জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা থেকে অবৈধভাবে নিয়ে যাওয়ার সময় ১৯ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের উদ্যোগে জব্দ করা সারগুলো স্থানীয় কৃষকদের কাছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ক্ষেতলাল উপজেলার মনঝাড় বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ভ্যানচালকদের সূত্রে জানা যায়, কালাই উপজেলার মোলামগাড়িহাট বাজারের সার ডিলার মিজানুর রহমানের দোকান থেকে দুটি ভ্যানে করে ডিএপি সার আক্কেলপুরের জামালগঞ্জের দিকে নেওয়া হচ্ছিল। পথিমধ্যে মনঝাড় বাজার এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে তারা ভ্যান দুটির গতিরোধ করে তল্লাশি চালিয়ে ১৯ বস্তা ডিএপি সার দেখতে পান।
খবর পেয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুর রউফ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। জব্দ তালিকায় নয়ন নামে এক ভ্যানচালকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।জব্দ তালিকা অনুযায়ী, ১৯ বস্তা সারের মোট মূল্য ১৯ হাজার ৯৫০ টাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, একই সময়ে ওই সড়ক দিয়ে আরও কয়েকটি সারবোঝাই ভ্যান চলে গেলেও সেগুলো আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরে জব্দ করা সারগুলো স্থানীয় কৃষকদের কাছে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হয়। বিক্রির অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে জানান উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আব্দুর রউফ।
তিনি বলেন, ‘স্থানীয় লোকজন দুটি ভ্যানভর্তি সার আটক করে আমাদের বিষয়টি জানান। পরে কৃষি বিভাগের সহায়তায় সারগুলো জব্দ করা হয়। এলাকায় সারের কৃত্রিম সংকট রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
এ সময় তুলশীগঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর শহিদ কালুসহ কৃষি বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সার ব্যবসায়ী মিজানুর রহমানের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।