রাজশাহীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর বাবা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়ার পাকশী সেতু-সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে নৌকার মাঝি কাওসার আলী (৬০) এবং দুপুরে রাজশাহীর পবা উপজেলার সাতবাড়িয়া চর এলাকা থেকে তার ছেলে জিয়ারুল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নৌ পুলিশের রাজশাহী অঞ্চলের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সকালে কুষ্টিয়ার বাংলাবাজার পাকশী সেতু-সংলগ্ন পদ্মা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে নৌ পুলিশ গিয়ে কাওসার আলীর মরদেহ উদ্ধার করে। একই দিন বেলা ১টার দিকে পবা উপজেলার সাতবাড়িয়া চর এলাকার পদ্মা নদী থেকে তার ছেলে জিয়ারুল হকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে চর মাজারদিয়া এলাকা থেকে আটজন যাত্রী ও ঝাউগাছ বোঝাই করে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা লালন শাহ মুক্তমঞ্চের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। মাঝনদীতে পৌঁছালে প্রবল ঢেউয়ের কবলে পড়ে নৌকাটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহায়তায় ছয়জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও নৌকার মাঝি কাওসার আলী ও তার ছেলে জিয়ারুল হক নিখোঁজ হন। পরে তাদের উদ্ধারে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান চালায়।
পুলিশ জানিয়েছে, পদ্মা নদীতে প্রবল স্রোতের কারণে মরদেহ দুটি দুর্ঘটনাস্থল থেকে অনেক দূরে ভেসে যায়। উদ্ধার শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সূত্র: বাসস



















