গাজা উপত্যকায় ২১ লাখ ৫০ হাজারের বেশি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের মধ্যে ৮ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি মানুষ বসবাসের অযোগ্য অস্থায়ী তাঁবুতে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার সরকারি তথ্য দপ্তর।
সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, শীত মৌসুম ঘনিয়ে আসায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। তাঁবুতে বসবাসকারীদের মধ্যে ৫ লাখেরও বেশি শিশু রয়েছে। এ অবস্থায় আবহাওয়াপ্রতিরোধী তাঁবু, অন্তরণ সামগ্রী, ক্রেন এবং আশ্রয়নির্মাণে প্রয়োজনীয় অন্যান্য সরঞ্জাম অবিলম্বে গাজায় প্রবেশের সুযোগ দিতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, গাজার পরিস্থিতি এখন সংকটের চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপ অপসারণ, অবকাঠামো পুনর্গঠন এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ত্রাণ সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছে যে, ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে গাজার বাসিন্দারা খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসেবার তীব্র সংকটে রয়েছেন। এতে মানবিক পরিস্থিতি দিন দিন আরও অবনতির দিকে যাচ্ছে।
গাজার সরকারি তথ্য দপ্তরের আগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে ইসরায়েলি বাহিনী গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করেছে। জাতিসংঘের হিসাবে, এই ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং এলাকা পুনর্নির্মাণে আনুমানিক ৭০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হতে পারে।



















