পারভেজের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে আরব আমিরাতের বিপক্ষে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

বাকিরা যখন ছিলেন আসা-যাওয়ার মধ্যে, তখন থিতু হলেন পারভেজ ইমন। লড়লেন একাই। সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে গড়লেন রেকর্ডও।

যদিও দল দুইশ’ সংগ্রহ ছাড়াতে পারেনি।

জবাব দিতে নেমে ভালোই লড়েছে আরব আমিরাত। তবে জয় তুলে নিতে পারেনি, হারতে হয়েছে ২৭ রানে।

শারজাহতে শনিবার প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠায় আমিরাত। আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। যা তাড়ায় নেমে ১৬৪ রানের বেশি করতে পারেনি স্বাগতিকরা। হারায় সবগুলো উইকেট।

দ্বিতীয় ওভারে তানজিদ হাসান তামিমকে (১০) হারিয়ে শুরু হয় বাংলাদেশের ইনিংস। সদ্য অধিনায়ক হওয়া লিটন দাস তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি।

স্রেফ ১১ রান আসে তার ব্যাট থেকে। চারে নেমে তাওহীদ হৃদয়ের অবস্থাও হয় একই। ১৫ বলে ২০ রান করে তিনি বিদায় নেন। ২ রান করে ফেরেন শেখ মাহেদিও।

লড়তে থাকা ইমন ২৮ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়ে এগোতে থাকেন শতকের দিকে। এর মধ্যে জাকের আলি অনিক এতে ১৩ রানে বিদায় নেন। আর ৬ রান করে এলবিডব্লিউ হন শামিম পাটোয়ারী।

১৯তম ওভারের শেষ বলে ইতিহাস গড়েন ইমন। স্রেফ ৫৩ বলে সেঞ্চুরি করেন তিনি। তামিমের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এই মাইলফলক অর্জন করেন এই ব্যাটার।

তবে সাবেক এই ওপেনার থেকে দ্রুততম ছিলেন ইমন। যদিও পরের ওভারে বিদায় নেন তিনি। তার ৫৪ বলে ১০০ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৫ চার ও ৯ ছক্কায়। আমিরাতের হয়ে ৪ উইকেট নেন মোহাম্মদ জাওয়াদউল্লাহ।

রান তাড়ায় নেমে ওপেনার মোহাম্মদ জোহাইবকে (৯) হারায় আমিরাত। এরপর তিনে নামা আলিসান শারাফু স্রেফ ১ রান করে বিদায় নেন।

শুরুর এই ধাক্কা দ্রুত সামলে নেন মোহাম্মদ ওয়াসিম। তাকে সঙ্গ দেন রাহুল চোপড়া। তৃতীয় উইকেটে তারা গড়েন ৬২ রানের জুটি। ওয়াসিমকে বিদায় করে এই জুটি ভাঙেন তানজিম হাসান সাকিব। ৩৯ বলে ৫৪ রান করে ফেরেন আমিরাত ওপেনার।

নিজের পরের ওভারে রাহুলকেও ফেরান সাকিব। ২২ বলে ৩৫ রান করেন আমিরাতের এই ব্যাটার। এরপর আসিফ খান ছাড়া কেউ দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি।

২১ বলে ৪২ রান করা আসিফ শিকার হন হাসান মাহমুদের। ৩ উইকেট শিকার করেন এই পেসার। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন মোস্তাফিজ, সাকিব ও মাহেদি।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *