Saturday , 16 August 2025 | [bangla_date]
  1. অন্যান্য খেলা
  2. অস্ট্রেলিয়া (ওশেনিয়া) মহাদেশ
  3. অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আফ্রিকা মহাদেশ
  7. ইউরোপ মহাদেশ
  8. উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
  9. এশিয়া মহাদেশ
  10. কৃষি
  11. ক্যাম্পাস
  12. ক্রিকেট
  13. খেলাধুলা
  14. গণমাধ্যম
  15. জাতীয়

শরীয়তপুরে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বাধায় নবজাতকের মৃত্যু

প্রতিবেদক
নিউজ ডেক্স
August 16, 2025 6:35 am

 সাইফুর রহমান লিওন, শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ

শরীয়তপুরে স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বাধায় ঢাকায় নেয়ার পথে প্রায় ৪০ মিনিট আটকে থেকে এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাতে শরীয়তপুর সদরের নিউ মেট্রো ক্লিনিকের সামনে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও নিহত শিশুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর এলাকার নূর হোসেন সরদারের স্ত্রী রুমা বেগম প্রসব বেদনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে নিউ মেট্রো ক্লিনিকে ভর্তি হন। সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন তিনি। জন্মের পর থেকেই নবজাতক শ্বাসকষ্ট ও ঠান্ডাজনিত সমস্যায় ভুগছিল। চিকিৎসক জরুরি ভিত্তিতে শিশুটিকে ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেন।

শিশুটির পরিবার দ্রুত একটি ঢাকাগামী অ্যাম্বুলেন্স পাঁচ হাজার টাকায় ভাড়া করে রওনা হয়। কিন্তু ক্লিনিকের সামনেই স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্স চালক সবুজ দেওয়ান ও আবু তাহের দেওয়ান গাড়ির গতিরোধ করেন। অভিযোগ রয়েছে, তারা নিজেদের সিন্ডিকেটভুক্ত গাড়ি ছাড়া অন্য কোনো অ্যাম্বুলেন্সকে ঢাকায় যেতে দেন না। এ সময় ঢাকাগামী অ্যাম্বুলেন্স চালক মোশারফ মিয়ার কাছ থেকে জোরপূর্বক চাবি কেড়ে নিয়ে তাকে লাঞ্ছিত করা হয়। রোগীর স্বজনদেরও মারধর করা হয়।

এ অবস্থায় অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়ে এবং প্রায় ৪০ মিনিট অ্যাম্বুলেন্সে আটকে থাকার পর নবজাতকটি মারা যায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত দুই চালকের বিরুদ্ধে ঢাকার অ্যাম্বুলেন্স চালকদের কাছ থেকেও চাঁদা আদায়ের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর তারা পালিয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শরীয়তপুরে একটি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। তারা বাইরের গাড়িকে রোগী বহনে বাধা দেয়, জোরপূর্বক নিজেদের গাড়িতে রোগী তুলতে বাধ্য করে এবং দ্বিগুণ ভাড়া আদায় করে থাকে। এ ধরনের বর্বরতা বন্ধ না হলে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন তারা।

নিহত শিশুর নানী সেফালী বেগম বলেন, “আমার নাতি ঢাকায় নিতে পারলে বাঁচত। ওরা আমার নাতিকে বাঁচতে দেয়নি। অনেক অনুরোধ করেছিলাম গাড়ি ছেড়ে দিতে, কিন্তু তারা শোনেনি। সিন্ডিকেটের জন্যই আমার নাতি মারা গেছে। আমি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।”

এ বিষয়ে পালং মডেল থানার ওসি হেলাল উদ্দিন বলেন, “ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ - আইন-আদালত

আপনার জন্য নির্বাচিত