মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
বাগআঁচড়ায় ছয়জন মটর শ্রমিকের মরণোত্তর ভাতা প্রদান ডিমলায় শীতার্তদের মাঝে ইউএনও এর কম্বল বিতরণ মোংলায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া দুমকিতে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া বাউফলে নার্সদের অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ অসহায় শীতার্তদের পাশে সীমান্ত পরিবার কল্যাণ সমিতি বাড়তি দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি, দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা দোয়ারাবাজারে জামায়াতের ছাত্র সমাবেশে আবু সাইদ ও হাদীর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে ছাত্রসমাজকে আহ্বান অসহায় বিধবা মহিলাকে খাদ্য, শীতবস্ত্র ও স্থায়ী ঘরের আশ্বাস দিলেন ইউএনও আমতলীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরনে আর্থিক সহায়তা : মোল্লা ফাউন্ডেশন সরিষার সোনালী ফুলে মধু’র স্বপ্ন বুনছে কৃষক কুয়াকাটায় এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার মোবাইল, ওয়ালেট হারানো ও অনলাইন প্রতারণা ঠেকাতে বাংলাদেশি দুই শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই: ইসি সানাউল্লাহ গোয়াইনঘাটে অনুমতি ছাড়া সরকারি গাছ নিধন : দায় নিচ্ছে না কেউ ‎কুবির বরুড়া ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের নেতৃত্বে আলভীর-জুয়েল পুরো ঢাকার শহর খালেদা জিয়ার জানাজায় পরিনত হয়েছিলো : এবিএম মোশাররফ খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় স্মরন সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ‎কুবিতে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান কক্সবাজার যাচ্ছেন তারেক রহমান, করবেন শহীদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত

নবীনগরে এলপিজি গ্যাসের দামে অনিয়মের অভিযোগ

আরিফুর ইসলাম, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের দামে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত মূল্যের তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির কারণে ভোক্তারা প্রতিনিয়ত ক্ষতির মুখে পড়ছেন। সংশ্লিষ্টদের দাবি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজার অস্থির রাখা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নবীনগরে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৬০ হাজার সিলিন্ডার হলেও বিভিন্ন কোম্পানি সময়বিশেষে সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে দাম বাড়িয়ে দেয়। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭০০ টাকায়, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নবীনগর উপজেলায় বসুন্ধরা, বিএম, ডেলটা, ইউনিক, জি, ওমেরা, পেট্রোমেক্স, পদ্মা, সান জিএমআই, ওরিয়নসহ প্রায় ১৭টি কোম্পানির এজেন্ট কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এজেন্টদের দাবি, তারা কোম্পানি থেকে নির্ধারিত দামে গ্যাস কিনে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সিলিন্ডারপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা লাভে বিক্রি করেন। তবে খুচরা পর্যায়ে সেই দাম আরও বাড়িয়ে সিলিন্ডারপ্রতি প্রায় ২৫০ টাকা পর্যন্ত মুনাফা যোগ করা হচ্ছে। এই অতিরিক্ত লাভের বোঝা শেষ পর্যন্ত গিয়ে পড়ছে ভোক্তাদের ওপর। ফলে রান্নার গ্যাস কিনতেই হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো।

সরকারি সূত্র অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য নির্ধারণ করেছে ১ হাজার ২৫৩ টাকা। আগের মাসে এই দাম ছিল ১ হাজার ২১৫ টাকা। অর্থাৎ এক মাসে দাম বেড়েছে ৩৮ টাকা। যদিও বাস্তব বাজারে নির্ধারিত এই মূল্য কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিইআরসির হিসাব অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১০৪ টাকা ৪১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। গাড়িতে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও বাড়িয়ে লিটারপ্রতি ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন মাঝে মাঝে অভিযান পরিচালনা করলেও অনিয়ম বন্ধ হচ্ছে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযানের পর কিছুদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও পরে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়।

এলাকাবাসীর দাবি, গ্যাস কোম্পানির এজেন্ট ও খুচরা বিক্রেতাদের দামের কারসাজির বিরুদ্ধে নিয়মিত ও কঠোর নজরদারি না বাড়ালে সাধারণ ভোক্তারা এভাবেই প্রতারিত হতে থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩