Author: নিউজ ডেক্স

  • ‎কুবি’র সাথে কুমিল্লা মডার্ন হসপিটাল এর সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

    ‎কুবি’র সাথে কুমিল্লা মডার্ন হসপিটাল এর সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

    সানজানা তালুকদার, ‎কুবি প্রতিনিধি:

    ‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও কুমিল্লার স্বনামধন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান কুমিল্লা মডার্ণ হসপিটালের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কিত দ্বি-পাক্ষিক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    ‎ আজ ৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার বেলা ১২টায় উপাচার্যের কার্যালয়ে মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হায়দার আলী’র উপস্থিতিতে এ দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

    ‎সমঝোতা চুক্তিতে কুমিল্লা বিশ্বদ্যিালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং কুমিল্লা মডার্ণ হসপিটালের পক্ষে স্বাক্ষর করেন মডার্ণ হসপিটালের এমডি মুজিবুর রহমান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ডেপুটি চীফ মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহমুদুল হাসান খান, সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আলী হাসান নেওয়াজ।

    ‎সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, “আমরা বর্তমান প্রশাসন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর দেখলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছাত্রছাত্রীরা আসলে সঠিকভাবে স্বাস্থ্যসেবার আয়ত্তে আসতে পারেনি, তাই আমরা আমাদের আভ্যন্তরীণ সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্য সেবা বীমা এবং বিভিন্ন ভালো মানের হাসপাতালের সাথে ডায়াগনস্টিক সার্ভিস গুলো নিয়ে এমওই করছি।”

    ‎তিনি আরও বলেন, “শুরুতে আমরা ইবনে সিনা হসপিটালের সাথে করেছি আজকে আমরা কুমিল্লার অন্যতম একটি হসপিটাল যেখানে স্বাস্থ্যসেবা গুণে মানে অনেক ভালো সেখানে মডার্ন হসপিটালের সাথে আমরা করলাম। আশা করি এর মাধ্যমে আমাদের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং ছাত্র-ছাত্রীরা এবং তাদের ডিপেন্ডেন্ট যারা আছে তারা সেখান থেকে সাশ্রয় মূল্যে সেবা গ্রহণ করতে পারবে। ভবিষ্যতে আরো সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নিব।”

    ‎এ চুক্তির আওতায় সুবিধাসমূহ, ‎১.প্যাথলজি টেস্টে ৩৫%, ইসিজি, ২.আল্ট্রাসনোগ্রাম ৩০%, ‎৩.এক্স-রে, এন্ডোসকপি, ইকা, ডপলার ইকো, ভর্তি রোগী (কনসালটেন্সি ফি ব্যতীত), জরুরি চিকিৎসা, বিএমডি ২৫%, ‎৪.এফএনএসি, বায়োপসি ২০%, ‎৫.ডেন্টাল ইউনিট, আরটি-পিসিআর টেস্ট ১৫% ছাড় দেয়া হবে।

    ‎এই চুক্তির আওতায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাদের পরিবার এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ এ সুবিধা ভোগ করবেন।

     

  • ঝালকাঠি-১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত

    ঝালকাঠি-১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত

    মোঃ মাহিন খান, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গালুয়া ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে একটি নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকাল ৪টায় গালুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ জনসভা আয়োজন করা হয়।

    জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর–কাঁঠালিয়া) আসনের হাতপাখা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী হাফেজ মাওলানা ইব্রাহিম আল হাদী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঝালকাঠি জেলা সভাপতি হাফেজ আলমগীর হোসেন, জেলা সহ-সভাপতি মাওলানা হেদায়েতুল্লাহ ফয়েজী, রাজাপুর উপজেলা সভাপতি মাস্টার জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা বাইজিদ হক ফরাজী, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রচার সমন্বয়ক মাওলানা মাহফুজুর রহমান।

    এছাড়াও জনসভায় বক্তব্য দেন ইসলামী যুব আন্দোলন রাজাপুর উপজেলা সভাপতি ক্বারী ইব্রাহিম খলিল, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন উপজেলা সভাপতি হাফেজ মাহমুদুল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক বেলাল হাবশীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাফেজ মাওলানা ইব্রাহিম আল হাদী বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও দেশ এখনও চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বেড়াজালে বন্দি। এসব সমস্যা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হচ্ছে ইসলামী শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। তিনি বলেন, জাতির সামনে এবার ইসলামভিত্তিক নেতৃত্বকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আনার বাস্তব সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ লক্ষ্যে তিনি সবাইকে অন্তত একবার হাতপাখা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

    জনসভা শেষে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি গালুয়া ইউনিয়নের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশগ্রহণ করেন।

  • নবীনগরে ফুটবল মার্কার পক্ষে লিফলেট বিতরণ ও ভোট প্রার্থনা

    নবীনগরে ফুটবল মার্কার পক্ষে লিফলেট বিতরণ ও ভোট প্রার্থনা

    আরিফুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া (নবীনগর) প্রতিনিধ:

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৫ (নবীনগর) আসনের অন্তর্ভুক্ত নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং এলাকার ১নং, ২নং ও ৩নং ওয়ার্ডে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী কাজী নজরুল হোসেন তাপসের ফুটবল মার্কার পক্ষে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার স্থানীয় বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীর নেতাকর্মীরা সাধারণ ভোটারদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেন এবং ফুটবল মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় তারা ভোটারদের কাছে দোয়া কামনা করেন এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    রিপ্লেট বিতরণ ও গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন নিয়াজ উল্লাহ, মজিবর সরকার, কবির সরকার, শহর মিয়া, হাবি মিয়া, আরিফসহ প্রার্থীর স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

    নেতাকর্মীরা জানান, কাজী নজরুল হোসেন তাপস একজন সৎ ও জনবান্ধব প্রার্থী। তারা আশা প্রকাশ করেন, এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের স্বার্থে ভোটাররা ফুটবল মার্কায় ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করবেন।

  • চব্বিশের আজাদী অক্ষুণ্ন রাখতে দাঁড়িপাল্লা ও হ্যাঁ’র পক্ষে ভোট দিন : এস এম ফরহাদ

    চব্বিশের আজাদী অক্ষুণ্ন রাখতে দাঁড়িপাল্লা ও হ্যাঁ’র পক্ষে ভোট দিন : এস এম ফরহাদ

    মোহাম্মদ সেলিম, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ

    চব্বিশের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন ও ১৮ কোটি মানুষকে আজাদীর স্বাদ দিতে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৩ (সদর, রামু, ঈদগাঁও) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শহীদুল আলম বাহাদুরের পক্ষে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে ভোট চেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচিত জিএস এস এম ফরহাদ।

    রোববার( ৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট আয়োজিত গণমিছিলোত্তর পথসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    এস এম ফরহাদ বলেন, ১৪ শতাধিক শহীদ ও প্রায় অর্ধলাখ আহতের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বিপ্লব আসন্ন গণভোটে ব্যর্থ হলে জাতির কপালে গোলামির জিঞ্জির জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসবে। তাই তিনি ভীতি উপেক্ষা করে দাঁড়িপাল্লা ও ‘হ্যাঁ’র পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানান।

    উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ছলিম উল্লাহ জিহাদীর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মাওলানা নুরুল আজিম, লায়েক ইবনে ফাজেল ও তৈয়ব উদ্দিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান।

    তিনি বলেন, দেশজুড়ে নতুন দেশ বিনির্মাণে পরিবর্তনের জোয়ার উঠেছে। সেই জোয়ারের নেতৃত্ব দিচ্ছে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জুলাই বিপ্লবের পক্ষের শক্তি জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। তিনি ১২ তারিখ দাঁড়িপাল্লা ও ‘হ্যাঁ’র পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন কক্সবাজার-৩ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শহীদুল আলম বাহাদুর, সাবেক জেলা আমির মাওলানা মুস্তাফিজুর রহমান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সলিমুল্লাহ বাহাদুর, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা জাহাঙ্গীর কাসেম, জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা নুরুল হক, জেলা এনসিপি নেতা ও ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর মুহাম্মদ ইফতেখারসহ ১১ দলীয় জোটের জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ।

    এর আগে, দুপুর থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল ঈদগাঁও আলমাছিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা মাঠে জড়ো হতে থাকে। পরে গণমিছিলটি বাসস্টেশন এলাকায় গিয়ে পথসভায় রূপ নেয়। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শহীদুল আলম বাহাদুর ও ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ মিছিলে যোগ দিলে মুহুর্মুহু স্লোগানে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।

  • বানারীপাড়ায় বিএনপির নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় বিএনপির নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

    মোঃ সাইফুল ইসলাম মিয়া, বানারীপাড়া প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর সমাপনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরকারি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশনের মাঠে আয়োজিত এ উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বরিশাল-২ (উজিরপুর–বানারীপাড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু।

    উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহে আলম মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. দুলাল হোসেন, বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া পৌর বিএনপির সভাপতি শাহ ইমরান হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ আহমেদ মৃধা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমানসহ দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।

    উঠান বৈঠকে কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন আপনারা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেবেন। সেদিন যেন কোনো দল বা গোষ্ঠী জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে না পারে—সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।”

    এসময় অন্যান্য বক্তারাও প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করতে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।

  • নির্বাচনে ভোট দিতে বিভাগীয় শহরে বাস দিচ্ছে কুবি প্রশাসন

    নির্বাচনে ভোট দিতে বিভাগীয় শহরে বাস দিচ্ছে কুবি প্রশাসন

    সানজানা তালুকদার, কুবি প্রতিনিধি:

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বিভাগীয় শহরগুলোতে বাস সার্ভিস দিচ্ছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) প্রশাসন।

    এ লক্ষ্যে বাসে যেতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহে আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৫টার মধ্যে আবেদন জমা দেওয়ার জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এর আগে আজ (রবিবার) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বাস সার্ভিস চালুর ঘোষণা দেন কুবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. হায়দার আলী।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যেসব শিক্ষার্থী নিজ নিজ বিভাগীয় শহরে গিয়ে ভোট প্রদান করতে ইচ্ছুক, তাদের নাম, বিভাগ, সেশন, পিতার নাম, মাতার নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিসহ রেজিস্ট্রার দপ্তরে আবেদন জমা দিতে হবে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আবেদনের ভিত্তিতেই বাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট শহরের জন্য একটি বাস দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী আবেদন করলে বাস সরবরাহে কোনো সমস্যা থাকবে না। তবে কোনো শহরে যদি মাত্র কয়েকজন শিক্ষার্থী আবেদন করেন, সে ক্ষেত্রে আলাদা করে একটি বাস দেওয়া সম্ভব হবে না। আজ বিকাল ৫টার অথবা আগামীকাল সকাল ১০ টার মধ্যে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিলে আগামীকাল বিকালেই বাস সার্ভিস প্রদান করা হবে।’

    উল্লেখ, গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার বরাবর ভোট দিতে বিভাগীয় শহরে বাস চেয়ে স্মারকলিপি জমা দেন শিক্ষার্থীরা।

     

  • ডিমলায় খেজুর গাছ প্রতীকের পক্ষে মনজুরুল ইসলাম আফেন্দির নির্বাচনী প্রচার মিছিল

    ডিমলায় খেজুর গাছ প্রতীকের পক্ষে মনজুরুল ইসলাম আফেন্দির নির্বাচনী প্রচার মিছিল

    মো: জুয়েল রানা, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:

    ডিমলায় খেজুর গাছ প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা মো. মনজুরুল ইসলাম আফেন্দি-কে বিজয়ী করার লক্ষ্যে এক বিশাল ও উৎসবমুখর নির্বাচনী প্রচার মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ডিমলা বাজার এলাকা থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পথসভায় পরিণত হয়।

    মিছিলে দলীয় নেতাকর্মী, ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ, সমর্থক ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ ভোটার অংশগ্রহণ করেন। এ সময় অংশগ্রহণকারীরা খেজুর গাছ প্রতীকের পক্ষে স্লোগান দেন এবং ভোটারদের সমর্থন কামনা করেন। পুরো এলাকায় প্রাণবন্ত ও উদ্দীপনাময় নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

    পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, মাওলানা মো. মনজুরুল ইসলাম আফেন্দি একজন সৎ, যোগ্য, ধর্মপ্রাণ ও জনবান্ধব নেতা। তিনি নির্বাচিত হলে শিক্ষা বিস্তার, মসজিদ-মাদরাসার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    বক্তারা আরও বলেন, নৈতিকতা, স্বচ্ছতা ও জনসেবার মাধ্যমে একটি আদর্শ ও উন্নত ডিমলা গড়তে খেজুর গাছ প্রতীকের কোনো বিকল্প নেই। তাই সকল ভোটারকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে খেজুর গাছ প্রতীকে ভোট প্রদানের আহ্বান জানানো হয়।

    স্থানীয় সচেতন মহল জানান, এ ধরনের শান্তিপূর্ণ ও ইতিবাচক নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করছে এবং নির্বাচনকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলছে।

  • পটুয়াখালী-২ আসনে বিএনপির সাথে গণঅধিকার পরিষদের সংহতি

    পটুয়াখালী-২ আসনে বিএনপির সাথে গণঅধিকার পরিষদের সংহতি

    অলি উল্লাহ রিপন, বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :

    পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল আলম তালুকদারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী মোঃ হাবিবুর রহমান মাস্টার।

    রোববার (৮ফেব্রুয়ারি-২০২৬) বাউফল উপজেলা ও পৌর বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি গণঅধিকার পরিষদকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করায় তার প্রতিদান হিসেবে পটুয়াখালী-২ আসনেও উভয় দল এখন থেকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে। গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, বাউফলের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের স্বার্থে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল আলম তালুকদারের বিজয় নিশ্চিত করতে কাজ করবেন। এটি কেবল নির্বাচনী কৌশল নয়, বরং দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতা ও এলাকার মানুষের মর্যাদ রক্ষায় নেওয়া একটি ঐক্যের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করা হয়।

    যৌথ ঘোষণার পাশাপাশি একই দিনে বাউফল উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে একটি জরুরি ‘প্রেস নোট’ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের ব্যালট পেপার ও সিলসহ আটক হওয়ার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

    দেশের বিভিন্ন স্থানে লাঠি-সোটা সংগ্রহের পাশাপাশি আরও বড় কোনো অস্ত্র বা সহিংস উপকরণ মজুদ করা হচ্ছে কিনা তা গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

    বাউফল উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে শিবির সংশ্লিষ্ট ক্যাডারদের উপস্থিতি এবং অপরিচিত ব্যক্তিদের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে দাবি করা হয়।

    প্রেস নোটে উল্লেখ করা হয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি হলে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র মজুদের বিষয়ে জামায়াত নেতার একটি বক্তব্য জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।

    বিএনপি প্রার্থী শহিদুল আলম তালুকদার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ভোট জালিয়াতি, সহিংসতা বা নির্বাচন বানচালের যেকোনো অপচেষ্টা গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। তিনি সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন- ব্যালট পেপার, সিল, লাঠি-সোটা কিংবা কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি ও কার্যক্রম পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন, সাংবাদিক এবং আমাদের অবহিত করুন।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পক্ষে দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও সংবাদ সম্মেলনে পুনর্ব্যক্ত করা হয়। সম্মেলনে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • নবীনগরে ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী তাপসের বিশাল নির্বাচনী সভা

    নবীনগরে ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী তাপসের বিশাল নির্বাচনী সভা

    আরিফুল ইসলাম, নবীনগর প্রতিনিধি:

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৫ নবীনগর আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপস ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমে ইতোমধ্যে নবীনগরের রাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে তিনি নিজের শক্ত অবস্থান স্পষ্টভাবে জানান দিয়েছেন।

    আজ (৮ ফেব্রুয়ারি) রোববার নবীনগরের ঐতিহাসিক হাই স্কুল মাঠে ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপসের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহৎ নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা উপলক্ষে দুপুর ২টার পর থেকেই নবীনগরের ২১টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকা থেকে দলে দলে মিছিল এসে নবীনগর সদর বাজার মুখরিত করে তোলে। বিকাল ৪টার দিকে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে নবীনগর হাই স্কুল মাঠ কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবীনগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম, সাবেক পৌর মেয়র মাইনুদ্দিন মাইনু, সাবেক পৌর বিএনপির সভাপতি আবু সায়েদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাজী শাহাবুদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি এমদাদুল বারী, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি আলী আজম, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য হযরত আলী, সাবেক পৌর ছাত্রদল সভাপতি আশরাফুল আলম রুবেল, সাবেক উপজেলা ছাত্রদল আহ্বায়ক আপেল মাহমুদ, সাবেক সরকারি কলেজ ছাত্রদল আহ্বায়ক গোলাম সামদানী, সাবেক জেলা বিএনপির সদস্য হাজী ফুরকান উদ্দিন, সাবেক চেয়ারম্যান হাজী নুরুল ইসলাম, সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল আমিনসহ উপজেলা ও জেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    কাজী নাজমুল হোসেন তাপস ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৫ আসনের সাবেক চারবারের সংসদ সদস্য কাজী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের সুযোগ্য উত্তরসূরি। তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফুটবল প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    বক্তব্যে কাজী নাজমুল হোসেন তাপস বলেন, ৫ আগস্টের পর নবীনগরে যে মামলা বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেছে, তা বিগত ১৭ বছরেও দেখা যায়নি। নবীনগরের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি কুচক্রী মহল বিএনপির অফিস ও তাঁর ব্যানারে অগ্নিসংযোগ করেছে। এসব ঘটনার বিষয়ে তিনি প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

    তিনি আরও বলেন, তাঁর সঙ্গে যারা রয়েছেন, তাঁসহ অনেককে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে এতে তাঁরা ভীত নন। এই বহিষ্কার থেকেই নবীনগরে ইনসাফের রাজনীতির সূচনা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    শেষ পর্যায়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কাজী নাজমুল হোসেন তাপস নবীনগরের মা-বোনসহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে ফুটবল প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।

  • কালাইয়ে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত

    কালাইয়ে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত

    জয়পুরহাট প্রতিনিধি:

    জয়পুরহাটের কালাই বাসস্ট্যান্ড চত্বরে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত এই জনসভায় সভাপতিত্ব করেন কালাই উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মো. মুনছুর রহমান।

    জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাট-২ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এস এম রাশেদুল আলম সবুজ।

    তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আল্লাহর আইন ও সৎলোকের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

    তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ আজ পরিবর্তন চায়। ইনশাআল্লাহ, জনগণের সমর্থনে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে একটি কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

    জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ, তারবিয়াত সেক্রেটারি মাওলানা মো. মাহমুদুল হাসান, অ্যাডভোকেট আব্দুল মোমেন ফকির। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কালাই উপজেলা নায়েবে আমীর তাইফুল ইসলাম ফিতা, আব্দুর রউফ, শ্রমিক নেতা মোনতাহার হোসেন, জামায়াত নেতা মাওলানা মো. মোজাফ্ফর হোসেন, সাবেক আমীর নুরুজ্জামান সরকার, অফিস সহকারী আনোয়ারুল ইসলাম, যুব বিভাগের সভাপতি মো. খাইরুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুস সোবহান, মো. আজিজুল হক, মাওলানা গোলাম আযম, সাবেক শিবির নেতা জাকির হোসেন, মো. তাহরিম আল হাসান ও শিবির নেতা খিজির হায়াতসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানটি সার্বিকভাবে পরিচালনা করেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল আলীম।

  • কুবিতে ছাত্র সংগঠন গুলোর সাথে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা

    কুবিতে ছাত্র সংগঠন গুলোর সাথে প্রশাসনের মতবিনিময় সভা

    সানজানা তালুকদার, কুবি প্রতিনিধি:

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ছাত্র সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩২টি ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

    রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

    মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. নাহিদা বেগম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন, বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান খান এবং ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ।

    মতবিনিময় সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় ছাত্র সংগঠনগুলোর কার্যক্রম, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ এবং ক্যাম্পাসে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা তাদের পূর্ববর্তী কার্যক্রম, সীমাবদ্ধতা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং প্রশাসনের কাছে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনই ক্যাম্পাসের প্রাণ। এসব সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রাণবন্ত ও গতিশীল করে তোলে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের জন্য আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এবার আমরা সর্বোচ্চ মানের শিক্ষক নিয়োগ দিতে সক্ষম হয়েছি। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও নতুন ক্যাম্পাস চালুর লক্ষ্যে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি সংগঠন কার্যক্রম ও ক্যাম্পাস জীবনকে আরও প্রাণবন্ত করতে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরকে আরও সক্রিয় করা হয়েছে।’

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী কাজ করার চেষ্টা করছি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কয়েকটি বিভাগে শিক্ষক সংকট, ক্যাফেটেরিয়া সংকট, বাস সংকট এবং সেশন জটসহ নানা সমস্যা বিদ্যমান ছিল। এসব সংকট নিরসনে আমরা ধারাবাহিকভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধশীল করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ কাজে আপনাদের সবার সহযোগিতা কাম্য।’

    সভায় সভাপতির বক্তব্যে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. নাহিদা বেগম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ও প্রাণবন্ত করা এবং প্রশাসনের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে আজকের এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই সভার মাধ্যমে বিভিন্ন সংগঠন তাদের দাবি, কার্যক্রম, পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ উদ্যোগ তুলে ধরছে, যা সংগঠনগুলোর কার্যকর ভূমিকা পালনে সহায়ক হবে।’

     

  • যারা মা-বোনদের বোরখা খুলে ফেলতে চায়, ক্ষমতায় গেলে তারা বাংলাদেশকে বিবস্ত্র করবে : হাসনাত আব্দুল্লাহ

    যারা মা-বোনদের বোরখা খুলে ফেলতে চায়, ক্ষমতায় গেলে তারা বাংলাদেশকে বিবস্ত্র করবে : হাসনাত আব্দুল্লাহ

    মোঃ জাহিদ হাসান, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি :

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘প্রিয় মা-বোনেরা, আমরা দেখছি গত একমাস ধরে একটি দল আপনাদের হিজাব, বোরখা, ছায়া টেনে খুলে ফেলতে চায়। আজকে যারা আমার মা-বোনদের বোরখা খুলে ফেলতে চায়, তারা ক্ষমতায় আসলে বাংলাদেশকে বিবস্ত্র করে ফেলবে।’

    রবিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর সরকারি কলেজ মাঠে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের জনসভায় এ কথা বলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনের প্রার্থী এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সাইফ মোস্তাফিজের সমর্থনে এ নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করা হয়।

    এদিন প্রধান আলোচকের বক্তব্যে হাসনাত আব্দুল্লাহ ভোটকেন্দ্র দখলকারীদের হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যারা ভোটকেন্দ্র দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, এবার যদি তরুণ প্রজন্মের বিরুদ্ধে গিয়ে আপনারা ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টা করেন, আপনারা বাড়ি ফিরে যেতে পারবেন না। আপনারা মা-বাবার দোয়া নিয়ে, সন্তান স্ত্রীর থেকে দোয়া নিয়ে আসবেন ; এটা হবে আপনাদের আখেরি দিন। আমাদের শরীরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও ভোটাধিকার নিশ্চিত করবো।’

    হাসনাত আরও বলেন, ‘একটা পক্ষ তরুণ প্রজন্মকে ব্যর্থ প্রমাণ করতে উঠে পড়ে লেগেছে। ভারত চায় না তরুণ প্রজন্ম জিতুক, ব্যবসায়ী কুলাঙ্গাররা চায় না তরুণরা জিতুক। মিডিয়া মাফিয়ারা চায়না এই তরুণ প্রজন্ম জিতুক। অতীতের বস্তাপচা রাজনীতিবিধরা চায়না এই তরুণরা জিতুক। চান্দাবাজ-টেন্ডারবাজরা চায়না এই তরুণরা জিতুক। আপনারা (অডিয়েন্স) প্রত্যেকে দায়িত্ব নিয়ে এই লড়াইকে জেতাতে হবে।’

    নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্বপালনের আহ্বান জানান হাসনাত আবদুল্লাহ। প্রশাসনের লোকজনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘বিগত তিনটি নির্বাচনে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছেন। দিনের ভোট রাতে করেছেন, মরা মানুষকে কবর থেকে তুলে এনে ভোট দিয়েছেন, আমি-ডামি নির্বাচন পরিচালনা করেছেন। এসপি-ডিসিরা সাক্ষী থেকে, ওসি-কনস্টেবলরা সাক্ষী থেকে এসব জনগণবিরোধী কার্যক্রম আপনারা করেছেন। আপনাদের প্রতি জনগণের যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে, সেই অনাস্থা দূর করে আস্থা ফিরিয়ে আনতে আগামী নির্বাচনে জনতার কাতারে নেমে এসে জনতার নির্বাচন করেন। জনগণ আপনাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে।’

    গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘অনেক সাংবাদিক এসে আমাদেরকে তাঁদের দুঃখের কথা জানান। যে খবরটা তাঁরা প্রচার করতে চান, তাঁদের দালাল মালিক মিডিয়া তাঁদেরকে প্রচার করতে দেন না। ৫ আগস্টের পরে আমরা যখন সরকার গঠন করেছি, আমরা যখন মন্দির–মসজিদগুলোকে পাহারা দিয়েছি, অমুসলিম ভাইদের পাশে দাঁড়িয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি, ঠিক সেই সময়টিতে একটি দল টেলিভিশনগুলোকে দখল করেছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দখল করেছে, মিডিয়াগুলো দখল করে মিডিয়া মাফিয়াগিরি শুরু করেছে।’

    রবিবার শাহজাদপুর সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় শাহজাদপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন। এতে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। এছাড়া সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সাইফ মোস্তাফিজসহ জামায়াতে ইসলামী, খেলাফত মজলিসসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা বক্তব্য দেন।

    এদিন প্রধান অতিথি জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁনের হাত ধরে শাহজাদপুর উপজেলার নরিনা ইউনিয়ন বিএনপির অর্ধশতাধিক বিএনপি নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন।#

  • মিয়ানমার থেকে গুলি, ২৭ দিন পর মারা গেল শিশু হুজাইফা

    মিয়ানমার থেকে গুলি, ২৭ দিন পর মারা গেল শিশু হুজাইফা

    শাহারিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী, কক্সবাজার সদর প্রতিনিধি:

    ‎মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ছোড়া গুলিতে মাথায় গুরুতর আহত টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনান (৯) আর বেঁচে নেই।

    শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    এর আগে ১১ জানুয়ারি সকালে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া গুলিতে আহত হয় হুজাইফা। তাকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় শিশুটিকে।

    রাতে চিকিৎসকেরা জানান, গুলিটি তার মস্তিষ্কে প্রবেশ করেছে। ‎‎চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ জানিয়েছিলেন, তাকে অস্ত্রোপচার করা হয়। তবে ঝুঁকি থাকায় মস্তিষ্কে ঢুকে যাওয়া গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। মস্তিষ্কের চাপ কমানোর চেষ্টা করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে ঢাকায় নেওয়া হয়। ‎

    ‎হুজাইফার চাচা মোহাম্মদ এরশাদ জানান, ১০ জানুয়ারি (শনিবার) রাতভর সীমান্তের ওপারে গোলাগুলির শব্দে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছিল। রোববার সকালে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত মনে হওয়ায় শিশুটি খেলতে বাইরে বের হয়। এ সময় আবারও সীমান্তের ওপারে গোলাগুলি শুরু হলে একটি গুলি এসে তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ‎

    এদিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক সময়ে বিমান হামলা, ড্রোন হামলা, মর্টার শেল ও বোমা বিস্ফোরণ বেড়েছে। মংডু টাউনশিপের আশপাশের এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) অবস্থানে সরকারি জান্তা বাহিনী বিমান হামলা জোরদার করেছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘর্ষে সীমান্ত পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে ওপারের গোলাগুলির প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জনপদে। টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় গোলার শব্দে ঘরবাড়ি কেঁপে উঠছে। ছোড়া গুলি এসে পড়ছে লোকজনের বসতঘর, চিংড়িঘের ও নাফ নদীতে।

    হুজাইফার মৃত্যুতে সীমান্তে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ‎ ‎শিশুটির মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা সীমান্তে নিরস্ত্র মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের জরুরি পদক্ষেপ দাবি করেছেন।

  • পূবাইলে ৩৫ গ্রাম হেরোইনসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার

    পূবাইলে ৩৫ গ্রাম হেরোইনসহ এক মাদক কারবারি গ্রেফতার

    মোঃ আতেফ ভূঁইয়া, গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি:

    গাজীপুরের পূবাইল থানা পুলিশের অভিযানে ৩৫ গ্রাম হেরোইনসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাতে পূবাইল থানার এসআই মাহমুদ হাসান জনি সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানাধীন এলাকায় নিয়মিত রাত্রীকালীন মোবাইল ডিউটি পালনকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মাজুখান এলাকার মাজুখান অ্যাকটিভ স্কুলের সামনে ইটের সলিং রাস্তার উপর থেকে মো. মাসুদ রানা ওরফে রুবেল (৩৩) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আসামির পিতার নাম ওহাব উজির ও মাতার নাম পারভিন সুলতানা ফরিদা। তার স্থায়ী ঠিকানা সারমারা (আটিপাড়া), থানা বকশীগঞ্জ, জেলা জামালপুর। বর্তমানে সে মরকুন (টেকপাড়া মুড়ি ফ্যাক্টরি সংলগ্ন), থানা টঙ্গী পূর্ব, গাজীপুর মহানগর এলাকায় বসবাস করছিল।

    পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের সময় আসামির হেফাজত থেকে ৩৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়, যা জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করে আসামিকে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • ক্ষমতা বা পদ নয়, মানুষের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য : মমতাজ আলী শান্ত

    ক্ষমতা বা পদ নয়, মানুষের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য : মমতাজ আলী শান্ত

    মো: রুহুল আমিন রাসেল, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

    সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন লালমনিরহাট-২ আসন আদিতমারী ও কালিগন্জ উপজেলার মোটরসাইকেল প্রতীকে স্বতন্ত্র পদপ্রার্থী মো: মমতাজ আলী শান্ত।

    বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি নির্বাচনে দাঁড়িয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে যদি মোটরসাইকেল প্রতীকে জয় লাভ করি, তাহলে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাব।

    শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার যে ভঙ্গুর দশা, তা দূরীকরণে বদ্ধ পরিকর আমি। আমাদের লালমনিরহাট-২ আসনের জনগণের প্রাণের দাবী তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে আমার নিজস্ব কিছু পরিকল্পনা রয়েছে- তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে তিস্তা নদীর পাড় কেন্দ্রীক বানিজ্যিক চিন্তাভাবনা।

    তিস্তার পাড়গুলো ড্রেজিং করে উঁচু করে নিয়ে বিভিন্ন হোটেল, রেস্তোরাঁ, পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবো ইনশাআল্লাহ।

    বেকার যুবসমাজের কর্মসংস্থান নিয়ে জোড়ালো চিন্তাভাবনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ক্ষমতা বা পদ নয়—মানুষের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য।

    তিনি আরো বলেন এখানে আমি নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য আসেনি আমি এসেছি সাধারণ আপামর জনতার পক্ষে কাজ করার জন্য আমি এখানে কাউকে আমার প্রতিপক্ষ বা প্রতিযোগী মনে করছি না সবাইকে আমার সহযোগী মনে করছি।

    সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও মানবিক মূল্যবোধ রক্ষায় আমি কাজ করতে চাই।
    সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণ উপস্থিতি ছিলেন।

    সর্বশেষ তিনি সকলের দোয়া চেয়ে সকলের মহা-মূল্যবান ভোট মোটরসাইকেল মার্কার পক্ষে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে তার সমাপনী বক্তব্য শেষ করেন।

  • জাবিতে হিম উৎসব ঘিরে বিতর্ক: সংস্কৃতি চর্চার নামে ধর্মীয় উস্কানির চেষ্টার অভিযোগ

    জাবিতে হিম উৎসব ঘিরে বিতর্ক: সংস্কৃতি চর্চার নামে ধর্মীয় উস্কানির চেষ্টার অভিযোগ

    জাবি প্রতিনিধি:

    জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) শীত মৌসুম এলেই নিয়মিত আয়োজন করা হয় ‘হিম উৎসব’। একে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক আবহ তৈরি হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই উৎসব ইতিবাচক আলোচনার চেয়ে বিতর্ক, সমালোচনা ও উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে বেশি। সংস্কৃতি চর্চার নামে আয়োজিত এই উৎসব ঘিরে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, অশোভন পরিবেশনা, মাদক সেবন, মব সৃষ্টি এবং প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা—এমন নানা অভিযোগ বারবার সামনে এসেছে।

    চলতি বছরের হিম উৎসবকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয় পবিত্র কুরআনের সূরা নাস পাঠ ও তার বিকৃত ব্যাখ্যা নিয়ে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছবি চত্বরে আয়োজিত পালাগানের এক পর্যায়ে এক বাউল শিল্পী সূরা নাসের কিছু অংশ অসম্পূর্ণভাবে পাঠ করে মন্তব্য করেন—“পুরা সূরা জুড়েই নাচতে বলা হয়েছে, যত নাচবি তত বাঁচবি।” এরপর তিনি নৃত্যসংক্রান্ত একটি গান শুরু করেন। এ বক্তব্যে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের একাংশ তীব্র আপত্তি জানান এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ করেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুইজন শিক্ষার্থী মঞ্চে উঠে শিল্পীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানালে আয়োজক কমিটির সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বদলে উল্টো প্রতিবাদকারীদের নামিয়ে দেন। শিল্পী তাৎক্ষণিকভাবে ভুল স্বীকার করলেও অনুষ্ঠান বন্ধ না করে পুনরায় বিতর্কিত পরিবেশনা চালু রাখা হয়। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন শিক্ষার্থী প্রতিবাদী দুই শিক্ষার্থীকে ঘিরে ধরে, যা এক পর্যায়ে মব পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। অভিযোগ রয়েছে, তাদের ‘মৌলবাদী’, ‘তৌহিদি জনতা’ ও ‘শিবির ট্যাগ’ দিয়ে ভিলিফাই করা হয় এবং জোরপূর্বক তাফসির জিজ্ঞেস করে হেনস্তা করা হয়।

    এই ঘটনার পর ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ শহীদ মিনার ও উপাচার্যের বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তির দাবিতে অবস্থান নেয়। উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে জানান, প্রক্টরিয়াল টিমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং ক্যাম্পাসে পরিকল্পিতভাবে সংঘাত তৈরির ধারাবাহিকতা।

    এবারের উৎসবের প্রথম দিনেও বিতর্ক সৃষ্টি হয় ‘পঞ্চরস যাত্রাপালা’ নামের একটি নৃত্য পরিবেশনাকে ঘিরে। তৃতীয় লিঙ্গ সম্প্রদায়ের একজন শিল্পীর পরিবেশিত নৃত্যকে অনেক শিক্ষার্থী ‘অশোভন’ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শালীনতার পরিপন্থী বলে অভিহিত করেন। সামাজিক মাধ্যমে নৃত্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা আরও তীব্র হয়। শিক্ষার্থীদের মতে, এ ধরনের পরিবেশনা বারবার আয়োজনের মাধ্যমে সাধারণ ও ধর্মপ্রাণ শিক্ষার্থীদের উসকে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের ফেসবুক মন্তব্যকে ঘিরে। তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের শিক্ষক হাসান নাঈম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সূরা নাস ও সূরা ফালাক আল কুরআনের অন্তর্ভুক্ত নয়—এমন বক্তব্য দেন। পরবর্তীতে তিনি এটিকে নিজের মত নয় বলে দাবি করলেও তার মন্তব্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। একাধিক শিক্ষার্থী তার বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ জানান এবং একে ধর্মীয় উস্কানিকে তাত্ত্বিক বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন।

    হিম উৎসবকে ঘিরে বিতর্ক নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন বছরে উৎসব চলাকালে মাদক সেবনের অভিযোগে বহিরাগতসহ শিক্ষার্থীদের আটক করেছে প্রক্টরিয়াল টিম। ২০১৯ সালে মুক্তমঞ্চ এলাকায় মাদক সেবনের সময় ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১০ জনকে আটক করা হয়। তখন প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা বললেও শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বাস্তবে হিম উৎসব ঘিরে মাদক সেবনের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না।

    এছাড়া গত বছর হিম উৎসব চলাকালে নারী হল থেকে বহিরাগত যুবক আটক হওয়ার ঘটনাও ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল থেকে এক যুবক আটক হন, যিনি হিম উৎসব দেখতে এসে এক নারী শিক্ষার্থীর সহায়তায় হলে প্রবেশ করেছিলেন। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের শাস্তি হলেও উৎসবের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়ে।

    ক্যাম্পাসের একাংশ শিক্ষার্থীর মতে, ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বামপন্থী সংগঠনগুলোর বিপর্যয়ের পর হিম উৎসবকে ঘিরে তারা আরও ‘ডেসপারেট’ হয়ে উঠেছে এবং সংস্কৃতির নামে ফ্যাসাদ তৈরির চেষ্টা করছে। অন্যদিকে বামপন্থী নেতারা দাবি করছেন, ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে কিছু শিক্ষার্থী পরিকল্পিতভাবে অনুষ্ঠান বানচাল করতে চেয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের ৪৮ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হাসান সজীব তার সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, এবারের আয়োজনটাই ছিল কন্ট্রোভার্সি ক্রিয়েট করার পায়তারা। তৃতীয় লিঙ্গের প্রতিনিধিদের দিয়ে নোংরা নাচ নাচিয়ে যখন খুব বেশি সমালোচনা ক্রিয়েট করা গেল না, তখন পরেরদিন ফের সেই সূরা নাসের ঘটনটা ঘটানো হইলো। যেই সিমিলার ঘটনা নিয়ে এর আগেও একটা ঝামেলা দেশব্যাপী হয়েছিল। তিনি আরও লেখেন, একই বিষয়ের পুনরাবৃত্তি, গানের একই টপিক নির্ধারণ–এগুলা দেখে মনে হয়েছে সবকিছু ডেলিবারেটলি করা হয়েছে, প্ল্যানড ওয়েতে । সাধারণ/ধর্মপ্রাণ পোলাপানকে ট্রিগার করে সমালোচনা ইনভাইট করার চেষ্টা আছে এখানে। ইসলামপন্থী/সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে একটা ঝামেলা লাগুক, এই ইন্টেনশন রাইখাই আয়োজনের বিষয়বস্তু নির্ধারন করা।

    জলসিঁড়ির সাবেক সভাপতি মো. ফেরদৌস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেন, একজন সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে “হিম উৎসব” এর এমন অসুস্থ রুচির আয়োজনকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলাম।মুক্তমঞ্চ আমার কাছে বিশাল কিছু, পবিত্রতা, এখানে মুক্তভাবে নিজেকে প্রকাশ করা স্বপ্ন,সাধনা। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীকে প্রমোদবস্তু বানিয়ে তৈরী হওয়া যাত্রাপালা(সেমিন্যুড) মুক্তমঞ্চে প্রদর্শন করা কোনো সুস্থ সংস্কৃতি হতে পারে না।হয় বিকৃত রুচি নয়তো রুচির দুর্ভিক্ষ বা অজ্ঞতা। আয়োজক নাকি”পরম্পরায় আমরা” এরা জাহাঙ্গীরনগরের কোন পরম্পরা,কার পরম্পরা, কত দিনের পরম্পরা প্রকাশ করে তা এখনো বোধগম্য নয় নয়।

    এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ৩দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বরাবর আবেদন প্রদান করেন একদল শিক্ষার্থী। দাবিগুলো- অবমাননাকারী আয়োজকদের এবং মব সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, বারবার মাদক সেবনসহ অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যক্রমের দায়ে ‘হিম উৎসব এর আয়োজন বন্ধ করতে হবে অথবা প্রশাসনের সম্পূর্ণ তত্ত্বাবধানে এ আয়োজন সম্পন্ন করতে হবে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতকে সমর্থনের দায়ে তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক জনাব হাদ্যম নাঈমের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, আমরা এ বিষয়ে কাজ করছি। কিছুক্ষন বাদে প্রজ্ঞাপন জারি হবে। তখন সব জানতে পারবেন।

  • শার্শায় বিএনপির নির্বাচনী জনসভা

    শার্শায় বিএনপির নির্বাচনী জনসভা

    মোঃ ইমরান হোসেন হৃদয়, শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি:

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নে বিএনপির উদ্যোগে এক নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে জনসমর্থন জোরদার করতেই এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

    বাগআঁচড়া ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ জনসভায় সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এএইচএম আসাদুজ্জামান মিঠু। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যশোর–৮৫/১ (শার্শা) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন।

    তার বক্তব্যে নুরুজ্জামান লিটন বলেন, দেশের জনগণ সুশাসন ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা দেখতে চায়। তিনি দাবি করেন, ধানের শীষ প্রতীক জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতিনিধিত্ব করে। তিনি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
    সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তি।

    তিনি তার বক্তব্যে বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। তিনি নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের সাথে যোগাযোগ বাড়ানো এবং নির্বাচনী প্রচারণা জোরদার করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তিনি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের কথাও উল্লেখ করেন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আবুল হাসান জহির। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোস্তফা কামাল মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল আলম বাবু ও সালাউদ্দিন আহমেদ, শার্শার প্রধান উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান মধু,শার্শা উপজেলা বিএনপির জননেতা জনাব আবুল হাসান জহির,যুগ্ম সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ্ব কুদ্দুস আলী বিশ্বাস,সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান মুন্না, আইন বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কৃষক দলের সভাপতি আমিরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক শাখাওয়াত হোসেন,উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর জোয়াহ সেলিম ও সদস্য সচিব ইমদাদুল হক স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম রিপন ও সদস্য সচিব সেলিম হোসেন আশা বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • দীর্ঘ ২২ বছর পর নীলফামারীর বড় মাঠে তারেক রহমান

    দীর্ঘ ২২ বছর পর নীলফামারীর বড় মাঠে তারেক রহমান

    মো:জুয়েল রানা, ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি ;

    দীর্ঘ ২২ বছর পর নীলফামারীর ঐতিহাসিক বড় মাঠে উপস্থিত হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান। এ উপলক্ষে মাঠে লক্ষাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থকের ঢল নামে। জনসভাকে ঘিরে নীলফামারী শহর ও আশপাশের এলাকায় দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

    সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচনী প্রতীক ধানের শীষের পাশাপাশি নীলফামারী-১ আসনে খেজুর গাছ প্রতীক সহ ধানের শীর্ষের প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিপুল ভোটে বিজয়ের মাধ্যমেই দেশে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব।

    তার বক্তব্যে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের সার্বিক উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, এই জনসমাবেশ প্রমাণ করে যে নীলফামারীর জনগণ পরিবর্তনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ এবং আগামী নির্বাচনে জনগণ তাদের ভোটের মাধ্যমে সেই পরিবর্তনের বার্তা দেবে।

    সমাবেশটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। সার্বিক নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত ছিল।

  • জৈন্তাপুরকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই : আরিফুল হক চৌধুরী

    জৈন্তাপুরকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই : আরিফুল হক চৌধুরী

    জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেট-৪ (জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ) আসনে বিএনপি ও জমিয়ত ঐক্যজোট মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় ঐতিহাসিক জৈন্তাপুর ইরাদেবী মিলনায়তন মাঠে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজের সঞ্চালনায় সভাটি পরিচালিত হয়।

    জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, “আমি আপনাদের সঙ্গে নিয়ে জৈন্তাপুরকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।”

    তিনি আরও বলেন, “উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে বিজয়ী করুন। আপনাদের সমর্থন পেলে জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করবো, ইনশাআল্লাহ।”

    জনসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সভায় বক্তারা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। সভা শেষে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করে।

    এ সময় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, কৃষক দল, জাসাসসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ত্রিশালে সাংবাদিকদের দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    ত্রিশালে সাংবাদিকদের দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    মোঃ মোস্তাকিম, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনকালীন সময়ে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে ময়মনসিংহের ত্রিশালে অনুষ্ঠিত হয়েছে “নির্বাচনী রিপোর্টিং ও ফ্যাক্ট চেকিং অ্যান্ড ডিজিটাল ভেরিফিকেশন” বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা।

    আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ত্রিশাল অফিসার্স ক্লাবে দিনব্যাপী এই কর্মশালার আয়োজন করে ত্রিশাল প্রেসক্লাব। কর্মশালায় ত্রিশাল উপজেলায় কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

    কর্মশালার শুরুতে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও সকালের নাস্তার মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও পরিচয় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

    উদ্বোধনী বক্তব্য,উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব আরাফাত সিদ্দিকী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ত্রিশাল।

    তিনি বলেন, “নির্বাচনের মতো সংবেদনশীল সময়ে সাংবাদিকদের দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। নিরপেক্ষতা, তথ্য যাচাই এবং আইন মেনে সংবাদ পরিবেশনই পারে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে।”

    বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও নির্বাচনকালীন রিপোর্টিং কর্মশালার প্রথম সেশনে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও প্রসঙ্গ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করেন জনাবা সাবরিনা মেহরীন রাহা, সহকারী অধ্যাপক, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের গুরুত্ব ও সাংবাদিকদের নৈতিক দায়িত্ব তুলে ধরেন।

    পরবর্তী সেশনে হোসাইন শাহীদ, ব্যুরো প্রধান, যমুনা টেলিভিশন নির্বাচনকালীন রিপোর্টিংয়ে সাংবাদিকদের করণীয়, সীমাবদ্ধতা ও পেশাগত সতর্কতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

    যৌথবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা ও সাংবাদিকদের করণীয় নির্বাচনকালীন সময়ে যৌথবাহিনীর দায়িত্ব ও সাংবাদিকদের করণীয় বিষয়ে আলোকপাত করেন মেজর মহেববুল্লাহ সাদী, এসপিজি পদাতিক প্রশিক্ষক শ্রেণি বি (পদাতিক)। তিনি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা এবং সাংবাদিকদের নিরাপদে কাজ করার নির্দেশনা তুলে ধরেন।

    ফ্যাক্ট চেকিং সেশনে মিনহাজ আমান, ফ্যাক্ট চেক বিশেষজ্ঞ তথ্য, ছবি ও ভিডিও যাচাইয়ের আধুনিক কৌশল নিয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেন। তিনি বলেন,ভুয়া তথ্য, গুজব ও অপতথ্য রোধে সাংবাদিকদেরই হতে হবে প্রথম প্রতিরোধক।”

    এছাড়া জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, ময়মনসিংহ নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও সাংবাদিকদের সহযোগিতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন।

    মধ্যাহ্ন বিরতি এরপর দুপুরের খাবার ও নামাজের বিরতি অনুষ্ঠিত হয়।নির্বাচনী ব্রিফিং ও আইনগত নির্দেশনা বিকেলের সেশনে নির্বাচনকালীন দায়িত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্দেশনা ও সাংবাদিকদের করণীয়, নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি ও গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    এ সময় মফস্বল সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ, ভুয়া সংবাদ, গুজব ও প্রোপাগান্ডা মোকাবিলা, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO) এবং নির্বাচন ব্যবস্থায় গণমাধ্যমের দায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: সশস্ত্র বাহিনী ও মিডিয়ার ভূমিকা কর্মশালায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনী ও মিডিয়ার ভূমিকা নিয়ে বিশেষ আলোচনা করা হয়। আলোচনায় বলা হয়—জাতীয় সংসদ নির্বাচন গণতন্ত্রের প্রধান ভিত্তি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব ভোটারদের নিরাপত্তা, সহিংসতা প্রতিরোধ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র চিহ্নিতকরণে সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা অপরিহার্য,মিডিয়ার মাধ্যমে ভোটার সচেতনতা ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রচার গণতান্ত্রিক চর্চাকে শক্তিশালী করে,এছাড়া নির্বাচনকালীন আচরণবিধি, সশস্ত্র বাহিনী ও মিডিয়ার নিরপেক্ষতা, মানবাধিকার রক্ষা এবং গুজব প্রতিরোধের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    সমাপনী অধিবেশন কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ সাইফুর রহমান, জেলা প্রশাসক, ময়মনসিংহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মোঃ মিজানুর রহমান, জেলা পুলিশ সুপার, ময়মনসিংহ। ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ফিরোজ হোসেন, সহকারী কমিশনার ভূমি মাহবুবুর রহমান।

    এছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজীব আহমেদ, সিনিয়র রিপোর্টার, দৈনিক সমকাল এবং মিনহাজ আমান, ফ্যাক্ট চেক বিশেষজ্ঞ।

    বক্তারা বলেন, সাংবাদিক, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত দায়িত্বেই একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব।

    কর্মশালায় ত্রিশাল উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও বাড়ানোর দাবি জানান।