নাকচ করছেন বিএনপি এই নেতা।

    তার ভাষ্য, যদি মনে করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ভালো নির্বাচন হবে। তাহলে প্রতিবার যখন স্থানীয় সরকার ইলেকশনের সময় হবে, তখন কি নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে আবার একটা ইন্টেরিম সরকার এনে তারপর নির্বাচন করবেন?

    জাতীয় নাগরিক কমিটিও চায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে হোক। তবে দলটির জ্যেষ্ঠ্য যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল আসলাম আদিব বলেন, যদি সারাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্ভব নাও হয়, তাহলে প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সংখ্যক জেলা-উপজেলায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন হতে পারে। এটা দরকার। কারণ প্রশাসনের প্রস্তুতি এবং সক্ষমতাও তখন আমরা যাচাই করতে পারবো।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন সময়সাপেক্ষ। পাঁচ থেকে ছয় ধাপে এই নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ। সেক্ষেত্রে আগামী ডিসেম্বর বা জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন করতে হলে এবং এর আগেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলে তার তফসিল ঘোষণা করতে হবে এখনই। যদিও নির্বাচন কমিশন বলছে, স্থানীয় নির্বাচনের ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে কোন তথ্য তাদের কাছে আসেনি।

    নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, যদি আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যেতে চাই, তাহলে সরকারের প্রস্তুতিটাও লাগবে। একইসঙ্গে লাগবে রাজনৈতিক ঐকমত্য। সবকিছু মিলে যদি বিষয়টি একবিন্দুতে আসে, তখনই কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিকে যাবে।

    তার মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ধাপে ধাপে করতে হয়। সেটা করতে গেলে অন্তত: একবছর সময় দরকার হবে। আমরা যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে করি তাহলে জাতীয় নির্বাচন অনেক পিছিয়ে যাবে। তখন প্রধান উপদেষ্টার তরফ থেকে ডিসেম্বর এবং পরের বছরের জুন নাগাদ যে একটা কথা বলা হয়েছে, সেটি রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

    তবে জাতীয় নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যে হতে পারে প্রধান উপদেষ্টার এমন বক্তব্যকে সম্ভাব্য সময় হিসেবে ধরে নিয়ে নিজেদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে নির্বাচন কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ভোটার তালিকা প্রণয়নের জন্য আমাদের একটা মিনিমাম সময় প্রয়োজন। সেটা আমরা জুনের মধ্যে করে ফেলবো। এরমধ্যে আসন বিন্যাস হবে, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের বিষয়টি চূড়ান্তু হবে, নির্বাচন সামগ্রীর কেনাকাটা হবে। একপর্যায়ে সব যখন হয়ে যাবে, তখন আমরা তফসিল ঘোষণার দিকে যাবো। এখানে ডিসেম্বরটাই আমাদের টার্গেট।

  • মাটি কাটায় বাধা দেয়ায় সমন্বয়ক রাফির হামলায় ছাত্রদল নেতার মাথায় ৯ সেলাই

    মাটি কাটায় বাধা দেয়ায় সমন্বয়ক রাফির হামলায় ছাত্রদল নেতার মাথায় ৯ সেলাই

    চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লার) প্রতিনিধি:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাটি কাটায় বাধা দেয়ায় সমন্বয়ক শাহাদাত তানভির রাফি ও তাঁর সহযোগীদের হামলায় ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান অনি আহত হয়েছে। বুধবার রাত আনুমানিক বারটার সময় উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের আমানগন্ডা(সালুকিয়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অনি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও ওই গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে।

    ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান অনি অভিযোগ করেন, কুমিল্লা জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সদস্য সচিব শাহাদাত তানভির রাফি, মাদক ব্যবসায়ী গোলাম রসুল, মোঃ ওয়াসিম নেতৃত্বে ভারত সীমান্ত এলাকায় প্রতিরাতেই ভেকু দিয়ে মাটি কাটা চলছে। বুধবার রাতে সাইদুর রহমানের মালিকানাধীন ফসলি জমির পাশে গভীরভাবে মাটি কাটার কারণে জমির ক্ষতি হয়। রাত আনুমানিক বারটার সময় সাইদুর রহমানের ছেলে ছাত্রদল নেতা অনি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি কাটতে বাধা দেয়। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে সমন্বয় পরিচয় দেয়া শাহাদাত তানভীর রাফি, তাঁর পিতা বাবুল রহমান ছাত্রদল নেতা অনির উপর হামলা চালায়। তার চিৎকার শুনে আশ-পাশের লোকজন এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ছাত্রদল নেতা অনিকে উদ্ধার শেষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। তাঁর মাথায় নয়টি সেলাই করা হয়েছে।

    স্থানীয় কয়েকজন অভিযোগ করেন, শাহাদাত তানভির রাফি গত ৫ আগস্টের আগে ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে পরিচয় দিতো। বর্তমানে সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে আমানগন্ডা সালুকিয়া এলাকায় ভারত সীমানায় ভেকু দিয়ে মাটি কেটে সাবাড় করে ফেলছে। যে কেউ দেখলে এটা পাহাড়ি এলাকা না বলে ‘পুকুর’ বলবে। এবিষয়ে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রশাসন, বন ও কৃষি বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। এছাড়া সমন্বয়ক রাফির বিরুদ্ধে এলাকায় স্বৈরাচারের দোসরদের পূনবার্সন করার অভিযোগ উঠেছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে সমন্বয়ক শাহাদাত তানভির রাফি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘পারিবারিক বিরোধ নিয়ে ঘটনা ঘটেছে’।
    চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’।

  • আগামী ডিসেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে নির্বাচন : বিবিসিকে ড. ইউনূস

    আগামী ডিসেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে নির্বাচন : বিবিসিকে ড. ইউনূস

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা জানিয়েছেন।  বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যমটি।

    তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নেবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত দলটিকেই নিতে হবে। এ ছাড়া নির্বাচনে কারা অংশগ্রহণ করবে, তা নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেয় বলেও জানিয়েছেন নোবেলজয়ী এ অর্থনীতিবিদ।

    ছাত্র-জনতার তীব্র গণআন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর নতুন সরকারের দায়িত্ব নিতে বলা হলে তিনি চমকে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন ড. ইউনূস।

    তিনি বলেন, আমার কোনো ধারণাই ছিল না যে, আমি সরকারের নেতৃত্ব দেব। আমি এর আগে কখনো সরকারি কর্মযজ্ঞ পরিচালনা করিনি এবং এরপরও পরিস্থিতি বুঝে ঠিকভাবে কাজ করতে হয়েছিল।

    নোবেল পুরস্কার বিজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, একবার এটি স্থির হয়ে গেলে আমরা অন্যান্য কিছু জিনিস সংগঠিত করতে শুরু করি। যার মধ্যে— আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করা এবং অর্থনীতি ঠিক করা দেশের জন্য অগ্রাধিকার ছিল।

    শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকে তিনি সেদেশেই রয়েছেন। নাটকীয় এই পটপরিবর্তনের পর একে একে বের হয়ে আসছে সাবেক স্বৈরাচারী সরকারের গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ভয়াবহ নানা চিত্র। হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে, দাবি উঠেছে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারেরও।

    অধ্যাপক ইউনূস ঢাকায় তার সরকারি বাসভবনে বিবিসিকে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে বলেন, তাদের (আওয়ামী লীগকে) সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা এটা (নির্বাচন) করতে চায় কিনা, আমি তাদের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। নির্বাচনে কারা অংশগ্রহণ করবে তা নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়।

    তিনি বলেন, শান্তি ও শৃঙ্খলা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস এবং এরপর অর্থনীতি। (সাবেক সরকারের রেখে যাওয়া) এটি এক ছিন্নভিন্ন অর্থনীতি, বিধ্বস্ত অর্থনীতি। এটা এমন কিছু যেন ১৬ বছর ধরে কিছু ভয়ানক টর্নেডো হয়েছে এবং আমরা এখন টুকরোগুলো তুলে নেওয়ার চেষ্টা করছি।

    অধ্যাপক ইউনূস বলেন, তিনি ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করবেন। তার সরকার কত দ্রুত সংস্কার করতে পারে তার ওপর নির্বাচনের এই সময়সীমা নির্ভর করছে। কারণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এসব সংস্কারকে প্রয়োজনীয় বলে মনে করেন তিনি।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যদি আমাদের ইচ্ছামতো দ্রুত সংস্কার করা যায়, তাহলে ডিসেম্বরে আমরা নির্বাচন করতে পারব। আর যদি সংস্কারের পরিমাণ বেশি হয়ে থাকে, তাহলে আমাদের আরও কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

    গত গ্রীষ্মে বাংলাদেশকে ঘিরে থাকা সহিংস বিক্ষোভের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খলা থেকে এসেছি। (এমন বিশৃঙ্খলা যেখানে) মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল।

  • অরক্ষিত চৌদ্দগ্রাম বাজার, নেই বাজার কমিটি  প্রতিনিয়ত ঘটছে চুরির ঘটনা

    অরক্ষিত চৌদ্দগ্রাম বাজার, নেই বাজার কমিটি প্রতিনিয়ত ঘটছে চুরির ঘটনা

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লার) প্রতিনিধি:

    দেশের লাইফ লাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত চৌদ্দগ্রাম বাজার। প্রতিদিন লেনদেন হয় কোটি কোটি টাকা। রয়েছে প্রায় সব’কটি ব্যাংকের বানিজ্যিক শাখা। গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলার প্রাণকেন্দ্র বলা হয় এই বাজারকে। রয়েছে বার’শ এর অধিক ট্রেড লাইসেন্সধারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এই বাজার থেকে সরকারী রাজস্বখাতে জমা জয় বিপুল টাকা। জুলাই বিপ্লবের পরে পালিয়ে যায় বাজার পরিচালনা কমিটি। তারপর থেকে বাজারে নেই নৈশপ্রহরী। প্রায়ই ঘটছে চুরির ঘটনা। ক্রেতা বিক্রেতা, দোকানি দোকানি জড়াচ্ছেন মারামারিতে। বাজার পরিচালনা কমিটি না থাকায় দিনের পর দিন বাড়ছে বিশৃঙ্খলা।

    সরজমিন বুধবার(৫ই মার্চ) বাজার ঘুরে দেখা যায়, আশু শাহ ফকির সড়কে বাজারে প্রবেশ করার একমাত্র পথটি দোকানীরা সামনের অংশ ভাড়া দিয়ে প্রায় বন্ধ করে ফেলেছেন। একজন ত্রেতা বাজার সদাই করে মুল সড়কে উঠতে অনেক বেগ পেতে হয়।
    রামরয়গ্রাম মাছ ক্রয় করে আফজাল হক বলেন, রমজানে খুব কষ্ট করে ভিড় ঠেলে বাজারে প্রবেশ করেছি; দুই কেজি মাছ ক্রয় করেছি। সংকুচিত রাস্তায় তীব্র ভিড় ঠেলে বের হওয়া কঠিন মনে হচ্ছে। একই অবস্থা বাজারের সবচাইতে ব্যস্ত প্রবেশ পথ ওয়াপদা গলি। সেখানে সপ্তাহে দুই দিন বেঁচাকেনা হয় হাঁস মোরগ। তিন চাকার যান অটো মিশুক স্ট্যান্ড বানিয়ে অবরুদ্ধ করে ফেলেছে পুরো সড়ক। প্রতিনিয়ত ক্রেতা ও অটো মিশুক চালকরা লিপ্ত হচ্ছেন ঝগড়ায়।
    ওয়াপদা রোডের ব্যবসায়ী হাফেজ আলী আকবর বলেন, বাজার পরিচালনা কমিটি না থাকায় চলাচলের রাস্তা নিয়ে অটো মিশুক চালক ও ক্রেতাদের প্রায়ই হয় বাকবিতণ্ডা। প্রতি বছর রমজানের ঈদে কাপড় ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা থাকে ভাল ব্যবসার। কিন্তু অটো মিশুক চালকরা রাস্তা বন্ধ করে ফেলায় বাজারে ক্রেতা প্রবেশ করতে পারেনা। সারাদিন লেগে থাকে জট।

    হাজী জুলু মিয়া মার্কেটের মোবাইল দোকানি মাসুদ জানান, মহাসড়ক লাগোয়া আমার দোকান। ভোর ছয়টার সময় কলাপসিবল গেট ও সাঁটারের তালা কেটে চুরি হয় আমার দোকান। বাজারে নৈশপ্রহরী থাকলে এই ঘটনা ঘটতো না।
    সাব রেজিস্টার অফিসের পাশে মক্রম আলী মার্কেটে উদয়ন কম্পিউটার, ডট কম কম্পিউটার পরপর কয়েকটি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্য ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রয়েছেন।

    বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, গত সতের বছর বাজারে নির্বাচিত কোনো বাজার কমিটি ছিল না। সাবেক রেলমন্ত্রী ৫ বছর পরপর তার আশীর্বাদপুষ্ট লোকদের নিয়ে করা কমিটি ব্যবসায়ীদের উপর চাপিয়ে দিতেন। যা দিয়ে বাজারের উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা যায়নি। আগষ্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই বাজার পরিচালনা কমিটি ও নৈশপ্রহরী বিহীন চলছে। যে কারণে বাড়ছে চুরি চিনতাইয়ের ঘটনা, বাড়ছে বিশৃঙ্খলা।

    জুলাই আগস্ট এর পূর্বে সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা আক্তার হোসেন পাটোয়ারী ও ফারুক আহমেদ খাঁ শামীমের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।

    এ বিষয়ে সাবেক নির্বাচিত কমিটির(২০০৬) সেক্রেটারী খোরশেদ আলম জানান, আমরা নির্বাচিত কমিটি ছিলাম, আমাদের সময়ে এমন বিশৃঙ্খলা ছিল না; পর্যাপ্ত নৈশপ্রহরী ছিল। দীর্ঘদিন ব্যবসায়ীদের নির্বাচিত বাজার কমিটি না থাকায় বিশৃঙ্খলা বেড়েছে। যার ফলে অহরহ ঘটছে চুরি চিনতাইয়ের ঘটনা। দ্রুত ব্যবসায়ীদের দ্বারা নির্বাচিত বাজার কমিটি গঠন হলে সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে জানান সাবেক এই ব্যবসায়ী নেতা।
    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেন বলেন, বাজার ব্যবসায়ী কমিটি ব্যবসায়ীরাই নির্বাচিত করবে। তারা চাইলে আমরা তাদেরকে সহযোগিতা করবো।

  • ইউএনওর কক্ষে জামায়াত নেতাদের মারধর, বিএনপি’র ৪ নেতাকে শোকজ

    ইউএনওর কক্ষে জামায়াত নেতাদের মারধর, বিএনপি’র ৪ নেতাকে শোকজ

    পাবনার সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কক্ষে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমিরসহ চার নেতাকে বেধড়ক মারধর ও বালু উত্তোলন বন্ধ করায় ইউএনওকে হুমকির ঘটনায় বিএনপি নেতাসহ চারজনকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
    মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে এ আদেশ দেওয়া হয়।

    এর আগে সোমবার (৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ইউএনও মীর রাশেদুজ্জামানের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

    শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, পাবনার সুজানগর উপজেলা ইউএনওর কার্যালয়ে প্রবেশ করে হাঙ্গামা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে অশোভন ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের অভিযোগে সুজানগর উপজেলা বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মজিবর রহমান, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বাবু খা, বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মানিক খা এবং সুজানগর এনএ কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. শাকিল খানকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

    সুজানগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবিএম তৌফিক হাসান আলহাজ্ব বলেন,কেন্দ্র থেকে শোকজ করেছে এটা লোক মাধ্যমে শুনেছি, তবে স্থানীয়ভাবে আমরা এখনো এমন চিঠি বা নির্দেশনা পাইনি।
    আমি অসুস্থতার জন্য বর্তমান ঢাকায় অবস্থান করছি। এ ঘটনা কোনভাবেই ঘটানো ঠিক হয়নি।
    সরকারি অফিসে তাও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার রুমে ন্যাক্কারজনক ঘটনা হয়েছে।
    বাহিরে হলে তো মেনে নেওয়া যেত। এসব দুষ্কৃতকারীদের শাস্তি হওয়া দরকার।

    সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  (ইউএনও) মীর রাশেদুজ্জামান বলেন, আমার রুমে এ ঘটনা ঘটেছে সেটা খুবই কষ্টদায়ক। ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। সেখান থেকে নির্দেশনা আসলে আমি মামলা করতে পারব।
    তাছাড়া আমি নিজে নিজের সিদ্ধান্তে মামলা বা অভিযোগ দিতে পারব না। এ ক্ষেত্রে স্যারদের পারমিশন লাগবে।

  • চৌদ্দগ্রামে ৭ দফা দাবিতে ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি

    চৌদ্দগ্রামে ৭ দফা দাবিতে ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    মাটি কাটার জন্য ডিসির প্রত্যয়নপত্র নেয়ার বিধান বাতিল, ইটভাটাকে শিল্প হিসাবে ঘোষণা ও ভাটা পরিচালনায় দীর্ঘ মেয়াদী পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়নসহ ৭ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা ও পরিবেশ উপদেষ্টা বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি।

    মঙ্গলবার (৪ মার্চ) দুপুরে ইউএনও মোঃ জামাল হোসেনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেন, সহ-সভাপতি হুমায়ন কবির, অর্থ সম্পাদক রহমত উল্লাহ, সদস্য অলি আহমেদ মজুমদার, কামরুল হাসান, মজিবুর রহমান, আবদুল হান্নান, এটিএম আবদুল হালিম, হাসান ইমাম রিপন প্রমুখ। এরআগে উপজেল পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ করে ইটভাটা মালিক ও শ্রমিকরা।

    ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির উল্লেখিত দাবিসমূহ হলো;

    ১. ২০১৩ সনের ইটভাটা নিয়ন্ত্রন আইনের জিগজাগ ভাটা বৈধ পদ্ধতির উল্লেখ থাকলেও উক্ত আইনের ৮(৩) (১) এবং ৮ (৩) (খ) উপ-ধারায় দুই রত্ব নির্দিষ্ট করনের কারনে দেশের কিছু জিগজাগ ইটভাটার মালিকগণ ছাড়পত্র ও লাইসেন্স পাচ্ছে না। ইতোমধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর হাইব্রিড কিলুন এবং ট্যানেল কিলন এর ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ এলাকার দূরত্ব ১০০০ মিটারের পরিবর্তে ৪০০ মিটার নির্ধারন করেছে সুতরাং আমাদের জিগজ্যাগ ভাটার জন্য উক্ত আইনের ৮ (৩) (১) ধারায় নিষিদ্ধ এলাকার দুরত্ব ৪০০ মিটার এবং আইনের ৮ (৩) (খ) এ বনের দুরত্ব ৭০০ মিটার করে লাইসেন্স ও ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিপত্র জারির মাধ্যমে পরিচালনা করার সুযোগ প্রদানের আবেদন।

    ২. জিগজাগ ইটভাটায় কোন প্রকার হয়রানী বা মোবাইল কোর্ট করা যাবে না, তা না হলে আমরা ভ্যাট টেক্স দেয়া বন্ধ করে দিতে বাধ্য হব।

    ৩. কোন ইটভাটা বন্ধ করতে হলে সরকারিভাবে আর্থিক ক্ষতিপুরন দিয়ে বন্ধ করতে হবে।

    ৪. মাটি কাটার জন্য ডিসির প্রত্যয়নপত্র নেয়ার বিধান বাতিল করতে হবে।

    ৫. পরিবেশগত ছাড়পত্র, ডি.সি লাইসেন্স, ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্সসহ অন্যান্য কাগজপত্রাদি ইস্যু/নবায়নের সময় কেন্দ্রীয় ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির প্রত্যয়ন পত্র বাধ্যতামূলক ভাবে জমা দেয়ার বিধান করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ।

    ৬. ইটভাটারে শিল্প হিসাবে ঘোষণা করা।

    ৭. ইটভাটা পরিচালনায় দীর্ঘ মেয়াদী পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রনয়ন করতে হবে।

  • রংপুরে হত্যা মামলায় যুবলীগ নেতা সাদ্দাম গ্রেফতার

    রংপুরে হত্যা মামলায় যুবলীগ নেতা সাদ্দাম গ্রেফতার

    রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গুলিতে নিহত পথচারী মাহমুদুল হাসান মুন্না হত্যা মামলায় জেলা যুবলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান সাদ্দামকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে যৌথ বাহিনী।

    মঙ্গলবার (৪ মার্চ) দুপুরে রংপুর মহানগরীর স্টেশান এলাকায় থেকে নাহিদ হাসান সাদ্দামকে গ্রেফতার করা হয়। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: মুজিদ আলী জানান, তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতায় নগরীর স্টেশন এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠন রংপুর ছাত্রলীগের সাবেক উপপ্রচার সম্পাদক ও জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান সাদ্দামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    এ সময় তার কাছে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। সাদ্দাম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছর ৪ আগস্ট রাজা রামমোহন ক্লাবের সামনে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের গুলিতে নিহত মাহমুদুল হাসান মুন্না হত্যা মামলার আসামি।

    অস্ত্র হাতে ওই হামলায় প্রকাশ্যে অংশ নিয়েছিলেন সাদ্দাম। ওই সময় অস্ত্র হাতে তার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়। ৫ আগস্টের পর আত্মগোপনে চলে গিয়েছিলেন তিনি।

    মহানগর পুলিশ কমিশনার আরও জানান, নাহিদ হাসান সাদ্দাম নগরীর স্টেশন এলাকার আলম নগর বাবু পাড়ার মৃত ধলু মিয়ার পুত্র। বৈষমবিরোধী আন্দোলন দমাতে রংপুরে সংঘটিত হামলাগুলোর অন্যতম মাস্টারমাইন্ড ছিলেন সাদ্দাম।

    পুলিশ কমিশনার জানান, মাহমুদুল হাসান মুন্না নিহতের ঘটনায় সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, তার পুত্রসহ ১২৮ জনকে আসামি করে গত বছরের ২৯ আগস্ট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোতোয়ালি আমলি আদালতে মামলা দায়ের করেন মুন্নার বাবা।

  • রিকশাচালককে জুতাপেটা করে বরখাস্ত হলেন সমাজসেবা কর্মকর্তা

    রিকশাচালককে জুতাপেটা করে বরখাস্ত হলেন সমাজসেবা কর্মকর্তা

    রিকশাচালককে জুতা ও লাঠিপেটা করা রাজশাহীর পবা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাহিদ হাসান রাসেলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-৫ (প্রশাসন ও শৃঙ্খলা) শাখার এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

    সচিব ড. মো. মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রিকশাচালককে নির্দয়ভাবে প্রহার করার ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এ ধরণের আচরণ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। সরকারি কর্মচারী হিসাবে তার এ ধরণের আচরণ অশোভনীয়, অসঙ্গত, চাকরি শৃঙ্খলা পরিপন্থি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই সরকারি চাকরি আইন ও সরকারি কর্মচারি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

    এতে আরও বলা হয়, সাময়িক বরখাস্ত হলেও জাহিদ হাসান রাসেল বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা পাবেন। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক রিকশাচালককে মারধর করেন সমাজসেবা কর্মকর্তা জাহিদ। মারধরের সেই ভিডিও সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় সমালোচনার। এর জেরে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। মারধরের ঘটনায় ক্ষমাও চেয়েছেন বরখাস্ত হওয়া জাহিদ।

  • আ.লীগের বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন হবে না : সারজিস

    আ.লীগের বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন হবে না : সারজিস

    আওয়ামী লীগের বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

    মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহিদদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

    সারজিস বলেন, যে হাসিনার নির্দেশে এতগুলো হত্যা করা হলো সেই খুনের বিচার না দেখা পর্যন্ত কীভাবে এদেশের মানুষ ভিন্ন কিছু চিন্তা করে। খুনি হাসিনাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসতে হবে, বিচারের মঞ্চে দাঁড়াবে, ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়াবে।

    তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিচার না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো মানুষ, কোনো রাজনৈতিক দল ভুল করেও যেন নির্বাচনের কথা না বলে। যতদিন না আমরা খুনি হাসিনাকে ওই ফাঁসির মঞ্চে না দেখছি এই বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না।

    তিনি আরও বলেন, আমরা রাজপথে ছিলাম। আমার যে ভাইয়েরা রাজপথে জীবন দিয়েছে, আমাদের যে মায়েদের চোখ দিয়ে এখনো কান্না ঝরছে, পানি পড়ছে আমরা যেন মরার আগে অন্তত খুনি হাসিনার বিচারটা দেখে মরতে পারি। আমরা শুধু আপনাদের কাছে একটা অনুরোধ করতে পারি। আমরা আমাদের জায়গা থেকে মায়েদের পাশে থাকার সর্বোচ্চ টুকু চেষ্টা করব।

  • বধ্যভূমিতে ২৪-এর অভ্যুত্থানের শহিদদের কবর জিয়ারতে নাহিদ-আখতাররা

    বধ্যভূমিতে ২৪-এর অভ্যুত্থানের শহিদদের কবর জিয়ারতে নাহিদ-আখতাররা

    রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে ২০২৪-এর অভ্যুত্থানের শহিদদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা।

    মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শহিদদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন দলটির নেতাকর্মীরা। জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে সকাল ৮টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে এনসিপি তাদের রাজনৈতিক যাত্রার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছে।

    এদিন বিকাল ৩টার দিকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাহী কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে পার্টির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বিশাল সমাবেশের মধ্যদিয়ে নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে জাতীয় নাগরিক পার্টি। এরপর ২১৭ সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

  • ৩০ জুনের মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি

    ৩০ জুনের মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি

    আগামী ৩০ জুনের মধ্যে আবারও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

    রোববার ভোটার দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    সানাউল্লাহ বলেন, আজকে ২০২৪-এর উপাত্তের আলোকে আইনি বাধ্য-বাধকতার কারণে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু বাড়ি বাড়ি গিয়ে যেসব উপাত্ত পাওয়া গেছে সেগুলো আবার যুক্ত হবে, মৃত ভোটাররা বাদ পড়বে।

    তিনি বলেন, আবারো একটা সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা হবে। সেটার সঙ্গে সমন্বয় করে ৩০ জুনের মধ্যে আবারো চূড়ান্ত ভোটার তালিকা আপনারা দেখতে পাবেন।

    সবাইকে মিলে-মিশে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, সবাই মিলে-মিশে ভোট দেব, এটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি উৎসব। আমরা রক্ত দেখতে চাই না। হানাহানি দেখতে চাই না, চুরি বাটপারি দেখতে চাই না। ছিনতাই, ব্যালট পেপার সরিয়ে নেয়া ইত্যাদি দেখতে চাই না। রাতের বেলায় সিল মারা দেখতে চাই না। কোনো কর্তৃপক্ষের প্রভাব দেখতে চাই না।

    ভোটার তালিকা স্বচ্ছ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশা প্রকাশ করেন এই কমিশনার।

  • জাতীয় নাগরিক পার্টির ২১৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

    জাতীয় নাগরিক পার্টির ২১৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ২১৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রোববার (২ মার্চ) ভোররাতে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আখতার হোসেনের পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি জানানো হয়েছে।

    বার্তায় বলা হয়, ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে বাংলাদেশের নাগরিকরা মুক্ত হয়েছে। তবে শহিদ মিনারে ঘোষিত অভ্যুত্থানের এক দফা তথা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। একটি রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী হিসেবে এই জনপদের মানুষ ইতিহাসের নানান সময়ে নিজেদের হাজির করেছে। প্রায় ২০০ বছরের উপনিবেশবিরোধী লড়াইয়ের অংশ হিসাবে পাকিস্তান আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা ১৯৪৭ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র অর্জন করি। কিন্তু পাকিস্তান রাষ্ট্র এই জনপদের মানুষের সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক মুক্তির আকাঙ্ক্ষকে ধারণ ও বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে।

    আরও বলা হয়, মুক্তির আকাঙ্ক্ষা থেকে এই জনপদের মানুষ ১৯৭১ সালে একটি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ১৯৭২ সালে প্রণীত মুজিববাদী সংবিধানের মধ্য দিয়ে নির্মিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসন প্রতিষ্ঠার পথ খুলে দিয়েছে। যার ফলে এ দেশের নাগরিকরা ইতিহাসের বিভিন্ন পরিক্রমায় বাকশাল, স্বৈরতন্ত্র এবং সর্বশেষ ফ্যাসিবাদের শিকার হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো থেকে ফ্যাসিবাদের সকল উপাদান ও কাঠামোকে বিলোপ করতে এবং এই জনপদের মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপদানে একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বাস্তবায়নে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে আমরা, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা, ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানী ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’ নামে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করেছি।

    জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম বীর যোদ্ধা শহিদ ইসমাঈলের বোন মিম আক্তার জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক হিসেবে নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব হিসেবে আখতার হোসেনের নাম ঘোষণা করেন। ওই আহ্বায়ক কমিটি (আংশিক) আগামী ১ বছরের মধ্যে এই রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্র ও ইশতেহার প্রণয়ন, কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও সাংগঠনিক বিস্তার কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

    কমিটির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও আরিফুল ইসলাম আদীব, যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম, মনিরা শারমিন, মাহবুব আলম, সারোয়ার তুষার, অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, তাজনূভা জাবীন, সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, ড. আতিক মুজাহিদ, আশরাফ উদ্দীন মাহাদী, অর্পিতা শ্যামা দেব, তানজিল মাহমুদ, অনিক রায়, খালেদ সাইফুল্লাহ, জাবেদ রাসিন, এহতেশাম হক ও হাসান আলী।

    সদস্যসচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা ও নাহিদা সারওয়ার নিভা, যুগ্ম সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরিফ সোহেল, মো. রশিদুল ইসলাম (রিফাত রশিদ), মো. মাহিন সরকার, মো. নিজাম উদ্দিন, আকরাম হুসেইন, এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, সালেহ উদ্দিন সিফাত (দপ্তর), আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, ফরিদুল হক, মো: ফারহাদ আলম ভূঁইয়া, মোহাম্মদ মিরাজ মিয়া, লুৎফর রহমান, মো. মঈনুল ইসলাম (তুহিন), মুশফিক উস সালেহীন, ডা. জাহেদুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম মুসা, অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর, মোশফিকুর রহমান জোহান, মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান, সাগুফতা বুশরা মিশমা, আফসানা ছপা, আহনাফ সাইদ খান, আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন, মীর আরশাদুল হক, ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, তারেকুল ইসলাম (তারেক রেজা), মশিউর রহমান, জয়নাল আবেদীন শিশির, গাজী সালাউদ্দীন তানভীর, তামিম আহমেদ, তাহসীন রিয়াজ ও প্রীতম দাশ।

    মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম (উত্তরাঞ্চল), যুগ্ম মুখ্য সংগঠক সাইফুল্লাহ হায়দার, আলী নাছের খান, সাকিব মাহদী, মেজর (অব.) আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, সাদিয়া ফারজানা দিনা, অলিক মৃ, আসাদুল্লাহ আল গালিব, হানিফ খান সজীব, আবু সাঈদ লিয়ন।

    সংগঠক- রাসেল আহমেদ, ইমরান ইমন, ফরহাদ সোহেল, রফিকুল ইসলাম আইনী, মোস্তাক আহমেদ শিশির, আজাদ খান ভাসানী, প্রীতম সোহাগ, দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী, এম এম শোয়াইব, নাহিদ উদ্দিন তারেক, আব্দুল্লাহ আল মনসুর, মিয়াজ মেহরাব তালুকদার, অ্যাডভোকেট শিরীন আক্তার শেলী, আবুল বাশার, আব্দুল্লাহ আল মুহিম, নাজমুল হাসান সোহাগ, খায়রুল কবির ও সাঈদ উজ্জ্বল।

    মুখ্য সংগঠক- হাসনাত আবদুল্লাহ (দক্ষিণাঞ্চল), যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, মোল্যা রহমাতুল্লাহ্, এস এম শাহরিয়ার, মেজবাহ কামাল মুন্না, জোবাইরুল হাসান আরিফ ও ইমন সৈয়দ।

    সংগঠক- আকরাম হোসাইন রাজ, হামযা ইবনে মাহবুব, ওয়াহিদুজ্জামান, আসাদ বিন রনি, মোহাম্মাদ রাকিব, আরমান হোসাইন, মো. রাসেল আহমেদ, অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা, শওকত আলী, ডা. আশরাফুল ইসলাম সুমন, মুনতাসির মাহমুদ, ডা. মিনহাজুল আবেদীন, সাকিব শাহরিয়ার, আজিজুর রহমান রিজভী, আব্দুর রহমান, ফয়সাল আহমেদ, নয়ন আহমেদ, কাউছার হাবিব, আব্দুল্লাহ আল মামুন ফয়সাল, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জিহান, মাও. সানাউল্লাহ খান, আরিফুল ইসলাম, নফিউল ইসলাম ও মো. রাকিব হোসেন।

    মুখ্য সমন্বয়ক- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক- আব্দুল হান্নান মাসউদ, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক- অ্যাডভোকেট মো. তারিকুল ইসলাম (যুব), ডা. মো. আব্দুল আহাদ (চিকিৎসা), মাজহারুল ইসলাম ফকির (শ্রমিক), দিলশানা পারুল, আবু হানিফ, আব্দুজ জাহের, কৃষিবিদ গোলাম মোর্তজা সেলিম, মেহেরাব সিফাত, অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদ, আশেকীন আলম, ডা. জাহিদুল বারী, কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস, ভীম্পাল্লী ডেভিড রাজু, শেখ মোহাম্মদ শাহ মঈনুদ্দিন, খান মুহাম্মদ মুরসালীন, সাদ্দাম হোসেন, আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল, নাভিদ নওরোজ শাহ, তুহিন মাহমুদ, মো. আরিফুর রহমান (তুহিন), সাগর বড়ুয়া, রাফিদ এম ভূঁইয়া ও মাহবুব আলম।

    সদস্য- সানজিদা খান দীপ্তি (শহীদ আনাসের মা), খোকন চন্দ্র বর্মন (আহত), মো. ফাহিম রহমান খান পাঠান, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের (সন্দ্বীপ), ঋআজ মোরশেদ, ইমরান নাঈম, মশিউর আমিন শুভ, আল আমিন শুভ, প্লাবন তারিক, ওমর ফারুক, আসাদুল ইসলাম মুকুল, ফিহাদুর রহমান দিবস, মো. তৌহিদ আহমেদ আশিক, মো. আব্দুল মুনঈম, রকিব মাসুদ ইনজামুল হক রামিম, সৈয়দা নীলিমা দোলা, এস আই শাহীন, আসাদুজ্জামান হৃদয়, তানহা শান্তা, ডা. মশিউর রহমান, ইমরান শাহরিয়ার, এহসানুল মাহবুব জোবায়ের, আব্দুল্লাহিল মামুন নিলয়, আজাদ আহমেদ পাটওয়ারী, জাহিদুল ইসলাম সৈকত, আরজু নায়েম, ডা. মনিরুজ্জামান, তাওহিদ তানজিম, মোহাম্মদ উসামা, মাহবুব-ই-খোদা, তারিক আদনান মুন, নাহিদা বুশরা, তৌহিদ হোসেন মজুমদার, মারজুক আহমেদ, নীলা আফরোজ, নূরতাজ আরা ঐশী।

    সাইয়েদ জামিল, শেখ খায়রুল কবির আহমেদ, রফিকুল ইসলাম কনক, মীর হাবীব আল মানজুর, মো. ইমরান হোসেন, মো. আরিফুল দাড়িয়া, মো. ইনজামুল হক, আবু সাঈদ মুসা, ডা. আতাউর রহমান রাজিব, সালমান জাভেদ, ইমামুর রশিদ, সাইফুল ইসলাম, ডা. সাবরিনা মনসুর, অ্যাডভোকেট মো. মনিরুজ্জামান, অ্যাডভোকেট ছেফায়েত উল্লাহ, আহমেদুর রহমান তনু, দিদার শাহ, রাদিথ বিন জামান, ফারিবা হায়দার, সাইফুল ইসলাম, ইয়াহিয়া জিসান, সোহেল রানা, রিদওয়ান হাসান, হাসিব আর রহমান, ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ, জাওয়াদুল করিম, আল আমিন টুটুল, ইসমাইল হোসেন সিরাজি, ইফতেখারুল ইসলাম, হাফসা জাহান, জায়েদ বিন নাসের, মামুন তুষার, ওমর ফারুক, সালাহউদ্দিন জামিল সৌরভ, মো. হিফজুর রহমান বকুল, আসিফ মোস্তফা জামাল, জোবায়ের আলম, মেজর (অব.) মো. সালাউদ্দিন ও খালেদ সাইফুল্লাহ জুয়েল।

  • দুই দিনের ব্যবধানে আবারো প্রবাসীর গাড়ীতে ডাকাতি

    দুই দিনের ব্যবধানে আবারো প্রবাসীর গাড়ীতে ডাকাতি

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম মহাসড়কের ফাল্গুনকরা মাজার নামক স্থানে ডাকাত দল হামলা চালিয়ে বেলাল হোসেন নামে এক মালেশিয়ান প্রবাসীর সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে গেছে। তিনি বিমান বন্দর থেকে ভাড়া করা প্রাইভেটকার যোগে তার গ্রামের বাড়ী ফেনীর দাগনভূঁইয়ার শরিফপুর গ্রামে যাচ্ছিলেন। তথ্যটি শনিবার সকালে নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহাম্মেদ।
    ওসি জানান, শনিবার ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার ফাল্গুনকরা মাজার নামক স্থানে স্বশস্ত্র ডাকাত দল প্রবাসী বেলালের ভাড়া করা প্রাইভেটকারে হামলা চালিয়ে তার সকল মালামাল ও টাকা পয়সা কেড়ে নেয়। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রবাসীকে থানায় নিয়ে আসি। এ ঘটনায় মাইক্রোবাসের চালক জাবেদ খানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ওসি আরো জানান, প্রবাসী বেলাল মালেশিয়া থেকে শুক্রবার রাত ১০ টায় ঢাকা আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করেন। রাত আড়াইটায় তিনি বিমান বন্দর থেকে (ঢাকা মেট্টো- ঘ-২৩-৭৭০২) ভাড়া করা প্রাইভেটকারে করে তার স্বজনদের কে নিয়ে বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা করে। পথিমধ্যে আজ শনিবার ভোর সাড়ে ছয়টায় মহাসড়কের উপজেলার ফাল্গুনকরা নামক স্থানে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনের ডাকাত দল পিকআপে করে এসে প্রবাসীর বহনকৃত প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দেয়। এক পর্যায় প্রাইভেটকারটির নিয়ন্ত্রণে হারিয়ে মহাসড়কের পাশে পরে যায়। পরে ডাকাত দল পিকআপ থেকে নেমে অস্ত্রের মুখে প্রবাসীকে জিম্মি করে ৫ টি মোবাইল ফোন, ১ ভরি স্বর্ণ, ৩ হাজার মালেশিয়ান রিঙ্গিত, ৪ টি মালামালের প্যাকেট লুট করে নেয়। যার আনুমানিক মূল্য ৬ লাখ টাকা।
    প্রবাসী বেলাল হোসেন বলেন, ঈদ করার জন্য ৩ বছর পর প্রবাস থেকে দেশে আসি শুক্রবার রাতে। বিমান বন্দর থেকে একটি প্রাইভেটকার ভাড়া করে বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা করি। পথিমধ্যে মহাসড়কের মেঘনা ব্রিজ পাড় হয়ে যাত্রা বিরতি করি। যাত্রা শেষে আবারো রওনা করলে দাউদকান্দি এলাকায় বিশাল যানজটে আটকা পড়ি। এ সময় চালক উল্টা লেন দিয়ে গাড়ীটি অনেক দূর নিয়ে আসে এবং এক পর্যায় চালক জাবেদ খান মহাসড়কের একটি স্থানে নেমে পান খেয়ে আবারো গাড়িটি আমাদের বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা করে। পথিমধ্যে মহাসড়কের ফাল্গুনকরা এলাকায় পৌঁছালে পিছন থেকে ত্রিপল মোড়ানো একটি পিকআপ ভ্যান এসে আমার বহনকৃত প্রাইভেটকারটিকে ধাক্কা দেয়। এ সময় প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যেতে লাগছিলো। চালক প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ নিলে ডাকাত দল পিকআপ থেকে নেমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রাইভেটকারটিতে আঘাত করে ভাঙচুর করে এবং গাড়ীতে থাকা আমার থেকে সকল মালামাল ও নগদ টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেয়। এসময় তারা আমার পাসর্পোট টিও কেড়ে নেয় আমি অনেক কষ্টে ডাকাত দল থেকে পাসপোর্টটি ফেরত নিই। আক্ষেপ করে প্রবাসী বেলাল বলেন, কষ্টার্জিত সকল টাকা পয়সা ডাকাত দল ছিনিয়ে নিয়েছে। অনেক আশা ভরসা করে বিদেশ থেকে দেশে এসেছি স্বজনদের কে নিয়ে ঈদ করবো। কিন্তু ডাকাত দল আমার সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে গেছে।
    হাইওয়ের পুলিশের কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন, মহাসড়কে চৌদ্দগ্রামে প্রবাসীর গাড়ীতে ডাকাতির সংবাদ পেয়ে আমি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে এসেছি। ভিকটিমের সাথে কথা বলেছি। ডাকাত দলকে চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছি।
    উল্লেখ্য, ২৭ ফেব্রæয়ারী বৃহস্পতিবার একই জায়গায় ডাকাত দল চক্র হামলা চালিয়ে গাড়ী ভাঙচুর করে কুয়েত প্রবাসী নাইমুল ইসলামের সর্বস্ব ও কেড়ে নিয়েছেন। তার মাত্র ২৪ ঘন্টার ভিতরে একই জায়গায় একই সময়ে একই কায়দায় মালেশিয়ান প্রবাসী বেলাল হোসেনের সর্বস্ব ও কেড়ে নিয়ে যায়।

  • মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনার ব্যর্থতায় হাইওয়ে ওসি প্রত্যাহার

    মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনার ব্যর্থতায় হাইওয়ে ওসি প্রত্যাহার

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম অংশের ডাকাতি প্রতিরোধে ব্যর্থতার ঘটনায় মিয়া বাজার হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ জসিম উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় তথ্যটি কালবেলা কে নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপারের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খাইরুল আলম।

    তিনি বলেন, মহাসড়কে চৌদ্দগ্রাম অংশে সাম্প্রতিক সময়ে ডাকাতির ঘটনা বেড়ে গেছে। এ ঘটনা হাইওয়ে পুলিশ উদ্বেগ প্রকাশ করছে। মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা প্রতিরোধে ব্যর্থতার অভিযোগে ওসি জসিম উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, মহাসড়কে চৌদ্দগ্রাম অংশে গত ২ মাসে ৪টি ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ১৫ জানুয়ারী মহাসড়কের মিশ্বানী এলাকায় ৩০০ বস্তা চাল ভর্তি ট্রাক পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। গত ৮ ফেব্রæয়ারী মহাসড়কের পাশে অবস্থিত মিয়া বাজার মসজিদ মার্কেটে প্রীতি জুয়েলার্স নামে স্বর্ণ দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এসময় ডাকাত দল গুলি বর্ষণ ও ককটেল বিস্ফোরন ঘটায়। লুট হয় ৩৫ ভরি স্বর্ণ। ডাকাতদের গুলিতে আহত হন মোশারফ নামে এক ব্যবসায়ী। ২৭ ফেব্রæয়ারী ভোরে মহাসড়কের ফাল্গুনকরা মাজার নামক স্থানে কুয়েক প্রবাসী নাইমুল ইসলামের বহনকৃত মাইক্রোবাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ১লা মার্চ একই জায়গায় মালেশিয়ান প্রবাসী বেলাল হোসেনের বহনকৃত প্রাইভেটকারেও একই কায়দায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সকল ঘটনায় হাইওয়ে পুলিশের ব্যর্থতার অভিযোগে ওসি মোঃ জসিম উদ্দিনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

  • দ্বিতীয় পর্যায়ের অগ্রগতি নেই, তার আগেই শেষ গাজায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ

    দ্বিতীয় পর্যায়ের অগ্রগতি নেই, তার আগেই শেষ গাজায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ

    অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইল ও ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির প্রথম পর্যায়ের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। যুদ্ধবিরতি ও বন্দিবিনিময় চুক্তির পরবর্তী পর্যায়ের জন্য মিশরের কায়রোতে বসা আলোচনারও কোনো অগ্রগতি জানা যায়নি।

    শনিবার (১ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

    শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) মিশরের কায়রোতে গাজায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি কার্যকরের বিষয়ে আলোচনা হয়।

    আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ মিশর বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বলেছে, যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ নিয়ে ‘নিবিড়’ আলোচনায় অংশ নিতে ইসরাইল, কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল কায়রোতে অবস্থান করছে। কয়েক মাসের আলোচনার পরই কেবল প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা সম্ভব হয়েছিল।

    তবে প্রথম পর্যায়ের মেয়াদ শেষ হলেও কায়রো থেকে আলোচনার কোনও অগ্রগতি ঘোষণা করা হয়নি।

    এদিকে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, ইসরাইল-হামাস চুক্তির দ্বিতীয় পর্যায়ের আলোচনার জন্য আগামী দিনগুলো ‘গুরুত্বপূর্ণ’।

    নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের গুতেরেস বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি মুক্তি চুক্তি অবশ্যই বহাল থাকবে। আগামী দিনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই চুক্তির ভাঙন এড়াতে উভয়পক্ষকে প্রচেষ্টা ছাড়া যাবে না। ’

    অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য-বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ গাজা যুদ্ধের দ্বিতীয় পর্যায়ের জন্য চলতি সপ্তাহেই মধ্যঞ্চলে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।