Author: নিউজ ডেক্স

  • ধর্ষকদের বিচারের দাবিতে শাহজাদপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন;

    ধর্ষকদের বিচারের দাবিতে শাহজাদপুর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন;

    শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

    সারাদেশে নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা,নিপীড়ন, ধর্ষণ,অনলাইনে ইভটিজিং এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ও বিচারহীনতার প্রতিবাদে আজ শাহজাদপুর সরকাির কলেজ শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসুচি পালন করা হয়েছে।

    সোমবার সকালে এ কর্মসুচি পালন করা হয়। শাহজাদপুর সরকারি কলেজ চত্বরে মানববন্ধন কর্মসুচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন- কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সাব্বির হোসেন, সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ-আল-সাফায়েত আদিব.মেরাজ হোসেন, সাব্বির,ইমরান রিপন,সায়মন প্রমুখ ।

    ছাত্রদল নেতারা বলেন,বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে দেশ আজ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হয়েছে। তাই, এই বাংলাদেশে কোন ধর্ষকের ঠাঁই হবেনা । আমরা ইতোমধ্যে শাহজাদপুরকে মাদকমুক্ত করাসহ নানা অপকর্মের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ করে আসছি ।

    এখানে কোন অপরাধ করতে দেয়া হবেনা । মানববন্ধনে বক্তারা মাগুড়ার আছিয়ার ধর্ষণকারীদেরসহ সারাদেশের সকল ধর্ষণকারীর মৃত্যুদন্ডের দাবি জানান।

  • দেশব্যাপী নারীদের প্রতি সহিংসতা নিপীড়ন ও বিচারহীনতার প্রতিবাদে এনায়েতপুর ছাত্রদলের মানববন্ধন

    দেশব্যাপী নারীদের প্রতি সহিংসতা নিপীড়ন ও বিচারহীনতার প্রতিবাদে এনায়েতপুর ছাত্রদলের মানববন্ধন

    আব্দুল আওয়াল, এনায়েতপুর (সিরাজগঞ্জ):

    ১০ মার্চ সোমবার সকালে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানা ছাত্রদলের উদ্যোগে এনায়েতপুর প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশব্যাপী নারীদের প্রতি সহিংসতা, নিপীড়ন, ধর্ষণ, অনলাইনে হেনস্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং বিচারহীনতার প্রতিবাদে এই কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

    উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদান করেন এনায়েতপুর থানা ছাত্রদলের আহবায়ক কামরুল হোসেন সোহাগ, খামারগ্রাম ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি শাহীন রেজা, সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আবু তালেব মোল্লা, সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি আকিব মীর, খামারগ্রাম ডিগ্রি কলেজে ছাত্রদলের সেক্রেটারি রজব আলী প্রমূখ।

    বক্তারা বলেন, ধর্ষণকারীরা কোন দলের নয়। ধর্ষকরা কুলাঙ্গার তাদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে দ্রুততার সাথে বিচার করে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে।
    তারা আরো বলেন, শেখ হাসিনা ভারতে বসে দেশ বিরোধী নানা ষড়যন্ত্র করছে। তার নির্দেশে আওয়ামী লীগ ও এর অংগ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সারাদেশে খুন, গুম, রাহাজানিসহ নানা ধরনের নৈরাজ্য তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু দেশবাসী এ ব্যাপারে সজাগ রয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থান এর মতই ছাত্রজনতা একতাবদ্ধভাবে আওয়ামী লীগের সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে প্রস্তুত রয়েছে। তারা বর্তমান সরকারকে ন্যূনতম সংস্কার সম্পন্ন করে দ্রুত জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানান।

  • ৭ ঘণ্টা পর বনানীর সড়ক ছাড়লেন পোশাকশ্রমিকরা

    ৭ ঘণ্টা পর বনানীর সড়ক ছাড়লেন পোশাকশ্রমিকরা

    প্রায় ৭ ঘণ্টা অবরোধের পর রাজধানীর বনানীর সড়ক থেকে সরে গেছেন বিক্ষুব্ধরা শ্রমিকেরা।

    বনানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক নারী পোশাকশ্রমিক নিহত হওয়ার প্রতিবাদে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করেছিলেন। অবরোধের কারণে বনানীসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।

    সকাল থেকে চেয়ারম্যানবাড়ি সড়কটির উভয়পাশ অবরোধ থাকায় ওই এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়, যার প্রভাব পড়ে আশেপাশের এলাকাগুলোতেও।

    তীব্র যানজটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

    দুপুরের দিকে ওই এলাকায় বাড়ানো হয় পুলিশ সদস্যের সংখ্যা। রাস্তার ওপর তারা সারিবদ্ধভাবে ব্যারিকেড তৈরি করে দাঁড়ান।

    সোমবার সকাল ছয়টার দিকে সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনাটি ঘটে। নিহত পোশাক শ্রমিকের নাম মিনারা আক্তার। আহত আরেক পোশাক শ্রমিকের নাম সুমাইয়া আক্তার। তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    বনানী থানার ওসি রাসেল সরকার জানান, রাস্তা পারাপারের সময় দুর্ঘটনায় পোশাক শ্রমিক নিহত হয়। এরপর থেকেই শ্রমিকরা তারা রাস্তা অবরোধ করে রাখে। এতে ওই এলাকার যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

    অবরোধের প্রায় ৭ ঘণ্টা পর শ্রমিকেরা সড়ক ছাড়েন বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। শ্রমিকেরা সরে যাওয়ার পর যান চলাচল শুরু হয়।

  • বিএনপির অভিযোগকে ব্যক্তিগতভাবে নেয় অন্তর্বর্তী সরকার: রিজভী

    বিএনপির অভিযোগকে ব্যক্তিগতভাবে নেয় অন্তর্বর্তী সরকার: রিজভী

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিএনপির অভিযোগকে ব্যক্তিগতভাবে নেয় বলে মন্তব্য করেছেন দলটির  সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কৌশলে প্রতিশোধও নেওয়ার চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    সোমবার নয়াপল্টনে মহিলা দলের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। মাগুরাসহ দেশজুড়ে সাম্প্রতিক ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।

    রিজভী বলেন, দেশে ধর্ষণের পরিমাণ বেড়ে গেছে। কোথাও নারীদের নিরাপত্তা নেই। শেখ হাসিনার আমল থেকেই নারীরা নির্যাতিত হয়েছিলেন। এখন তো ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেই, তাহলে কারা এই হিংস্রতার সঙ্গে জড়িত। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে তা জানতে চাই।

    প্রশাসন ঠিক থাকলে দেশে এমন বিশৃঙ্খলা হতো না মন্তব্য করে রিজভী বলেন, আইনের প্রয়োগ সঠিকভাবে করলে এমনটি হতো না।

    তিনি বলেন, আমরা সরকারের কাছে বলতে চাই, দ্রুততম সময়ে আছিয়ার ধর্ষণকারীদের বিচার করতে হবে, যেন অন্য অপরাধীদের হৃৎকম্পন হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সব সময় আছিয়ার বিষয়ে খোঁজ খবর রাখছেন।

    রিজভী আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলায় ডিসি-এসপিদের কক্ষে গিয়ে তাদের কাজ তদারকি করছেন বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরা। অথচ তাদের থাকার কথা ক্লাসে ও লাইব্রেরিতে। বিগত দিনে ফ্যাসিস্ট পতনের আন্দোলনে তাদেরও অনেক অবদান রয়েছে। তাই তাদের উচিত ক্যাম্পাসে ফিরে গিয়ে সব ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো।

    মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস বলেন, শেখ হাসিনার সময়ে ধর্ষণকারীদের পুরস্কৃত করা হতো। আর বিএনপির সময়ে ধর্ষণের ঘটনায় উপযুক্ত বিচার হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে নারী ও শিশু ধর্ষণের হার দিন দিন বাড়ছে। তিনি মাগুরার ৮ বছরের শিশু ধর্ষণকারীদের জনসম্মুখে বিচারের দাবি জানান।

    ধর্ষিতা শিশুটির বোনের শাশুড়িরও ফাঁসি দাবি করে মহিলা দলের সভানেত্রী বলেন, ১৮০ দিনে নয়, এক সপ্তাহের মধ্যেই ধর্ষণ মামলার আসামিদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

    জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর নার্গিসের পরিচালনায় এতে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সহ-সভাপতি নেওয়াজ হালিমা আর্নি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাম্মি আক্তার, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভানেত্রী রুমা আক্তার, ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট রুনা লায়লা প্রমুখ।

    মিছিলে ধর্ষক ও নিপীড়নকারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

  • নিজের মেয়েকে ধর্ষণ, মায়ের অভিযোগে বাবাকে আটক করেছে পুলিশ।

    নিজের মেয়েকে ধর্ষণ, মায়ের অভিযোগে বাবাকে আটক করেছে পুলিশ।

    চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন বলুয়ারদিঘির পাড় এলাকায় নিজের মেয়ে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবাকে আটক করেছে পুলিশ।

    রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে তাকে আটক করে হাজতে রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম।

    জানা গেছে, প্রতিদিন শিশুটির মা যখন গার্মেন্টসের কাজে বেরিয়ে যান, বাবা তখন নাইটগার্ডের চাকরি শেষে বাসায় ফেরেন। এ সুযোগে বেশ অনেকদিন ধরে নিজের কন্যাশিশুটির সঙ্গে অনৈতিকভাবে মেলামেশার চেষ্টা করে আসছিলেন বাবা প্রদীপ বণিক।

    এর আগে যতোবারই এমন ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, শিশুটি তার মা বাসায় ফেরার পর বোঝানোর চেষ্টা করেছে। কান্নাকাটিও করতো। কিন্তু মায়ের কাছেও পুরো বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হতো।

    কয়েকদিন আগেও শিশুটিকে যখন বাবা প্রদীপ বণিক ধর্ষণ করে, তখন মেয়েটি সারাক্ষণই কান্নাকাটি করতে থাকে। একপর্যায়ে মাকে সবকিছু খুলে বলে। তখন মা তাকে একটি মোবাইল হাতে দিয়ে বলেন, যখনই বাবা ওরকম কিছু করার চেষ্টা করবে, তখন মোবাইলে ভিডিও করে রাখবে।

    রোববার বেলা তিনটার দিকে প্রদীপ বণিক রোজকারমতো মেয়েকে বিছানায় টানার চেষ্টা করলে সে কৌশলে মোবাইলের ভিডিও সচল করে দেয়। গার্মেন্টসের কাজ শেষে বাসায় ফেরার পর সেই ভিডিও দেখে মা ও মেয়ে দুজনেই চিৎকার করে কান্নাকাটি করতে থাকে। এ সময় আশেপাশে তাদের কয়েকজন নিকটাত্মীয়ও সেখানে আসেন।

    এরপর বিকেল সাড়ে চারটার দিকে জাতীয় জরুরি সহায়তা সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে ঘটনা জানানো হলে পুলিশ এসে প্রদীপ বণিককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। অন্যদিকে ধর্ষিতা শিশুটিকে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করানো হয়

    সোমবার রাত একটার দিকে এ ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলার বাদি হয়েছেন শিশুটির মা নিজে।

    কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম বলেন, “এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেছেন মেয়েটির মা নিজেই। পুলিশ এখন এ ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করবে।”

  • দৈনিক নয়া দিগন্ত প্রতিনিধি মোঃ শফিউল আযমকে প্রাণ নাশের হুমকি

    দৈনিক নয়া দিগন্ত প্রতিনিধি মোঃ শফিউল আযমকে প্রাণ নাশের হুমকি

    বেড়া প্রেসক্লাবের আহবায়ক দৈনিক নয়া দিগন্ত প্রতিনিধি মোঃ শফিউল আযমকে প্রাণ নাশের হুমকী দেয়া হয়েছে।

    ৯ মার্চ রোববার দুপুর সাড়ে ৩ টার দিকে ০১৭৫১-৭৬৪৪৫২ মোবাইল নম্বর থেকে এই হুমকী দেয়া হয়।

    ট্রু-কলারে মোবাইল নম্বর যাচাই করে দেখা যায় নম্বরটি মিজান নামের এক ব্যক্তির। বেড়া সিএন্ডবি কেন্দ্রীক একটি চক্র ঘটনার সাথে জড়িত থাকতে পারে বলে সাংবাদিক শফিউল আযম জানিয়েছেন।

    বেড়া প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
    তারা অবিলম্বে হুমকীদাতাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন।

  • চৌদ্দগ্রামে জেঠার বিরুদ্ধে এতিমের সম্পত্তি আত্মসাৎ এর অভিযোগ

    চৌদ্দগ্রামে জেঠার বিরুদ্ধে এতিমের সম্পত্তি আত্মসাৎ এর অভিযোগ

    আবুবকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি :

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আনন্দপুরে অগ্নিকান্ডে মা বাবা সহ পুরো পরিবার হারানো মাদ্রাসা ছাত্র ওয়ালিদ আপন জেঠা আব্দুল হালিমের ভয়ে পিতার বসতভিটায় যেতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। রবিবার দুপুরে সে তার মামাসহ চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিনের সাথে স্বাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সাথে দেখা হলে এসব কথা বলেন।

    ওয়ালিদের মামা মনজুর আহমেদ মানিক বলেন, আমার ভগ্নিপতি মৃত্যুর আগে ইতালী প্রবাসী ইয়াকুব আলী খোকনের পিতা মোবারক হোসেনের নিকট একটি বায়নাপত্রের মাধ্যমে ভূমি বিক্রি করেন। সাফকবলা দেয়ার পূর্বেই ২০২১ আমার ভগ্নিপতি আব্দুল মতিন ঢাকায় এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে স্ত্রী, মেয়েসহ আগুনে পুড়ে মারা যান। ওয়ালিদ ঐসময় একটি মাদ্রাসার আবাসিকে থাকায় বেঁচে যায়। আমাদের এবং ওয়ালিদের দায়িত্ব তাহার পিতার ওয়াদা পূরণ করা। ওয়ালিদের পিতা-মাতা, ভাই-বোন কেউই নেই। ২০২১ সালের পর থেকেই ওয়ালিদের গার্ডিয়ান হিসেবে আমি দেখাশোনা করে আসছি।

    এতিম ওয়ালিদ বলেন, আমার বাবার মৃত্যুর পূর্বে সম্পত্তির বিক্রির মর্মে বায়না করে যাওয়া ওয়াদা আমি ১৮বছর পূর্ণ হওয়ার সাথে সাথেই মোবারক জেঠাকে (এয়াকুব আলী খোকনের পিতা) কবলা দলিল প্রদানের মাধ্যমে পুরণ করবো। এসময় ওয়ালিদ আরও বলেন, আমার আপন জেঠা আব্দুল হালিম আমার বাবার রেখে যাওয়া বসতভিটায় আমাকে যেতে দিচ্ছে না। আমার পিতার রেখে যাওয়া দোকানের ভাড়াও তিনি নিয়ে যাচ্ছেন। এসময় ওয়ালিদ আরও বলেন, আমি মারা গেলে আব্দুল মতিনের আর কোন ওয়ারীশ বিদ্যমান থাকবে না। আমি আমার জেঠা আব্দুল হালিমের ভয়ে আমার পিতার বসতভিটায় যেতে পারছিনা। তাই আজ রবিবার চৌদ্দগ্রাম থানায় এসে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে দেখা করে এই বিষয়ে অবগত করি এবং আমি আপনারা (সাংবাদিকদের) লেখনীর মাধ্যমে সুষ্ঠ সমাচার চাই।

  • পতিত স্বৈরাচার নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে

    পতিত স্বৈরাচার নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে

    প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পতিত স্বৈরাচার দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করছে। আমাদের এখন ততটাই সতর্ক থাকতে হবে যেমনটা আমরা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে আছি। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বোচ্চ সজাগ থাকুন। নিপীড়নের বিরুদ্ধে সামাজিক ঐক্য গড়ে তুলুন। একে অন্যের পাশে দাঁড়ান। একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়তে সরকারকে সহযোগিতা করুন।

    শনিবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আজকের বিশ্বে নারীরা যতটুকু অধিকার আর স্বাধীনতা চর্চা করতে পারছেন এর পুরোটাই তাদের আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জন করতে হয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবসের সূচনা হয়েছিল নারীদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে। বাংলাদেশেও নারীরা ন্যায্য অধিকারের জন্য যুগ যুগ ধরে সংগ্রাম করে এসেছে। তেভাগা থেকে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধে বাংলার নারীসমাজ সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে।

    তিনি বলেন, ইতিহাসের অনেক বীর নারীদের আমরা ভুলে গেছি, তাদের অবদানের কথা জানি না। কিন্তু জুলাই কন্যাদের নেতৃত্ব ও আত্মত্যাগের কথা আমরা কিছুতেই ভুলে যেতে দেব না।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া নারীরা বিভিন্ন সময়ে আমাকে তাদের সংগ্রাম ও আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছে। আমরা যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি, নারীদের অংশগ্রহণ ও তাদের অধিকার নিশ্চিত করা ছাড়া তা সম্ভব হবে না। এই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নারীদের সাথে পুরুষদেরও সহযোদ্ধা হয়ে কাজ করতে হবে।

    সমাজে নারীদের ন্যায্য স্থান প্রতিষ্ঠার জন্য পুরুষদেরকে উৎসাহী হয়ে সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ’ এ আমরা আমাদের প্রত্যাশিত পরিবারকে নতুনভাবে গড়তে চাই। যেটা সব বাবা-মা’র, ভাই-বোনের নিশ্চিত ও স্বীকৃত অধিকারের পরিবার।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক নারী দিবস আমাদের নতুন করে নারীদের সংগ্রামের ইতিহাস মনে করিয়ে দেয়, অনুপ্রেরণা আর সাহস যোগায়। সমাজে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় যারা কাজ করছেন তাদের প্রতি আহ্বান জানাই, যত বাধাই আসুক না কেন ইতিহাস আমাদের যে সুযোগ করে দিয়েছে, সে সুযোগ আমরা পরিপূর্ণভাবে ব্যবহার করবোই। আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়বই। এই আমাদের প্রতিজ্ঞা।

  • ছাত্রশিবিরের টাকার উৎস নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন জবি সেক্রেটারি

    ছাত্রশিবিরের টাকার উৎস নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন জবি সেক্রেটারি

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের এত টাকা কোথা থেকে আসে, এমন প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন।

    শুক্রবার বিকাল ৩টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদকের এই মন্তব্যের পর সন্ধ্যায় শিবিরের টাকার উৎস সম্পর্কে জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. রিয়াজুল ইসলাম। তিনি তার ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে লেখেন, আমাদের আয়ের উৎস গুলো আমাদের সংবিধানে সুস্পষ্ট করে বলা আছে।

    তিনি বলেছেন, শিবির কর্মীরা তাদের টিউশন করা জমানো টাকা ছাত্রকল্যাণ ফান্ডে দান করে। আমাদের মায়েরা তাদের গলার হার আমাদের বিশ্বাস করে দিয়ে দেয়।

    তিনি তার পোস্টে লেখেন, অর্থ-ব্যবস্থা/বায়তুলমাল ধারা-৩৬ : সংগঠনের প্রত্যেক স্তরে বায়তুলমাল থাকবে। কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের দান, সংগঠন-প্রকাশনীর মুনাফা এবং শরিয়ত অনুমোদিত অন্যান্য খাতসমূহ থেকে প্রাপ্ত অর্থই হবে বায়তুলমালের আয়ের উৎস। আমাদের কর্মীরা তাদের টিউশন করা জমানো টাকা ছাত্রকল্যাণ ফান্ডে দান করে। আমাদের মায়েরা তাদের গলার হার আমাদের বিশ্বাস করে দিয়ে দেয়। আমাদের বোনেরা রান্নার মুষ্টি চাল জমা করে আমাদের দিয়ে দেয়।

    তিনি সেই পোস্টে আরও লিখেন, আমাদের ভাইয়েরা তাদের বেতনের কষ্ট করা টাকা কোনো প্রকার চিন্তা ভাবনা ছাড়াই আমাদের দিয়ে দেয়। আমাদের সকল সাবেক ভাইয়েরা আমাদের টাকা দেয়, বিপদের দিনে আমাদের আশ্রয় দেয়। আমাদের কোনো ব্যক্তিগত আয় নেই কোনো ব্যক্তিগত ব্যয় নেই। আমাদের যা আয় যা ব্যয় সব সংগঠনের জন্য নিবেদিত। যারা আমাদের নিয়ে প্রশ্ন করেন তাদের অনুরোধ করবো বুকে হাত রেখে আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলেন আপনার দলের টাকা কোথা থেকে আসে?

    এর আগে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারিকে বলতে শুনেছি তারা প্রতিদিন গণ-ইফতার কর্মসূচিতে তিন লাখ টাকা ব্যয় করছেন। আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে, তারা এত টাকা কীভাবে উপার্জন করছেন। তাদের আয়ের উৎস কী? একটি সাধারণ ছাত্র সংগঠন মাসে ৯০ লাখ টাকা কোথায় পাচ্ছে, এই তথ্য আমরা গণমাধ্যমের মাধ্যমে শিবিরের কাছে জানতে চাই।

  • এনায়েতপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

    এনায়েতপুরে জামায়াতে ইসলামীর ইফতার মাহফিল

    আব্দুল আওয়াল, এনায়েতপুর (সিরাজগঞ্জ):

    সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে মাহে রমযান এর তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এনায়েতপুর হাটখোলা জামে মসজিদে এনায়েতপুর থানা জামায়াতে ইসলামীর ব্রাহ্মণগ্রাম ওয়ার্ড এর উদ্যোগে এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এতে আলোচনা পেশ করেন শাহজাদপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মিজানুর রহমান, এনায়েতপুর থানা জামায়াতে ইসলামীর আমীর চিকিৎসক মাওলানা সেলিম রেজা, এনায়েতপুর থানা জামায়াতে সেক্রেটারি ব্যবসায়ী নেতা মো: মোফাজ্জল হোসেন, এনায়েতপুর থানা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি শ্রমিক নেতা শেখ মো: আইয়ুব আলী, সাংগঠনিক সদর ইউনিয়নের আমীর সহকারী অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল হক প্রমূখ।

    আলোচকগণ বলেন, রহমত, বরকত মাগফিরাত এর বার্তা নিয়ে এসেছে মাহে রমযান। এই রমযান হলো কুরআন নাজিলের মাস। এ মাসে বেশি বেশি কুরআন অধ্যয়ন করতে হবে। তাকওয়া অর্জনের বড় সুযোগ পাওয়া যায় রমযানে। কুরআনের শিক্ষা নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করতে হবে। কুরআনের আলোকে সমাজ বিনির্মানে প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

  • নির্বাচন প্রশ্নে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি ত্রিমুখী দ্বন্দ্ব

    নির্বাচন প্রশ্নে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি ত্রিমুখী দ্বন্দ্ব

    রাজনীতিতে অনেকটা হঠাৎ করেই গণপরিষদের আলোচনা। এর আগেও গণপরিষদ নির্বাচন নিয়ে কেউ কেউ কথা বলেছেন। তবে সেটা রাজনীতিতে সেভাবে গুরুত্ব পায়নি। তবে এখন বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। কারণ আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের দিনে ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি তুলে ধরেছে।অন্য রাজনৈতিক দলগুলোও এর পক্ষে-বিপক্ষে নানা বক্তব্য দিয়েছে।

    এই গণপরিষদ নির্বাচন নতুন সংবিধান প্রণয়নের জন্য প্রয়োজন এরকম কথা বলা হচ্ছে এনসিপির পক্ষ থেকে।

    যখন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়, তখন আন্দোলনে থাকা সবগুলো দলের মধ্যে একধরনের ঐক্য স্পষ্ট হয়েছিল। কিন্তু এরপর সময় যত গড়িয়েছে, দলগুলোও তাদের নিজস্ব রাজনীতি আর কৌশল নিয়ে হাজির হয়েছে।

    বিএনপি শুরু থেকেই দ্রুত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা বলে আসছে। জামায়াতে ইসলামী চাইছে, সংস্কার শেষে ‘যৌক্তিক সময়ের’ মধ্যে নির্বাচন। অন্যান্য দলগুলোও কমবেশি এর মধ্যেই ঘুরপাক খেয়েছে।

    তবে ছাত্রদের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি বলছে, গণপরিষদ নির্বাচনের কথা। যেটাকে বিএনপি দেখছে নির্বাচন পেছানোর ষড়যন্ত্র হিসেবে। দলটির স্থীয় কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ঢাকায় সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে গণপরিষদের দাবির সমালোচনা করেন।

    তিনি বলেছেন, যারা গণপরিষদ নির্বাচনের বিষয়টি সামনে আনছে, হয় তারা বোঝে না অথবা বুঝেও আমাদের এই রাষ্ট্রব্যবস্থাকে আরো দীর্ঘায়িত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যে নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র আছে।

    কিন্তু গণপরিষদ নির্বাচন হলে কি জাতীয় সংসদ নির্বাচন পেছাতে হবে? এমন প্রশ্ন যখন উঠছে কোনো কোনো রাজনৈতিক দলের মধ্যে তখন নির্বাচন কমিশন বলছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে গেলে জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে যাবে।

    নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘আমরা যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে করি তাহলে জাতীয় সরকার নির্বাচন অনেক পিছিয়ে যাবে। তখন প্রধান উপদেষ্টার তরফ থেকে ডিসেম্বর এবং পরের বছরের জুন নাগাদ যে একটা কথা বলা হয়েছে, সেটি রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

    ফলে এমন বক্তব্যের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে জাতীয় সংসদ, গণপরিষদ কিংবা স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে শেষপর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত আসে।

    বিএনপি ইতোমধ্যেই সেকেন্ড রিপাবলিক, নতুন সংবিধান কিংবা গণপরিষদের দাবির বিরোধিতা করেছে। দলটি মনে করছে, এর ফলে নির্বাচন পিছিয়ে যাবে।

    দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে বলেন, যে কেউ যে কোনো কথা বলতেই পারে। কিন্তু সেটা পূরণের জন্য অবশ্যই জনগনের ম্যান্ডেট লাগবে।

    তিনি বলছেন, এখানে ইলেকশন পেছানোর তো কোনো সুযোগ নাই। অলরেডি ডিসেম্বর ইজ টু লেইট। একেকদিন গণতন্ত্রহীন অবস্থার মধ্য দিয়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ দীর্ঘায়িত হচ্ছে। এরকম একটা অবস্থা তো একদিনও থাকার প্রয়োজন নেই। আমাদের অনেকের অনেক চাহিদা থাকতে পারে। সে চাহিদা পূরণের সময় তো এটা না।

    আমীর খসরু বলেন, সে চাহিদা পূরণ করতে হলে আপনাকে জনগনের কাছে যেতে হবে। জনগনের ম্যান্ডেট নিয়ে সংসদে আসতে হবে। সংসদের কাজই হচ্ছে, আইন প্রণয়ন থেকে শুরু করে সংবিধান সংশোধন। এটার জন্য নতুন কিছু আবিস্কার করার প্রয়োজন নেই তো।

    নির্বাচন পেছানোর ইচ্ছা নেই, দাবি এনসিপির

    ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রথমে যে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়, সেটা ছিলো সংস্কারকে ঘিরে। সংস্কার আগে নাকি নির্বাচন আগে -এমন প্রশ্নের মধ্যে দ্রুত নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক চাপ তৈরি করে বিএনপি।

    সরকার অবশ্য ইতোমধ্যেই আগামী ডিসেম্বরকে ধরে নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সীমার কথা জানিয়েছে।

    এরমধ্যেই জাতীয় নাগরিক পার্টির গণপরিষদ নির্বাচনের দাবিকে ঘিরে রাজনীতিতে আবারও আলোচনা। কিন্তু গণপরিষদ নির্বাচন এবং এর মাধ্যমে নতুন সংবিধান তৈরির মতো সময়সাপেক্ষ দাবি তুলে ধরে ছাত্রদের দল এনসিপি কি আসলে নির্বাচন পেছাতে চায়? এমন প্রশ্নে এনসিপির জ্যেষ্ঠ্য যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল আসলাম আদিব অবশ্য তা নাকচ করে দেন।

    তিনি বলছেন, গণপরিষদ নির্বাচন চেয়ে আমরা আসলে জাতীয় নির্বাচন পেছাতে চেয়েছি, এমন ধারণা সঠিক নয়। আমাদের দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ইতোমধ্যেই বলেছেন যে, গণপরিষদ নির্বাচন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচন একসঙ্গে হতে পারে। এটার জন্য কোনো নির্বাচনই পেছাতে হবে না। সরকার প্রস্তুতি নিলে দুটি নির্বাচনই একসঙ্গে ডিসেম্বরে বা জুন মাসে সরকার যখন চাইবে সেটা সম্ভব।

    তিনি এ-ও বলেন, এটা একসঙ্গে আমরা একারণে চাই, যেন নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংবিধান পরিবর্তন এবং নতুন সংবিধান করার ম্যান্ডেট পান, একইসঙ্গে তারা পাঁচবছর ক্ষমতায় থাকার ম্যান্ডেটও পান।

    নির্বাচন পেছানোর সন্দেহ কেন তৈরি হচ্ছে?

    জাতীয় নাগরিক পার্টি বলছে, গণপরিষদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন পেছানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু এরপরও যে নির্বাচন পেছানো নিয়ে সংশয়-সন্দেহ, তার কারণ রাজনীতিতে শুধু জাতীয় নির্বাচন নয় বরং স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও জোরালো আলোচনা দেখা যাচ্ছে। যেখানে জাতীয় নাগরিক পার্টি তো বটেই এমনকি জামায়াতের পক্ষ থেকেও জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনের কথা বলা হচ্ছে।

    জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বিবিসি বাংলাকে বলেন, তার দল মনে করে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে হওয়া দরকার।

    কিন্তু কেন-এই প্রশ্নে জামায়াত নেতা অধ্যাপক পরওয়ার বলেন, এখানে দুটো কারণ আছে। প্রথমটা হচ্ছে, এখন কোনো সিটি করপোরেশনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নেই, পৌরসভায় নেই, উপজেলায় নেই। নিচের স্তরগুলোও নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে। উন্নয়ন হচ্ছে না, মানুষ জনদুর্ভোগের প্রতিকারে তো জনপ্রতিনিধিকে পাচ্ছে না। ফলে স্থানীয় নির্বাচনটি দ্রুত দরকার।

    তিনি বলছেন, আর দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনেই যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনটা হয়ে যায়, তাহলে সেটা নিরপেক্ষ হবে বলেই আমরা আশা করি। তা না হলে যে কোনো রাজনৈতিক দলের অধীনেই নির্বাচন হোক না কেন, তারা সেটা কব্জা করে নিতে চাইবে। যে নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য পনের/ষোল বছর আমরা অপেক্ষা করেছি, এখন দুই মাস আগে হলো না পারে সেটা গুরুত্বপূর্ণ না। গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, ইলেকশনটা সুষ্ঠু হচ্ছে কি-না। এই কারণেই আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনটা আগে চাই।

    তবে বিএনপি আবার এর বিপক্ষে। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিবিসি বাংলাকে বলেন, স্থানীয় নির্বাচন করতে গেলেই জাতীয় নির্বাচন পিছিয়ে যাবে।

    তিনি বলছেন, এই সরকারের ম্যান্ডেটের মধ্যে তো স্থানীয় সরকার নির্বাচন নাই। তারা করবে জাতীয় নির্বাচন। তারা যদি স্থানীয় নির্বাচনই করতে চায়, তাহলে শুধু স্থানীয় কেন, ট্রেড বডিগুলোর নির্বাচনও তারা করুক, মসজিদ কমিটির নির্বাচন করুক, আরও যতো কমিটি আছে সবগুলোর নির্বাচন করে তারপর জাতীয় নির্বাচন দিক!

    এছাড়া নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই স্থানীয় নির্বাচন করে ফেলা ভালো- এমন ধারণাও নাকচ করছেন বিএনপি এই নেতা।

    তার ভাষ্য, যদি মনে করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ভালো নির্বাচন হবে। তাহলে প্রতিবার যখন স্থানীয় সরকার ইলেকশনের সময় হবে, তখন কি নির্বাচিত সরকারকে সরিয়ে আবার একটা ইন্টেরিম সরকার এনে তারপর নির্বাচন করবেন?

    জাতীয় নাগরিক কমিটিও চায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে হোক। তবে দলটির জ্যেষ্ঠ্য যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল আসলাম আদিব বলেন, যদি সারাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্ভব নাও হয়, তাহলে প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সংখ্যক জেলা-উপজেলায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন হতে পারে। এটা দরকার। কারণ প্রশাসনের প্রস্তুতি এবং সক্ষমতাও তখন আমরা যাচাই করতে পারবো।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন সময়সাপেক্ষ। পাঁচ থেকে ছয় ধাপে এই নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ। সেক্ষেত্রে আগামী ডিসেম্বর বা জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন করতে হলে এবং এর আগেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন হলে তার তফসিল ঘোষণা করতে হবে এখনই। যদিও নির্বাচন কমিশন বলছে, স্থানীয় নির্বাচনের ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে কোন তথ্য তাদের কাছে আসেনি।

    নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, যদি আমরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যেতে চাই, তাহলে সরকারের প্রস্তুতিটাও লাগবে। একইসঙ্গে লাগবে রাজনৈতিক ঐকমত্য। সবকিছু মিলে যদি বিষয়টি একবিন্দুতে আসে, তখনই কমিশন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিকে যাবে।

    তার মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ধাপে ধাপে করতে হয়। সেটা করতে গেলে অন্তত: একবছর সময় দরকার হবে। আমরা যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে করি তাহলে জাতীয় নির্বাচন অনেক পিছিয়ে যাবে। তখন প্রধান উপদেষ্টার তরফ থেকে ডিসেম্বর এবং পরের বছরের জুন নাগাদ যে একটা কথা বলা হয়েছে, সেটি রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

    তবে জাতীয় নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যে হতে পারে প্রধান উপদেষ্টার এমন বক্তব্যকে সম্ভাব্য সময় হিসেবে ধরে নিয়ে নিজেদের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে নির্বাচন কমিশন।

    নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ভোটার তালিকা প্রণয়নের জন্য আমাদের একটা মিনিমাম সময় প্রয়োজন। সেটা আমরা জুনের মধ্যে করে ফেলবো। এরমধ্যে আসন বিন্যাস হবে, রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের বিষয়টি চূড়ান্তু হবে, নির্বাচন সামগ্রীর কেনাকাটা হবে। একপর্যায়ে সব যখন হয়ে যাবে, তখন আমরা তফসিল ঘোষণার দিকে যাবো। এখানে ডিসেম্বরটাই আমাদের টার্গেট।

  • মাটি কাটায় বাধা দেয়ায় সমন্বয়ক রাফির হামলায় ছাত্রদল নেতার মাথায় ৯ সেলাই

    মাটি কাটায় বাধা দেয়ায় সমন্বয়ক রাফির হামলায় ছাত্রদল নেতার মাথায় ৯ সেলাই

    চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লার) প্রতিনিধি:

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাটি কাটায় বাধা দেয়ায় সমন্বয়ক শাহাদাত তানভির রাফি ও তাঁর সহযোগীদের হামলায় ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান অনি আহত হয়েছে। বুধবার রাত আনুমানিক বারটার সময় উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের আমানগন্ডা(সালুকিয়া) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অনি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও ওই গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে।

    ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান অনি অভিযোগ করেন, কুমিল্লা জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সদস্য সচিব শাহাদাত তানভির রাফি, মাদক ব্যবসায়ী গোলাম রসুল, মোঃ ওয়াসিম নেতৃত্বে ভারত সীমান্ত এলাকায় প্রতিরাতেই ভেকু দিয়ে মাটি কাটা চলছে। বুধবার রাতে সাইদুর রহমানের মালিকানাধীন ফসলি জমির পাশে গভীরভাবে মাটি কাটার কারণে জমির ক্ষতি হয়। রাত আনুমানিক বারটার সময় সাইদুর রহমানের ছেলে ছাত্রদল নেতা অনি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি কাটতে বাধা দেয়। এতে ক্ষীপ্ত হয়ে সমন্বয় পরিচয় দেয়া শাহাদাত তানভীর রাফি, তাঁর পিতা বাবুল রহমান ছাত্রদল নেতা অনির উপর হামলা চালায়। তার চিৎকার শুনে আশ-পাশের লোকজন এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে ছাত্রদল নেতা অনিকে উদ্ধার শেষে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। তাঁর মাথায় নয়টি সেলাই করা হয়েছে।

    স্থানীয় কয়েকজন অভিযোগ করেন, শাহাদাত তানভির রাফি গত ৫ আগস্টের আগে ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে পরিচয় দিতো। বর্তমানে সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে আমানগন্ডা সালুকিয়া এলাকায় ভারত সীমানায় ভেকু দিয়ে মাটি কেটে সাবাড় করে ফেলছে। যে কেউ দেখলে এটা পাহাড়ি এলাকা না বলে ‘পুকুর’ বলবে। এবিষয়ে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা প্রশাসন, বন ও কৃষি বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। এছাড়া সমন্বয়ক রাফির বিরুদ্ধে এলাকায় স্বৈরাচারের দোসরদের পূনবার্সন করার অভিযোগ উঠেছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে সমন্বয়ক শাহাদাত তানভির রাফি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘পারিবারিক বিরোধ নিয়ে ঘটনা ঘটেছে’।
    চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’।

  • অরক্ষিত চৌদ্দগ্রাম বাজার, নেই বাজার কমিটি  প্রতিনিয়ত ঘটছে চুরির ঘটনা

    অরক্ষিত চৌদ্দগ্রাম বাজার, নেই বাজার কমিটি প্রতিনিয়ত ঘটছে চুরির ঘটনা

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লার) প্রতিনিধি:

    দেশের লাইফ লাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত চৌদ্দগ্রাম বাজার। প্রতিদিন লেনদেন হয় কোটি কোটি টাকা। রয়েছে প্রায় সব’কটি ব্যাংকের বানিজ্যিক শাখা। গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলার প্রাণকেন্দ্র বলা হয় এই বাজারকে। রয়েছে বার’শ এর অধিক ট্রেড লাইসেন্সধারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এই বাজার থেকে সরকারী রাজস্বখাতে জমা জয় বিপুল টাকা। জুলাই বিপ্লবের পরে পালিয়ে যায় বাজার পরিচালনা কমিটি। তারপর থেকে বাজারে নেই নৈশপ্রহরী। প্রায়ই ঘটছে চুরির ঘটনা। ক্রেতা বিক্রেতা, দোকানি দোকানি জড়াচ্ছেন মারামারিতে। বাজার পরিচালনা কমিটি না থাকায় দিনের পর দিন বাড়ছে বিশৃঙ্খলা।

    সরজমিন বুধবার(৫ই মার্চ) বাজার ঘুরে দেখা যায়, আশু শাহ ফকির সড়কে বাজারে প্রবেশ করার একমাত্র পথটি দোকানীরা সামনের অংশ ভাড়া দিয়ে প্রায় বন্ধ করে ফেলেছেন। একজন ত্রেতা বাজার সদাই করে মুল সড়কে উঠতে অনেক বেগ পেতে হয়।
    রামরয়গ্রাম মাছ ক্রয় করে আফজাল হক বলেন, রমজানে খুব কষ্ট করে ভিড় ঠেলে বাজারে প্রবেশ করেছি; দুই কেজি মাছ ক্রয় করেছি। সংকুচিত রাস্তায় তীব্র ভিড় ঠেলে বের হওয়া কঠিন মনে হচ্ছে। একই অবস্থা বাজারের সবচাইতে ব্যস্ত প্রবেশ পথ ওয়াপদা গলি। সেখানে সপ্তাহে দুই দিন বেঁচাকেনা হয় হাঁস মোরগ। তিন চাকার যান অটো মিশুক স্ট্যান্ড বানিয়ে অবরুদ্ধ করে ফেলেছে পুরো সড়ক। প্রতিনিয়ত ক্রেতা ও অটো মিশুক চালকরা লিপ্ত হচ্ছেন ঝগড়ায়।
    ওয়াপদা রোডের ব্যবসায়ী হাফেজ আলী আকবর বলেন, বাজার পরিচালনা কমিটি না থাকায় চলাচলের রাস্তা নিয়ে অটো মিশুক চালক ও ক্রেতাদের প্রায়ই হয় বাকবিতণ্ডা। প্রতি বছর রমজানের ঈদে কাপড় ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা থাকে ভাল ব্যবসার। কিন্তু অটো মিশুক চালকরা রাস্তা বন্ধ করে ফেলায় বাজারে ক্রেতা প্রবেশ করতে পারেনা। সারাদিন লেগে থাকে জট।

    হাজী জুলু মিয়া মার্কেটের মোবাইল দোকানি মাসুদ জানান, মহাসড়ক লাগোয়া আমার দোকান। ভোর ছয়টার সময় কলাপসিবল গেট ও সাঁটারের তালা কেটে চুরি হয় আমার দোকান। বাজারে নৈশপ্রহরী থাকলে এই ঘটনা ঘটতো না।
    সাব রেজিস্টার অফিসের পাশে মক্রম আলী মার্কেটে উদয়ন কম্পিউটার, ডট কম কম্পিউটার পরপর কয়েকটি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্য ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রয়েছেন।

    বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, গত সতের বছর বাজারে নির্বাচিত কোনো বাজার কমিটি ছিল না। সাবেক রেলমন্ত্রী ৫ বছর পরপর তার আশীর্বাদপুষ্ট লোকদের নিয়ে করা কমিটি ব্যবসায়ীদের উপর চাপিয়ে দিতেন। যা দিয়ে বাজারের উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা যায়নি। আগষ্ট পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই বাজার পরিচালনা কমিটি ও নৈশপ্রহরী বিহীন চলছে। যে কারণে বাড়ছে চুরি চিনতাইয়ের ঘটনা, বাড়ছে বিশৃঙ্খলা।

    জুলাই আগস্ট এর পূর্বে সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা আক্তার হোসেন পাটোয়ারী ও ফারুক আহমেদ খাঁ শামীমের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।

    এ বিষয়ে সাবেক নির্বাচিত কমিটির(২০০৬) সেক্রেটারী খোরশেদ আলম জানান, আমরা নির্বাচিত কমিটি ছিলাম, আমাদের সময়ে এমন বিশৃঙ্খলা ছিল না; পর্যাপ্ত নৈশপ্রহরী ছিল। দীর্ঘদিন ব্যবসায়ীদের নির্বাচিত বাজার কমিটি না থাকায় বিশৃঙ্খলা বেড়েছে। যার ফলে অহরহ ঘটছে চুরি চিনতাইয়ের ঘটনা। দ্রুত ব্যবসায়ীদের দ্বারা নির্বাচিত বাজার কমিটি গঠন হলে সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে জানান সাবেক এই ব্যবসায়ী নেতা।
    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ জামাল হোসেন বলেন, বাজার ব্যবসায়ী কমিটি ব্যবসায়ীরাই নির্বাচিত করবে। তারা চাইলে আমরা তাদেরকে সহযোগিতা করবো।

  • ইউএনওর কক্ষে জামায়াত নেতাদের মারধর, বিএনপি’র ৪ নেতাকে শোকজ

    ইউএনওর কক্ষে জামায়াত নেতাদের মারধর, বিএনপি’র ৪ নেতাকে শোকজ

    পাবনার সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কক্ষে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমিরসহ চার নেতাকে বেধড়ক মারধর ও বালু উত্তোলন বন্ধ করায় ইউএনওকে হুমকির ঘটনায় বিএনপি নেতাসহ চারজনকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
    মঙ্গলবার (৪ মার্চ) রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে এ আদেশ দেওয়া হয়।

    এর আগে সোমবার (৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ইউএনও মীর রাশেদুজ্জামানের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

    শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, পাবনার সুজানগর উপজেলা ইউএনওর কার্যালয়ে প্রবেশ করে হাঙ্গামা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে অশোভন ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের অভিযোগে সুজানগর উপজেলা বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মজিবর রহমান, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বাবু খা, বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মানিক খা এবং সুজানগর এনএ কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো. শাকিল খানকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

    সুজানগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবিএম তৌফিক হাসান আলহাজ্ব বলেন,কেন্দ্র থেকে শোকজ করেছে এটা লোক মাধ্যমে শুনেছি, তবে স্থানীয়ভাবে আমরা এখনো এমন চিঠি বা নির্দেশনা পাইনি।
    আমি অসুস্থতার জন্য বর্তমান ঢাকায় অবস্থান করছি। এ ঘটনা কোনভাবেই ঘটানো ঠিক হয়নি।
    সরকারি অফিসে তাও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার রুমে ন্যাক্কারজনক ঘটনা হয়েছে।
    বাহিরে হলে তো মেনে নেওয়া যেত। এসব দুষ্কৃতকারীদের শাস্তি হওয়া দরকার।

    সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  (ইউএনও) মীর রাশেদুজ্জামান বলেন, আমার রুমে এ ঘটনা ঘটেছে সেটা খুবই কষ্টদায়ক। ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। সেখান থেকে নির্দেশনা আসলে আমি মামলা করতে পারব।
    তাছাড়া আমি নিজে নিজের সিদ্ধান্তে মামলা বা অভিযোগ দিতে পারব না। এ ক্ষেত্রে স্যারদের পারমিশন লাগবে।

  • চৌদ্দগ্রামে ৭ দফা দাবিতে ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি

    চৌদ্দগ্রামে ৭ দফা দাবিতে ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি

    আবু বকর সুজন, চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:

    মাটি কাটার জন্য ডিসির প্রত্যয়নপত্র নেয়ার বিধান বাতিল, ইটভাটাকে শিল্প হিসাবে ঘোষণা ও ভাটা পরিচালনায় দীর্ঘ মেয়াদী পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়নসহ ৭ দফা দাবিতে প্রধান উপদেষ্টা ও পরিবেশ উপদেষ্টা বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি।

    মঙ্গলবার (৪ মার্চ) দুপুরে ইউএনও মোঃ জামাল হোসেনের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেন, সহ-সভাপতি হুমায়ন কবির, অর্থ সম্পাদক রহমত উল্লাহ, সদস্য অলি আহমেদ মজুমদার, কামরুল হাসান, মজিবুর রহমান, আবদুল হান্নান, এটিএম আবদুল হালিম, হাসান ইমাম রিপন প্রমুখ। এরআগে উপজেল পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ করে ইটভাটা মালিক ও শ্রমিকরা।

    ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির উল্লেখিত দাবিসমূহ হলো;

    ১. ২০১৩ সনের ইটভাটা নিয়ন্ত্রন আইনের জিগজাগ ভাটা বৈধ পদ্ধতির উল্লেখ থাকলেও উক্ত আইনের ৮(৩) (১) এবং ৮ (৩) (খ) উপ-ধারায় দুই রত্ব নির্দিষ্ট করনের কারনে দেশের কিছু জিগজাগ ইটভাটার মালিকগণ ছাড়পত্র ও লাইসেন্স পাচ্ছে না। ইতোমধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর হাইব্রিড কিলুন এবং ট্যানেল কিলন এর ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ এলাকার দূরত্ব ১০০০ মিটারের পরিবর্তে ৪০০ মিটার নির্ধারন করেছে সুতরাং আমাদের জিগজ্যাগ ভাটার জন্য উক্ত আইনের ৮ (৩) (১) ধারায় নিষিদ্ধ এলাকার দুরত্ব ৪০০ মিটার এবং আইনের ৮ (৩) (খ) এ বনের দুরত্ব ৭০০ মিটার করে লাইসেন্স ও ছাড়পত্র পাওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিপত্র জারির মাধ্যমে পরিচালনা করার সুযোগ প্রদানের আবেদন।

    ২. জিগজাগ ইটভাটায় কোন প্রকার হয়রানী বা মোবাইল কোর্ট করা যাবে না, তা না হলে আমরা ভ্যাট টেক্স দেয়া বন্ধ করে দিতে বাধ্য হব।

    ৩. কোন ইটভাটা বন্ধ করতে হলে সরকারিভাবে আর্থিক ক্ষতিপুরন দিয়ে বন্ধ করতে হবে।

    ৪. মাটি কাটার জন্য ডিসির প্রত্যয়নপত্র নেয়ার বিধান বাতিল করতে হবে।

    ৫. পরিবেশগত ছাড়পত্র, ডি.সি লাইসেন্স, ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্সসহ অন্যান্য কাগজপত্রাদি ইস্যু/নবায়নের সময় কেন্দ্রীয় ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতির প্রত্যয়ন পত্র বাধ্যতামূলক ভাবে জমা দেয়ার বিধান করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ।

    ৬. ইটভাটারে শিল্প হিসাবে ঘোষণা করা।

    ৭. ইটভাটা পরিচালনায় দীর্ঘ মেয়াদী পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রনয়ন করতে হবে।

  • রংপুরে হত্যা মামলায় যুবলীগ নেতা সাদ্দাম গ্রেফতার

    রংপুরে হত্যা মামলায় যুবলীগ নেতা সাদ্দাম গ্রেফতার

    রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের গুলিতে নিহত পথচারী মাহমুদুল হাসান মুন্না হত্যা মামলায় জেলা যুবলীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান সাদ্দামকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে যৌথ বাহিনী।

    মঙ্গলবার (৪ মার্চ) দুপুরে রংপুর মহানগরীর স্টেশান এলাকায় থেকে নাহিদ হাসান সাদ্দামকে গ্রেফতার করা হয়। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: মুজিদ আলী জানান, তথ্য প্রযুক্তির সহযোগিতায় নগরীর স্টেশন এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠন রংপুর ছাত্রলীগের সাবেক উপপ্রচার সম্পাদক ও জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান সাদ্দামকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    এ সময় তার কাছে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। সাদ্দাম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত বছর ৪ আগস্ট রাজা রামমোহন ক্লাবের সামনে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের গুলিতে নিহত মাহমুদুল হাসান মুন্না হত্যা মামলার আসামি।

    অস্ত্র হাতে ওই হামলায় প্রকাশ্যে অংশ নিয়েছিলেন সাদ্দাম। ওই সময় অস্ত্র হাতে তার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়। ৫ আগস্টের পর আত্মগোপনে চলে গিয়েছিলেন তিনি।

    মহানগর পুলিশ কমিশনার আরও জানান, নাহিদ হাসান সাদ্দাম নগরীর স্টেশন এলাকার আলম নগর বাবু পাড়ার মৃত ধলু মিয়ার পুত্র। বৈষমবিরোধী আন্দোলন দমাতে রংপুরে সংঘটিত হামলাগুলোর অন্যতম মাস্টারমাইন্ড ছিলেন সাদ্দাম।

    পুলিশ কমিশনার জানান, মাহমুদুল হাসান মুন্না নিহতের ঘটনায় সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, তার পুত্রসহ ১২৮ জনকে আসামি করে গত বছরের ২৯ আগস্ট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কোতোয়ালি আমলি আদালতে মামলা দায়ের করেন মুন্নার বাবা।

  • রিকশাচালককে জুতাপেটা করে বরখাস্ত হলেন সমাজসেবা কর্মকর্তা

    রিকশাচালককে জুতাপেটা করে বরখাস্ত হলেন সমাজসেবা কর্মকর্তা

    রিকশাচালককে জুতা ও লাঠিপেটা করা রাজশাহীর পবা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাহিদ হাসান রাসেলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-৫ (প্রশাসন ও শৃঙ্খলা) শাখার এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

    সচিব ড. মো. মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রিকশাচালককে নির্দয়ভাবে প্রহার করার ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এ ধরণের আচরণ সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। সরকারি কর্মচারী হিসাবে তার এ ধরণের আচরণ অশোভনীয়, অসঙ্গত, চাকরি শৃঙ্খলা পরিপন্থি ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই সরকারি চাকরি আইন ও সরকারি কর্মচারি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

    এতে আরও বলা হয়, সাময়িক বরখাস্ত হলেও জাহিদ হাসান রাসেল বিধি মোতাবেক খোরপোষ ভাতা পাবেন। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক রিকশাচালককে মারধর করেন সমাজসেবা কর্মকর্তা জাহিদ। মারধরের সেই ভিডিও সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় সমালোচনার। এর জেরে গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি। মারধরের ঘটনায় ক্ষমাও চেয়েছেন বরখাস্ত হওয়া জাহিদ।

  • আ.লীগের বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন হবে না : সারজিস

    আ.লীগের বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন হবে না : সারজিস

    আওয়ামী লীগের বিচার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

    মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহিদদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

    সারজিস বলেন, যে হাসিনার নির্দেশে এতগুলো হত্যা করা হলো সেই খুনের বিচার না দেখা পর্যন্ত কীভাবে এদেশের মানুষ ভিন্ন কিছু চিন্তা করে। খুনি হাসিনাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসতে হবে, বিচারের মঞ্চে দাঁড়াবে, ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়াবে।

    তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিচার না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো মানুষ, কোনো রাজনৈতিক দল ভুল করেও যেন নির্বাচনের কথা না বলে। যতদিন না আমরা খুনি হাসিনাকে ওই ফাঁসির মঞ্চে না দেখছি এই বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না।

    তিনি আরও বলেন, আমরা রাজপথে ছিলাম। আমার যে ভাইয়েরা রাজপথে জীবন দিয়েছে, আমাদের যে মায়েদের চোখ দিয়ে এখনো কান্না ঝরছে, পানি পড়ছে আমরা যেন মরার আগে অন্তত খুনি হাসিনার বিচারটা দেখে মরতে পারি। আমরা শুধু আপনাদের কাছে একটা অনুরোধ করতে পারি। আমরা আমাদের জায়গা থেকে মায়েদের পাশে থাকার সর্বোচ্চ টুকু চেষ্টা করব।

  • বধ্যভূমিতে ২৪-এর অভ্যুত্থানের শহিদদের কবর জিয়ারতে নাহিদ-আখতাররা

    বধ্যভূমিতে ২৪-এর অভ্যুত্থানের শহিদদের কবর জিয়ারতে নাহিদ-আখতাররা

    রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে ২০২৪-এর অভ্যুত্থানের শহিদদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা।

    মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে শহিদদের কবর জিয়ারত ও দোয়া মোনাজাতে অংশ নেন দলটির নেতাকর্মীরা। জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে সকাল ৮টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে এনসিপি তাদের রাজনৈতিক যাত্রার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছে।

    এদিন বিকাল ৩টার দিকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাহী কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে পার্টির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বিশাল সমাবেশের মধ্যদিয়ে নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে জাতীয় নাগরিক পার্টি। এরপর ২১৭ সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

  • ৩০ জুনের মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি

    ৩০ জুনের মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি

    আগামী ৩০ জুনের মধ্যে আবারও চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

    রোববার ভোটার দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    সানাউল্লাহ বলেন, আজকে ২০২৪-এর উপাত্তের আলোকে আইনি বাধ্য-বাধকতার কারণে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু বাড়ি বাড়ি গিয়ে যেসব উপাত্ত পাওয়া গেছে সেগুলো আবার যুক্ত হবে, মৃত ভোটাররা বাদ পড়বে।

    তিনি বলেন, আবারো একটা সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা হবে। সেটার সঙ্গে সমন্বয় করে ৩০ জুনের মধ্যে আবারো চূড়ান্ত ভোটার তালিকা আপনারা দেখতে পাবেন।

    সবাইকে মিলে-মিশে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, সবাই মিলে-মিশে ভোট দেব, এটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি উৎসব। আমরা রক্ত দেখতে চাই না। হানাহানি দেখতে চাই না, চুরি বাটপারি দেখতে চাই না। ছিনতাই, ব্যালট পেপার সরিয়ে নেয়া ইত্যাদি দেখতে চাই না। রাতের বেলায় সিল মারা দেখতে চাই না। কোনো কর্তৃপক্ষের প্রভাব দেখতে চাই না।

    ভোটার তালিকা স্বচ্ছ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশা প্রকাশ করেন এই কমিশনার।