বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনামঃ
আমতলীতে তরমুজ চাষের জন্য ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা কুবিতে আবেদনের সময়সীমা শেষ; প্রতি আসনে লড়বে ১০৮ জন সারাদেশে স্কুলগুলোর জন্য ২৪ কোটি বই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে : এনসিটিবি গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন দেশের ১৭ জেলার ওপর দিয়ে বইছে শৈত্যপ্রবাহ সকল প্রকার জ্বালানি তেলের দাম কমল সরকারি উদ্যোগে ডিমলার নিজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে বই বিতরণ ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়কে গণডাকাতি: মুক্তিপণ দিয়ে ফিরলেন অপহৃত নজরুল শৈলকুপা বাজার দোকান মালিক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটি-২০২৬ গঠন শৈলকুপায় অসুস্থ গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ নবীনগরের সলিমগঞ্জে বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা ও দোয়া অনুষ্ঠিত। পুলিশ পরিদর্শকদ্বয়ের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত নবীনগরে বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা ও দোয়া অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন মৌখিক তালাকের পর প্রেমিককে স্বামী দাবি করে অনশন প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনেই আনসার ক্যাম্পে হামলা ঈদগাঁওয়ে বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে খেলাফত মজলিসের সাথে জামায়াতে ইসলামীর মতবিনিময় চবিতে বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ধর্মপাশায় ঘন কুয়াশার হাড় কাঁপানো শীতল বাতাসে বিপর্যস্ত জনজীবন

গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন

 লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

উত্তরের সীমান্তঘেরা জেলা লালমনিরহাট। নদী ভাঙন, বন্যা আর দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই এ অঞ্চলের মানুষের নিত্যসঙ্গী। চরাঞ্চলের মানুষের এই দুঃখ ঘুচিয়ে মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘গণ উন্নয়ন কেন্দ্র’।

​যাতায়াতের জন্য রাস্তা নির্মাণ এবং নদী ভাঙনপ্রবণ এলাকায় বাঁশের বান্ডাল তৈরির মাধ্যমে প্রাকৃতিক উপায়ে তীর রক্ষার মতো নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনা করছে সংস্থাটি। এর সুফল পেতে শুরু করেছে স্থানীয় হাজারো মানুষ।

হাতীবান্ধা উপজেলার সানিয়াজান ইউনিয়নে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গণ উন্নয়ন কেন্দ্র কর্তৃক নির্মিত ১২০০ ফুট একটি কাঁচা রাস্তা লোকালয়ের সঙ্গে কয়েকটি গ্রামকে যুক্ত করেছে। এই রাস্তার ফলে প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার মানুষের যাতায়াতের দীর্ঘদিনের কষ্ট দূর হয়েছে। চরাঞ্চলের প্রখর রোদে পথচারীদের বিশ্রামের জন্য রাস্তার পাশে ‘শীতল ছায়া’ নামে বেশকিছু গোলঘরও তৈরি করে দিয়েছে সংস্থাটি।

​অন্যদিকে, সিন্দুনা এলাকায় গিয়ে দেখা যায় নদীর তীরে বাঁশের বান্ডাল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। এটি একদিকে যেমন নদী ভাঙন রোধ করছে, অন্যদিকে পলি জমে নদীর তীর পুনর্গঠনে সহায়তা করছে। ফলে তীরবর্তী মানুষ তাদের ভিটেমাটি হারানোর ভয় থেকে মুক্তি পাচ্ছে।

​সানিয়াজান ইউনিয়নের শিক্ষার্থী মিম জানায়, “আগে রাস্তা না থাকায় আমরা ঠিকমতো স্কুলে যেতে পারতাম না। বন্যার সময় যাতায়াত বন্ধ হয়ে যেত, এমনকি বাজারে গিয়ে খাবার কেনার পরিস্থিতিও থাকত না। এখন রাস্তা হওয়ায় আমাদের অনেক সুবিধা হয়েছে।” একই এলাকার এক কৃষক বলেন, “ফসল ভালো হলেও রাস্তার অভাবে আমরা ন্যায্য দাম পেতাম না। এখন সরাসরি যানবাহন চরে আসতে পারায় আমরা লাভবান হচ্ছি।”

​সিন্দুনা ইউনিয়নের জনৈক বাসিন্দা জানান, বাঁশের বান্ডালের কারণে তীরে বালু জমতে শুরু করেছে। এতে নদী ভাঙন কমবে এবং তাদের ঘরবাড়ি বন্যায় তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমেছে।

​গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের কর্মকর্তা রবিউল হাসান জানান, ‘কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইড’-এর সহযোগিতায় এবং ‘জুরিখ ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স’ প্রজেক্টের আওতায় ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে নদী তীরের সুরক্ষা কাজ করা হয়েছে। পাশাপাশি সানিয়াজান ইউনিয়নে ১২০০ ফুট রাস্তা নির্মাণ, রাস্তার দুই ধারে বৃক্ষরোপণ এবং কৃষকদের বিশ্রামের জন্য ‘শীতল ছায়া’ ঘরটি নির্মাণ করা হয়েছে।

​সংস্থাটির এমন জনহিতকর কাজে স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ও খুশি দেখা দিলেও একটি অপূর্ণতা রয়ে গেছে। সানিয়াজান ইউনিয়নের নবনির্মিত রাস্তাটিতে দুটি ব্রিজ বা কালভার্ট অত্যন্ত প্রয়োজন। এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে-এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় বাসিন্দাদের।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2025 © জনপদ সংবাদ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ ০১৭১২-০৬৮৯৫৩