Blog

  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনে পাথর নিক্ষেপে ছাত্রী রক্তাক্ত

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনে পাথর নিক্ষেপে ছাত্রী রক্তাক্ত

    মোতাহের উদ্দিন, চবি প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের শাটল ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনায় এক ছাত্রী আহত হয়েছেন। পাথরের আঘাতে তাঁর নাক ও ঠোঁটে গুরুতর জখম হয়।

    মঙ্গলবার (২৭ই জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষার্থী ইমু মনি জ্যোতি নগরের পতেঙ্গা এলাকার বাসিন্দা এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ক্যাম্পাসগামী শাটল ট্রেনে ওঠার পর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় পৌঁছালে বাইরে থেকে ছোড়া একটি পাথর সরাসরি তাঁর মুখে আঘাত করে। এতে নাকের নিচ থেকে ঠোঁট পর্যন্ত কেটে যায়।

    ঘটনার পর সহপাঠীরা দ্রুত তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। মেডিকেলে তাঁর ঠোঁটে চারটি সেলাই দেওয়া হয়। চিকিৎসা শেষে তাঁকে বাসায় নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবু তৈয়ব জানান, আঘাতের ক্ষত তুলনামূলকভাবে গভীর হওয়ায় শিক্ষার্থীকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. বজলুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

     

  • মোংলায় যুবদলের নির্বাচনী প্রচারণা

    মোংলায় যুবদলের নির্বাচনী প্রচারণা

    মোঃ মহিম ইসলাম, মোংলা প্রতিনিধিঃ

    আসন্ন ত্রায়োদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে মোংলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের আয়োজনে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ২৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে মোংলায় আয়োজিত সভায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের যুবদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভার মূল লক্ষ্য ছিল আসন্ন ত্রায়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ডাঃ লায়ন শেখ ফরিদুল ইসলামের নির্বাচনীয় প্রচারণা এবং সাংগঠনিক ক্ষমতা বৃদ্ধি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা।

    এসময় প্রতিটি ওয়ার্ডের যুবদলের মোংলা সেভেন স্টারের নেতৃত্বে বিশাল এক মিছিল মোংলা উপজেলা পরিষদ থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি মোংলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন মোংলা শ্রমিক সংঙ্গের মাঠে এসে শেষ হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে যুবদলের অবস্থান শক্তিশালী করেন। সাধারণ মানুষের কাছে দলের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পৌঁছে দেওয়া এবং দলের ভাবমূর্তি বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা কর।

    যুবদলের নির্বাচনী প্রচারণায় বক্তব্যে যুবদল নেতৃবৃন্দ বলেন, “যুবদল হচ্ছে দলের ভ্যানগার্ড। আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কোনো প্রকার উস্কানিতে পা না দিয়ে ধৈর্য ও সাহসের সাথে নির্বাচনী মাঠে কাজ করতে হবে। সভায় বক্তারা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং দেশগড়ার কাজে যুবদলকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান।

    উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন, যুবদল নেতা সাইফুল সিকদার, সুমন হাওলাদার, নাজমুল হাওলাদার, রনি মোল্যা, রেজাউল কবির শুভ, শেখ মুহিদুল ইসলাম, মোয়াজ্জেম হোসেন, শাহারিয়ার সুমন হাওলাদার, আবু নাছের। এছাড়া ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের স্থানীয় প্রতিনিধিরাও সংহতি প্রকাশ করে সভায় উপস্থিত ছিলেন।

  • রাজাপুরে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    রাজাপুরে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামন ঝালকাঠি-১ আসনে নির্বাচনী তৎপরতা জোরদার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    সোমবার বিকেলে রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক।

    তিনি বলেন, আল্লাহ পাক তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার ৯০ শতাংশ রাস্তা তৈরি করে দিয়েছেন, বাকি ১০ শতাংশ জনগণ ও কর্মীদের মাধ্যমেই পূর্ণ হবে। ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়া ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই অব্যাহত থাকবে।

    তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনগুলোতে সাফল্যের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর জনপ্রিয়তা প্রমাণিত হয়েছে। এসময় তিনি কৃষক, রিকশাচালক, সবজীবিক্রেতা ও খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষে রাজনীতি করার অঙ্গীকার করেন।

    কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গালুয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা মোহাম্মদ এনাম হোসাইন, সেক্রেটারি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, এনসিপির নেতা মোহাম্মদ আহাদ সিকদারসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

  • ভর্তিচ্ছুদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করেছে কুবি ছাত্রশিবির

    ভর্তিচ্ছুদের জন্য ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করেছে কুবি ছাত্রশিবির

    সানজানা তালুকদার, কুবি প্রতিনিধি:

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার্থীদের রাতের যাতায়াতজনিত ভোগান্তি কমাতে ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। ‘আর রিহলাহ’ নামে এই ফ্রি বাস সার্ভিসটি চালু থাকবে ভর্তি পরীক্ষার সময়।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন কুবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন আবির।

    তিনি জানান, আগামী ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি রাত ১১টায় পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে কোটবাড়ি বিশ্বরোড হয়ে সরাসরি ক্যাম্পাস পর্যন্ত একটি বাস চলবে। এছাড়া রাত ১২টা ১৫ মিনিটে রেলস্টেশন থেকে শাসনগাছা–আলেখার চর–কোটবাড়ি বিশ্বরোড হয়ে ক্যাম্পাস, রাত ১টায় রেলস্টেশন থেকে কান্দিরপাড়–টমছম ব্রিজ–পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড–কোটবাড়ি বিশ্বরোড হয়ে ক্যাম্পাস এবং রাত ৩টায় রেলস্টেশন থেকে কোটবাড়ি বিশ্বরোড হয়ে সরাসরি ক্যাম্পাস পর্যন্ত আরও কয়েকটি বাস চলাচল করবে।

    এ বিষয়ে মোজাম্মেল হোসাইন আবির বলেন, ‘দূরবর্তী জেলার অনেক শিক্ষার্থী ট্রেনে করে গভীর রাতে কুমিল্লায় পৌঁছান। সে সময় নিরাপদভাবে ক্যাম্পাসে পৌঁছানো নিয়ে তারা ভোগান্তিতে পড়েন। এই ভোগান্তি লাঘব এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতেই আমরা শাখা ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে দুই দিনব্যাপী ‘আর রিহলাহ’ ফ্রি বাস সার্ভিসের ব্যবস্থা করেছি। শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং মানবিক সহায়তা প্রদান করাই আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’

    তিনি আরও জানান, ‘২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে প্রতিটি ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রের প্রধান ফটকের সামনে তথ্য সহায়তা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি অভিভাবকদের বসা ও বিশ্রামের ব্যবস্থাও থাকবে।’

    উল্লেখ্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩০ জানুয়ারি এবং ‘বি’ ও ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে

     

     

  • ঝালকাঠি-১ আসনে নির্বাচনী মাঠে ব্যস্ত ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী

    ঝালকাঠি-১ আসনে নির্বাচনী মাঠে ব্যস্ত ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী

    মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী ‘হাস’ প্রতীকে নির্বাচনী প্রচারণা জোরদার করেছেন। তিনি ধারাবাহিকভাবে গণসংযোগ চালিয়ে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করছেন।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে সাতুরিয়া ইউনিয়নের নৈকাঠি ও লেবুবুনিয়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় তিনি গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন।

    গণসংযোগকালে ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী বিশেষভাবে নারী ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেন, তাঁদের মতামত ও প্রত্যাশা শোনেন এবং নিজের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন। এছাড়া উত্তমপুর বাজারের বিভিন্ন দোকান পরিদর্শন করে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি এলাকার চলমান সমস্যা, উন্নয়ন ঘাটতি এবং সম্ভাবনার দিকগুলো তুলে ধরেন এবং ভোটারদের সমর্থন কামনা করেন।

    তিনি বলেন, “আইনের শাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। একটি প্রতিনিধিত্বশীল ও জনমুখী সংসদীয় ভূমিকার মাধ্যমে রাজাপুর–কাঁঠালিয়া এলাকার দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করাই আমার লক্ষ্য।”

    ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী আরও বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটাররা যদি আমাকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করেন, তবে ‘হাস’ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করবেন। নির্বাচিত হলে রাজাপুর–কাঁঠালিয়ার সার্বিক উন্নয়ন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় সাংবিধানিক দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবো।”

    নির্বাচনী প্রচারণাকালে তাঁর সঙ্গে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করছেন, ব্যারিস্টার হিসেবে তাঁর পেশাগত অভিজ্ঞতা, সংযত বক্তব্য এবং ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ তাঁকে নির্বাচনী মাঠে আলাদা মাত্রা প্রদান করেছে।

  • নির্বাচনে AI-এর প্রভাব ও উত্তরণের পথ

    নির্বাচনে AI-এর প্রভাব ও উত্তরণের পথ

    মোতাহের উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে গত ২২ জানুয়ারি থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করতে এবং রাজনৈতিক বৈধতা তুলে ধরতে অনলাইন ও অফলাইনে নির্বাচনী ইশতেহারভিত্তিক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই প্রচারণার সময়সীমা চলবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

    চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে নির্বাচন আর শুধু মাঠের মিছিল–সমাবেশে সীমাবদ্ধ নেই বরং তা বিস্তৃত হয়েছে ডিজিটাল স্পেসে। তবে এবারের নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত হয়েছে এক নতুন ও শক্তিশালী মাধ্যম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)।

    AI (Artificial Intelligence) এমন একটি প্রযুক্তি, যা মানুষের মতো সিদ্ধান্ত নিতে, লেখা ও ভিডিও তৈরি করতে এবং বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। নির্বাচনের ক্ষেত্রে এআই ব্যবহৃত হচ্ছে নানা ভাবে। রাজনৈতিক দলগুলো ভোটারদের বয়স, পেশা, আগ্রহ ও রাজনৈতিক মনোভাব বিশ্লেষণ করে লক্ষ্যভিত্তিক প্রচারণা চালাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই দিয়ে তৈরি লেখা, ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে প্রচারণাকে আরও গতিশীল ও আকর্ষণীয় করা হচ্ছে।

    এগুলোই নির্বাচনে এআই ব্যবহারের ইতিবাচক দিক। তবে এর পাশাপাশি রয়েছে কিছু গুরুতর নেতিবাচক দিক, যা গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগজনক।

    এআই এর সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক হলো ডিপফেক ও ভুয়া তথ্যের বিস্তার। ডিপফেকের মতো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই একজন ব্যক্তির কণ্ঠস্বর বা শারীরিক অবয়ব পরিবর্তন করা যায়। এর মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে অপতথ্য ও গুজব ছড়ানো সম্ভব হয়। যেহেতু এসব কনটেন্ট অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়, তাই সাধারণ মানুষের পক্ষে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে একটি গোষ্ঠী নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করে এবং প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অপপ্রচার চালায়।

    এর উদাহরণ হিসেবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একজন সেনা কর্মকর্তার একটি ভুয়া ভিডিওর কথা উল্লেখ করা যায়, যেখানে ওই কর্মকর্তাকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাতে দেখা যায়। আবার আরেকটি ভিডিওতে বিএনপির বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জায়মা রহমানকে তাঁর বাবার পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে প্রচারণা চালাতে দেখা যায়। পরবর্তীতে নিশ্চিত হওয়া যায়, এই ভিডিওগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা ডিপফেক কনটেন্ট।

    বাংলাদেশে সাধারণভাবে ডিজিটাল সাক্ষরতার হার তুলনামূলক কম হওয়ায় মানুষ এসব বানোয়াট কনটেন্টে সহজেই বিভ্রান্ত হচ্ছে। এর ফলে নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় ভুয়া তথ্য জনমত গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে, যা গণতন্ত্রের জন্য বড় হুমকি।

    তাহলে করণীয় কী?

    এআই-এর এই ডিজিটাল যুগে নিরাপদ থাকতে ডিজিটাল সাক্ষরতা ও জনসচেতনতার পাশাপাশি কার্যকর আইন প্রণয়ন অত্যন্ত জরুরি। যাতে ভুয়া কনটেন্ট নির্মাতারা আইনের আওতায় আসে এবং ভবিষ্যতে এমন অপব্যবহার রোধ করা যায়।

    বাংলাদেশের এআই-সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের আগে আন্তর্জাতিক কিছু উদ্যোগের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন।

    এআই-এর ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে মাইক্রোসফট, গুগল, মেটা এবং ওপেনএআইসহ ২০টি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘টেক অ্যাকর্ড’ নামে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, যেখানে নির্বাচনে এআই-এর ক্ষতিকর ব্যবহার রোধে কাজ করার অঙ্গীকার করা হয়।

    এ ছাড়া ‘C2PA স্ট্যান্ডার্ড’ নামে একটি ডিজিটাল জলছাপ বা কনটেন্ট ক্রেডেনশিয়াল ব্যবস্থা চালু হয়েছে, যার মাধ্যমে কোনো ছবি বা ভিডিও এআই দিয়ে তৈরি কি না, তা শনাক্ত করা যায়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ‘EU AI Act’ আইন পাস করেছে, যেখানে রাজনৈতিক প্রচারণায় এআই-এর ব্যবহার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

    বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এআই-এর নেতিবাচক প্রভাব কমাতে কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। ডিপফেক ও ভুয়া তথ্য ছড়ানো রোধে কঠোর আইন ও নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্টে বাধ্যতামূলকভাবে ‘AI Generated’ ট্যাগ বা ডিজিটাল জলছাপ ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

    একই সঙ্গে গণমাধ্যম ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে শক্তিশালী ফ্যাক্ট-চেকিং ইউনিট গঠন করতে হবে, যাতে ভুয়া তথ্য দ্রুত শনাক্ত ও প্রতিহত করা যায়। ভোটারদের শেখাতে হবে কীভাবে তথ্য যাচাই করতে হয়। “সবার আগে সত্যতা যাচাই”এই বার্তাকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে। পাশাপাশি মেটা, গুগল বা এক্সের মতো প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোকেও নির্বাচনের সময় অপপ্রচার রোধে আরও দায়বদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে।

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্বাচনী ব্যবস্থায় একদিকে সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে, অন্যদিকে সৃষ্টি করেছে নতুন হুমকি। এই প্রযুক্তিকে পুরোপুরি অস্বীকার করার সুযোগ নেই, আবার অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। সঠিক নীতিমালা, দায়িত্বশীল গণমাধ্যম এবং সচেতন নাগরিক এই তিনের সমন্বয়ই পারে এআইকে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি নয়, বরং একটি সহায়ক শক্তিতে রূপ দিতে।

     

  • কুবিতে যুক্ত হলো নতুন তিনটি বাস

    কুবিতে যুক্ত হলো নতুন তিনটি বাস

    সানজানা তালুকদার, কুবি প্রতিনিধি:

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পরিবহন পুলে যুক্ত হয়েছে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার উপহার দেওয়া নতুন তিনটি বাস।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বাস তিনটি ক্যাম্পাসে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।

    জানা যায়, ২০২৫ সালের ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার প্রথম প্রতিরোধ—১১ জুলাই নিয়ে স্মৃতির মিনার’ শীর্ষক স্মরণসভায় সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া এই তিনটি বাস উপহার দেওয়ার ঘোষণা দেন। পরবর্তীতে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বাসগুলো প্রস্তুত করা হয় এবং সবশেষে সোমবার সেগুলো ক্যাম্পাসে পৌঁছায়।

    এ বিষয়ে পরিবহন পুলের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, “নতুন তিনটি বাস আজ ক্যাম্পাসে পৌঁছেছে। উপাচার্যের অনুমতিক্রমে আগামীকাল বাসগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পরিকল্পনা রয়েছে। এরপরে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাসগুলো চলাচল শুরু করবে।”

     

  • দুমকিতে ধানের শীষের নির্বাচনী বৈঠক

    দুমকিতে ধানের শীষের নির্বাচনী বৈঠক

    সাকিব হোসেন, দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ (মির্জাগঞ্জ, দুমকি ও সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস-মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রতি ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে দুমকি উপজেলার একে মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ধানের শীষের সমর্থনে আয়োজিত এক নির্বাচনী উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

    উপজেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মজিবুর রহমান‘র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংসু সরকার কুট্টি, সাধারণ সম্পাদক এড. মজিবুর রহমান টোটন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মাকসুদ আহমেদ খান বায়েজীদ পান্না, বিএনপি নেতা এড. ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিচ জাহান শিরিন, সাবেক জেলা প্রশাসক জব্বার ফারুক প্রমূখ বক্তৃতা করেন।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: খলিলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম মৃধা, সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জসিম হাওলাদারসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সঞ্চালনা করেন বিএনপি নেতা মতিউর রহমান দিপু।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, জনগণের ঐক্যবদ্ধ সমর্থনের মাধ্যমেই দেশে সুশাসন ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব। এজন্য তিনি সবাইকে ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

  • বানারীপাড়ায় সরকারি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশনের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় সরকারি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশনের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    মোঃ সাইফুল ইসলাম মিয়া, বানারীপাড়া প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন (পাইলট) স্কুলের ১৩৮তম বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা-২০২৬ রবিবার (২৬ জানুয়ারি) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বায়েজিদুর রহমান।

    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণকান্ত হাওলাদার-এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জি. এম. এ মুনিব, বানারীপাড়া থানার ওসি (তদন্ত) শতদল মজুমদার, বানারীপাড়া পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম, ছাত্র প্রতিনিধি মোঃ সাব্বির হোসেন, সিনিয়র সাংবাদিক রুমি সাইদ ও সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম মিয়া।

    এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    দিনব্যাপী আয়োজিত ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন পরিবেশে বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়, যা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণকে উৎসবের রঙে রাঙিয়ে তোলে।

     

  • চুনারুঘাটে এ.কে. ফাউন্ডেশনের বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান

    চুনারুঘাটে এ.কে. ফাউন্ডেশনের বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান

    এম এস জিলানী আখনজী, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:

    এ.কে. ফাউন্ডেশন”-এর উদ্যোগে গরিব ও অসহায় চক্ষুরোগীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দিনব্যাপী চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারী) সকাল ৯টায় হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ১নং গাজীপুর ইউনিয়নের ডুলনা চৌধুরী বাড়ীতে চক্ষু শিবিরের উদ্বোধন করা হয়।

    চক্ষু শিবিরের উদ্বোধন করেন গাজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী। এতে সভাপতিত্ব করেন ফ্রান্স প্রবাসী মোঃ রুমান চৌধুরী।

    ডুলনা ইয়াং স্টার সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা ও এ.কে. ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, লন্ডন প্রবাসী ব্যারিস্টার আশরাফুল আলম চৌধুরীর সার্বিক সহযোগিতায় সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৬ জন অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা প্রায় ৮’শত সুবিধাবঞ্চিত রোগীকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছানিপড়া রোগীদের চিকিৎসা দেন।

    প্রায় ৮’শত রোগীকে প্রাথমিক ভাবে ঔষধ, চশমা ও ড্রপ সরবরাহ করা হয়। পরীক্ষার পর ৬০ জন ছানিপড়া রোগীকে অপারেশনের জন্য বাছাই করে মৌলভীবাজার বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ পর্যন্ত এ সংগঠনের উদ্যোগে প্রায় ৪ হাজার থেকে সাড়ে ৪ হাজার রোগী চিকিৎসা সেবা পেয়েছেন এবং ৩’শত ৩০-এর অধিক দরিদ্র গ্রামীণ রোগীর সফল ক্যাটারাক্ট (এসআইসিএস) অপারেশন ও লেন্স স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে।

    অনুষ্ঠানটি ডুলনা ইয়াং স্টার সোসাইটির সভাপতি ইস্তেহাক আহমেদ চৌধুরী লিমানের পরিচালনায় এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ১নং গাজীপুর ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মীর শওকত আলী সেলিম, ২নং আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল হাসান শামীম, স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক চৌধুরীসহ এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- আহাদ জমাদার, সেলিম জমাদার, পল্লী চিকিৎসক আলমগীর হোসেন, ১নং গাজীপুর ইউনিয়নের ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান রিয়াদ ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল জমাদার, মোমিন মেকানিক, সাব্বির চৌধুরী, আরিফ আহমেদ, বাছির জমাদার,জামাল চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

     

  • নড়াইল-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর বিশাল জনসভা

    নড়াইল-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর বিশাল জনসভা

    আল শাহরিয়া আমিন, নড়াইল প্রতিনিধি:

    আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল- ১ আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ওবাইদুল্লাহ কায়সার এর বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৭ তারিখ) বিকাল ৩ টার সময় শেখহাটি বাজারে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এই জনসভায় উপস্থিত ছিলেন নড়াইল- ১ আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ওবাইদুল্লাহ কায়সার , জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আইয়ুব হোসেন খান, শিবিরের জেলা সেক্রেটারি তাজ মোহাম্মাদ , জামায়াতের সদর উপজেলা আমির আব্দুল্লাহ আল আমিন, সেক্রেটারি মাও : রফিকুল ইসলাম,শিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি মো: আব্বাস আলী এবং ১০ দলীয় জোট ও জেলা, উপজেলা, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    এসময় নেতারা বলেন,জনগণ যদি আমাদের কে দেশের সেবা করার সুযোগ দেয় তাহলে বেকার যুবকদের দক্ষতা অনুযায়ী কর্মস্থার ব্যাবস্হা করবো এবং কৃষক, শ্রমিক এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে ১০ হাজার থেকে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সুদ বিহীন ঋণ প্রদান করবো।

    এই জনসভার সভাপতিত্ব করেন হাফেজ আসলাম হোসাইন তার বক্তব্য এবং দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

  • কক্সবাজারে অস্ত্র-মাদক দিয়ে গণমাধ্যমকর্মীকে ফাঁসানোর অভিযোগ

    কক্সবাজারে অস্ত্র-মাদক দিয়ে গণমাধ্যমকর্মীকে ফাঁসানোর অভিযোগ

    শাহারিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী, কক্সবাজার সদর প্রতিনিধিঃ

    কক্সবাজারের গণমাধ্যমকর্মী আরাফাত সানিকে অস্ত্র ও মাদক দিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে।

    সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে শহরে জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক মানববন্ধনে আরফাত সানির অবিলম্বে ২৪ ঘন্টার মধ্যে মুক্তি চাওয়ার পাশাপাশি এঘটনায় স্বাধীন তদন্ত দাবি করা হয় অনথায় কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

    ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন কক্সবাজার (ক্র‍যাক) আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ‘ দৈনিক যায়যায়দিনের টেকনাফ প্রতিনিধি আরফাত সানিকে অস্ত্র-মাদক দিয়ে নাটক সাজিয়ে অন্যায়ভাবে আটক করা হয়েছে, ২৪ ঘন্টার মধ্যে তাকে মুক্তি দিতে হবে সে নিরপরাধ। ‘

    ক্র‍যাক সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরফাত সানির নাম ছিলো না। একই ঘটনায় পরবর্তীতে সানিকে পরিকল্পিতভাবে আটক দেখিয়ে কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে বিবৃতি দেয়া হয়। ‘

    কোস্টগার্ডের সংবাদ বর্জনের ঘোষণা দিয়ে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও চ্যানেল ২৪ এর কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি আজিম নিহাদ বলেন, ‘ আমাদের সহকর্মী আরফাত সানিকে অন্যায়ভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তার মুক্তি না পর্যন্ত আমরা থামছি না প্রয়োজনে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। ‘

    কক্সবাজার সাংবাদিক সংসদের সভাপতি আব্দুল আজিজ রাসেল, সাধারণ সম্পাদক বলরাম দাশ অনুপম, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি তৌহিদ বেলাল, উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি জসিম উদ্দিন আজাদ সহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরা বক্তব্য রাখেন।

    এছাড়াও কর্মসূচিতে বক্তব্যকালে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ হোসাইন পুরো ঘটনাটি স্বাধীনভাবে তদন্তের জন্য সরকারের উচ্চমহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    এসময় সংহতি জানিয়ে জেলা বিএনপি নেতা আশরাফুল হক হুদা সিদ্দিকী জামশেদ, এনসিপির জেলা যুগ্ম আহবায়ক ও জুলাইযোদ্ধা খালিদ বিন সাঈদ, জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ইউসুফ বিন নুরী সহ বক্তব্য রাখেন অনেক।

    আরাফাত সানির স্ত্রী মানববন্ধনে বলেন, আমার স্বামী দীর্ঘদিন সীমান্ত জনপদ টেকনাফে ঝুঁকি নিয়ে সাংবাদিকতা করে আসছে। ইতোপূর্বে তার অবস্থান ও বেশকিছু নিউজ বিভিন্ন বাহিনীর বিতর্কিত অভিযানের বিরুদ্ধে ছিলো। সেকারণে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিশোধ নিতে গিয়ে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তাকে আটকের পর অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছে।’

    প্রসঙ্গত, গতকাল রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে আরফাত সানিকে কক্সবাজার আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন। আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যানে তোলার আগ-মুহুর্তে ধারণকৃত আরফাত সানির একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তাকে বলতে শোনা যায় – আমি একজন গণমাধ্যমকর্মী দেশের পক্ষে থাকায় আমাকে ফাঁসানো হয়েছে, আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।’

  • কক্সবাজারে রামুতে অটো চালককে জবাই করে হত্যা

    কক্সবাজারে রামুতে অটো চালককে জবাই করে হত্যা

    শাহারিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী, কক্সবাজার সদর প্রতিনিধি:

    রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়া সংলগ্ন একটি বিলের মাঝখান থেকে জবাই করা অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

    স্থানীয়দের জানান, নিহত ব্যক্তির বাড়ি রামুর পানিরছড়া এলাকায়। তিনি পেশায় একজন টমটম চালক ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন এলাকাবাসী। মরদেহটি বিলে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নেয়। প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কী কারণে এবং কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

    তবে অজ্ঞাত ব্যক্তির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি তার বাড়ি রশিদ নগর এলাকায় বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রামু থানা ওসি, তিনি জানান
    ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে।

  • বরিশালে ২১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    বরিশালে ২১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    মাহবুব হাসান, নলছটি প্রতিনিধি:

    বরিশাল জেলার মেহেন্দীগঞ্জে নয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) এই আদেশ দেন বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ শেখ ফারুক হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী কামরুল ইসলাম।

    এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছিলেন দুদকের বর্তমান কেন্দ্রীয় দপ্তরের উপ-পরিচালক ও বরিশালের সাবেক সহকারী পরিচালক হাফিজুর রহমান। তিনি ২০২০ সালের ৯ ডিসেম্বর মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ওই নয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

    গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন পুতুল রানী মন্ডল, কল্যানী দেবনাথ, গোলাপী রানী, সাবনিন জাহান, সুরাইয়া সুলতানা, সুবর্ণা আক্তার, কাওসার হোসেন, মো. মনিরুজ্জামান, ফাতেমাতুজ হোজরা, রোকসানা খানম, শহিদুল ইসলাম, রেশমা আক্তার, রহিমা খাতুন, আকতার হোসেন খোকন, নাছরিন, মনির হোসেন, রেহেনা পারভীন, আহসান হাবীব, সামসুন্নাহার, আক্তারুজ্জামান মিলন ও মনিরুজ্জামান।

    বেঞ্চ সহকারীর মতে, মেহেন্দীগঞ্জের নয়টি কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়েছিল। অভিযুক্ত শিক্ষকরা ভুয়া রেকর্ডপত্রকে সঠিক হিসেবে ব্যবহার করে নিয়োগ দেখিয়ে ১ কোটি ১৫ লাখ ২৯ হাজার ৩১৮ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

    দুদক কর্মকর্তা রাজ কুমার সাহা গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর চার্জশিট আদালতে জমা দেন। আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে ২১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

    এই মামলার জটিলতায় স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থা ও প্রশাসনও সংবেদনশীল অবস্থায় রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয়করণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের তদারকি ও স্বচ্ছতা বাড়ানো প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের দুর্নীতি প্রতিরোধ করা যায়।

    গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান শুরু করতে পারে। মামলার পরবর্তী শুনানি ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে অনুসরণ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • কালকিনিতে হাতপাখা প্রতীকের নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত

    কালকিনিতে হাতপাখা প্রতীকের নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত

    আরাফাত হোসেন, কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধিঃ

    ​মাদারীপুর-৩ আসনের লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নস্থ সূর্যমনি বাজারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা এস,এম আজিজুল হক-এর নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ মঙ্গরবার বিকালে ​লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মোঃ ইয়াছিন মল্লিক-এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা এস,এম আজিজুল হক।

    ​বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মেহেদী হাসান (সভাপতি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, কালকিনি উপজেলা),
    ​মহিউদ্দিন হাওলাদার (সদস্য সচিব, নির্বাচন পরিচালনা কমিটি, মাদারীপুর-৩), মাওলানা তামিম হুসাইন (জয়েন্ট সেক্রেটারি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, কালকিনি পৌরসভা।

    সভায় বক্তারা আগামী নির্বাচনে দেশ ও মানুষের কল্যাণে হাতপাখা প্রতীকে ভোট দিয়ে মাওলানা এস,এম আজিজুল হককে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান।

  • ঝালকাঠি জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি জেলা পুলিশের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    মাহবুব হাসান, নলছটি প্রতিনিধি:

    পুলিশ সুপার, ঝালকাঠি মহোদয়ের কার্যালয়ে ডিসেম্বর/২০২৫ খ্রিঃ মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপততিত্ব করেন জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার, ঝালকাঠি মহোদয়। সভায় পুলিশ সুপার মহোদয় অত্র জেলার সকল থানার মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে অবগত হন।

    উক্ত সভায় ঝালকাঠি জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, কমিউনিটি পুলিশিং ও বিট পুলিশিং সেবার মাধ্যমে সাধারণ জনগণকে সচেতনকরণ, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল, তদন্তাধীন মামলা সমূহ বিশ্লেষণ করা সহ তদন্তের মান বৃদ্ধি এবং তদন্তে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে পুলিশ সুপার মহোদয় দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এসময় তিনি, মামলা তদন্ত, ওয়ারেন্ট তামিল, সিডিএমএস ব্যবস্থাপনা, মাদক উদ্ধার, চুরি, দস্যুতা, ইভটিজিং, জঙ্গীবাদ, সাইবার ক্রাইম, বাল্য বিবাহ, কিশোর অপরাধ, পারিবারিক সহিংসতা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ সমসাময়িক বিভিন্ন সমস্যা, আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এসময় জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), ঝালকাঠি মহোদয়, জনাব এস.এম বায়জীদ ইবনে আকবর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), ঝালকাঠি মহোদয়, জনাব মোঃ শাহ্ আলম, সহকারী পুলিশ সুপার (রাজাপুর সার্কেল), ঝালকাঠি মহোদয়সহ জেলা পুলিশের সকল থানা ও তদন্ত কেন্দ্রের ইন-চার্জগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • ধানের শীষকে সমর্থন জানালেন ৩ শতাধিক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী

    ধানের শীষকে সমর্থন জানালেন ৩ শতাধিক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী

    সাইফুর রহমান লিওন, শরীয়তপুর প্রতিনিধি: 

    শরীয়তপুর-৩ (ডামুড্যা-গোসাইরহাট-ভেদরগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি সমর্থন জানিয়ে আওয়ামী লীগের প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গোসাইরহাট উপজেলার নলমুড়ি ইউনিয়নের হাঁটুরিয়া বাজারে অনুষ্ঠিত এক সভায় নলমুড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজহার হোসেন সরদারের নেতৃত্বে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে অপুর প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেন।

    সমর্থন জানিয়ে নেতাকর্মীরা বলেন, এলাকার উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ রাজনীতির স্বার্থে তারা একজন সৎ ও জনবান্ধব নেতার পাশে থাকতে চান।

    এ সময় মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেন, ক্ষমতার রাজনীতি নয়, মানুষের অধিকার ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই তার লক্ষ্য। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি শান্তিপূর্ণ ও উন্নত শরীয়তপুর গড়তে তিনি কাজ করতে চান।

    অনুষ্ঠানে জেলা ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

  • পুঠিয়ায় জামায়াত প্রার্থী মনজুর রহমানের গণসংযোগ

    পুঠিয়ায় জামায়াত প্রার্থী মনজুর রহমানের গণসংযোগ

    পুঠিয়া (রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহী-৫ (দুর্গাপুর–পুঠিয়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দলীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা মনজুর রহমান এবার নারী ভোটারদের সমর্থন, দোয়া ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট চেয়ে গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। দীর্ঘদিন পরে এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থীকে পেয়ে নারী ভোটাররাও এক ধরনের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে।

    গণসংযোগ চলাকালীন এলাকার উন্নয়নে ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ ও চমকপ্রদ পরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং সাধারণ নারী ভোটারদের সাথে সালাম ও কুশলাদি বিনিময় করেন। এ সময় এলাকার সাধারণ পরিবারের নারী ভোটাররা জামায়াত নেতা মাওলানা মনজুর রহমানকে দেখতে ও তাঁর সাথে কুশলাদি বিনিময় করতে ভিড় জমান।

    সোমবার দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে মাওলানা মনজুর রহমান রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার পীরগাছা বাজার, বারুইপাড়া, কান্দ্রা, তারাপুর ও গুচ্ছগ্রামসহ ওই ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গিয়ে সাধারণ পুরুষ ভোটারদের পাশাপাশি নারী ভোটারদের সাথেও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং উপস্থিত নারী-পুরুষ ভোটারদের এলাকার উন্নয়নে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া মনযোগ দিয়ে শুনেন। এ সময় তিনি তাদের এলাকা থেকে শুরু করে পারিবারিক ও সাংসারিক খোঁজখবর নেন এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে দেশ ও দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে নিজের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    গণসংযোগকালে জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থী মাওলানা মনজুর রহমান বলেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে আমি এই আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ন্যায় ও ইনসাফ বজায় রেখে নিরলস ভাবে কাজ করবো। তাই আপনারা নিরাপদে ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবেন। আপনাদের কেউ বাধা দিবেনা। কেননা আপনার একটি ভোট রাষ্ট্রের পবিত্র আমানত। অবহেলিত সমাজ বিনির্মাণে সঠিক নেতৃত্ব বেছে নিতে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করবেন। আমি আপনাদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হলে আপনাদের প্রতিনিধি হিসেবে মহান জাতীয় সংসদে ও সরকারের কাছে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও আপনাদের জীবনমান উন্নয়নের কথা তুলে ধরবো।

    একই সঙ্গে অবাধ, সুষ্ঠ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনের দায়িত্বে নিযুক্ত কর্মকর্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সহ আপনাদের সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

    মাওলানা মনজুর রহমানের সাথে গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন, পুঠিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ইউসুফ আলী মির্জা, পুঠিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন, পৌর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আহাদ আলী মন্টু ও জামায়াত নেতা আব্দুল মজিদসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা।

    জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, সরাসরি সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিভিন্ন সমস্যা ও তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থী মাওলানা মনজুর রহমান ও দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লার প্রতি সাধারণ ভোটারদের আস্থা ও আগ্রহ বেড়েছে। ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে জামাতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থীর বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে বলেও দলীয় নেতাকর্মীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • ঈদগাঁওয়ে সেনাবাহিনীর অভিযানে ১০টি বার্মিজ গরু জব্দ

    ঈদগাঁওয়ে সেনাবাহিনীর অভিযানে ১০টি বার্মিজ গরু জব্দ

    মোহাম্মদ সেলিম, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ

    কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে সেনাবাহিনীর অভিযানে মায়ানমার থেকে পাচার হয়ে আসা ১০টি বার্মিজ গরু জব্দ হয়েছে।পরে জব্দকৃত গরু গুলো বিজিবির নিকট হস্তান্তর করা হয়।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের কালিরছড়ার অপরাধ জোন খ্যাত পাহাড়ী গহীন বন এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইসলামাবাদ অস্থায়ী সেনা ক্যাম্প ইনচার্জ মেজর কাজী ইনতিসার সালিম এর নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি দল উক্ত এলাকায় অপরাধীচক্রের আস্তানায় অভিযানে যায়। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পাচার হয়ে আসা গরুর পাল ফেলে পাচারকারী চক্র পালিয়ে যায়।এসময় ১০টি গরু জব্দ করা হয়।

    অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে মেজর ইনতিসার সালিম বলেন, সেনা অভিযান টের পেয়ে অপরাধিচক্র পালিয়ে যায় এবং এসময় অবৈধভাবে পাচার হয়ে আসা ১০ টি গরু জব্দ করে রামু ৩০ বিজিবির নিকট হস্তান্তর করা হয়। তবে সামাজিক মাধ্যমে গরুর সাথে সাতজন আটক ও ট্রাক জব্দের ভুল তথ্য উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে জানান।

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় সুখবর

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় সুখবর

    বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপি ভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশিত হয়েছে। সংশোধিত নীতিমালায় একজন শিক্ষক সমগ্র চাকরি জীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। বদলির ক্ষেত্রে চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে নীতিমালায়।

    মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহেনা পারভিন স্বাক্ষরিত নীতিমালা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। নীতিমালা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

    সংশোধিত নীতিমালায় বলা হয়েছে একজন শিক্ষক কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলি হওয়ার সুযোগ পাবেন।

    একটি শূন্য পদের জন্য একাধিক আবেদন পাওয়া গেলে নিম্নোক্ত অগ্রাধিকার বিবেচনা করতে হবে
    ক)নারী খ)দূরত্ব গ)স্বামী /স্ত্রীর কর্মস্থল (সরকারি /আধা সরকারি /স্বায়ত্তশাসিত / এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান) ঘ)জ্যেষ্ঠতা :চাকরির জ্যেষ্ঠতা সর্বশেষ জারিকৃত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী গণনা করা হবে।

    একটি পদের জন্য প্রতিযোগী সব আবেদনকারীর কর্মস্থল একই উপজেলায় হলে তাদের বর্তমান কর্মস্থল যে উপজেলায় সে উপজেলার কেন্দ্রের দূরত্ব পরিমাপপূর্বক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে। একটি পদের জন্য প্রতিযোগী আবেদনকারী বিভিন্ন উপজেলার হলে তাদের কর্মস্থল যে জেলায় সে জেলার কেন্দ্র হতে কাঙ্খিত জেলার কেন্দ্রের দূরত্ব পরিমাপ পূর্বক অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে।

    নীতিমালায় বলা হয়েছে একটি পদের জন্য প্রতিযোগী আবেদনকারীর কর্মস্থল ভিন্ন জেলায় হলে তাদের নিজ জেলার কেন্দ্র হতে কাঙ্খিত জেলার কেন্দ্রের দূরত্ব পরিমাপ করতে হবে।