Author: বাসস

  • মঙ্গলবার বিকেলে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সে মন্ত্রিসভার শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি

    মঙ্গলবার বিকেলে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সে মন্ত্রিসভার শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি

    সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আগামী মঙ্গলবার বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার শপথবাক্য পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

    জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা (১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) বিকেলে বাসস-কে জানান, ‘নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে সকালে সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে।’

    তিনি আরো জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের দুই দিন পর শনিবার থেকে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং সংসদ সচিবালয়।

    বঙ্গভবনের একজন কর্মকর্তা বাসস-কে জানান, দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ভেঙে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম সিরাজ মিয়া শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন।

    বঙ্গভবনের ওই কর্মকর্তা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কাজ করছে।

    নিয়ম অনুসারে, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) শপথ গ্রহণের পর সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী বিএনপির সংসদীয় বোর্ডের একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে তাদের সংসদীয় নেতা নির্বাচন করা হবে।

    এরপর দলের নেতা রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করবেন এবং তাকে জানাবেন যে সংসদে দলটির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের জন্য আবেদন করবেন।

    রাষ্ট্রপতি সংসদ নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন, যিনি পরবর্তীতে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নির্বাচন করবেন।

    রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন প্রথমে প্রধানমন্ত্রীকে শপথ পাঠ করাবেন, এরপর মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের শপথ পাঠ করাবেন।

    সংবিধান অনুসারে, গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ গ্রহণ করতে হয়।

    শুক্রবার রাতে নির্বাচন কমিশন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২৯৭টির গেজেট প্রকাশ করেছে।

    এই নির্বাচনে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

    জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন নিয়ে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে। অন্যান্য দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছে।

    রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি সাধারণত বঙ্গভবনে নতুন সরকারকে শপথ পাঠ করান।

    সূত্রঃ বাসস

  • পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিমকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা

    পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিমকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা

    আসন্ন পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ বিশ্বের সকল মুসলিমকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।

    পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে আজ এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘রমজান মাস আত্মসংযম, ত্যাগ, সহমর্মিতা ও আত্মশুদ্ধির মাস। এই মহিমান্বিত মাসে সিয়াম, দান-সদকা ও ইবাদতের মাধ্যমে আত্মশুদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি সকলের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সম্প্রীতিসহ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, নৈকট্য লাভ ও ক্ষমা লাভের সুযোগ হয়।’

    পবিত্র মাহে রমজান আমাদের ব্যক্তি ও জাতির জীবনে অন্যায়, দুর্নীতি ও অবিচার পরিহার করে ন্যায় ও কল্যাণভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা দেয় উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এই মাস ইবাদত-বন্দেগির পাশাপাশি সত্যনিষ্ঠা, ন্যায়পরায়ণতা, সততা ও পারস্পরিক সহমর্মিতা চর্চার মাধ্যমে নৈতিকতা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয় এবং দরিদ্র ও বঞ্চিত মানুষদের প্রতি সকলের দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে।’

    পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভোগ-বিলাস ও হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন, মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে বেশি বেশি ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া, তওবা ও সৎকর্মে মনোনিবেশ করি, রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি। মহান আল্লাহ যেন আমাদের রোজা, নামাজ, দান-সদকা ও সকল নেক আমল কবুল করেন এবং আমাদের জীবনে মাহে রমজানের শিক্ষা কার্যকর করার তাওফিক দান করুন।’

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে ক্ষমা ও হেফাজত করুন এবং দেশ ও জাতিকে শান্তি ও সমৃদ্ধি দান করুন। আমিন।’

    সূত্রঃ বাসস

  • মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা

    মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য ও বিকেলে মন্ত্রিসভার শপথ: আইন উপদেষ্টা

    আগামী মঙ্গলবার সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ এবং একই দিন বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

    আজ রোববার আইন উপদেষ্টা সাংবাদিকদের জানান, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হবে।

    আসিফ নজরুল বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এই শপথ পরিচালনা করবেন বলে তিনি ধারণা করেন। তবে বিষয়টি নিশ্চিত করে পরে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের পরপরই বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে বিএনপি তাদের সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচন করবে।

    আইন উপদেষ্টা জানান, ঐতিহ্যগতভাবে বঙ্গভবনে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান হলেও এবার তা জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় (সাউথ প্লাজা) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে।

    আইন উপদেষ্টা বলেন, এখন পর্যন্ত যতটুকু জানি, রাষ্ট্রপতি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করাবেন।

    মন্ত্রিসভার শপথের জন্য দক্ষিণ প্লাজাকে বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে আসিফ নজরুল বলেন, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান এবং জুলাই ঘোষণা ও জুলাই সনদের মতো ঐতিহাসিক ঘটনাগুলোর সাথে সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ ও দক্ষিণ প্লাজা বিভিন্ন কারণে স্বরণীয়।

    এছাড়া প্রয়াত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও শহীদ ওসমান হাদির জানাজাসহ নানা কারণে স্মৃতিবিজড়িত এই স্থানটি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এসব বিষয় বিবেচনা করেই সেখানে হয়তো শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের বিষয়ে আইন উপদেষ্টা জানান, ‘কনভেনশন অনুযায়ী মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আমন্ত্রণের বিষয়টি দেখছে। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কিন্তু বিদেশি কোনো প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রিত কি না, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।’

    সূত্রঃ বাসস

  • তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে মিষ্টি পাঠিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    শনিবার সন্ধ্যায় দলের চেয়ারম্যানের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ফুল ও মিষ্টি গ্রহণ করেন বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন গুলশান কার্যালয়ের বিশেষ কর্মকর্তা মেহেদুল ইসলাম মেহেদী।

    সূত্রঃ বাসস

  • তিন নেতার হাতে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

    তিন নেতার হাতে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন বার্তা

    তিন রাজনৈতিকদলের শীর্ষ নেতার হাতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অভিনন্দন বার্তা পৌঁছে দেয়া হয়েছে। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাছে পৃথকভাবে এ বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।

    প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার একান্ত সচিব সজীব এম খায়রুল ইসলাম (১৪ ফেব্রুয়ারী) তিন নেতার হাতে এই বার্তা তুলে দেন।

    সূত্রঃ বাসস

  • তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ

    তারেক রহমান, শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার ফোনালাপ

    দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ করে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য তারেক রহমান, ডা. শফিকুর রহমান এবং নাহিদ ইসলামের প্রতি অভিনন্দন, ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    আজ শনিবার পৃথক টেলিফোন আলাপে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন।

    এ সময়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পরিমিতি, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণের ফলে নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।

    প্রথমে প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার দলের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানান।

    প্রধান উপদেষ্টা পরে শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামকে সাফল্যের জন্য এবং নির্বাচন পরবর্তী দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

    তিনি আশা প্রকাশ করেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক দলগুলো একইভাবে সহযোগিতাপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।

    সূত্রঃ বাসস

  • জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

    জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বার্তা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মর্যাদাপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

    শনিবার এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত আমিরকে বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীদের সক্রিয় ও ব্যাপক অংশগ্রহণ, দৃঢ় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পরবর্তীতে নির্বাচনের ফলাফলকে শান্ত ও মর্যাদাপূর্ণভাবে গ্রহণ করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

    তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচার পর্ব থেকে শুরু করে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী সময় পর্যন্ত আপনার রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংযম, দায়িত্বশীল বক্তব্য এবং কর্মীদের প্রতি শান্তিপূর্ণ আচরণের আহ্বান দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

    তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার দল যে গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করেছে, তার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি, প্রযুক্তিগত রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আমাদের সামনে বহু চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী, অংশগ্রহণমূলক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত করতে হলে সরকার ও বিরোধী দল- উভয়েরই দায়িত্বশীল ও নীতিনিষ্ঠ ভূমিকা অপরিহার্য।’

    তিনি বলেন, ‘আমি প্রত্যাশা করি, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল বিরোধী শক্তি হিসেবে জাতীয় সংসদ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। নীতিগত বিতর্ক, আইন প্রণয়নে পরামর্শ, জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে, এমনটাই আমাদের আকাঙ্ক্ষা।’

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য সুসংহত করতে আপনি অতীতে যে ভূমিকা রেখেছেন ভবিষ্যতের দিনগুলোতে তা অব্যাহত রাখবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি।’

    তিনি বলেন, ‘আমি মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে আপনার ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।’

    সূত্রঃ বাসস

  • উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

    উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

    সূত্রঃ বাসস

  • ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ২১ শতাংশ বৃদ্ধি

    ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ২১ শতাংশ বৃদ্ধি

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারির প্রথম ৭ দিনে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বার্ষিক ২১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।

    গত বছর একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার।

    চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসীরা ২০ হাজার ২২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ১৬ হাজার ৬১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

    সূত্রঃ বাসস

  • মোংলা বন্দরে ৫৭,৫০০ টন মার্কিন গম খালাস শুরু

    মোংলা বন্দরে ৫৭,৫০০ টন মার্কিন গম খালাস শুরু

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ৫৭ হাজার ৫০০ টন গম বহনকারী বাণিজ্যিক জাহাজ এমভি আল্ট্রা বাল্ক গতকাল মোংলা বন্দরে নোঙর করেছে। জাহাজটি সকালে বন্দরে প্রবেশ করে এবং গমের নমুনা পরীক্ষার পর বিকেলের শিফটে খালাস কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে ২৯ জানুয়ারি জাহাজটি বন্দরের ফেয়ারওয়ে বয়েতে অবস্থান করছিল।

    স্থানীয় শিপিং এজেন্ট সেভেন সিজের ব্যবস্থাপক মো. শামীম জানান, জাহাজটি গত বছরের ২১ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনের পোর্টল্যান্ড বন্দর থেকে মোংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পরে ২৯ জানুয়ারি নমুনা পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার আগে এটি ফেয়ারওয়ে বয়েতে নোঙর করে। নমুনা পরিষ্কারের পর আজ রবিবার বিকেলে (বি শিফট) গম খালাস শুরু হয়।

    মোংলা খাদ্য অফিসের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আবদুস সোবহান সরদার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে (জি টু জি) চুক্তির আওতায় গম আমদানি করা হচ্ছে। এই চুক্তির আওতায় মোট ৪ লাখ ৫০ হাজার টন গম মংলা বন্দর দিয়ে আমদানি করা হবে। বর্তমান চালানটি চুক্তির আওতায় চতুর্থ চালান।

    তিনি আরও বলেন, গত বছরের ২ নভেম্বর ২২ হাজার ৭৮০ টনের প্রথম চালান, ১৪ নভেম্বর দ্বিতীয় চালান এবং ৫ জানুয়ারি ২২ হাজার ৭৫৬ টনের তৃতীয় চালান এসে পৌঁছেছে।

    আমদানি করা গম প্রাথমিকভাবে সরকারি খাদ্য গুদাম মোংলা সাইলোতে সংরক্ষণ করা হয়। তারপর সারা দেশের বিভিন্ন জেলায় বিতরণ করা হয়।

    উল্লেখ্য, বাণিজ্য ঘাটতি মোকাবেলার জন্য, বাংলাদেশ সরকার গত বছরের জুলাই মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে।

    সূত্রঃ বাসস

  • প্লট বরাদ্দে জালিয়াতি: শেখ হাসিনার দশ বছর ও টিউলিপের চার বছরের কারাদণ্ড

    প্লট বরাদ্দে জালিয়াতি: শেখ হাসিনার দশ বছর ও টিউলিপের চার বছরের কারাদণ্ড

    রাজধানীর পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর পৃথক দুই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঁচ বছর করে দশ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    এই পৃথক দুই মামলায় শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকের দুই বছর করে চার বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

    আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।

    শেখ হাসিনা-টিউলিপের মামলার বিবরণে জানা যায়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক এস. এম. রাশেদুল হাসান।

    ওই মামলায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও শেখ হাসিনাসহ মোট ১৬ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে একই বছরের ১০ মার্চ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদক-এর সহকারী পরিচালক এস. এম. রাশেদুল হাসান ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

    এ মামলায় আদালতে ২৮ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন।

    শেখ হাসিনা-টিউলিপের আরেক মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদক-এর সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া।

    মামলায় টিউলিপ ও শেখ হাসিনাসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে গত বছরের ১০ মার্চ আরো দুই আসামিসহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন আফনান জান্নাত কেয়া।

    মামলার বিচার চলাকালে ৩১ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।

    সূত্রঃ বাসস

  • ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাই হবেন ব্যাংকের মালিক : নতুন অধ্যাদেশ জারি

    ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাই হবেন ব্যাংকের মালিক : নতুন অধ্যাদেশ জারি

    দেশের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমকে আরও সুসংহত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য বিমোচন এবং ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাদের মালিকানা নিশ্চিত করতে ‘মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

    নতুন এই আইনের ফলে এখন থেকে ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতারা কেবল গ্রাহক হিসেবেই নয়, বরং ব্যাংকের মালিক হিসেবেও অংশীদারিত্ব পাবেন।

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ বিভাগ থেকে গতকাল এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়।

    আজ বৃহস্পতিবার আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম এ তথ্য জানান।

    নতুন অধ্যাদেশ বলে দেশে ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনে গঠিত হবে ‘মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক’, যার অন্তত ৬০ শতাংশ মালিকানা থাকবে সাধারণ ঋণগ্রহীতাদের হাতে।

    একই সাথে এই বিশেষ আইনের মাধ্যমে ব্যাংকটিকে একটি ‘সামাজিক ব্যবসায়’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে, যেখানে ব্যক্তিগত লভ্যাংশের পরিবর্তে অর্জিত মুনাফা পুনরায় সামাজিক ও দারিদ্র্য বিমোচন খাতে ব্যয় করতে হবে।

    এই অধ্যাদেশ মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক অধ্যাদেশ, ২০২৬ নামে অভিহিত হবে।

    ব্যাংক প্রতিষ্ঠা ও মূলধন কাঠামো :

    ব্যাংক প্রতিষ্ঠা ও মূলধন বিষয়ে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের (লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ) নিকট থেকে লাইসেন্স গ্রহণ করে নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার জন্য এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা যাবে। ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৫০০ কোটি টাকা আর প্রারম্ভিক পরিশোধিত মূলধন হবে অন্যূন ২০০ কোটি টাকা।

    অধ্যাদেশ অনুযায়ী, এই ব্যাংকের অন্তত ৬০ শতাংশ মূলধন আসবে ঋণগ্রহীতা শেয়ারহোল্ডারদের কাছ থেকে। তবে দেশে গঠিত কোনো ‘মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংক’ স্টক এক্সচেঞ্জ ব্যবসায় তালিকাভুক্ত হতে পারবে না।

    পরিচালনা পর্ষদ যেমন থাকবে :

    পরিচালনা বোর্ডের কাঠামো বিষয়ে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, ব্যাংকের পরিচালনা বোর্ড হবে ৯ সদস্যের। এর মধ্যে ৪ জন পরিচালক ঋণগ্রহীতা শেয়ারহোল্ডারদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন। এছাড়া ৩ জন মনোনীত পরিচালক, ২ জন স্বতন্ত্র পরিচালক এবং ভোটাধিকারবিহীন একজন পদাধিকারবলে ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকবেন। কোনো পরিচালক একাদিক্রমে দুই মেয়াদের বেশি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

    অধ্যাদেশে এই ব্যাংককে একটি ‘সামাজিক ব্যবসায়’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। সামাজিক ব্যবসায় ও লভ্যাংশ নীতি বিষয়ে অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, বিনিয়োগকারীরা তাদের মূল বিনিয়োগের অতিরিক্ত অর্থ লভ্যাংশ হিসেবে পাবেন না। তবে সাধারণ ঋণগ্রহীতা শেয়ারহোল্ডারদের ক্ষেত্রে এই বিধিবিধান শিথিলযোগ্য রাখা হয়েছে, যাতে তারা বিনিয়োগের সুফল পেতে পারেন। অবশিষ্টাংশ নীট মুনাফা সামাজিক খাতে ব্যবহারের বিধান রাখা হয়েছে।

    এই ব্যাংকের প্রধান কার্যাবলী নিয়ে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, নতুন উদ্যোক্তাদের আত্ম-কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচনে ঋণ দেওয়া হবে; আমানত গ্রহণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ব্যবসায় বিনিয়োগের জন্য ‘উদ্যোগ মূলধন’ প্রদান; ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বিনা ফিতে কারিগরি ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান এবং শিল্প ও কৃষিজাত পণ্য, গবাদিপশু এবং যন্ত্রপাতির জন্য ঋণ সহায়তা দেওয়া হবে।

    ঋণ আদায় বিষয়ে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, খেলাপি ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে এই ব্যাংক ‘অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩’ অনুসরণ করতে পারবে। তবে ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে সামাজিক সংবেদনশীলতা রক্ষা করতে হবে এবং কোনো প্রকার জবরদস্তি বা অবমাননাকর পদ্ধতি অবলম্বন করা যাবে না।

    অধ্যাদেশে অনুযায়ী? বাংলাদেশ ব্যাংক এই ব্যাংকের লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করবে এবং প্রয়োজনে এর পরিচালনা বোর্ড বাতিল বা চেয়ারম্যান/পরিচালককে অপসারণের ক্ষমতা রাখবে।

    ব্যাংকের সকল কার্যক্রম ‘ব্যাংক-কোম্পানী আইন, ১৯৯১’ এবং ‘মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি আইন, ২০০৬’ এর সংশ্লিষ্ট বিধানাবলি দ্বারাও নিয়ন্ত্রিত হবে।

    দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকার প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই অধ্যাদেশটি কার্যকর করার তারিখ নির্ধারণ করবে বলে অধ্যাদেশে উল্লেখ রয়েছে।

    সূত্রঃ বাসস

  • শেরপুরে সহিংসতার ঘটনায় সরকারের নিন্দা: জড়িতদের আইনের আওতায় আনার ঘোষণা

    শেরপুরে সহিংসতার ঘটনায় সরকারের নিন্দা: জড়িতদের আইনের আওতায় আনার ঘোষণা

    শেরপুরে সংঘটিত সাম্প্রতিক সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর এক রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সরকার বলেছে, সহিংসতার ফলে প্রাণহানি সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য এবং অত্যন্ত দুঃখজনক।

    আজ বৃহস্পতিবার সকালে এক বিবৃতিতে সরকার জানায়, জাতীয় নির্বাচন আর মাত্র দুই সপ্তাহ দূরে। এমতাবস্থায় সরকার বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামসহ সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রদর্শন এবং তাদের সমর্থকদের মধ্যে সংযম নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণহানির কোনো স্থান নেই।

    সরকার আরও জানায়, শেরপুরে সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। একই সঙ্গে জেলার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    বিবৃতিতে সব রাজনৈতিক দল, নেতা এবং নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্ত সকলের প্রতি শান্তি বজায় রাখা, আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলক উপায়ে ভোটারদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    শান্ত পরিবেশ, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক আচরণের ওপরই জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল বলে এতে উল্লেখ করা হয়।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

    সূত্রঃ বাসস

  • ইউক্রেনের যাত্রীবাহী ট্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলা, নিহত ১২

    ইউক্রেনের যাত্রীবাহী ট্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলা, নিহত ১২

    রাশিয়া ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো এবং একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে মঙ্গলবার রাতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার ওই হামলায় ১২ জন নিহত এবং অনেকেই আহত হয়েছে বলে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

    প্রায় চার বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে উভয় পক্ষের আলোচকরা সরাসরি বৈঠক করার কয়েকদিন পর গতকাল মঙ্গলবার রাতে রাশিয়া ইউক্রেনে এই ড্রোন হামলা চালায়।
    খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

    ইউক্রেনের প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া সিভিরিদেঙ্কো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে জানান,

    ‘খারকিভ অঞ্চলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রায় ২০০ যাত্রী বহনকারী একটি ট্রেনের একটি বগিতে রাশিয়া ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাশিয়ার ওই ড্রোন হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছে।’

    ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি টেলিগ্রামে এক পোস্টে একটি ট্রেনের বগিতে বেসামরিক

    নাগরিকদের ওপর হামলাকে তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এর পেছনে কোনো সামরিক যুক্তি নেই এবং থাকতে পারে না। তিনি এই ঘটনাকে সন্ত্রাসবাদ হিসেবে উল্লেখ করে রাশিয়ার হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

    প্রসিকিউটররা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আগুনে জ্বলতে থাকা একটি বগির ছবি পোস্ট করেছে। আঞ্চলিক জরুরি পরিষেবাগুলো পরে জানায় যে, আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়েছে।

    আঞ্চলিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় ওডেসা শহরে ৫০টিরও বেশি রাশিয়ান ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত এবং ৩০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।

    ইউক্রেনের রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৃষ্ণ সাগরের এই শহরটিতে রাশিয়ান বাহিনী নিয়মিতভাবে হামলা চালিয়ে আসছে।

    আঞ্চলিক গভর্নর ওলেগ কিপার বলেন, একজন গর্ভবতী নারীসহ দুই জন নারী এবং দুই মেয়ে আহত হয়েছে।

    ঘটনাস্থলে উপস্থিত এএফপি-র এক সাংবাদিক জানান, তিনি একটি আবাসিক ভবনের ধসে পড়া সামনের অংশ এবং উদ্ধারকর্মীদের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ভুক্তভোগীদের খোঁজ করতে দেখেছেন।

    জেলেনস্কি বলেন, এই বোমাবর্ষণ শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং যুদ্ধ শেষ করতে মস্কোর ওপর চাপ বাড়ানোর জন্য মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    জেলেনস্কি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘এখনও চলমান এই ধরনের প্রতিটি রাশিয়ান হামলা কূটনীতিকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে এবং এই যুদ্ধের অবসানে সহায়তাকারী অংশীদারদের প্রচেষ্টাকে দুর্বল করে দিচ্ছে।’

    যুদ্ধের অবসান ঘটাতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত আলোচনার জন্য গত সপ্তাহে রাশিয়া ও ইউক্রেনের আলোচকরা সংযুক্ত আরব আমিরাতে বৈঠক করার পরও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর প্রাণঘাতী হামলা অব্যাহত রেখেছে রাশিয়া। এসব হামলায় তীব্র শীতের মধ্যে ইউক্রেনের বহু মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে।

    সূত্রঃ বাসস

  • নির্বাচনের সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখবে যুক্তরাষ্ট্র : ইসি সচিব

    নির্বাচনের সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রাখবে যুক্তরাষ্ট্র : ইসি সচিব

    নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন যে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গণভোট, ২০২৬ উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্যবেক্ষক না পাঠালেও নিজ উদ্যোগে, অনানুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন বিষয়ে সার্বিক খোঁজ খবর রাখবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

    আজ সকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনসহ চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দিনের এক বৈঠক চলাকালে এ আলোচনা হয়েছে বলে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ব্রিফিং করার সময় জানান তিনি।

    ইসি সচিব বলেন, তারা আমাদেরকে জানিয়েছেন যে নির্বাচন উপলক্ষে তাদের কোন পর্যবেক্ষক দল আসবে না। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্বাধীন একটা দল আসবে এবং মার্কিন দূতাবাস থেকে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনায় নিজ উদ্যোগে, নিজেদের মতো করে তারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণে যাবেন।

    তিনি আরো বলেন, তবে এটা আনুষ্ঠানিক কোনো পরিদর্শন নয়। তাঁরা এমনিতেই দেখতে যাবেন ভোটের অবস্থাটা কি। এ বিষয়ে আমাদের তাদের ইচ্ছাটা জানিয়েছেন এবং নির্বাচন কমিশন সাদরে তাদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।

    তিনি বলেন, বৈঠকে তারা ইলেকশনের সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। সার্বিক ব্যবস্থাপনার মধ্যে ওনাদের বেশি কৌতুহল ছিল পোস্টাল ব্যালট নিয়ে।

    নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ আরও বলেন, আমরা পোস্টাল ব্যালট এর বিষয়ে আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে তাদেরকে জানিয়েছি, সেইসঙ্গে নমুনা ব্যালট দেখিয়েছি। তারা বলেছেন যে এটা একটা জটিল, বেশ কষ্টসাধ্য একটা ব্যাপার। তবে তারা আমাদের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের সার্বিক সফলতা কামনা করেছেন।

    ইসি সচিব আরও বলেন, তারা জানতে চেয়েছিলেন যে কোড অফ কন্ডাক্ট এর বিষয়গুলো সম্পর্কে আমাদের সার্বিক প্রস্তুতি। আমরা তাদেরকে জানিয়েছি যে আমাদের ইলেক্টরাল ইনকোয়ারি কমিটি আছে কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সেল আছে। এখানে যারা কর্মরত আছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করে এই জিনিসগুলোকে সমন্বয় করা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, তারা এটাও জানতে চেয়েছিলেন যে আমরা আমাদের আইনশৃংখলা ব্যবস্থাপনা কি হতে যাচ্ছে। আমরা বলেছি যে আমরা প্রায় সাড়ে নয় আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মী বিভিন্ন স্তরে কাজ করবেন।

    এটা শুনে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

    ইসি সচিব বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আমাদের জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে সন্তুষ্ট। তারা একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে অত্যন্ত আশাবাদী।

    আজকের বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার— আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত), ইসি সচিব আখতার আহমেদ, মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ডেভিড মু ও রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ফিরোজ আহমেদ।

    সূত্রঃ বাসস

  • মিনিয়াপোলিসে গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারী: আইসিই’র বিরুদ্ধে অলিভিয়া ওয়াইল্ডের নিন্দা

    মিনিয়াপোলিসে গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারী: আইসিই’র বিরুদ্ধে অলিভিয়া ওয়াইল্ডের নিন্দা

    যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপোলিসে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে এক বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ার ঘটনায় ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)’র তীব্র সমালোচনা করেছেন অভিনেত্রী ও পরিচালক অলিভিয়া ওয়াইল্ড।

    শনিবার সানড্যান্স চলচ্চিত্র উৎসবে লালগালিচায় হাজির হয়ে তিনি এই সমালোচনা করেন।

    যুক্তরাষ্ট্রের পার্ক সিটি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

    উটাহ অঙ্গরাজ্যের পার্ক সিটিতে নিজের পরিচালিত ও অভিনীত চলচ্চিত্র ‘দ্য ইনভাইট’-এর প্রিমিয়ারে অংশ নিতে এসে ওয়াইল্ড বলেন, মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধানে ফেডারেল এজেন্টদের হাতে দ্বিতীয় বিক্ষোভকারীর মৃত্যু ‘অকল্পনীয়।’

    তিনি এএফপিকে বলেন, ‘রাস্তায় মানুষকে হত্যা হতে দেখা— এটা বিশ্বাসই করতে পারছি না।’

    এই অভিনেত্রী আরও বলেন, এই সাহসী আমেরিকানরা তথাকথিত আইসিই ‘অফিসারদের’ অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছেন। আর তাদের হত্যা হতে দেখছি।

    অভিনেত্রী ও পরিচালক অলিভিয়া বলেন, ‘এটা অকল্পনীয়। এটাকে স্বাভাবিক করে নেওয়া যায় না।’

    ৩৭ বছর বয়সী আইসিইউ নার্স অ্যালেক্স প্রেট্টিকে হত্যার পর ওয়াইল্ড এই মন্তব্য করলেন।

    ফেডারেল এজেন্টরা অ্যালেক্সকে একাধিকবার গুলি করে মাটিতে ফেলে দেওয়ার পর তিনি মারা যান।

    অ্যালেক্সের মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ আগেই ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের এক কর্মকর্তা ৩৭ বছর বয়সী রেনি গুডকে তার গাড়িতে গুলি করে হত্যা করেন।

    এ সময় ওয়াইল্ড ‘আইসিই আউট’ লেখা একটি ব্যাজ পরিহিত ছিলেন।

    অভিনেত্রী ও পরিচালক অলিভিয়া বলেন, মত প্রকাশের অধিকার প্রয়োগকারী মানুষের ওপর যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহিংসতা ‘আমেরিকান মূল্যবোধের পরিপন্থী।’ হয়তো এমন একটি সরকার আছে, যারা কোনোভাবে এর পক্ষে অজুহাত দাঁড় করাতে ও এটিকে বৈধতা দিতে চায়।

    সূত্রঃ বাসস

  • একনেক সভায় ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকার ২৫ প্রকল্প অনুমোদন

    একনেক সভায় ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকার ২৫ প্রকল্প অনুমোদন

    জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) আজ ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয় সম্বলিত ২৫টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে।

    এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১০ হাজার ৮৮১ কোটি ৪০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ৩২ হাজার ১৮ কোটি টাকা ৯ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২ হাজার ২৯১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।

    প্রধান উপদেষ্টা এবং একনেক চেয়ারপার্সন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে আজ পরিকল্পনা কমিশন চত্বরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প ১৪টি ও সংশোধিত প্রকল্প ৬টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি প্রকল্প ৫টি।

    পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ; অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ; পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন; খাদ্য এবং ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার; স্বরাষ্ট্র এবং কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানি সম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান; প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার; বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

    আজকের সভায় অনুমোদিত ২৫টি প্রকল্প হলো— সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) ‘রাঙ্গামাটি (মানিকছড়ি)-মহালছড়ি-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক (আর-১৬২) প্রশস্তকরণ ও যথাযথমানে উন্নীতকরণ’ প্রকল্প, (২) ‘মুন্সীগঞ্জ সড়ক বিভাগাধীন ৩টি আঞ্চলিক মহাসড়ক ও ১টি জেলা মহাসড়ক যথাযথমান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ প্রকল্প। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, চট্টগ্রাম শহরের লালখান বাজার হতে শাহ-আমানত বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বিদ্যমান রানওয়ে ও টেক্সিওয়ের শক্তিবৃদ্ধিকরণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, (২) ‘চট্টগ্রামস্থ পারকিতে পর্যটন সুবিধাদি প্রবর্তন (২য় সংশোধন) প্রকল্প। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) স্যানিটেশনে নারী উদ্যোক্তা প্রকল্প, (২) কুমিল্লা জেলার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প— (১) দেশের বিভিন্ন স্থানে ফাঁড়ি/তদন্ত কেন্দ্র, ক্যাম্প, নৌ-পুলিশ কেন্দ্র, রেলওয়ে পুলিশ থানা ও আউটপোস্ট, ট্যুরিস্ট পুলিশ সেন্টার এবং হাইওয়ে পুলিশের জন্য থানা/আউটপোস্ট নির্মাণ প্রকল্প, (২) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় নির্মাণ (১ম পর্যায়) প্রকল্প। বাংলাদেশ রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, দোহাজারী হয়ে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু হতে মিয়ানমারের নিকটে গুনদুম পর্যন্ত সিঙেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রকল্প (১ম সংশোধন) প্রকল্প। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) সিলেট টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন (২য় সংশোধিত) প্রকল্প, (২) সিলেট টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট স্থাপন (২য় সংশোধিত) প্রকল্প। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, বিদ্যালয় বহির্ভূত শিশুদের জন্য বিকল্প শিক্ষার সুযোগ প্রকল্প। স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) এস্টাবলিশমেন্ট অব অ্যা ১,০০০-বেড বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশীপ জেনারেল হসপিটাল টু প্রোভাইড অ্যাডভান্সড মেডিকেল সার্ভিসেস টু দ্য পিপল অব নর্দার্ন রিজিয়ন অ্যান্ড নেইবরিং কান্ট্রিজ প্রকল্প, (২) হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন সার্ভিসেস ইম্প্রুভমেন্ট অ্যান্ড সিস্টেম স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্ট প্রকল্প। কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) আশুগঞ্জ-পলাশ সবুজ প্রকল্প (২) স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রজেক্ট (এসএসিপি) (৩য় সংশোধন) প্রকল্প। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৬টি প্রকল্প, (১) পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার নদীসমূহের টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (১ম অংশ) প্রকল্প, (২) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় মহানন্দা নদী ড্রেজিং ও রাবার ড্যাম প্রকল্প, (৩) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পদ্মা নদীর উভয় তীর সংরক্ষণ (১ম অংশ) প্রকল্প, (৪) তেতুঁলিয়া নদীর ভাঙন হতে বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা রক্ষাকরণ প্রকল্প, (৫) শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার পদ্মা নদীর ডান তীরের ভাঙন হতে মাঝিরঘাট জিরো পয়েন্ট এলাকা রক্ষা (১ম সংশোধন) প্রকল্প, (৬) আড়িয়াল বিল এলাকার জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে পানি ও ভূমি সম্পদের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা প্রকল্প। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প— রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত) অনুমোদন করা হয়েছে।

    সভায় পরিকল্পনা উপদেষ্টা কর্তৃক ইতোমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত ১০টি প্রকল্প সর্ম্পকে একনেক সভায় অবহিত করা হয়। সেগুলো হলো—(১) নির্বাচিত ৯টি সরকারি কলেজের উন্নয়ন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, (২) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) এর উন্নয়ন-১ম পর্যায় (২য় সংশোধিত), (৩) সদর দপ্তর ও জেলা কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শক্তিশালীকরণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প, (৪) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান মহাকাশ ও অবলোকন কেন্দ্র (১ম সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের কাজ অসমাপ্ত রেখে সমাপ্তকরণ প্রকল্প, (৫) নভোথিয়েটার খুলনা স্থাপন (১ম সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের কাজ অসমাপ্ত রেখে সমাপ্তকরণ প্রকল্প (৬) সাপোর্টং পিইডিপি৫ প্রিপারেশন অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন রেডিনেস থ্রো লার্নিং এনহ্যান্সমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্সিলারেশন ইন প্রাইমারি এডুকেশন (এলইএপি বাংলাদেশ), (৭) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর-এর অ্যাম্বুলেন্স সেবা সম্প্রসারণ (ফেজ-২) (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, (৮) র‌যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর নির্মাণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, (৯) নড়াইল শহরাংশের জাতীয় মহাসড়ক (এন-৮০৬) প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন (১ম সংশোধিত), (১০) সৈয়দপুর ১৫০ মে. ও ৪+১০% সিম্পল সাইকেল (এইচএসডি ভিত্তিক) বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ (২য় সংশোধিত) এবং প্রকল্পের ১টি নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ-এর স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার পরিবর্তন হলো বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা।

    সূত্রঃ বাসস

  • মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে উড়িয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

    মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে উড়িয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

    প্রথমবারের মত আয়োজিত সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশীপে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। আজ আসরের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে বিধ্বস্ত করে শিরোপা জয় করেছে সাবিনা খাতুনের দল।

    শিরোপা জয়ে বাংলাদেশ দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।

    ছয় ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে সাত দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পয়েন্ট পেয়ে বাংলাদেশের নারী দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

    থাইল্যান্ডের হুয়া মাক ইনডোর স্টেডিয়ামে শিরোপা জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। তারই ধারাবাহিকতায় প্রথমার্ধে ৬-১ গোলে এগিয়ে যায় লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। অধিনায়ক সাবিনা খাতুন দুই অর্ধে দুটি করে চার গোল করেছেন। এছাড়া লিপি আক্তার করেছেন হ্যাটট্রিক।

    মাসুরা পারভীনের আত্মঘাতি গোলে ৪ মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। দুই মিনিট পর সাবিনার গোলে সমতায় ফিরে বাংলাদেশ। ১৪ মিনিটে সাবিনা বাংলাদেশকে ২-১ গোলে এগিয়ে দেন। এরপর অবশ্য বাংলাদেশকে আর পিছনে ফিরে তাকতে হয়নি। কৃষ্ণা রানী ও নওসন জাহানের সাথে লিপি আক্তরের দুই গোলে বাংলাদেশ ৬-১ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায়।

    দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ আরো লড়াকু মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামে। ২৩ মিনিটে সাবিনার গোল দিয়ে শুরু। এরপর সুমাইয়া, নিলুফা ইয়াসমিন নীলা, মেহেরুন আক্তরের এক গোলের পাশাপাশি লিপির তৃতীয়, কৃষ্ণার দ্বিতীয় গোলে বাংলাদেশের ব্যবধান বেড়েছে। ম্যাচের শেষ দিকে মাসুরা পারভীন আরো দুই গোল করেছেন। শেষভাগে মালদ্বীপের হয়ে মারিয়াম নুরা এক গোল দিয়েছেন।

    এর আগে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে ভারতকে ৩-১ গোলে হারিয়ে জয় দিয়ে আসর শুরু করে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও ভুটানের সঙ্গে ৩-৩ গোলে ড্র করে সাবিনার দল। তৃতীয় ম্যাচে নেপালকে ৩-০ গোলে এবং চতুর্থ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে ৬-৩ গোলে। পঞ্চম ম্যাচে পাকিস্তানকে ৯-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল বাংলাদেশ।

    সূত্রঃ বাসস

  • নির্বাচনী প্রচারণায় জনচলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে সভা-সমাবেশ নয় : ইসি

    নির্বাচনী প্রচারণায় জনচলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে সভা-সমাবেশ নয় : ইসি

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী, এই প্রচারণা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে সব ধরনের প্রচার কাজ সমাপ্ত করতে হবে।

    নির্বাচন কমিশনের ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫’-এর বিধি ৬ (ঙ) অনুযায়ী, জনগণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে এমন কোনো স্থান, সড়ক, মহাসড়ক ও জনপথে জনসভা, পথসভা বা কোনো ধরনের সমাবেশ করা যাবে না। একইভাবে, প্রার্থী বা দলের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তিও এ ধরনের সভা বা সমাবেশ করতে পারবেন না।

    বিধিমালার বিধি ৬ অনুযায়ী নির্বাচনি প্রচারণা সংক্রান্ত প্রধান নির্দেশনাগুলো হলো—

    প্রচারণার ক্ষেত্রে সব প্রার্থী সমান অধিকার পাবেন এবং প্রতিপক্ষের কোনো কর্মসূচিতে বাধা বা ভীতি প্রদর্শন করা যাবে না।

    কর্মসূচি সমন্বয় ও অনুমতি:
    প্রচারণা শুরুর আগে রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে তাদের বিস্তারিত কর্মসূচি প্রস্তাব আকারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতে হবে। একই সময়ে ও একই স্থানে একাধিক দল বা প্রার্থী কর্মসূচি পালন করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা সমন্বয় করবে। এছাড়া জনসভার দিন, সময় ও স্থান নিয়ে কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি নিতে হবে। আবেদনের ক্রম অনুযায়ী এই অনুমতি দেওয়া হবে এবং অনুমতির কপি স্থানীয় নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে। সভার কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা আগে স্থানীয় পুলিশকে বিষয়টি জানাতে হবে। এছাড়া একটি জনসভায় ৩টির বেশি মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহার করা যাবে না।

    পোস্টার, লিফলেট ও ব্যানারের বিধিনিষেধ:
    নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো প্রকার পোস্টার ব্যবহার করা যাবে না। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অপচনশীল দ্রব্য যেমন রেক্সিন, পলিথিন বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি কোনো প্রচারপত্র, লিফলেট বা ব্যানার ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়া অন্য সব প্রচার সামগ্রী (ব্যানার, লিফলেট, ফেস্টুন) অবশ্যই সাদা-কালো রঙের হতে হবে। ব্যানারের আকার সর্বোচ্চ ১০ ফুট বাই ৪ ফুট, লিফলেট এ-ফোর সাইজ এবং ফেস্টুন ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি হতে হবে। এসব সামগ্রীতে প্রার্থী নিজের ছবি ও প্রতীক ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি ব্যবহার করতে পারবেন না।

    যানবাহন ও স্থাপনায় নিষেধাজ্ঞা:
    কোনো দালান, দেয়াল, গাছ, বেড়া, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি বা সরকারি স্থাপনায় কোনো প্রকার লিফলেট বা ফেস্টুন লাগানো যাবে না।

    এছাড়া বাস, ট্রাক, ট্রেন, স্টিমার, লঞ্চ, রিকশা বা অটোরিকশাসহ কোনো যানবাহনেই প্রচারণা সামগ্রী সাঁটানো যাবে না।

    কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ডের ওপর অন্য কোনো প্রার্থীর প্রচারণা সামগ্রী টাঙানো যাবে না। একইসাথে এসব ফেস্টুন বা ব্যানারের কোনো প্রকার ক্ষতিসাধন, বিকৃতি বা বিনষ্ট করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

    মিছিল ও শোডাউন:
    নির্বাচনি প্রচারণায় বাস, ট্রাক, নৌযান বা মোটরসাইকেলসহ কোনো যান্ত্রিক বাহন নিয়ে মিছিল, জনসভা বা শোডাউন করা যাবে না। এমনকি যেকোন ধরনের মশাল মিছিলও নিষিদ্ধ। দলীয় প্রধান বা সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদার ব্যক্তিরা যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে পারলেও সেখান থেকে লিফলেট, ব্যানার বা অন্য কোনো প্রচার সামগ্রী প্রদর্শন, বিতরণ বা নিক্ষেপ করা যাবে না।

    তোরণ, ক্যাম্প ও দেয়াল লিখন:
    কোনো প্রকার গেইট বা তোরণ নির্মাণ করা যাবে না। চলাচলের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এমন কোনো ক্যাম্প বা স্থাপনা তৈরি করা নিষিদ্ধ। এছাড়া কোনো দেয়ালে লিখে বা ছবি এঁকেও নির্বাচনি প্রচারণা চালানো যাবে না।

    বিলবোর্ড ব্যবহারের শর্ত:
    প্রচারণায় বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে, তবে প্রচার অংশের আয়তন সর্বোচ্চ ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট হতে হবে। সংসদীয় আসনের প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা বা মেট্রোপলিটন ওয়ার্ডে একটি করে তবে পুরো নির্বাচনি এলাকায় সর্বোচ্চ ২০টির বেশি বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে না।

    আচরণ ও উপাসনালয়ের পবিত্রতা:
    প্রচারণাকালে ব্যক্তিগত কুৎসা রটনা, অশালীন ও আক্রমণাত্মক বক্তব্য বা চরিত্র হনন এবং লিঙ্গ, সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে এমন কোনো উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া যাবে না। মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা প্যাগোডাসহ কোনো ধর্মীয় উপাসনালয়, সরকারি অফিস বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো প্রচারণা চালানো যাবে না। এছাড়া ভোটারদের প্রভাবিত করতে কোনো প্রকার বলপ্রয়োগ বা অর্থ ব্যয় করা যাবে না।

    এছাড়া ভোটারদের প্রভাবিত করতে কোনো প্রকার বলপ্রয়োগ বা অর্থ ব্যয় করা যাবে না।

    ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও শান্তি রক্ষা:
    নির্বাচন উপলক্ষ্যে কোনো নাগরিকের জমি, ভবন বা অন্য কোনো স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির কোনো প্রকার ক্ষতিসাধন করা যাবে না। এছাড়া অনভিপ্রেত গোলযোগ ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণের মাধ্যমে কারও শান্তি বিনষ্ট করা যাবে না।

    সূত্রঃ বাসস

  • বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা আগামীকাল

    বিদ্যার দেবী সরস্বতী পূজা আগামীকাল

    আগামীকাল শুক্রবার বিদ্যার দেবী শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা। হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম এই ধর্মীয় উৎসবে পঞ্চমী তিথিতে বিদ্যা ও জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর চরণে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন অগণিত ভক্ত। অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করতে কল্যাণময়ী দেবীর চরণে প্রণতি (প্রণাম) জানাবেন তারা।

    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মতে, দেবী সরস্বতী সত্য, ন্যায় ও জ্ঞানালোকের প্রতীক। বিদ্যা, বাণী ও সুরের অধিষ্ঠাত্রী। ‘সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে/বিশ্বরূপে বিশালাক্ষী বিদ্যংদেহী নমোহস্তুতে’ সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এই মন্ত্র উচ্চারণ করে বিদ্যা ও জ্ঞান অর্জনের জন্য দেবী সরস্বতীর অর্চনা করবেন।

    সরস্বতী পূজা উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাণী দিয়েছেন।

    সরস্বতী পূজা উপলক্ষ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। হাজার বছর ধরে এ দেশে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকল ধর্মের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের সঙ্গে মিলেমিশে বসবাস করে আসছেন। এ দেশ আমাদের সকলের। ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়, বাংলাদেশ সকল মানুষের জন্য এক নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি।’

    সরস্বতী পূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায় বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা আগামীকাল বাণী অর্চনাসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পূজা ছাড়াও অন্য অনুষ্ঠানমালায় আছে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, প্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সন্ধ্যা আরতি, আলোকসজ্জা প্রভৃতি।

    পূজা উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। জগন্নাথ হলকে ঘিরে রয়েছে নানা আয়োজন। এ বছর জগন্নাথ হল প্রশাসনের কেন্দ্রীয় পূজাসহ মোট ৭৬টি মণ্ডপে সরস্বতী পূজার আয়োজন হচ্ছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৪টি বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা এ পুণ্য আয়োজনে অংশগ্রহণ করবেন। দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনে থাকবে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান, প্রসাদ বিতরণ, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও রক্তদান কর্মসূচি। এ ছাড়াও হলের অভ্যন্তরে দর্শনার্থী শিশু-কিশোরদের চিত্তবিনোদন উপযোগী বেশ কিছু রাইড, খেলনা ও বিশুদ্ধ খাবারের দোকানের ব্যবস্থ্য রাখা হচ্ছে।

    জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ দেবাশীষ পাল বাসস’কে এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন ও শিক্ষা), কোষাধ্যক্ষ ও প্রক্টরের সার্বক্ষণিক ও কার্যকর তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে জগন্নাথ হল প্রশাসন হল উপাসনালয় তথা কেন্দ্রীয় পূজামণ্ডপ থেকে শুরু করে সমগ্র হল প্রাঙ্গণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় লোকবল ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে আমাদের পাশে রয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), শাহবাগ থানা ও ফায়ার সার্ভিস।

    এ ছাড়াও ঢাকা রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশন, সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, শাঁখারী বাজার, তাঁতি বাজার, বনানী ও রমনা কালী মন্দিরসহ মণ্ডপে মণ্ডপে সরস্বতী পূজার আয়োজন করা হবে। সন্ধ্যা আরতি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। এ উপলক্ষে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। এই পূজাকে ঘিরে ঢাক-ঢোল-কাঁসর, শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠবে বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ।

    সূত্রঃ বাসস