Author: নিজস্ব প্রতিবেদক :

  • হাইকোর্টের সামনে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের অবস্থান

    হাইকোর্টের সামনে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের অবস্থান

    দেশের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থামছে না।  ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের অবৈধ রিট বাতিলের দাবিতে হাইকোর্টের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।

    রোববার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে হাইকোর্টের মাজার গেটের সামনে তারা অবস্থান করছেন।

    শিক্ষার্থীরা বলছেন, আজ ক্রাফট ইনস্ট্রাক্টরদের মামলার শুনানি। এ রিট বাতিলের দাবিতে হাইকোর্টে প্রাঙ্গণে কারিগরি ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ অবস্থান করছে।

    এর আগে শনিবার (১৭ মে) ঢাকা পলিটেকনিক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ ঘোষণা দেন। পাশাপাশি তাদের ছয় দফার দাবি জানানো হবে।

    কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি একই সঙ্গে সারা দেশের সব পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা নিজ ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে।

    ছয় দফা দাবিতে বেশ কিছু দিন ধরে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে আসছেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। এসব কর্মসূচির মধ্যে ছিল ‘শাটডাউন’ সড়ক, মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ, ‘রেল ব্লকেড’ বা রেলপথ অবরোধ।

    পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ছয় দফা দাবিগুলো হলো: জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টরদের ৩০ শতাংশ পদোন্নতি কোটা বাতিল করতে হবে।

    এ ছাড়া জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর পদে ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টরদের পদোন্নতির রায় বাতিল, ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টরদের পদবি পরিবর্তন, মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চাকরিচ্যুত, ২০২১ সালে নিয়োগ পাওয়া ক্র্যাফট ইনস্ট্রাক্টরদের নিয়োগ বাতিল এবং সেই বিতর্কিত নিয়োগবিধি অবিলম্বে সংশোধন করতে হবে।

  • নগর ভবনে টানা চতুর্থ দিনের মতো ইশরাক সমর্থকদের বিক্ষোভ

    নগর ভবনে টানা চতুর্থ দিনের মতো ইশরাক সমর্থকদের বিক্ষোভ

    বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণার দাবিতে লাগাতার কর্মসূচি পালন করছেন তার সমর্থকরা। ‘ঢাকাবাসীর’ ব্যানারে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নেন ইশরাক হোসেনের কর্মী সমর্থক ও দক্ষিণ সিটির সাধারণ ভোটাররাও।

    আজও (১৮ মে) চতুর্থ দিনের মত ঢাকা দক্ষিণ সিটির নগর ভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংঠনের নেতাকর্মীরা।

    বিক্ষোভের অংশ হিসেবে নগর ভবনে মূল ফটকে তালা দেওয়াসহ প্রতিটি রুম ও লিফট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শতশত বিক্ষোভকারীরা নগর ভবনের সামনেরর মূল সড়কে বসে স্লোগানে স্লোগানে বিক্ষোভ করছেন।

    এ সময় একটি মিছিল নিয়ে নগর ভবন থেকে সচিবালয়ের দিকে গিয়ে বিক্ষোভকারীরা সরকারের সমবায় বিভাগের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া পদত্যাগসহ নানান স্লোগান দিতে থাকেন। ইশরাক হোসেনকে মেয়র ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে এবং নগর ভবনে তালা ঝুলিয়ে রাখা হবে জানান বিক্ষোভকারীরা।

    এর আগে সকাল ৯টা থেকে প্লাকার্ড, ব্যানার নিয়ে নগর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে বিক্ষোভ শুরু করেন ইশরাক হোসেনের হাজারো সমর্থক। এ সময় তারা ইশরাককে মেয়র করো, ইশরাক তোমার ভয় নাই নগরবাসী তোমার সাথে, শপথ নিয়ে টালবাহানা চলবে না চলবে না, ঢাকাবাসীর এ্যাকশন, ডাইরেক্ট এ্যাকশন ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

    ৩৩ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি আবদুর রহমান বলেন, ইশরাক জনতার মেয়র। তাকে নিয়ে টালবাহানা চলছে। আমরা চাই দ্রুত মেয়র হিসেবে ঘোষনা দেওয়ার। নগর ভবনের বিক্ষোভে বিএনপি, যুবদল, কৃষক দলসহ দলের অন্যন্য সংহগঠন যুক্ত  হয়েছেন।

    নগর ভবনের সামনে বিক্ষোভকারীদের অবস্থনের ফলে গুলিস্তান, ফুলবাড়িয়া ও বঙ্গমার্কেটের সামনে শতশত গাড়ি আটকা পড়ছে।

  • মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর জন্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি

    মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর জন্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি

    মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজারে আবারও সিন্ডিকেট করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) সদস্যরা। অনিয়মকে প্রশ্রয় না দিয়ে নিয়মতান্ত্রিকভাবে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন তারা।

    আজ (সোমবার) সকালে প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই স্মারকলিপি দিয়েছেন বায়রার সদস্যরা। পরে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সামনে মানববন্ধন করেন তারা।

    মানববন্ধনে বায়রার সহ-সভাপতি রিয়াজ উল ইসলাম বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার সিন্ডিকেট করে হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। এই সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা এখনও চলছে। এই সিন্ডিকেট রুখে দিতে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সমঝোতা চুক্তিতে পরিবর্তন এনে পুনরায় শ্রমবাজার উন্মুক্ত করতে হবে। এ ছাড়া সিন্ডিকেট হোতাদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে তাদের বিচার কার্যকর করতে হবে।

    বক্তারা জানান, গত সরকারের সময় তৎকালীন মন্ত্রী, এমপি ও প্রভাবশালী নেতাদের প্রশ্রয়ে পলাতক রুহুল আমিন স্বপনের নেতৃত্বে ওই সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে। বর্তমানে বিদেশে বসেই তারা ওই সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।

    তারা জানান, এই সিন্ডিকেটে মূল হোতাদের মধ্যে রয়েছেন গত সরকারের উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, আমিন নুর, সাবেক অর্থমন্ত্রী লোটাস কামাল, সাবেক এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারি, সাবেক এমপি লে. জেনারেল মাসুদ, সাবেক এমপি বেনজির আহমেদ, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতি মোহাম্মদ আবুল বাশার, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পিএস আলাউদ্দিন চৌধুরী নাসিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন মহি ও বায়রার সাবেক ইসি সদস্য কাজী মফিজুর রহমান।

    বিগত সিন্ডিকেটের দুর্নীতি উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, ৮ লাখ কর্মীর কাছ থেকে টিকিট ভিসাসহ অতিরিক্ত আদায় করেছে ১২ হাজার কোটি টাকা। এ টাকার ভাগ তৎকালীন মন্ত্রী, এমপি ও প্রভাবশালী নেতাদের দেওয়া হয়েছে। ২৫ লাখ যাত্রীর কাছ থেকে মেডিকেল স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাবদ আদায় করেছে ৭৫০ কোটি টাকা। সিন্ডিকেটের লাইসেন্স পেতে এজেন্সি প্রতি দিতে হয়েছে ন্যূনতম ৫ কোটি টাকা।

    একই জায়গায় (প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামনে) বায়রার সদস্যদের আরেকটি অংশের মানববন্ধন থেকে মালয়েশিয়াসহ বন্ধ সব শ্রমবাজার চালুর জন্য সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানানো হয়।

  • একাত্তরে পালিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেতারা, চব্বিশেও: মির্জা ফখরুল

    একাত্তরে পালিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেতারা, চব্বিশেও: মির্জা ফখরুল

    মুক্তিযুদ্ধকে অনেকেই ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, একাত্তরে হত্যাযজ্ঞে সহযোগীরা এখন গলা ফুলিয়ে কথা বলেন। এ ছাড়া সেসময় মানুষকে অরক্ষিত রেখে আওয়ামী লীগ নেতারা পালিয়ে গিয়েছিলেন মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।
    মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) দুপুরে মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অনেকেই মুক্তিযুদ্ধকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পাকিস্তান গণহত্যার জন্য এখন পর্যন্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেনি। এ ছাড়া যারা হত্যাযজ্ঞে সহযোগিতা করেছেন, তারা এখন গলা ফুলিয়ে কথা বলছেন। কিন্তু ইতিহাসকে কেউ বিকৃত করতে পারবে না।’
    বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। মানুষকে অরক্ষিত রেখে কোনো দিকনির্দেশনা না দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা পালিয়ে গিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের আগস্টেও তারা তাদের নেতাকর্মীদের রেখে হেলিকপ্টারে ভারতে পালিয়ে গেছেন। ‘আওয়ামী লীগ কখনো গণতন্ত্রে বিশ্বাস করতো না। আওয়ামী লীগকে আর কোনো গণতান্ত্রিক সুবিধা দেয়ার কথা চিন্তা করতে পারি না’, যোগ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।’
    তিনি বলেন, ‘৭১- এর সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা বেগম খালেদা জিয়া। যারা এই ইতিহাস জানেন না, তারাই জিয়াউর রহমানের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। সংস্কার কোনো নতুন জিনিস নয় মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার সংস্কারের পাহাড় নিয়ে এসেছে। এর অনেক কিছুই জনগণ বোঝে না। বিএনপি এর প্রত্যেকটা নিয়ে মতামত দিয়েছে দেশের মানুষের কাছে। প্রথম সংস্কার নিয়ে এসেছেন জিয়াউর রহমান। এরপরে মৌলিক সংস্কার করেছেন খালেদা জিয়া। এবারও রাষ্ট্র সংস্কারে ৩১ দফার সংস্কারের প্রস্তাবনা দিয়েছে বিএনপি।’
    তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। গণতন্ত্রে প্রবেশ করতে নির্বাচন লাগবে। নির্বাচন পিছিয়ে দিতে নতুন করে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কুতুব তৈরি হয়েছে, তারা বাংলাদেশকে নৈরাজ্যের দিকে নিতে চায়। সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত হতে দিতে পারি না।’
    এসময় সেনাবাহিনীকে নিয়ে কোনো ধরনের বিতর্ক না ছড়ানোর আহ্বান জানান ফখরুল। বলেন, সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করা হচ্ছে। যা মেনে নিতে পারি না।
    নেতাকর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘এমন কোনো কথা যেন না শুনতে হয় যে বিএনপি খারাপ কিছু করছে। যারা ১০০ গাড়ি নিয়ে শোডাউন করে তারা কী করবে তা বোঝা যাচ্ছে। তাই নিজেরা সতর্ক থাকুন।’
    অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্টজন, বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
  • বাংলাদেশে এখনো ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যায়নি: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

    বাংলাদেশে এখনো ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যায়নি: ড. মুহাম্মদ ইউনূস

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য ছিল একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে আইনের শাসন থাকবে, মানুষের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত হবে এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে।

    কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে এখনো ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যায়নি। দীর্ঘদিন ধরে এদেশের মানুষকে তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। দুর্নীতি, লুটপাটতন্ত্র ও গুম-খুনের রাজত্ব চালিয়ে দেশে একটি ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    বক্তব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধে সব বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধান উপদেষ্টা।

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তিনি বলেন, তাদের আত্মত্যাগের কারণে আমরা একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার স্বপ্ন দেখার সুযোগ পেয়েছি। এ সুযোগ আমরা কোনোক্রমেই বৃথা যেতে দেব না।

    ড. ইউনূস বলেন, আজকের অনুষ্ঠানে আমাদেরকে মনে করিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মরণোত্তর পুরস্কার দেওয়ার চাইতে জীবদ্দশায় পুরস্কার পেলে যে আনন্দ, দেশের জন্য, পরিবারের জন্য, ব্যক্তির জন্য; তা মরণোত্তর পুরস্কারে পাওয়া যায় না। যাকে আমরা সম্মান দেখাচ্ছি তিনি আমাদের সঙ্গে নেই।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা যেন আগামীতে একটা নিয়ম করতে পারি, যাদের মরণোত্তর পুরস্কার দেওয়ার তাদের পালা শেষ করে দিয়ে যারা জীবিত অবস্থায় আছেন তাদেরকে যেন পুরস্কার দেই। তাদের প্রতি সম্মানটা আমরা দেই। তারা আমাদের জাতিকে মহান উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। পুরস্কার দিয়ে আমরা শুধু তাদেরকে সম্মানিত করছি না। আমরা বরং জাতি হিসেবে নিজের সম্মান তাদের মাধ্যমে পাচ্ছি। তারা প্রত্যেকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বহুল পরিচিত। তারা জাতির জন্য অনেক কিছু দিয়ে গেছেন। তাদের জীবদ্দশায় স্মরণ করতে না পারলে আমরা অকৃতজ্ঞ জাতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যাবো। যাদেরকে আমরা এই সম্মান দিতে চাই, যথাসময়ে আমরা যেন তা দেই।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রধান বলেন, কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এই বছর সরকার ছয় জন বিশিষ্ট নাগরিককে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করেছে। তারা সবাই বাংলার সূর্যসন্তান।

    এর আগে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার তুলে দেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    এবার স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর), সাহিত্যে মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), সংস্কৃতিতে নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর), সমাজসেবায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর), শিক্ষা ও গবেষণায় বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর এবং প্রতিবাদী তারুণ্যে আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ পুরস্কার বিতরণী পর্বটি সঞ্চালনা করেন। তিনি পুরস্কার বিজয়ীদের সাইটেশন পাঠ করেন।

  • যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস পালনের আহ্বান জামায়াত আমিরের

    যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস পালনের আহ্বান জামায়াত আমিরের

    যথাযোগ্য মর্যাদায় ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    তিনি বলেন, স্বার্থান্বেষী মহল দেশকে আবার অস্থিতিশীল করতে চাচ্ছে এবং পতিত স্বৈরাচারকে ফিরে আনার অপতৎপরতা শুরু করেছে। এমন অবস্থায় দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ, সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। শান্তি-স্বস্তির নতুন বাংলাদেশ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।

    সোমবার এক বিবৃতিতে জামায়াত আমির এসব কথা বলেন।

    জামায়াত আমির বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী জনতা দেশে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায় বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তদানীন্তন শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার। ক্ষুধা-দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও দুঃশাসন মুক্ত একটি দেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনতা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। লাখো মানুষের রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীনতা লাভ করে। স্বাধীনতার ৫৪ বছরে আজ দেশের মানুষের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি হিসাব করলে দেখা যায় বহু প্রত্যাশা এখনও পূরণ হয়নি।

    তিনি আরও বলেন, গত জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে দেশ আবার নতুন করে দ্বিতীয়বারের মত স্বাধীনতা অর্জন করেছে। দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের জগদ্দল পাথরের ন্যায় চেপে বসা জালিমের হাত থেকে মুক্ত হয়ে দেশের মানুষ মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে পারছে। দেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেয়েছে এবং শান্তিতে-স্বস্তিতে চলাফেরা করতে পারছে। পতিত সরকারের দোসররা এবং দেশের কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল বিদেশি আধিপত্যবাদী শক্তির সহায়তায় ছাত্র-জনতার এই গণআন্দোলনকে ব্যর্থ করার জন্য গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা মহান স্বাধীনতা দিবসে গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করছি বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ওই সমস্ত জনতাকে যাদের ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে বাংলাদেশ বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করেছে। আমরা আরও স্মরণ করছি গত জুলাইয়ের গণ-আন্দোলনের সব শহিদদের এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের। আমরা সব শহিদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

  • হাসিনা রাইফেল দিয়ে ইতিহাস পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন: রুহুল কবির রিজভী

    হাসিনা রাইফেল দিয়ে ইতিহাস পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন: রুহুল কবির রিজভী

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে পালিয়ে গিয়ে ভারতে অবস্থানকারী শেখ হাসিনা জোর করে, রায় দিয়ে, রাইফেল দিয়ে ইতিহাস পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারেননি।

    সোমবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    রিজভী বলেন, আওয়ামী লীগ এই লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে ব্যক্তিগত সম্পদ মনে করতো। স্বাধীনতার পর থেকে এরা শুরু করেছে লুটপাট, অপকর্ম, দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল মানুষের জীবন। স্বাধীন বাংলাদেশকে অপশাসনের কবজায় নিয়ে ত্রাসের কায়েম করেছিল। জিয়ার সময় মানুষ ঘরের দরজা খুলে ঘুমাতো। এখনকার মতো বিদেশি কিছু এজেন্ট চক্রান্ত করত তো বলে জানান তিনি।

    তিনি বলেন, শেখ হাসিনা জোর করে, রায় দিয়ে, রাইফেল দিয়ে ইতিহাস পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারেননি। ছাত্ররা প্রকৃত ইতিহাস জেনে জুলাই অভ্যুত্থানে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। দেশে স্বৈরাচার আসলে টিকে থাকতে পারে না। দূরে থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে কাজ করে গেছেন নেতৃত্বের মাধ্যমে।

    সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, কিছু জিনিসের দাম কমলেও নিত্যপণ্যের মধ্যে চাল, ডাল ও মুরগির দাম হুহু করে বাড়ছে। এ বিষয়ে লাগাম টেনে ধরা দরকার।

    এ সময় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • ড. ইউনূসকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান আব্দুস সালাম আজাদের

    ড. ইউনূসকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান আব্দুস সালাম আজাদের

    দেশের আইন শৃঙ্খলা ঠিক করতে না পারলে ড. ইউনূসের সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ। রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সুশীল ফোরাম আয়োজিত এক কর্মসূচিতে তিনি এ আহ্বান জানান।

    আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, ‘শেখ হাসিনা অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় গণতন্ত্র হরণ করে দেশের মানুষের নির্যাতন করেছিল। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কুক্ষিগত করে জনগণের অধিকার হরণ করেছিল। জুলাই-আগস্টে দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল বলেই হাসিনা ভারতে পালাতে বাধ্য হয়েছিল।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আজকে ড. ইউনূস সরকার যদি দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ঠিক করতে না পারে, তাহলে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়াক। বর্তমানে দেশের যে অবস্থা তাতে দেশের জনগণ আতেঙ্কের মধ্যে রয়েছে। যদি অতি দ্রুত নির্বাচিত সরকার রাষ্ট্র ক্ষমতা গ্রহণ না করে তাহলে আওয়ামী দোসররা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে।’

    দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে গোটা জাতি উদ্বিগ্ন দাবি করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘প্রতিদিন মিডিয়ায় আমরা দেখতে পাচ্ছি দেশের কোথাও না কোথাও খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, চাঁদাবাজির মতো ঘটনা ঘটছে। দেশের নারী সমাজ আজ কোথাও নিরাপদ না। অন্তর্বর্তী সরকারকে বলবো, অতি দ্রুত নির্বাচনের রোড ম্যাপ ঘোষণা করুন। কারণ, দেশের জনগণ এখন নির্বাচনমুখী।’

  • আ.লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম, ঢাকা অবরোধের হুঁশিয়ারি

    আ.লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম, ঢাকা অবরোধের হুঁশিয়ারি

    আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত না আসলে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সারা দেশ থেকে ঢাকা অবরোধ করার ঘোষণা দিয়েছে জুলাই আন্দোলনে আহতদের সংগঠন ওয়ারিয়র্স অফ জুলাই।

    শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ মিছিল শেষে অবস্থান নেন ওয়ারিয়র্স অফ জুলাইয়ের নেতারা।

    এসময় তারা বলেন, আমাদের পঙ্গুত্বের থেকে বের করে সাধারণ জীবন ফিরিয়ে না দিয়ে, আমাদের শহিদদের জীবন ফিরিয়ে না দিয়ে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন এদেশে করতে দেওয়া হবে না।

    রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক করে এসময় তারা বলেন, সতর্ক হয়ে যান নইলে আর একটি জুলাই দেখতে হবে। শুধরে যান নইলে আপনাদের অবস্থাও আওয়ামী লীগের মতোই হবে।

    তারা আরও বলেন, আমরা বুলেটের সামনে দাঁড়িয়ে আন্দোলন করেছি আমাদের ভয় দেখবেন না। খুনি হাসিনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমারা রাজপথ ছাড়ব না। জুলাই আন্দোলন কেবল নির্বাচনের জন্য হয়নি। মানুষের বাকস্বাধীনতা এবং সমতা, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য হয়েছে। যা বাংলাদেশ স্বাধীনতার এত বছরেও পায়নি।

    আহতরা বলেন, বেঁচে থেকেও অর্ধমৃতের মতো জীবন যাপন করছি। দেশের প্রয়োজনে বাকি জীবনটুকু উৎসর্গ করতে প্রস্তুত। গণহত্যার অভিযোগে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলেও জানান।

    সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহিদ মিনারে অবস্থান নেন জুলাই যোদ্ধারা

  • তারেক রহমানের দেশে ফিরেতে আর কোনো বাধা নেই

    তারেক রহমানের দেশে ফিরেতে আর কোনো বাধা নেই

    বিচারিক আদালতে সব মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিম্ন আদালতে তার বিরুদ্ধে থাকা সর্বশেষ মামলা ‘হত্যা মামলা থেকে দায়মুক্তির উদ্দেশ্যে ঘুস লেনদেন’ এর অভিযোগ থেকে তারেক রহমানসহ আটজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন বিচারিক আদালত।

    বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মুহা. আবু তাহের এই রায় ঘোষণা করেন।

    এর ফলে বিচারিক আদালতে তারেক রহমানের আর কোনো মামলা নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির আইনজীবীরা।

    এই মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির হত্যা মামলার আসামি সাফিয়াত সোবাহান সানভীরকে দায়মুক্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে ২১ কোটি টাকা ঘুস নেওয়া হয়। এক-এগারোর সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বাদী হয়ে মামলাটি করেছিল। ২০০৮ সালের ১৪ জুলাই তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে আদালত অভিযোগ গঠন করেছিলেন।

    বিএনপির আইনজীবী বোরহান উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, আসামিদের বিপক্ষে কোনো স্বাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি দুদক। এখন কোনো মামলা না থাকার কারণে তারেক রহমানের দেশে ফিরে রাজনীতি করতে আর কোনো বাধা নেই।

    গত বছরের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারেক রহমান আইনি প্রক্রিয়ায় তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলো থেকে খালাস পেয়েছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন ও তারেক রহমানের মা খালেদা জিয়া রাষ্ট্রের নির্বাহী আদেশে মুক্তি পান গত ৬ আগস্ট। গত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন মামলায় তাদের সাজা হয়েছিল।

    হাসিনা সরকারের পতনের পর বিএনপি নেতাকর্মীদের আগ্রহ, যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত তারেক রহমান দেশে ফিরছেন কবে সে বিষয়ে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম তার ফেরার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ের কথাও বলেছিল। তবে বিএনপির শীর্ষ নেতারা আইনি বাধা কাটানোর কথা জানিয়েছিল।

    যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য, কেবল আইনি বাধা নয়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দেশে ফেরার সঙ্গে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি ও তার নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িত।

  • সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে

    সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। মুমূর্ষ অবস্থায় শিশুটিকে সিরাজগঞ্জ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ইউনিটে রাখা হয়েছে।

    এদিকে এই খবর ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্ত রিশাতকে (১৪) আজ দুপুরে আটক করে শাহজাদপুর থানা পুলিশ।
    অভিযুক্ত রিশাত শিশুটির মামাতো ভাই। সে শাহজাদপুর উপজেলার হাবিবুল্লাহ নগর ইউনিয়নের রতনকান্দি উত্তর পাড়া গ্রামের রাজমিস্ত্রি জাহিদুল ইসলামের ছেলে ও হাবিবুল্লাহ নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্র।
    এই বিষয়ে শিশুটির নানী খোদেজা বেগম জানান, গত শনিবার রাতে আমার চার বছরের নাতনি যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল। আমি ভেবেছিলাম হয়তো অসুস্থতার জন্য কান্না করছে। পরদিন ধর্ষণের বিষয়টি আমি জানতে পারি।
    পরে তাকে অসুস্থ অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আজ শুক্রবার (১৪ মার্চ) সিরাজগঞ্জ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটি সেখানেই নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
    এদিকে শুক্রবার দুপুরে খবর পেয়ে শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আসলাম আলীসহ থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধর্ষণের শিকার শিশুটির নানীর সাথে কথা বলেছেন। শিশুটির বাবা-মা ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করে এবং তার মেয়ে নানীর কাছে থাকে।
    এই বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামানের কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি এখনই বিস্তারিত জানাতে চাননি, অধিকতর তদন্ত করে পরবর্তীতে প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিষয় তুলে ধরবেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

  • মাগুরায় ধর্ষণের শিকার সেই শিশু মারা গেছে

    মাগুরায় ধর্ষণের শিকার সেই শিশু মারা গেছে

    মাগুরায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার ৮ বছর বয়সি সেই শিশুটি মারা গেছে। মাগুরার সেই শিশুটিকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।

    ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) পেডিয়াট্রিক নিউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক কর্নেল নাজমুল হামিদ গণমাধ্যমকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    কর্নেল নাজমুল হামিদ বলেন, আজ সকালবেলা দুই দফায় শিশুটির কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। সিপিআর দেওয়ার পর তার হৃৎস্পন্দন ফিরে আসে। কিন্তু বেলা ১২টায় তার আবার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। এই দফায় সিপিআর দেওয়ার পরও তার হৃৎস্পন্দন আর ফিরে আসেনি। দুপুর ১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

    উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ শিশুটিকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকা সিএমএইচ-এ ভর্তি করা হয়।

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শিশুটির শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে এবং যেকোনো প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে। শিশুটির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

  • কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনের যাবজ্জীবন

    কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনের যাবজ্জীবন

    রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দুই শিশুকে সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    বুধবার (১২ মার্চ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সি মো. মশিয়ার রহমানের আদালত এ রায় দেন।সংশ্লিষ্ট আদালতের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বগুড়ার ধুনট উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে মোহন, সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার মুকুন্দগাতী গ্রামের মো. মিজানের ছেলে সাব্বির ও শরীয়তপুরের পালং মডেল থানার (সদর) চিকন্দী গ্রামের কামাল ওরফে আবুল কালামের ছেলে রাসেল। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাভোগের আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

    এদিকে দুই শিশুকে ১০ বছরের সর্বোচ্চ সাজার পাশাপাশি এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ১৭ জুন আসামিরা ১৩ বছরের ওই কিশোরীকে কামরাঙ্গীরচর থানাধীন হাসান নগরের নুর আলমের বাসার নির্মাণাধীন ভবনের চতুর্থ তলায় নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে কামরাঙ্গীরচর থানার ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ মোস্তফা আনোয়ার পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি কারাগারে আছেন। এদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। তবে সাজা পাওয়া দুই শিশু পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

  • যমুনায় যাওয়ার চেষ্টা শিক্ষকদের, পুলিশের লাঠিচার্জ-জলকামান

    যমুনায় যাওয়ার চেষ্টা শিক্ষকদের, পুলিশের লাঠিচার্জ-জলকামান

    তৃতীয় ধাপে বাদ পড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জাতীয়করণের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে যাওয়ার সময় তাদেরকে পুলিশ বাধা দিয়েছে। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে।

    একপর্যায়ে শিক্ষকদের ওপর পুলিশ জলকামান ও লাঠিপেটা করেছে। এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

    বুধবার (১২ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকরা তাদের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তবে এ নিয়ে আশ্বাস না পাওয়ায় আজ প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের দিকে যাচ্ছিলেন তারা।

    বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের মিছিলটি কদম ফোয়ারার কাছাকাছি এলে পুলিশ তাদের বাধা দেয় এবং বোঝানোর চেষ্টা করেন, একসঙ্গে এতজনকে নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে যাওয়ার সুযোগ নেই। কয়েকজন প্রতিনিধি মিলে সেখানে যেতে বলা হলেও তারা রাজি হননি।

    পরে বাধা উপেক্ষা করে শিক্ষকরা সামনের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর জলকামান নিক্ষেপ করে। তাতেও ফেরানো যায়নি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের। পরে পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে।

  • ‘নারীর প্রতি হেনস্তার পেছনে উগ্র গোষ্ঠীর মদদ থাকতে পারে’

    ‘নারীর প্রতি হেনস্তার পেছনে উগ্র গোষ্ঠীর মদদ থাকতে পারে’

    ‘বহির্বিশ্বে বাংলাদেশকে অতি রক্ষণশীল দেশ হিসাবে পরিচিত করতে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবে দেশব্যাপী নারী হেনস্তার ঘটনা ঘটতে পারে’ বলে আশঙ্কা করছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    রিজভী বলেন, ‘দেশজুড়ে নারীর প্রতি হেনস্তার পেছনে উগ্র গোষ্ঠীর মদদ থাকতে পারে। বাংলাদেশকে অতি রক্ষণশীল বানানোই তাদের লক্ষ্য।’

    শনিবার (৮ মার্চ) সকালে নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মহিলা দলের র‍্যালী পূর্ব বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

    তিনি বলেন, একটি জংলী সরকার ক্ষমতায় থাকলে সমাজের মধ্যে জঙ্গলের রাজত্ব কায়েম থাকে, শেখ হাসিনা সেই ভয়ংকর আদিম অরণ্যের রাজত্ব কায়েম করেছিলো। কিন্তু বর্তমানে রক্তক্ষয়ী এক মহাবিপ্লবের মধ্য দিয়ে জুলাই-আগস্টের বিপ্লব সম্পন্ন হয়েছে। এখন কেন সমাজের মধ্যে অস্থিরতা থাকবে?

    রুহুল কবির রিজভী বলেন, এখন একটি অস্থিরতা বের হয়েছে, মব কালচার। মব কালচার তৈরি হলো কেন? অন্তর্বর্তী সরকার ত সকল গণতন্ত্রকামীর সমর্থীত সরকার। মব কালচারে আজ সমাজের মতো কত যে নির্যাতন, নিপীড়ন হচ্ছে, তার কোন ইয়ত্তা নাই। কত নারী এবং শিশু নিপীড়িত হচ্ছে এর পরিসংখ্যান যা আসে তা অল্প। মহিলা পরিষদ তার মাসিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, জানুয়ারি মাসেই কন্যা নির্যাতিত হয়েছেন ৮৫ জন, নারী মির্যাতিত হয়েছেন ১২০ জন। এর কধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৬৭ জন, হত্যাকান্ডে শিকার হয়েছেন ১৪ জন। এটা ভয়ংকর পরিস্থিতি।

    পুরুষ এবং মেয়ে আমরা হলাম মানব সম্প্রদায় উল্লেখ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, যিনি প্রথম ইসলামে দীক্ষিত হয়েছেন তিনি ত একজন মহিলা। তাহলে নিজেকে কেমন করে চলতে হবে, সন্তানকে কেমন করে মানুষ করতে হবে, এই প্রতিষ্ঠানটা হচ্ছেন মা, আর মা ত একজন নারী। শিক্ষকদের সম্মান, বড়দের সম্মান এটা কে শেখায় প্রথমে? সেটা শেখায় মা। তাই নারী কিভাবে চলতে হবে সেটা পুরুষরা যদি প্রতিদিন বলে দেই তাহলে ত যে আমার মা, আমার বোন, আমার স্ত্রী তাহলে ত আমি তার স্বাধীনরায়, তার চলাফেরায়, তার চিন্তায় হস্তক্ষেপ করছি। সে কিভাবে চলবে সে স্বাধীনরা তাকে দিতে হবে। তাতে বাধা দেয়ার অধিকার কারও নাই।

    তিনি বলেন, কোন উগ্রগোষ্ঠী যাতে নারীদের কে শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে না পারে সে প্রচেষ্টাও আমাদের থাকবে। কারণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করেছে, সংবিধানে আল্লাহর নাম স্থাপন করেছে, নারী শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছে, সেই দল রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে নারীদের উন্নয়নে এবং অগ্রগতিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখবে।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস ও সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ সহ দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

  • অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স ও জেসিআই ঢাকা ইউনাইটেডের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

    অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স ও জেসিআই ঢাকা ইউনাইটেডের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

    নীতি নির্ধারণে তরুণদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্স ও জুনিয়র চেম্বার ইন্টারন্যাশনাল (জেসিআই) ঢাকা ইউনাইটেডের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    শুক্রবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে ক্লাব জেসিআইয়ের কনফারেন্স হলে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহেল এবং জেসিআই ঢাকা ইউনাইটেডের লোকাল প্রেসিডেন্ট ফাহমিদুর রহমান অনি নিজ নিজ সংগঠনের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

    এ সময় জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম তানভীর সাদ আকাশ, জেসিআই ঢাকা ইউনাইটেডের ইমিডিয়েট লোকাল পাস্ট প্রেসিডেন্ট ও ন্যাশনাল ভাইস প্রেসিডেন্ট কামরুজ্জামান পাভেল, জেসিআই ঢাকা ইউনাইটেডের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. এনাম, সেক্রেটারি জেনারেল রবিউল ইসলাম রবি, অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের অর্থ সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের সময়ের হেড অব অনলাইন মঈন বকুল, অফিস সম্পাদক ও দীপ্ত টেলিভিশনের হেড অব অনলাইন মাসউদ বিন আব্দুর রাজ্জাকসহ উভয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    চুক্তির আওতায় দুই সংগঠন যৌথভাবে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণে তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষা-ইচ্ছা তুলে ধরতে গোলটেবিল বৈঠক ও সেমিনারের আয়োজন করবে।

    জেসিআই ঢাকা ইউনাইটেডের প্রেসিডেন্ট ফাহমিদুর রহমান অনি বলেন, ‘‘নীতি নির্ধারণে তরুণদের ভূমিকা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এই চুক্তির মাধ্যমে আমরা আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবো।’’

    অনলাইন এডিটরস অ্যালায়েন্সের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সোহেল বলেন, ‘‘তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ ও তাদের ভাবনা-চিন্তা তুলে ধরতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য। এ চুক্তির মাধ্যমে তারুণ্যের অগ্রযাত্রা আরও দৃঢ় হবে।’’

    আয়োজকরা জানান, আগামী দিনে যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা তরুণদের নেতৃত্বদানের সক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।