দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় দক্ষতামান বেসিক (৩৬০ ঘণ্টা মেয়াদি) শিক্ষাক্রমে শিক্ষার্থী ভর্তি না হওয়ায় ১ হাজার ৮৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (বিটিইবি)। এসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিল বা প্রত্যাহারের আগে শেষবারের মতো কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) বোর্ডের প্রকাশিত এক চূড়ান্ত তাগিদপত্রে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে পূর্বে দুই দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নোটিশে জানতে চাওয়া হয়, দীর্ঘদিন ভর্তি কার্যক্রম না থাকায় কেন আগামী জুলাই-ডিসেম্বর ২০২৬ সেশন থেকে তাদের ভর্তি কার্যক্রম স্থগিত করা হবে না এবং কেন পাঠদান অনুমোদন বাতিল করা হবে না।
বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ গত ১ জুলাই পাঠানো চিঠিতে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার নির্দেশনা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও তালিকাভুক্ত ১ হাজার ৮৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনোটি এখন পর্যন্ত জবাব দেয়নি।
এ অবস্থায় বোর্ড নতুন করে চূড়ান্ত তাগিদ জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, নোটিশ পাওয়ার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথ কারণ উল্লেখ করে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জবাব না এলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কোনো বক্তব্য নেই বলে ধরে নেওয়া হবে। এরপর প্রচলিত বিধি অনুযায়ী পাঠদান অনুমোদন বাতিল, সংশ্লিষ্ট কোর্সের নিবন্ধন প্রত্যাহারসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে বোর্ড।
অনুমোদন বাতিলের প্রক্রিয়ায় থাকা ১ হাজার ৮৫টি প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ তালিকা বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।