Monday , 24 August 2026 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অপরাধ
  3. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  4. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  5. আইন-আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. আফ্রিকা মহাদেশ
  8. আবহাওয়া
  9. ইউরোপ মহাদেশ
  10. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  11. এক্সপ্লেইনার
  12. এশিয়া মহাদেশ
  13. কৃষি
  14. ক্যাম্পাস
  15. ক্রিকেট

রোপা আমনের আবাদে মাঠে ব্যস্ত নাটোরের কৃষকরা

নাটোরে অনুকূল আবহাওয়া, কৃষি বিভাগের প্রণোদনা ও পরামর্শ এবং উন্নত জাতের ধানের সম্প্রসারণের ফলে রোপা আমন চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। ইতোমধ্যে জেলার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জমিতে ধানের চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত জেলার ৪৫ হাজার ৮৬১ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চারা রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উফশী জাতের ৪৩ হাজার ৭৮৩ হেক্টর, হাইব্রিড জাতের এক হাজার ৯০২ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ১৭৬ হেক্টর জমি রয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় মোট ৭৭ হাজার ১০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নাটোর সদর উপজেলার মোহনপুর এলাকার কৃষক আহমেদুল কবীর জানান, অনুকূল আবহাওয়ায় তিনি নিজস্ব বীজতলার চারা দিয়ে চার বিঘা জমিতে ধান রোপণ করেছেন। এর মধ্যে দুই বিঘায় মিনিকেট এবং দুই বিঘায় কাজললতা জাতের ধান রয়েছে। জমি প্রস্তুত ও চারা রোপণে প্রতি বিঘায় প্রায় ৫ হাজার টাকা শ্রমিক ব্যয় হয়েছে। অন্যদিকে, চলনবিলের কৈগ্রামের কৃষক মো. তৌফিকুজ্জামান জানান, তিনি ব্রি ধান-৩৪ ও ব্রি ধান-৪৯ সুগন্ধি জাতের ধান রোপণ করেছেন। ফলন তুলনামূলক কম হলেও বাজারমূল্য বেশি হওয়ায় এসব জাতের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। কুমিড়া গ্রামের কৃষক জুলফিকার আনাম জানান, বিলের পানি নেমে গেলে ১২ বিঘা জমিতে আমন চাষ শুরু করবেন।

সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফরিদ হাসান জানান, উপজেলায় চলতি মৌসুমে ২৩ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। বিলের পানি কমে যাওয়ার পর এবং আউশ ধান কাটা শেষে আরও কৃষক রোপা আমন আবাদে যুক্ত হবেন। অক্টোবরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত চাষাবাদ চলবে বলে তিনি জানান। পাশাপাশি উচ্চমূল্যের কারণে চলনবিল অঞ্চলে সুগন্ধি ধান এবং পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ জিংকসমৃদ্ধ বিনাধান-৯০ ও বিনাধান-১০৩ চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।

কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে জেলার ১৪ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে এক বিঘা জমিতে রোপা আমন চাষের জন্য বিনামূল্যে ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জিংক বায়োফর্টিফাইড জাতের বিনাধান-২০ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে জেলার চারটি উপজেলায় ৮০০ কৃষককে বিনামূল্যে বীজ দেওয়া হয়েছে। এসব বীজের চারা ইতোমধ্যে রোপণ করা হয়েছে এবং চারটি উপজেলায় এক একর করে প্রদর্শনী খামার স্থাপনের কাজ চলছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নাটোর জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. হাবিবুল ইসলাম খান জানান, রোপা আমন চাষের জন্য অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করছে এবং ধানের চারা, সার, সেচসহ প্রয়োজনীয় সব উপকরণ সহজলভ্য রয়েছে। কৃষকদের সহায়তায় সরকার প্রণোদনা দিচ্ছে এবং মাঠপর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত পরামর্শ প্রদান করছেন। উপজেলা ও জেলা কৃষি বিভাগ সার্বিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করছে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত

সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় বললেন রাহানে

হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার আশায় তেলের দাম কমল, শেয়ারবাজারে নতুন রেকর্ড

মহিপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদ রিপন এর আত্নার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত

লোডশেডিংয়ের সময় মানসিক চাপ কমাতে কার্যকর কিছু অভ্যাস

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফ-এর শর্তের সম্পর্ক নেই : অর্থমন্ত্রী

ঢাকায় ব্যবসায়ীকে হত্যার প্রতিবাদে, চৌদ্দগ্রামে ফ্যাসিবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্যের বিক্ষোভ

নির্বাচনের সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখবে যুক্তরাষ্ট্র : ইসি সচিব

পাঁচবিবি উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডিমলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন দায়ে জরিমানা, পরিবহনের ট্রাক্টর ও বালু জব্দ

প্রতিষ্ঠার ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও ববি’তে হয়নি কোনো সমাবর্তন