
ঠাকুরগাঁও জেলার বহুল প্রত্যাশিত ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ফলক উন্মোচন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টির নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। বঙ্গভবনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রায় ৮৬ একর জমির ওপর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি বলেন, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশে সংঘাত নয়, সহনশীলতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়; এটি জ্ঞানচর্চা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। রাষ্ট্রপতি আশা প্রকাশ করেন, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং জাতীয় উন্নয়নে দক্ষ, যোগ্য ও মানবিক নাগরিক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও ফলক উন্মোচনের পর রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নত মান বজায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণের আহ্বান জানান এবং শিক্ষা খাতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. ইসরাফিলসহ পদস্থ কর্মকর্তারা। এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।