ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি:
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের চারঘড়ি চাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শিশু শিক্ষার্থীকে দিয়ে সহকারী শিক্ষিকার শরীর ম্যাসাজ (মালিশ) করানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এলাকাজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি আমলে নিয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোছা. কাজলী আক্তারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. রবিউল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, গত ৫ জুলাই চারঘড়ি চাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা কাজলী আক্তার এক শিশু শিক্ষার্থীকে দিয়ে শরীর ম্যাসাজ করানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে ৬ জুলাই ডিমলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) ধারা অনুযায়ী কাজলী আক্তারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে কাজলী আক্তার একটি বিছানায় শুয়ে আছেন। এ সময় এক শিশু শিক্ষার্থী তার শরীর ম্যাসাজ করে দিচ্ছে। একই কক্ষে উপস্থিত ছিলেন অপর দুই সহকারী শিক্ষিকা ওয়াহিদা জান্নাত মুনমুন ও মনি আক্তার। তাদের একজন মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলেন, আরেকজন গল্পে ব্যস্ত ছিলেন।
এ বিষয়ে মো. রবিউল ইসলাম জানান, সহকারী শিক্ষিকা কাজলী আক্তারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করা হয়েছে। আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তাকে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।