Author: নিউজ ডেক্স

  • ইরানের নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন, উদ্বেগে পশ্চিমারা

    ইরানের নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন, উদ্বেগে পশ্চিমারা

    এবার নতুন একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করেছে ইরান।যার সর্বোচ্চ পাল্লা ১,৭০০ কিলোমিটার বলে জানানো হয়েছে। রোববার তেহরানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান এ ক্ষেপণাস্ত্রের উদ্বোধন করেন। খবর এএফপির।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্রের নাম ‘এতমাদ’। ফারসি ভাষায় যার অর্থ ‘আস্থা’ এবং এটি ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তৈরি সর্বশেষ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র।

    পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ

    এদিকে পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা ইরানের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত করার অভিযোগ করে আসছে।

    ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এতমাদ ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইল পর্যন্ত পৌঁছানোর সক্ষমতা রাখে। ইরান গত বছরেই গাজা যুদ্ধের সময় ইসরাইলে দুবার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল।

    ইরানের প্রতিরক্ষা কৌশল

    অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেন, ইরানের এই প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও মহাকাশ প্রযুক্তির উন্নয়ন এটা নিশ্চিত করবে যে, কোনো দেশ ইরানের ভূখণ্ডে আক্রমণের সাহস করবে না।

    নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্রের উন্মোচন দেশটির ‘জাতীয় মহাকাশ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে করা হলো। এটি ইরানের ইসলামী বিপ্লবের ৪৬তম বার্ষিকীর (১০ ফেব্রুয়ারি) কিছুদিন আগেই অনুষ্ঠিত হলো।

    ইরানের সামরিক শক্তির উত্থান

    ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের আগে ইরান তার সামরিক সরঞ্জামের বেশিরভাগই যুক্তরাষ্ট্র থেকে সংগ্রহ করত। তবে বিপ্লবের পর আমেরিকা সেই সম্পর্ক ছিন্ন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

    ১৯৮০-১৯৮৮ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময়ই অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ে ইরান। এর ফলে তারা নিজস্ব অস্ত্র নির্মাণ শুরু করে। বর্তমানে ইরানের কাছে বড় আকারের সামরিক অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে। যার মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ড্রোন অন্তর্ভুক্ত।

    পরিশেষে বলা যায়, ইরানের এই নতুন ‘এতমাদ’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পশ্চিমা বিশ্ব ও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।

    বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইরান যেমন একদিকে নিজের সামরিক শক্তি প্রদর্শন করছে। অন্যদিকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করারও সংকেত দিচ্ছে। সূত্র: এএফপি ও আল-আরাবিয়্যাহ

  • ডিসেম্বর পর্যন্ত এডিপি বাস্তবায়ন ১৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ

    ডিসেম্বর পর্যন্ত এডিপি বাস্তবায়ন ১৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ

    চলতি অর্থবছরের ছয় মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়ন হয়েছে ১৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ হার ছিল ২২ দশমিক ৪৮ শতাংশ। তার আগে ২০২২-২৩ অর্থবছরে এই হার ছিল ২৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

    পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ এসব তথ্য প্রকাশ করেছেন। বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) এ অগ্রগতি প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

    রোববার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সামনে এটি উপস্থাপন করা হয়েছে।

    রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক পরবর্তী ব্রিফিংয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলো ব্যয় করতে পেরেছে ৫০ হাজার কোটি টাকা। গত অর্থবছর খরচ হয়েছিল ৬১ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। ২০২২-২৩ অর্থবছরে খরচ হয়েছিল ৬০ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা।

    এ প্রসঙ্গে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, আগের অর্থবছরের হিসাবগুলো হলো সংশোধিত এডিপির। আর চলতি অর্থবছরের হিসাবটি হলো মূল এডিপির। সুতরাং এডিপি সংশোধন করা হলে আকার ছোট হবে। ফলে বাস্তবায়ন হার বেড়ে যাবে।

  • কাজী জাফর কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের কথা চিন্তা করতেন – কাজী নাহিদ

    কাজী জাফর কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের কথা চিন্তা করতেন – কাজী নাহিদ

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী নাহিদ বলেন – ইসলাম শান্তির ধর্ম, সেই থেকে আমরা অনেক সৌভাগ্যবান। আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্য পৃথিবীতে অনেক রহমতের ভান্ডার রেখেছেন। মানুষের সুখে দুখে বিপদে আপদে পাশে গিয়ে সহযোগিতা বা সান্তনা দিতে পারেন সেই কাজে আল্লাহ তায়ালা অনেক বেশি খুশি হন।

    তিনি আরো বলেন, আমাদের পরিবারের থেকে স্বাধীনতার আগে পরে ছয়বার এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন কাজী জহিরুল কাইয়ুম ও কাজী জাফর আহমেদ। আমাদের পরিবার আদি পুরুষ ব্রিটিশ ভারতের শিক্ষা ও আইনমন্ত্রী নবাব মোশারফ হোসেন খান। চিওড়াতে কোন গাড়ি বিদ্যুৎ রিক্সা ছিল না। তুমি জলপাইগুড়ি থেকে ট্রেনে করে গুণবতী হয়ে চিওড়া আসলেন। চিওড়া মানুষের দুরবস্থা দেখে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন এই অঞ্চলের মানুষকে শিক্ষিত করতে হবে। ১৯১২ সালে তখনকার সময় মাটি খুঁড়ে ইট তৈরি করে স্কুল মসজিদ নির্মাণ করেছিলেন। কাজী জাফর আহমেদ ৪০ বছর আগে তখনকার সময় যে উন্নয়ন করে গিয়েছিলেন সেটি এখন সংস্কার করে উন্নয়ন করা হচ্ছে। কাজী জাফর আহমেদ মজলুম জননেতা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর হাত ধরে রাজনীতিতে এসেছিলেন।

    তিনি সবসময় কৃষক শ্রমিক মেহনতি মানুষের কথা চিন্তা করতেন। একটি সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গিয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার একটি হলো সারা বাংলাদেশের ঘুমন্ত গ্রামগুলোকে সজাগ করে দেশের সকল থানাগুলোকে এক করে উপজেলা পদ্ধতি তৈরি করা। স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে কাজ শুরু করেন জাফর আহমেদ । আমি গর্ব করে বলতে পারি কাজী জাফর আহমদ অষ্টম প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ইসলাম ধর্মকে রাষ্ট্রীয় ধর্ম হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। তিনি গতকাল শনিবার রাতে উপজেলা শ্রীপুর ইউনিয়ন পদুয়া দারুসসুন্নাত মাহবুবিয়া কমপ্লেক্স উদ্যোগে তাফসীরুল কুরআন মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন।

    পদুয়া দারুসসুন্নাত মাহবুবিয়া কমপ্লেক্সের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মোহামমদ নিজাম উদ্দিনের সার্বিক পরিচালয় তাফসীরুল কোরআন মাহফিলে প্রধান মেহবান হিসেবে তাফসীর পেশ করেন জৌনপুর ভারত বড় হুজুর পীর সাহেব ফাররুখ ছেয়ার সিদ্দিকী আল কোরাইশী সাহেব, প্রধান ওয়াজিন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বাড্ডা বাইতুল আহমাদ জামে মসজিদের খতিব বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ মাওলানা জাবের হোসাইন নেছারী, বিশেষ ওয়াজিন হিসাবে তাসফির পেশ করেন ফেনী আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া কামিল মাদ্রাসা সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মোহামমদ নিজাম উদ্দিন, লালমাই জামেয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সহ সুপার মাওলানা শফিউল আলম। সাবিক
    পদুয়া দারুসসুন্নাত মাহবুবিয়া কমপ্লেক্সের পতিষ্ঠাতা পরিচালক মাওলানা মোহামমদ নিজাম

  • ফরিদপুর ৪ টি আসনে জামায়াতের সব প্রার্থী চূড়ান্ত

    ফরিদপুর ৪ টি আসনে জামায়াতের সব প্রার্থী চূড়ান্ত

    আসন্ন সংসদ নির্বাচনের তারিখ এখনো ঠিক না হলেও ফরিদপুরের চারটি সংসদীয় আসনের সবকটিতে তাদের প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম।

    ফরিদপুর জেলা জামায়াতের আমীর মো. বদরউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন,প্রার্থী দেওয়ার ব্যাপারে কেন্দ্রীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত শনিবার (১ ফ্রেব্রুয়ারি) কেন্দ্র থেকে ফরিদপুরের সবকটি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।

    ফরিদপুরের নয়টি উপজেলা নিয়ে চারটি সংসদীয় আসন। এর মধ্যে আলফাডাঙ্গা-বোয়ালমারী-মধুখালী এই তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত (ফরিদপুর-১) আসন। এই আসনে ঢাকা জেলা শাখার সুরা ও কর্মপরিষদ সদস্য প্রফেসর ড. ইলিয়াছ মোল্লাকে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণ করা হয়েছে।

    তিনি জাহাঙ্গীরনগর
    বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান। তার বাড়ি মধুখালী উপজেলার কামালদিয়া ইউনিয়নের কালপোহা গ্রামে।

    নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা দুটি নিয়ে (ফরিদপুর-২) আসন। নগরকান্দা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা সোহরাব হোসেনকে এই আসনে প্রার্থী করা হয়েছে। তিনি নগরকান্দার তালমা নাজিমউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তার বাড়িও তালমা এলাকায়।

    ফরিদপুর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন আসন সদর উপজেলা নিয়ে নিয়ে গঠিত (ফরিদপুর-৩) আসন। জামায়াতের কেন্দ্রিয় সুরা সদস্য ও ফরিদপুর অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যাপক আব্দুত তাওয়াবকে এই আসনে প্রার্থী করা হয়েছে । তিনি বোয়ালমারী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ। ফরিদপুর শহরের লক্ষীপুরের বাসিন্দা।

    এছাড়া ভাংঙা-সদরপুর-চরভ্রদাসন উপজেলা নিয়ে (ফরিদপুর-৪) আসন গঠিত। ভাংঙা উপজেলা জামায়াতের আমাীর মাওলানা সরোয়ার হোসেন কে এই আসনে প্রার্থী করা হয়েছে। তিনি ভাংঙা উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। তার বাড়ি ভাংঙার মালিগ্রাম ইউনিয়নের পাঁচকুল গ্রামে। তিনি তারাইল আলীম মাদ্রাসার শিক্ষক।

  • জামায়াতের কর্মীরা চাঁদাবাজি, মামলা-বাণিজ্য করে না: ডা. শফিকুর

    জামায়াতের কর্মীরা চাঁদাবাজি, মামলা-বাণিজ্য করে না: ডা. শফিকুর

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত ১৭ বছর অনেক জুলুম নির্যাতন সহ্য করার পরও আমরা ধৈর্য্য ধারণ করেছি। আমরা দেশকে, দেশের মানুষকে ভালোবাসি।

    তিনি বলেন, সারা দেশে কোথাও আমাদের কর্মীরা বালুমহাল, জলমহাল, হাট-বাজার,বাসস্ট্যান্ড, ফুটপাত দখলে ঝাপিয়ে পড়েনি। আমাদের কর্মীরা চাঁদাবাজি, মামলা-বাণিজ্য করছে না। কারণ তারা জানে এগুলো হারাম। আর কোনো রাজনৈতিক কর্মী এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হতে পারে না। আর যদি কেউ ভুলক্রমে যুক্ত হয়েও যান, তাহলে শহিদদের রক্তের প্রতি শ্রদ্ধা-সম্মান দেখিয়ে বিরত থাকুন।

    শনিবার দুপুরে সুনামগঞ্জ শহরের বালুরমাঠে আয়োজিত জেলা জামায়াতের কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    জামায়াত আমির বলেন, আমরা অতীত নিয়ে কামড়াকামড়ি করতে চাই না। তবে যারা মানুষ খুন করেছে, গুম করেছে তাদের বিচার হতে হবে। এটা প্রতিশোধ নিতে নয়, মানব সমাজকে কলঙ্কমুক্ত করতে।

    ডা. শফিকুর বলেন, যারা আমাদের বিনা ভিসায় অন্যদেশে পাঠিয়ে দিতেন, আজ তারাই বিনা ভিসা ও টিকিটে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। তাদেরকে বলবো, দেশে আসুন। এসে দেখে যান কী করে গেছেন৷

    তিনি বলেন, জামায়াত দেশের দায়িত্ব পেলে সর্বাগ্রে শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সমন্বয়ে সার্টিফিকেটের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতে কাজ ধরিয়ে দেওয়া হবে।

    জামায়াত আমির বলেন, দেশের একটি জায়গা ঠিক হলে সব ঠিক হয়ে যাবে।  সেটি হচ্ছে নেতৃত্ব। তাই নেতৃত্বে যারা থাকবেন তাদের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য থাকতে হবে। নিজের পরিবর্তনের চেয়ে জাতির পরিবর্তনের প্রচেষ্টা চালাবেন। রাজনীতিবিদদের দলের চেয়ে দেশকে প্রাধ্যন্য দিতে হবে। রাজনীতিতে ধোকাবাজি ও মিথ্যাচার দেখতে দেখতে দেশের জনগণ এখন ক্লান্ত এবং বিরক্ত। জনগণ আর এমন দেখতে চায় না।

    জেলা জামায়াতের আমির তোফায়েল আহমদ খানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি অধ্যাপক মো. আব্দল্লাহ ও জেলা জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য আডভোকেট রেজাউল করিমের যৌথ সঞ্চালনায় কর্মী সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবু্ব জুবায়ের, ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মো. সেলিম উদ্দিন, সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির মো. ফখরুল ইসলাম, সিলেট জেলা জামায়াতের আমির হাবিবুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের আমির শাহেদ আলী, হবিগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির মোখলেছুর রহমান, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি ও সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট

    আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, সুনামগঞ্জ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. শামস উদ্দিন, নায়েবে আমির মোমতাজুল হাসান আবেদ, সিলেট জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য আব্দুস সালাম আল মাদানি, ২৪-এর গণ আন্দোলনে শহিদ সোহাগের পিতা আবুল কালাম, সিলেট মহানগর ছাত্রশিবির সভাপতি শাহীন আহমেদ, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মেহেদি হাসান তুহিন প্রমুখ।

  • ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দল গঠন নিয়ে যা বললেন জিএম কাদের

    ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দল গঠন নিয়ে যা বললেন জিএম কাদের

    ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দল গঠন নিয়ে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, রাজনৈতিক দল গঠনের অধিকার প্রতিটি নাগরিকেরই আছে। তাদের মতাদর্শ তুলে ধরে জনগণের রায় চাইবে, এটাতে আপত্তির কিছু নেই। নতুন প্রজন্মের যে তরুণরা রাজনৈতিক দল গঠন করতে চাচ্ছে, তাদের আমি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। তারা সামনে এগিয়ে যাক, দেশ ও জাতি তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু পাবে, এটাই আমার প্রত্যাশা।

    শনিবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীস্থ কার্যালয়ে জাতীয় পার্টি হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাংগঠনিক মতবিনিময় সভায় পার্টি মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    এ প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, ক্ষমতায় থেকে রাজনৈতিক দল গঠন এবং ক্ষমতায় থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ এটা দেশের জনগণ আর গ্রহণ করতে রাজি নয়। এজন্যই নির্বাচনের সময় নিরপেক্ষ ব্যবস্থা, তত্ত্বাবধায়ক বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দরকার হয়।

    তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের বক্তব্যে এটা পরিষ্কার যে, ছাত্র সমন্বয়কদের মনোনয়নে এ সরকার গঠিত হয়েছে। ছাত্রদের দল গঠনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমর্থন আছে একথাও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে। ফলে যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন বা দল গঠনে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখবেন শুধুমাত্র সেসব ব্যক্তিরা সরকার ত্যাগ করলেই, সে দল সরকারি আনুকূল্য পাবে না, এটা কতটুকু বিশ্বাসযোগ্য? এ কারণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে পারবে, এমন দাবি করতে পারেন না বলে মনে করি। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিজেদের নিরপেক্ষ দাবি করলেও রাজনৈতিক দলগুলো ও জনগণের কাছে সেটা কতটুকু বিশ্বাসযোগ্য হবে- তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ আছে।

    জিএম কাদের বলেন, দেশের মানুষ চায় নির্বাচনের সময় যেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকে, সবার জন্য সমান সুযোগ থাকে; কোনো বিশেষ দল যেন সরকারি অর্থ ও সরকারের ক্ষমতার প্রভাব দিয়ে নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে না পারে, এ নিশ্চয়তা।

    এ সময় আরও বক্তব্য দেন- জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা বিভাগীয় অতিরিক্ত মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা, প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিক, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, ভাইস চেয়ারম্যান আহাদ ইউ চৌধুরী শাহীন, মো. হেলাল উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক-২ এমএ রাজ্জাক খান, যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক সমরেশ মন্ডল মানিক, জেলা নেতাদের মধ্যে জালাল উদ্দিন খান, আব্দুল মোক্তাদির চৌধুরী অপু চৌধুরী, কাজল আহমেদ, শিবলী খায়ের, আফরোজ আফগান তালুকদার, তৌহিদুল ইসলাম, প্রভাষক এসএম লুৎফর রহমান, গাজী মো. মিজবাহ উদ্দিন, শাহজাহান তালুকদার, আব্দুস সালাম মেম্বার, সোহেল আহমেদ রানা, ওস্তার মিয়া তালুকদার, এমএম হেলাল প্রমুখ।

  • ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান বইমেলায় নতুন তাৎপর্য নিয়ে এসেছেঃ ড. ইউনূস

    ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান বইমেলায় নতুন তাৎপর্য নিয়ে এসেছেঃ ড. ইউনূস

    বাংলা একাডেমিতে মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জাতির ঘাড়ে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে চেপে থাকা স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটেছে। আমাদের সাহসী তরুণদের এই অভূতপূর্ব আত্মত্যাগ বিশ্বকে চমকে দিয়েছে। এই বিজয়ের মাধ্যমে এসেছে নতুন বাংলাদেশ গড়ার ইস্পাত কঠোর প্রতিজ্ঞা। যাদের মহান আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত অভ্যুত্থান এবারের বইমেলা নতুন তাৎপর্য নিয়ে আমাদের সামনে এসেছে।

    শনিবার বিকালে বাংলা একাডেমিতে অমর একুশের বইমেলার উদ্বোধন শেষে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমি আজ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি জুলাইয়ের ছাত্রদের নেতৃত্বে গণঅভ্যুত্থানে যেসব দুঃসাহসী ছাত্র-জনতা-শ্রমিক প্রাণ দিয়েছেন এবং নির্মমভাবে আহত হয়েছেন তাদের সবাইকে। এবারের বইমেলার প্রতিপাদ্য জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান এবং তার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ।

    ড. ইউনূস বলেন, বরাবরই একুশে মানে জেগে ওঠা। একুশে মানে আত্মপরিচয়ের সঙ্গে মুখোমুখি হওয়া। একুশে মানে অবিরাম সংগ্রাম। নিজের পরিধিকে আরো অনেক বাড়িয়ে নেওয়া। এবারের একুশের পরিপ্রেক্ষিত আমাদেরকে নতুন দিগন্তে প্রতিস্থাপন করেছে। বরকত, সালাম, রফিক, জব্বারের বুকের রক্তে যে অঙ্গীকার মাখা ছিল তাতে ছিল জুলাই অভ্যুত্থানকে নিশ্চিত করার মহা বিস্ফোরক শক্তি। অর্ধশতাব্দী পর এই মহাবিস্ফোরণ গণঅভ্যুত্থান হয়ে দেশ পাল্টে দিল। এই বিস্ফোরণ আমাদের মধ্যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় গ্রোথিত করে দিয়ে গেল। অমর একুশের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা এই প্রত্যয়ে শপথ নিতে এসেছি।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, একুশ আমাদের মূল সত্তার পরিচয়। একুশ আমাদের ঐক্যের দৃঢ় বন্ধন। এই বন্ধন ছোট-বড়, যৌক্তিক-অযৌক্তিক, ক্ষণস্থায়ী- দীর্ঘস্থায়ী সব দূরত্বের ঊর্ধ্বে। এজন্য সব ধরনের জাতীয় উৎসবে, সংকটে, দুর্যোগে আমরা শহীদ মিনারে ছুটে যাই। সেখানে আমরা শান্তি পাই। স্বস্তি পাই। সমাধান পাই। সাময়িকভাবে অদৃশ্য ঐক্যকে আবার খুঁজে পায়। ২১ আমাদের মানসকে এভাবে তৈরি করে দিয়েছে। একুশ আমাদের পথ দেখায়। মাত্র ছয় মাস আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান জাতিকে এক ঐতিহাসিক গভীরতায় ঐক্যবদ্ধ করে দিয়েছে। যার কারণে আমরা অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক এবং মানবিক দিক থেকে বিধ্বস্ত এক দেশকে দ্রুততম গতিতে আবার উদ্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য তৈরি করার জন্য প্রস্তুতি নিতে সাহস খুঁজে পেয়েছি।

    তিনি বলেন, একুশের টান বয়সের ঊর্ধ্বে। প্রজন্মের ঊর্ধ্বে। একুশের টান প্রজন্মের পর প্রজন্ম বিস্তৃত হয়েছে শুধু তাই নয়, এই-টান গভীরতর হয়েছে। আমাদেরকে দুঃসাহসী করেছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান তারই জ্বলন্ত প্রমাণ। দুঃস্বপ্নের বাংলাদেশকে ছাত্র-জনতা নতুন বাংলাদেশে রূপান্তরিত করার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছে। তারা অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে। আমাদের তরুণ-তরুণী, কিশোর-কিশোরী রাস্তার দেয়ালে দেয়ালে তাদের স্বপ্নগুলো, তাদের আকাঙ্ক্ষাগুলো, তাদের দাবিগুলো অবিশ্বাস্য দৃঢ়তায় এঁকে দিয়েছে। আমাদের রাস্তার দেয়াল এখন ঐতিহাসিক দলিলে রূপান্তরিত হয়ে গেছে। এগুলোর স্থান এখন আমাদের বুকের মধ্যে, জাদুঘরে হওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই।

    আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি, শিক্ষার্থীদের আকা ছবিগুলো যারা মেলায় স্থান করে দিয়েছে। সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছে। বইমেলার একাংশে এই তরুণ-তরুণী, কিশোর-কিশোরীদের আঁকা ছবিগুলোর প্রদর্শনী করা গেলে বইমেলায় আসা ক্রেতারা, দর্শকরা উপকৃত হত।

    উপদেষ্টা বলেন, বাংলা একাডেমি আয়োজিত বইমেলা আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। ক্রমে ক্রমে এর গুণগত ও আয়োজনগত বিবর্তন হতেই থাকবে। বইমেলায় হাজির করার জন্য লেখক লেখিকারা সারা বছর প্রস্তুতি নিতে থাকেন যথাসময়ে নিজ নিজ বই সমাপ্ত করার জন্য। প্রকাশকরা অনেক আয়োজন করেন নিজেদের বইগুলো যথাসময়ে হাজির করার জন্য। গুণগত প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করার জন্য এবং আগ্রহ বাড়ানোর জন্য প্রতিবছর বিষয় ভিত্তিক সেরা লেখক স্বীকৃতির আয়োজন করলে লেখকরা এই স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য এবং সেরা লেখকরা সেরা প্রকাশক পাওয়ার ব্যাপারে সহায়ক হতো। আমি এ প্রস্তাব দিচ্ছি।

    ড. ইউনূস বলেন, আমরা যদি একুশের ভাষা আন্দোলনকে আরো গভীরতর প্রেক্ষিতে স্বাধিকার আন্দোলন হিসেবেও দেখি তাহলে অমর একুশের গণ্ডি বৃহত্তর হয়ে দাঁড়ায়। তখন আমরা ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরী, তরুণ-তরুণীদের তাদের সৃজনশীলতার জন্য স্বীকৃতি দিতে পারি, নতুন উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য স্বীকৃতি দিতে পারি। শহর ও গ্রামের নারী পুরুষকে কৃষি, শিল্প, সাংস্কৃতিক জগৎ, বিজ্ঞান, বাণিজ্য শিক্ষায় ও অন্যান্য ক্ষেত্রে যারা নির্দিষ্ট বছরে জাতির জন্য অবদান রেখেছেন তাদের স্বীকৃতি দিতে পারি,  তাদের জন্য আনুষ্ঠানিক আয়োজন করে দিতে পারি। প্রবাসী বাংলাদেশিদের, প্রবাসী শ্রমিকদের অবদানের জন্য স্বীকৃতি দিতে পারি। সারা পৃথিবী জুড়ে নানা কাজে বাংলাদেশিরা কৃতিত্ব দেখাচ্ছে। আমরা একুশের দিনে তাদের সবাইকে স্মরণ করতে চাই। তারা সবাই একুশের দিনে নিজের দেশকে স্মরণ করে অনুষ্ঠান করে। তারা আমাদের পরিবারের অংশ হিসেবে তাদের সন্তান-সন্ততির কাছে পরিচয় করিয়ে দেয়।

    আমার সব কথা আপনাদের গ্রহণ করতে হবে এমন চিন্তা করি না। তবে নিজের বলার সুযোগ যখন পেয়েছি তখন বলে রাখলাম, বলেন উপদেষ্টা।

    বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক।

  • দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে চমকপ্রদ তথ্য দিলেন বিজয়

    দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে চমকপ্রদ তথ্য দিলেন বিজয়

    বিপিএলে ফিক্সিংয়ে জড়িত সন্দেহে যেসব ক্রিকেটারের নাম গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম দুর্বার রাজশাহীর সাবেক অধিনায়ক এনামুল হক বিজয়। এই ইস্যুতে তদন্তের স্বার্থে বিসিবির দুর্নীতি দমন বিভাগ তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।

    তবে এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন বিজয়। গণমাধ্যমের খবরেই বিষয়টি জানতে পেরেছেন জানিয়ে এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘আসলে কি বলবো, আমি এটা (দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা) জানি না পুরোপুরি। নিউজটা দেখছি শুধু আরকি।’

    বিসিবির কয়েকজন পরিচালকের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বললে তারাও নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারেননি উল্লেখ করে এই উইকেটকিপার-ব্যাটার বলেন, ‘বিভিন্ন মিডিয়ায় খবর দেখার পর আমি বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তিনি আমাকে পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। তারপর বিসিবির মিডিয়া বিভাগের চেয়ারম্যান ইফতেখার রহমান মিঠু ভাইয়ের সঙ্গেও কথা বলেছি। তিনিও বলেছেন, এমন কোনো খবর তাদের কাছে নেই এবং বিসিবি থেকে এ ধরনের কিছু প্রকাশ করা হয়নি।’

    ফিক্সিংকাণ্ডে নাম থাকার বিষয়টি নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছেন বিজয়। একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে দুর্বার রাজশাহীর এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘এসব ভিত্তিহীন অভিযোগের কারণে আমি যে মানসিক কষ্ট পাচ্ছি, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। বিষয়টি শুধুই আমার নয়, বরং আমার পরিবার এবং কাছের মানুষদের জন্যও অত্যন্ত কষ্টকর। আমি সবার কাছে সত্যটা তুলে ধরতে চাই। কারণ, এভাবে নেতিবাচক প্রচারণা আমাকে এবং আমার ক্যারিয়ারকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।’

    এদিকে ক্রীড়াভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ ফিক্সিং ইস্যুতে বলেছেন, ‘তদন্ত এখনও চলমান থাকায় আমাদের কিছু প্রটোকল মেনে চলতে হয়। সে কারণে আমি আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করতে পারব না। পুরো তালিকা এবং যেসব ম্যাচ নিয়ে অভিযোগ উঠেছে সেসব আমাদের নজরে আছে এবং সেসব নিয়ে তদন্ত হচ্ছে।’

  • শুধু দেশে নয় আন্তর্জাতিকভাবেও বিএনপিকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে – কামরুল হুদা

    শুধু দেশে নয় আন্তর্জাতিকভাবেও বিএনপিকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে ষড়যন্ত্র হচ্ছে – কামরুল হুদা

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ

    কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপি সভাপতি কামরুল হুদা বলেন – ৫ই আগষ্ট বিপ্লবের পরে যখন একটি সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, বাংলার মানুষ যখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে ক্ষমতায় দেখতে চাচ্ছে তখন আবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। দেশীয় নয় শুধু; আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে ক্ষমতার বাইরে রাখার জন্য। যারা অতীতে আমাদের সাথে ছিলেন, আমাদের ভোটের দুই-চারটি সংসদ নির্বাচিত হয়েছেন; দুই-চারজন সংসদে গিয়ে কথা বলেছেন তারাই আজকে ষড়যন্ত্র বেশি করছেন। কি বলে ষড়যন্ত্র করছেন? ইসলামের কথা বলে।তিনি গতকাল শুক্রবার (৩১জানুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কাশিনগর ইউনিয়ন উত্তর ও দক্ষিণ দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন।
    সম্মেলনে উদ্বোধক ছিলেন ঢাকা মহানগরীর দক্ষিণ যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শওকত আলী বাবু। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জামাল উদ্দিন মামুন। বিশেষ বক্তা ছিলেন উপজেলা যুবদলের ১নং যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসনাত মিঞা মোঃ জোবায়ের ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ শাহনেওয়াজ মজুমদার।

    শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে কাশিনগর বিএম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কাশিনগর ইউনিয়ন দক্ষিণ যুবদলের আহবায়ক আবুল হাসেমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইন্জিনিয়ার শাহআলম রাজু, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক হারুন অর রশিদ মজুমদার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ওয়াহিদুর রহমান মজুমদার মুক্তু, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুন্নবী পাটোয়ারী, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম দুলাল, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো: গিয়াস উদ্দিন, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ হাসান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক খোরশেদ আলম, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা তাঁতীদলের সভাপতি হাজী ইব্রাহীম খলিল, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক এম এ খায়ের মজুমদার, মো: শহিদুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, নূর মোহাম্মদ, মো: রফিকুল ইসলাম শামীম, মো: খোরশেদ আলম, কাজী আমজাদুল হক দিপু, কাশিনগর ইউনিয়ন দক্ষিণ বিএনপির আহবায়ক মো: দলিলুর রহমান, কাশিনগর ইউনিয়ন উত্তর বিএনপির আহবায়ক রাসেল মাহমুদ মজুমদার টিটু, কাশিনগর ইউনিয়ন দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব মো: সোলাইমান কবির, কাশিনগর ইউনিয়ন উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মো: আলমগীর আলম।

    কাশিনগর ইউনিয়ন উত্তর যুবদলের আহবায়ক ইয়াকুব গাজী ও কাশিনগর ইউনিয়ন দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব মাসুদ আলম এবং কাশিনগর ইউনিয়ন উত্তর যুবদলের সদস্য সচিব আলমগীর হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মো: ইব্রাহিম হাজারী, কাশিনগর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মামুনুর রশিদ, কাশিনগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মো: ইব্রাহিম খলিল, কাশিনগর কৃষকদলের সভাপতি কামাল হোসেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ছাত্রদল নেতা ফখরুল হাসান, বেলাল হোসেন মাছুম, কাশিনগর ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা আব্দুস সালাম রনি, কাওসার আহম্মেদ অভি।

    এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মীর আলগীর হোসেন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক খোন্দকার আল আমিন খোকন, সহ দপ্তর সম্পাদক মো: জাহিদুল ইসলাম মিন্টু
    সহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, কৃষকদল এবং ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।