নিউজিল্যান্ডের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়ার ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সমুদ্রে অবৈধ পণ্য হস্তান্তরের ঘটনা তাদের গোয়েন্দা বিমানে ধরা পড়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
রয়্যাল নিউজিল্যান্ড এয়ার ফোর্সের এয়ার কমোডর অ্যান্ডি স্কট জানান, পি-৮এ পোসাইডন নজরদারি বিমান ইয়েলো সি বা হলুদ সাগর এবং পূর্ব চীন সাগরে এ সন্দেহজনক কার্যক্রম শনাক্ত করেছে।
তিনি বলেন, ‘সমুদ্রে জাহাজ থেকে জাহাজে অবৈধ পণ্য স্থানান্তরের সম্ভাব্য ঘটনা ছাড়াও আমরা জাতিসংঘের কাছে ৩৫টি সন্দেহভাজন জাহাজের তথ্য দিয়েছি।’
স্কট আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কাজে অবদান রাখতে পেরে আমরা গর্বিত।’
উত্তর কোরিয়ার ওপর জাতিসংঘের একাধিক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এর মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির ব্যবহার নিষিদ্ধ। তবে পিয়ংইয়ং বারবার এসব নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করেছে।
২০১৮ সাল থেকে নিউজিল্যান্ডের সামরিক বাহিনী ইয়েলো সি ও পূর্ব চীন সাগরে টহল দিয়ে আসছে। এটি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে বহুজাতিক উদ্যোগের অংশ।
তারা জানায়, পরিশোধিত জ্বালানি উত্তর কোরিয়ায় পাচারের সন্দেহভাজন জাহাজ এবং কয়লা, বালি ও লৌহ আকরিকের মতো পণ্য রপ্তানির ঘটনাও তারা শনাক্ত করেছে। এসব পণ্য দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচির অর্থায়নে ব্যবহৃত হতে পারে।
এদিকে চলতি মাসে চীন অভিযোগ করেছে, নিউজিল্যান্ডের এসব টহল কার্যক্রম তাদের আকাশসীমায় ‘বাধাসৃষ্টিকারী ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’ নজরদারির শামিল।
বেইজিং আরও দাবি করে, একটি বিমান ইয়েলো সি ও পূর্ব চীন সাগরের আকাশসীমায় ‘কড়া নজরদারি ও হয়রানিমূলক কার্যক্রম’ চালিয়েছে।
তবে ওয়েলিংটন বেইজিংয়ের অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেছে।
সূত্রঃ বাসস