Author: বাসস

  • শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড

    শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড

    চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

    আজ বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ ঐতিহাসিক এই রায় ঘোষণা করেন। রায় প্রদানকারী এই ট্রাইব্যুনালে অপর দুই সদস্য বিচারক হলেন মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    বহুল আলোচিত এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ এনে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছিলেন প্রসিকিউশন।

    অন্যদিকে, আসামিদের নির্দোষ দাবি করে খালাস চায় তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী। এছাড়া রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের খালাস চান তার আইনজীবী।

    এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এস. এইচ. তামিম শুনানি করেন। এছাড়া শুনানিতে প্রসিকিউটর বি. এম. সুলতান মাহমুদ, শাইখ মাহদি, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্য প্রসিকিউটরা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, পলাতক শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। আর রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী যায়েদ বিন আমজাদ।

    ঐতিহাসিক এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের পিতাসহ স্বজনহারা পরিবারের অনেকে। এছাড়া স্টার উইটনেস হিসেবে সাক্ষ্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী নাহিদ ইসলাম এবং দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান। সর্বোমোট ৫৪ জন সাক্ষী এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন।

    মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে গত ১০ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

    একপর্যায়ে দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনে (অ্যাপ্রুভার) রাজসাক্ষী হন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

    ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান দমনে আওয়ামী লীগ সরকার, তাদের দলীয় ক্যাডার ও সরকারের অনুগত প্রশাসনসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করে বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ে। এখন দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সে সব অভিযোগের বিচার চলছে।

    সূত্রঃবাসস

  • চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান দমনে পরিচালিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায় আজ

    চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান দমনে পরিচালিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায় আজ

    চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান দমনে পরিচালিত মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ট্রাইব্যুনালের প্রথম রায় আজ ঘোষণা করা হবে।

    এটি হলো জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের সময়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলার রায়।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর এজলাস থেকে রায় ঘোষণার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করার কথা রয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা এটিই প্রথম মামলা, যার রায় কিছু সময় পরেই ঘোষিত হতে যাচ্ছে।

    বিচারপতি গোলাম মর্তুূজা মজুমদারের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনাল-১ এ তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আজ এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    এই মামলার শুনানিতে প্রসিকিউশন বলেছেন যে শেখ হাসিনা ছিলেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী সব ধরনের অপরাধের মাস্টারমাইন্ড (মূল পরিকল্পনাকারী), হুকুমদাতা ও সুপিরিয়র কমান্ডার (সর্বোচ্চ নির্দেশদাতা)।

    চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি এই মামলার অন্য দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান পলাতক। দুজনই এখন ভারতে অবস্থান করছেন।

    এই মামলায় গ্রেফতার থাকা একমাত্র আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন নিজের দোষ স্বীকার করে ‘অ্যাপ্রুভার’ বা রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি জবানবন্দিতে বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে সরাসরি ‘লেথাল উইপন’ (মারণাস্ত্র) ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত বছরের ১৮ জুলাই শেখ হাসিনার ওই নির্দেশনা তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের মাধ্যমে পেয়েছিলেন তিনি।

    এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয় যে শেখ হাসিনার নির্দেশে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে মারণাস্ত্র ব্যবহার করে নিরীহ, নিরস্ত্র দেড় হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা এবং ৩০ হাজার মানুষকে আহত করা হয়েছিল।

    শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছে প্রসিকিউশন। একই সঙ্গে তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে জুলাইয়ে শহীদ হওয়া পরিবারগুলোর পাশাপাশি আহত জুলাই যোদ্ধাদের মধ্যে হস্তান্তর করতে প্রসিকিউশন আবেদন পেশ করেন। এ ছাড়া প্রসিকিউশন মনে করে, সাবেক আইজিপি মামুন ‘অ্যাপ্রুভার’ হিসেবে ঘটনার পূর্ণ সত্য প্রকাশ করেছেন এবং তার বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল যথাযথ আদেশ দেবেন। অন্যদিকে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামানের খালাস চেয়েছেন তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী।

    গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে প্রথম মামলার কার্যক্রম শুরু হয় গত বছরের ১৭ অক্টোবর। সেদিন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রথম মামলা (মিসকেস বা বিবিধ মামলা) হয়। একই দিনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইব্যুনাল।

    এ মামলায় প্রথমে শেখ হাসিনাই ছিলেন একমাত্র আসামি। এরপর চলতি বছরের ১৬ মার্চ শেখ হাসিনার পাশাপাশি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকেও এ মামলায় আসামি করা হয়। একাধিকবার সময় বাড়ানোর পর চলতি বছরের ১২ মে এই মামলায় চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এ মামলায় আসামি হিসেবে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের নাম আসে তদন্ত প্রতিবেদনে। এরপর এ মামলায় আসামি হন তিনজন- শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

    শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে গত ১ জুন ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

    ফরমাল চার্জ দাখিলের মাধ্যমে ‘মিসকেস’ আনুষ্ঠানিকভাবে মামলায় রূপ নেয়। এ মামলায় গত ১০ জুলাই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। সেদিনই সাবেক আইজিপি মামুন ‘অ্যাপ্রুভার’ (রাজসাক্ষী) হওয়ার আবেদন করেন।

    ‘মিসকেস’ থেকে এ মামলার রায় ঘোষণা পর্যন্ত সময় লেগেছে ৩৯৭ দিন। গত ৩ আগস্ট এ মামলায় সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। সূচনা বক্তব্য টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। সূচনা বক্তব্যের পর এই মামলায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গুরুতর আহত হওয়া খোকন চন্দ্র বর্মণ। তার সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।

    এ মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ মোট ৫৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয় গত ৮ অক্টোবর। এরপর যুক্তিতর্ক শুরু হয় গত ১২ অক্টোবর, যা শেষ হয় ২৩ অক্টোবর। সর্বশেষ ১৩ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করে। আজ ১৭ নভেম্বর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

    বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১০ সালের ২৫ মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল যাত্রা শুরু করে। এই ট্রাইব্যুনালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হয়। বিচার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ২০১২ সালের ২২ মার্চ আরও একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছিল বিগত সরকার।

    ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে ৪৪টি ও ট্রাইব্যুনাল-২ থেকে এখন পর্যন্ত ১১টি মামলার রায় এসেছে। ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ছয় জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। তখন ওই বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে বিভিন্ন মহলের প্রশ্ন ছিল। ওইসময় সাক্ষী গুম হওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

    চব্বিশের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হচ্ছে। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম ও হত্যার ঘটনায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারও চলছে।

    সূত্রঃ বাসস

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশনা

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠনের কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশনা

    এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি গঠনের কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    শনিবার (১৫ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি মাধ্যমিক শাখা-১ এর উপসচিব (অতিরিক্ত দায়িত্বে) সাইয়েদ এ. জেড. মোরশেদ আলী সই করা নির্দেশনাটি আজ (১৬ নভেম্বর) প্রকাশ করা হয়।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, হাইকোর্ট ডিভিশনের রিট পিটিশনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ৮ সেপ্টেম্বরের জারিকৃত ‘ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডসহ অন্যান্য বোর্ডের (নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) প্রবিধানমালা, ২০২৪ (সংশোধনীসহ) অনুযায়ী অ্যাডহক কমিটি ও নিয়মিত কমিটি গঠন সংক্রান্ত’ পরিপত্রটি তিন মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

    বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে যেসব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়েছে সে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডসহ অন্যান্য শিক্ষা বোর্ড (নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) প্রবিধানমালা, ২০২৪’ এর অনুচ্ছেদ ৬৯ অনুযায়ী উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক বা তার প্রতিনিধি কর্তৃক সভাপতির দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলা হলো।

    সূত্রঃ বাসস

  • হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় কাল

    হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় কাল

    চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় আগামীকাল (সোমবার)।

    গত ১৩ নভেম্বর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণার এই দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    বহুল আলোচিত এই মামলায় পাঁচটি অভিযোগ এনে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন প্রসিকিউশন। অন্যদিকে, আসামিদের নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়েছেন তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী। এছাড়াও রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের খালাস চেয়েছেন তার আইনজীবী।

    এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এস. এইচ. তামিম শুনানি করেন। এছাড়া প্রসিকিউটর বি. এম. সুলতান মাহমুদ, শাইখ মাহদি, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর উপস্থিত ছিলেন।

    অন্যদিকে, পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। আর রাজসাক্ষী চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী যায়েদ বিন আমজাদ।

    ঐতিহাসিক এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের পিতাসহ স্বজনহারা পরিবারের অনেকে। এছাড়া স্টার উইটনেস হিসেবে সাক্ষ্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী নাহিদ ইসলাম এবং দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান। সর্বমোট ৫৪ জন সাক্ষী এই মামলায় সাক্ষ্য দেন।

    মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে গত ১০ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। একপর্যায়ে দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্যতা উদ্ঘাটনে (অ্যাপ্রোভার) রাজসাক্ষী হন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

    ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান দমনে আওয়ামী লীগ সরকার, তাদের দলীয় ক্যাডার ও সরকারের অনুগত প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করে-এ অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ে। এখন দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সেসব অভিযোগের বিচার চলছে।

    সূত্রঃ বাসস

  • পোস্টাল ভোটিং জটিল হলেও বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জটি নিতে যাচ্ছে : সিইসি

    পোস্টাল ভোটিং জটিল হলেও বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জটি নিতে যাচ্ছে : সিইসি

    পোস্টাল ভোটিংয়ের বিষয়টি জটিল হলেও আগামী নির্বাচনে সেটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে বাংলাদেশ। আজ (রোববার) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন এ মন্তব্য করেন।

    সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশন ভবনের সেমিনার কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইসির সংলাপে সভাপতিত্ব করার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সিইসি বলেন, এ বছর আমরা অনেকগুলো নতুন উদ্যোগ নিয়েছি, বিশেষ করে প্রবাসীদের ভোটের ব্যবস্থার বিষয়টি তার মধ্যে অন্যতম। এটা অত্যন্ত জটিল বিষয় বলে অতীতে কেউ এখানে হাত দেয়নি।

    তিনি আরও জানান, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে বিশ্বের অনেক দেশই সফলভাবে এটি করতে পারেনি। তবে আমরা বিভিন্ন রকমের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বাংলাদেশে প্রথমবারের মত শুরু করতে যাচ্ছি।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, পোস্টাল ভোটিংয়ের মত নানা জটিল ও নতুন বিষয় আগামী নির্বাচনে দেখা যাবে। এজন্যই এবারের নির্বাচনটি হবে বিশেষ।

    তিনি বলেন, এর বাইরেও আমাদেরকে অনেকগুলো বড় কাজে হাত দিতে হয়েছে। বিশেষ করে ভোটার তালিকা হালনাগাদের বিশাল কাজ করতে হয়েছে। এসব কাজে ৭৭ হাজার কর্মী মাঠে ছিল। তাদের সবাইকে প্রশিক্ষণও দিতে হয়েছে।

    এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ভোটগ্রহণের দিন প্রায় দশ লক্ষ লোক বিভিন্ন  দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থেকে শুরু করে প্রিসাইডিং অফিসার-নিজেরাই অনেকসময় ভোট দিতে পারেন না। তাদের জন্য এবছর ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া সরকারি চাকরিজীবীরাও বিভিন্ন ইনস্টিটিউশনে পোস্টেড থাকেন। আবার যারা কারাগারে আছে, তাদেরও ভোটের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সুবিধা ছিল যে নির্বাচন সংস্কার কমিশন আমাদের পক্ষে অনেকগুলো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কারণ তারা আমাদের কাছে রিপোর্ট দেওয়ার আগে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। বিভিন্ন অংশীদার ও রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিসহ অনান্য পক্ষের সঙ্গে ৮০টিরও বেশি সংলাপ করেন তারা। সেইসঙ্গে ঐকমত্যের জন্য কমিশনেও অনেকগুলো বৈঠক হয়েছে। এতে আমাদের কাজ অনেকখানি এগিয়ে গেছে।

    একটি সুন্দর, গ্রহণযোগ্য পরিবেশে নির্বাচন পরিচালনার জন্য রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগিতা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।

    সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশনের একার পক্ষে এই কাজ শেষ করা সম্ভব নয়। ভোটারদের ওপর রাজনৈতিক ও জাতীয় নেতাদের সরাসরি প্রভাব রয়েছে। তাই তাদের সহযোগিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভোটারদের কেন্দ্রমুখী করা এবং তাদের নিরাপত্তার জন্য করণীয় বিষয়েও আমাদের পরামর্শ দরকার।

    বক্তব্যের শেষে যথাযথভাবে নির্বাচন আচরণবিধি পালন করতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    সংলাপে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অবঃ), তাহমিদা আহমেদ ও মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদসহ আরও অনেকে।

    সকালের বৈঠকে অংশ নেয়া দলগুলো হল: গণফোরাম, গণফ্রন্ট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি।

    উল্লেখ্য, আজ দুপুর ২টা থেকে আরও ৬টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কমিশনের সংলাপ হবে। দলগুলো হল: বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (বাংলাদেশ জাসদ), বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (বাংলাদেশ ন্যাপ), তৃণমূল বিএনপি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

    সুত্রঃ বাসস

  • হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় ১৭ নভেম্বর

    হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় ১৭ নভেম্বর

    চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় আগামী ১৭ নভেম্বর।

    বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আজ রায় ঘোষণার এই দিন ধার্য করেন।
    ট্রাইব্যুনালে অপর দুই সদস্য বিচারক ছিলেন মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    বহুল আলোচিত এই মামলায় পাঁচটি অভিযোগ এনে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন প্রসিকিউশন। অন্যদিকে, আসামিদের নির্দোষ দাবি করে খালাস চেয়েছেন তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী। এছাড়া রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের খালাস চেয়েছেন তার আইনজীবী।

    এই মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এস. এইচ. তামিম শুনানি করেন। এছাড়া শুনানিতে প্রসিকিউটর বি. এম. সুলতান মাহমুদ, শাইখ মাহদি, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যান্য প্রসিকিউট উপস্থিত ছিলেন।

    অন্যদিকে, পলাতক শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন। আর রাজসাক্ষী চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী যায়েদ বিন আমজাদ।

    ঐতিহাসিক এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের পিতাসহ স্বজনহারা পরিবারের অনেকে। এছাড়া স্টার উইটনেস হিসেবে সাক্ষ্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী নাহিদ ইসলাম এবং দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান। সর্বোমোট ৫৪ জন সাক্ষী এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন।

    মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে গত ১০ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

    একপর্যায়ে দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্যতা উদ্‌ঘাটনে (অ্যাপ্রোভার) রাজসাক্ষী হন সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

    ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান দমনে আওয়ামী লীগ সরকার, তাদের দলীয় ক্যাডার ও সরকারের অনুগত প্রশাসনসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করে বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একের পর এক অভিযোগ জমা পড়ে। এখন দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সে সব অভিযোগের বিচার চলছে।

    সূত্রঃ বাসস

  • বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদারে একমত ঢাকা ও ইসলামাবাদ

    বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদারে একমত ঢাকা ও ইসলামাবাদ

    ঢাকা ও ইসলামাবাদ বাণিজ্য, কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি, খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধ ও যোগাযোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা আরো জোরদারের বিষয়ে একমত পোষণ করেছে।

    আজ রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ-পাকিস্তান যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের (জেইসি) নবম বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

    দুই দশক পর অনুষ্ঠিত এই বৈঠকটি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

    দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশের মধ্যে সর্বশেষ জেইসি বৈঠক হয়েছিল ২০০৫ সালে। দুই দশক পর এ প্ল্যাটফর্মের পুনরায় কার্যক্রম শুরু হওয়াকে উভয় পক্ষই তাদের অর্থনৈতিক সম্পর্কের এক ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।

    বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক।

    বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, বেসামরিক বিমান পরিবহন, কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি ও সামুদ্রিক বিষয়ক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আলোচনায় কৃষি, বাণিজ্য, তথ্য-প্রযুক্তি, খাদ্য, বিমান ও নৌপরিবহনসহ নানা খাত নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যার লক্ষ্য দুই দেশের জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন।

    তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক। ২০ বছর পর আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সংলাপ পুনরায় শুরু করেছি এবং এটি অত্যন্ত সফল হয়েছে।

    অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, কৃষি, তথ্য-প্রযুক্তি, খাদ্য, সামুদ্রিক পরিবহন ও অন্যান্য খাতে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এতে উভয় দেশ উপকৃত হবে।

    তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের দৃষ্টিভঙ্গি কেবল দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আমরা আঞ্চলিক সহযোগিতার দিকেও এগিয়ে যেতে চাই।

    অর্থ উপদেষ্টা বলেন, যদি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো এভাবে সহযোগিতা করে, তাহলে তা সবার জন্যই মঙ্গলজনক হবে। আমরা এই সহযোগিতা কাঠামো আরো শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছি।

    তিনি জানান, আলোচ্য বিষয়গুলোর অগ্রগতি তদারকির জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও নৌপরিবহনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে নির্দিষ্ট ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা হবে।

    বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বৈঠকে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়নি।

    নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা এখনই বলা যাচ্ছে না। কৃষি, গবেষণা, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আইটি-সংক্রান্ত সহযোগিতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

    সফররত পাকিস্তানের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক জেইসি বৈঠক আয়োজনের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ২০ বছর পর জেইসি বৈঠক হওয়া সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এই ইতিবাচক গতিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে এগিয়ে যেতে চাই।

    তিনি বলেন, বিভিন্ন খাতে উভয় দেশের মধ্যে ইতোমধ্যেই উল্লেখযোগ্য মিল পাওয়া গেছে এবং এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তা আরো কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    পাকিস্তানের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী বলেন, আমরা এই সহযোগিতা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব এবং পরবর্তী জেইসি বৈঠকে মিলিত হলে যেন উভয় দেশের নির্ধারিত লক্ষ্যগুলোয় দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জন করতে পারি।

    বাণিজ্য ঘাটতি কমানো প্রসঙ্গে মালিক বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্যিক লেনদেন এক বিলিয়ন ডলারেরও কম, যদিও দুই দেশেই বিপুল জনসংখ্যা ও পরস্পর পরিপূরক অর্থনীতি রয়েছে।

    আমাদের উচিত বাণিজ্যের পরিমাণ বাড়ানো এবং একে অপরের উন্নয়নে সহায়তা করা।

    তিনি জানান, পাট বা পাটজাত পণ্যের বাইরে কৃষিক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে পাকিস্তান আগ্রহী এবং অতিরিক্ত কৃষিপণ্য সংগ্রহের সম্ভাবনা খুঁজছে।

    মালিক বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশের কাছ থেকে আমদানি অব্যাহত রাখবে এবং কৃষি, ওষুধ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র অনুসন্ধান করবে। ইনশাআল্লাহ, আমরা পাটের বাইরেও সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা করব, যদিও পাট এই সহযোগিতার একটি প্রধান উপাদান হিসেবেই থাকবে।

    তিনি আরও জানান, জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আজ আরো আলোচনা হবে।

    সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফরের প্রসঙ্গ টেনে মালিক বলেন, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী গত আগস্টে বাংলাদেশ সফর করেছেন এবং দুই দেশই বহুপাক্ষিক ফোরামে উচ্চ পর্যায়ে সম্পৃক্ত রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি এই বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার মনোভাব আরো জোরদার হবে। ইনশাআল্লাহ, আমরা এই ইতিবাচক গতি ধরে রাখব।

    বৈঠকে উভয় পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণ, সহযোগিতার সম্মত ক্ষেত্রগুলোকে কার্যকর করার এবং নির্ধারিত লক্ষ্যে পরবর্তী জেইসি বৈঠকে দৃশ্যমান অগ্রগতি অর্জনের বিষয়ে সম্মত হয়েছে।

    বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন (জেইসি) একটি দ্বিপাক্ষিক ফোরাম, যা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, জ্বালানি ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে। ২০২৫ সালে জেইসি পুনরায় চালুর মাধ্যমে দুই দেশ অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক সম্পর্ক জোরদারে নতুন অঙ্গীকার প্রকাশ করেছে।

    সূত্রঃ বাসস

  • পটিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

    পটিয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

    জেলার পটিয়ায় বালুবাহী পিকাআপে থাকা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ইকবাল নামের আরো একজন আহত হয়েছে।

    গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার খরনা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মুজাফরাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    মৃতরা হলেন,কচুয়াই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড ওস্তাদ পাড়া এলাকার বাচা মিয়ার ছেলে মো. মিনহাজ (২২) ও খরনা ইউনিয়নে রং মিস্ত্রি মিন্টুর ছেলে মো. ফাহিম (১৬)।

    জানা গেছে, মুজাফরাবাদ এলাকার মৃত রমিজ আহমদের ঘরের জন্য বালু নিয়ে যায় একটি পিকআপ। রাত পৌনে ৯টার দিকে পিকাআপের সঙ্গে লেগে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে দুই শ্রমিকের শরীরে পড়ে। এসময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তারা মারা যায়। পরে বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বন্ধ করে দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

    কচুয়াই ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার সাইফুল ইসলাম জানান, বালুবাহী একটি পিকআপের সঙ্গে লেগে পল্লী বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পিকাআপে থাকা দুই শ্রমিকের গায়ে লাগে। পরে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

    পটিয়া থানার ওসি মো. নুরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তারা মারা গেছেন।

    সূত্রঃ বাসস

  • শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য গঠনে মা-বাবার ভূমিকা

    শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য গঠনে মা-বাবার ভূমিকা

    স্বাস্থ্য সাধারণত দুটি ভাগে বিভক্ত: শারীরিক স্বাস্থ্য ও মানসিক স্বাস্থ্য। মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর থেকেই শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ শুরু হয়। এ সময় মায়ের শরীরচর্চা ও মানসিক প্রশান্তি শিশুর সামগ্রিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

    জন্মের পর সন্তানের শারীরিক স্বাস্থ্য নিয়ে মা-বাবা যেমন সচেতন থাকেন, মানসিক স্বাস্থ্য বিকাশের দিকটি তেমন গুরুত্ব পান না। অথচ উন্নত জাতি গঠনে মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব শারীরিক স্বাস্থ্যের চেয়েও অধিক। আর এই মানসিক স্বাস্থ্য বিকাশের ভিত্তি গড়ে ওঠে মূলত পরিবারের পরিবেশ ও মা-বাবার আচরণের মাধ্যমে।

    একটি দম্পতি যত দূরদর্শী ও সচেতন হবেন, তাদের সন্তানও তত বেশি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। সাধারণত মা-বাবারা সন্তানের খাবার, পোশাক বা চিকিৎসার ব্যাপারে যত্নশীল থাকেন, কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্য বিকাশের ক্ষেত্রে অনেক সময়ই তারা উদাসীন থাকেন। অথচ মানসিক বিকাশ ব্যাহত হলে সন্তান পরবর্তীতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য বোঝা হয়ে উঠতে পারে। তাই শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেও সমান মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

    প্রবল কৌতূহল ও অনুসন্ধিৎসা নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুকে আমরা প্রায়ই অবুঝ বলে হেলা করি—শুধু তার অনভিজ্ঞতা ও প্রকাশ অক্ষমতার কারণে। শিশুর শারীরিক ভারসাম্য অর্জনে কিছুটা সময় লাগলেও মানসিক স্বাস্থ্যের ভিত্তি এর মধ্যেই তৈরি হতে থাকে।

    শিশু মন এক স্বচ্ছ আলোকচিত্রগ্রাহী যন্ত্রের মতো, যার মাধ্যমে সে প্রিয় মানুষদের ও আশপাশের পরিবেশের ছাপ স্থায়ীভাবে নিজের মনে আঁকিয়ে নেয়। এ অভিজ্ঞতাই তার ভবিষ্যৎ মানসিক স্বাস্থ্য গঠনে গভীর প্রভাব ফেলে।

    শিশু প্রথমে মায়ের, পরে বাবার, তারপর পরিবারের অন্যান্য সদস্য, শিক্ষক ও সহপাঠীদের সংস্পর্শে আসে। এদের আচরণ, কথাবার্তা ও ব্যবহার থেকেই শিশুর মানসিক বিকাশের ভিত্তি তৈরি হয়।

    যখন শিশু প্রথম কথা বলা শুরু করে, জিজ্ঞেস করে, ‘এটা কী? ওটা কী?’ তখন অনেক মা-বাবা বা অভিভাবক বিরক্ত হয়ে ধমক দেন। এতে শিশুর কৌতূহল ও জানার আগ্রহ স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে, যা তার মানসিক বিকাশে গুরুতর বাধা সৃষ্টি করে।

    শৈশবে পরিবারের পরিবেশ যদি সহনশীল, ভালোবাসাপূর্ণ ও সংযত হয়, তবে সেই শিশুই ভবিষ্যতে পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে উঠতে পারে। সে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়।

    শহুরে বা গ্রামীণ জীবন, যেখানেই হোক, ‘শৃঙ্খলাই জীবন’- এই প্রবাদটি মনে রেখে সন্তান পালনে অভিভাবকদের সংযমী ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

    শিশুর সামনে কোনোভাবেই হিংসা, প্রতিশোধ, ঝগড়া বা নেতিবাচক আচরণ প্রদর্শন করা উচিত নয়। সন্দেহপ্রবণ বা কলহপ্রবণ পরিবারের শিশুরা কখনোই সুস্থ মানসিক বিকাশ অর্জন করতে পারে না।

    অনেক সময় মা-বাবার অজ্ঞতা বা অসাবধানতার কারণেই শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য ব্যাহত হয়। যেমন, ডাক্তার যদি বলেন, শিশুকে ঠান্ডার জন্য আইসক্রিম খেতে দেওয়া যাবে না, কিন্তু মা শিশুর আবদার মেনে আইসক্রিম দিয়ে বলেন, ‘বাবাকে বলো না, বকা দেবেন।’

    কিংবা বাবা কোনো কিছু কিনে দিয়ে বলেন, ‘মাকে বলো না।’ এমন আচরণ শিশুকে অজান্তেই মিথ্যাশ্রয়ী করে তোলে। বিষয়টি সামান্য মনে হলেও এর প্রভাব গভীর, এতে শিশুর চরিত্র ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

    এমনকি অনেক মা শিশুর সামনে বাবার পকেট বা মানিব্যাগ থেকে টাকা নেন, যা শিশুর মনে ভুল ধারণা জন্ম দেয়। শিশুর সামনে বড়দের সর্বদা সংযত ও সততার উদাহরণ রাখতে হবে। যে পরিবারে মা-বাবার ঝগড়া, মারামারি বা হাতাহাতি নিত্যনৈমিত্তিক, সে পরিবারের শিশুর মানসিক বিকাশে তার কুপ্রভাব পড়বেই।

    তেরো বছর বয়সে বাবাকে হারানো আদিব, যার মা ছিলেন কলেজের প্রভাষক, পরবর্তীতে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং মায়ের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন হয়। কারণ, শৈশবে মায়ের আচরণে ছিল নেতিবাচকতা।

    অন্যদিকে নাদিয়া, এক মধ্যবিত্ত শিক্ষিত পরিবারের মেয়ে, শহরের সুযোগ-সুবিধা পেতেও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হয়। কারণ তার বাবা-মায়ের কলহপূর্ণ দাম্পত্য জীবন। এক ভাই যখন সরকারি কর্মকর্তা, অন্য ভাই তখন হয়ে ওঠে সন্ত্রাসী। এমন উদাহরণ সমাজে কম নয়। এর মূল কারণ, শিশুকালে সুস্থ মানসিক বিকাশের ঘাটতি।

    শিশুর প্রতি পিতামাতার উদাসীনতা বা মাত্রাতিরিক্ত আবেগপ্রবণতা—উভয়ই শিশুকে বিপথে নিতে পারে। তাই সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। শারীরিক বিকাশের মতোই, এমনকি তার চেয়েও বেশি মনোযোগ দিতে হবে মানসিক বিকাশের প্রতি।

    সূত্রঃ বাসস

  • ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে বলে পুনরায় জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

    তিনি বলেন, “আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে আমাদের কোনো সমস্যা হবে না। সরকারের সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে।”

    আজ সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক কোর কমিটির সভা শেষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনের সফল আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা, বিশেষ করে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বডিওর্ন ক্যামেরা কেনা হবে এবং এ বিষয়ে সরকার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।

    তিনি আরও বলেন, বিগত তিনটি সাধারণ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারীদের আগামী সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব থেকে বিরত রাখা হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডসহ সাম্প্রতিক কিছু বড় অগ্নিকাণ্ডের পেছনে নাশকতা আছে কিনা- এমন প্রশ্নে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, এসব ঘটনা তদন্তের জন্য একাধিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

    তিনি বলেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি মিশনগুলোতে ই-পাসপোর্ট সেবা চালু করা হবে।

    প্রবাসীদের জন্য পাসপোর্ট ফি কমানো এবং বিমান ও বিমানবন্দরে সর্বোত্তম সেবা প্রদানের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলেও তিনি জানান।

    সূত্রঃ বাসস

  • শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ভাতা বাড়াল সরকার

    শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ভাতা বাড়াল সরকার

    বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা বাড়িয়েছে সরকার।

    আজ (রোববার) অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মিতু মরিয়ম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধিতে অর্থ বিভাগ সম্মতি দিয়েছে।

    সরকারের বিদ্যমান বাজেটের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় নিয়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়ি ভাড়া ভাতা নিম্নোক্ত শর্তাদি পালন সাপেক্ষে মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) দেওয়া হবে।

    শর্তসমূহে উল্লেখ করা হয়— এই বাড়িভাড়া ভাতা পরবর্তী জাতীয় বেতনস্কেল অনুসারে সমন্বয় করতে হবে; বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা- ২০২১’, ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত)’ এবং ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (ভোকেশনাল, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা, কৃষি ডিপ্লোমা ও মৎস ডিপ্লোমা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০১৮ (২৩ নভেম্বর ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত)’ এবং সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে জারিকৃত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন/আদেশ/পরিপত্র/নীতিমালা অনুসরণ করে নিয়োগের শর্তগুলো পালন করতে হবে।

    এই ভাতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক/কর্মচারীরা আগের কোনো বকেয়া পাবেন না। অবশ্যই সকল আর্থিক বিধি-বিধান পালন করতে হবে। ভাতা সংক্রান্ত ব্যয়ে ভবিষ্যতে কোনো অনিয়ম দেখা দিলে বিল পরিশোধকারী কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবেন।

    এই আদেশ আগামী ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

    সূত্রঃ বাসস

  • কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা, দিন-রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত

    কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা, দিন-রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত

    খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

    আজ (রোববার) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে আরও বলা হয়, সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, এবং এর বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

    আরও বলা হয়েছে যে দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আগামী ২১ অক্টোবর নাগাদ একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তীতে, এটি ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।

    গতকাল (শনিবার) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সিলেটে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেঁতুলিয়ায় ২২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আজ ভোর ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রামে ৮ মিলিমিটার।

    ভোর ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ। ঢাকায় বাতাসের গতি উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে।

    ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে।

    সূত্রঃ বাসস

  • অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সরকারের বিবৃতি: নাশকতার প্রমাণ পাওয়া গেলে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হবে

    অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সরকারের বিবৃতি: নাশকতার প্রমাণ পাওয়া গেলে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হবে

    দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একাধিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জনমনে যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে গভীরভাবে অবগত।

    আজ শনিবার সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা সকল নাগরিককে আশ্বস্ত করতে চাই—নিরাপত্তা সংস্থাগুলো প্রতিটি ঘটনা গভীরভাবে তদন্ত করছে এবং মানুষের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে।’

    বিবৃতিতে সরকার জানায়, নাশকতা বা অগ্নিসংযোগের কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ‘কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা উসকানির মাধ্যমে জনজীবন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করার সুযোগ দেওয়া হবে না।’

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই—যদি এসব অগ্নিকাণ্ড নাশকতা হিসেবে প্রমাণিত হয় এবং এর উদ্দেশ্য হয় জনমনে আতঙ্ক বা বিভাজন সৃষ্টি করা, তবে তারা কেবল তখনই সফল হবে, যখন আমরা ভয়কে আমাদের বিবেচনা ও দৃঢ়তার ওপর প্রাধান্য দিতে দেব।’

    অন্তর্বর্তী সরকার মনে করে, বাংলাদেশ অতীতেও বহু কঠিন সময় অতিক্রম করেছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা ঐক্য, সংযম ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে আমাদের গণতন্ত্রের উত্তরণের পথে যেকোনো হুমকির মোকাবিলা করব। আমাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’

    সূত্রঃ বাসস

  • ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় ৬.৫ মাত্রার ভূমিকম্প

    ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়ায় ৬.৫ মাত্রার ভূমিকম্প

    ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় পাপুয়া প্রদেশে বৃহস্পতিবার ৬.৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে, এই ঘটনায় সুনামির কোনও সতর্কতা বা তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ৪৮ মিনিটে আঘাত হানা ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল জয়াপুরা থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার (১২৫ মাইল) দূরে ও ৩৫ কিলোমিটার গভীরে।

    সূত্রঃ বাসস

  • এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫৮.৮৩

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫৮.৮৩

    ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে।

    এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে মোট ৭ লাখ ২৬ হাজার ৯৬০ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে।

    এ বছর পাসের গড় হার ৫৮.৮৩ শতাংশ। জিপিএ ৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৬৯ হাজার ৯৭ জন।

    আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় প্রতিটি শিক্ষা বোর্ড একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে।

    এ বছর দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৬১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

    এর মধ্যে ছাত্র ছিল ৬ লাখ ১১ হাজার ৪৪৬ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৬৪ জন। পাসের হার ৫৪.৬০ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩২ হাজার ৫৩ জন।

    অন্যদিকে, পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছাত্রীর সংখ্যা ৬ লাখ ২৪ হাজার ২১৫ জন। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৯৬ জন। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৭ হাজার ৪৪ জন। পাসের হার ৬২.৯৭ শতাংশ।

    এ বছর ছাত্রদের চেয়ে ৫৯ হাজার ২৩২ জন ছাত্রী বেশি পাস করেছে এবং ৪ হাজার ৯৯১ জন বেশি জিপিএ ৫ পেয়েছে।

    এবার ৮টি বিদেশ কেন্দ্রে ২৯১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৭৯ জন। পাসের হার ৯৫.৮৮ শতাংশ।

    ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১০ লাখ ৪৭ হাজার ২৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লাখ ৯৮ হাজার ১৬৬ জন। পাসের হার ৫৭.১২ শতাংশ। জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬৩ হাজার ২১৯ জন।

    এ বছর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬২ লাখ ৬০৯ হাজার জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৭৫.৬১ শতাংশ। এই বোর্ডে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪ হাজার ২৬৮ জন শিক্ষার্থী।

    কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৫ হাজার ৬১০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬৬ হাজার ১৮৫ জন। পাসের হার ৬২.৬৭ শতাংশ। মোট ১ হাজার ৬১০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছে।

    এ বছর ঢাক বোর্ডে পাসের হার ৬৪.৬২ শতাংশ, রাজশাহী বোর্ডে ৫৯.৪০ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ড ৪৮.৮৬ শতাংশ, যশোর বোর্ডে ৫০.২০ শতাংশ, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫২.৫৭ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৬২.৫৭ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫১.৮৬ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৭.৪৯ শতাংশ, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫১.৫৪ শতাংশ, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৫.৬১ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৬২.৬৭ শতাংশ।

    এ বছর ৩৪৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। আর ২০২টি প্রতিষ্ঠানে একজনও পাস করে নাই।

    ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২৬ জুন। শেষ হয় ১৯ আগস্ট।

    সূত্রঃ বাসস

  • আজ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ

    আজ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ

    এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আজ সকাল ১০টায় প্রকাশ করা হবে।

    বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল ১৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় প্রকাশ করা হবে।

    ফলাফল পাওয়া যাবে শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পরীক্ষা কেন্দ্র ও এসএমএস-এর মাধ্যমে।

    প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষা বোর্ডের সমন্বিত ওয়েবসাইটwww.educationboardresults.gov.bdএর ‘রেজাল্ট কর্নার’-এ ক্লিক করে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বর ব্যবহার করে ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবে।

    শিক্ষার্থীরাও নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাwww.educationboardresults.gov.bd নফ থেকে ফলাফল জানতে পারবে।

    এছাড়া, নির্ধারিত শর্টকোড ১৬২২২-এ এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাবে।

    সূত্রঃ বাসস

  • ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন

    ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন

    উপদেষ্টা পরিষদে ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫’ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ৯ অক্টোবর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটি অনুমোদন দেয়া হয়।

    ব্যক্তিগত উপাত্তের গোপনীয়তা, নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের নিশ্চয়তা বিধানের লক্ষ্যে ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ প্রণয়নের কার্যক্রম গ্রহণ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ।

    আজ শনিবার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, ডিজিটাল যুগে নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তির ন্যায্য ব্যবহার, এবং উদ্ভাবনের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির প্রয়োজনে এই অধ্যাদেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রস্তাবিত আইনটি কার্যকর হলে ব্যক্তিগত উপাত্তের সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, স্থানান্তর ও বিনষ্টকরণে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত হবে এবং ডিজিটাল অর্থনীতির টেকসই বিকাশে এটি সহায়ক হবে।

    ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ: মোট ৫৭টি ধারা সম্বলিত এই অধ্যাদেশে ব্যক্তিগত উপাত্তের মালিকানা স্বয়ং উপাত্তধারীর হাতে থাকবে, উপাত্ত সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে উপাত্তধারীর সম্মতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    শিশু বা সম্মতি দিতে অক্ষম ব্যক্তির উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণে পিতামাতা বা আইনগত অভিভাবকের অনুমতি প্রয়োজন হবে, উপাত্তধারী যে কোনো সময় তার সম্মতি প্রত্যাহার করতে পারবেন।

    এতে সংবেদনশীল ব্যক্তিগত উপাত্ত শর্তসাপেক্ষে প্রক্রিয়াকরণের বিধান রাখা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা, জনস্বার্থ, অপরাধ প্রতিরোধ, শিক্ষা ও গবেষণা ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রয়োজনে সম্মতি ব্যতিরেকে উপাত্ত ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।

    সরকার ব্যক্তিগত উপাত্তকে ৪টি শ্রেণিতে বিভাজন করেছে: (ক) উন্মুক্ত, (খ) অভ্যন্তরীণ, (গ) গোপনীয়, ও (ঘ) সীমাবদ্ধ।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অধ্যাদেশের বিধান লঙ্ঘন, অননুমোদিত প্রবেশ বা অপব্যবহারের ক্ষেত্রে দণ্ড ও প্রশাসনিক জরিমানা আরোপের বিধান রাখা হয়েছে।

    নির্ধারিত সময়ে স্বতন্ত্র উপাত্ত নিরীক্ষক কর্তৃক উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের অডিট সম্পাদনের বিধান রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় উপাত্ত বিনিময় ও সংযুক্তির সুযোগ রাখা হয়েছে।

    তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ বিশ্বাস করে, ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ বাস্তবায়িত হলে নাগরিকের গোপনীয়তা রক্ষা এবং তথ্যনির্ভর উদ্ভাবনে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

    সূত্রঃ বাসস

  • গাজায় ইসরাইলের গুলিবর্ষণ বন্ধ, বাসিন্দারা বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে

    গাজায় ইসরাইলের গুলিবর্ষণ বন্ধ, বাসিন্দারা বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে

    দুই বছরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় শুক্রবার গাজার হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত মানুষ তাদের বিধ্বস্ত ঘর-বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে।

    ইসরায়েলি বাহিনী ধীরে ধীরে তাদের অবস্থান থেকে সরে যাচ্ছে। ফলে, গাজা নগর ও আশপাশের এলাকাগুলোতে মানুষের ফিরে আসার ঢল নেমেছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    দুই বছরের নৃশংস যুদ্ধের পর গাজায় ইসরাইলের অবশিষ্ট জিম্মিদের পরিবারগুলোও আশা করছেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টায় সই হওয়া যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হবে।

    ট্রাম্প নিজেও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন যে যুদ্ধবিরতি ‘বহাল থাকবে’, তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ইসরাইল এবং হামাস ‘যুদ্ধে ক্লান্ত’ হয়ে পড়েছে।

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তি এবং জিম্মিদের ফিরিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতির জন্য’ তারা স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় (০৯০০ জিএমটি) গুলিবর্ষণ বন্ধ করে দিয়েছে।

    তিন ঘন্টা পর, পেন্টাগন নিশ্চিত করে যে ট্রাম্পের শান্তি পরিকল্পনায় উল্লেখিত প্রত্যাহারের প্রথম ধাপ ইসরাইল সম্পন্ন করেছে। ইসরাইলি বাহিনী এখনও ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের প্রায় ৫৩ শতাংশ দখলে রেখেছে।

    এই প্রত্যাহারের ফলে হামাসের জন্য একটি ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা শুরু হলো, যার মধ্যে তাদের গাজায় আটক থাকা বাকি জিম্মিদের মুক্তি দিতে হবে।

    এদিকে, ইসরাইল ২৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দীর তালিকা প্রকাশ করেছে যাদের মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

    গত ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরে হামাস ইসরাইলের ওপর হামলার মাধ্যমে সর্বশেষ সংঘাত শুরু করার পর থেকে আটক ১ হাজার ৭শ’ জনকে মুক্তি দিবে।

    যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর, ফিলিস্তিনিরা, যারা দুই বছর ধরে প্রচণ্ড বোমাবর্ষণ এবং জাতিসংঘের সতর্কতা

    অনুযায়ী দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতির মধ্যে ছিল, খান ইউনিস থেকে তাদের ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়ির দিকে যাত্রা শুরু করেছে।

    যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের বিশাল অংশ থেকে মৃতদেহ উদ্ধার শুরু করেছে।

    ইতালি জানিয়েছে, গাজা ও মিশরের মধ্যবর্তী রাফাহ সীমান্তে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১৪ অক্টোবর একটি পথচারী ক্রসিং পুনরায় চালু করবে।

    যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে, হামাস দুই বছর আগে ৭ অক্টোবরের হামলায় অপহৃত ২৫১ জন জিম্মির মধ্যে ৪৭ জন জীবিত এবং মৃতকে হস্তান্তর করবে।

    ২০১৪ সাল থেকে গাজায় আটক এক জিম্মির মরদেহও ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং জার্মানির নেতারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

    ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন যে তিনি সোমবার মিশরের এক সভায় ‘অনেক নেতা’র সঙ্গে বৈঠক করবেন। যেখানে ধ্বংসপ্রাপ্ত গাজা নিয়ে আলোচনা হবে এবং তিনি আত্মবিশ্বাসী যে যুদ্ধবিরতি মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক শান্তির দিকে নিয়ে যাবে।

    সূত্রঃ বাসস

  • দেশজুড়ে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা

    দেশজুড়ে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা

    রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে।

    আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এছাড়া, সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থার বিষয়ে বলা হয়েছে, মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ পূর্ব উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর কম সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

    গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহীতে ৩৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে বান্দরবানে ২২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    আজ ভোর ৬টা পর্যন্ত বিগত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে মাদারীপুরে ৮১ মিলিমিটার।

    আজ ভোর ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ। ঢাকায় বাতাস দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে।

    ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৫টা ৪০ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ৫৩ মিনিটে।

    সূত্রঃ বাসস

  • ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক অনুষ্ঠিত

    ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।

    বুধবার বেলা ১১টার দিকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

    বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক বিশেষ সহযোগী উপদেষ্টা কমিটির সদস্য শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

    সূত্রঃ বাসস